বাধ্য হয়ে গীবত শুনলে গুনাহ হবে কি
প্রশ্ন (৩৮১৫) : আমি একবার আমার বন্ধুদের সাথে বসা ছিলাম। জনৈক বন্ধু এক ব্যক্তির নামে গীবত করছিল। আমি তাকে বারবার বাধা দিচ্ছিলাম। একপর্যায়ে তার সাথে ঝগড়া লেগে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয় তাই আমি চুপ করে যাই। কিন্তু সে গীবত করা চালিয়ে যেতেই থাকে। বিশেষ এক কারণে ঐ মজলিস থেকে উঠে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে তা শুনতে হয়। জানতে চাচ্ছি, এ কারণে কি আমার গুনাহ হবে?
প্রশ্ন
আমি একবার আমার বন্ধুদের সাথে বসা ছিলাম। জনৈক বন্ধু এক ব্যক্তির নামে গীবত করছিল। আমি তাকে বারবার বাধা দিচ্ছিলাম। একপর্যায়ে তার সাথে ঝগড়া লেগে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয় তাই আমি চুপ করে যাই। কিন্তু সে গীবত করা চালিয়ে যেতেই থাকে। বিশেষ এক কারণে ঐ মজলিস থেকে উঠে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে তা শুনতে হয়। জানতে চাচ্ছি, এ কারণে কি আমার গুনাহ হবে?
উত্তর
بسم الله الرحمٰن الرحيم. حامدا و مصليا و مسلما
বাধ্য হয়ে গীবত শোনার দ্বারা গুনাহ হবে না। এক্ষেত্রে আপনার দায়িত্ব ছিল তাকে বিরত রাখার চেষ্টা করা। আপনি তা করেছেনও। কারণ হাদিস শরিফে এসেছে,
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ
‘তোমাদের কেউ যদি অন্যায় কাজ দেখে, তাহলে সে যেন হাত দ্বারা এর সংশোধন করে দেয়। যদি এর ক্ষমতা না থাকে, তাহলে মুখের দ্বারা, যদি তাও সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তর দ্বারা (উক্ত কাজকে ঘৃণা করবে), আর এটাই ঈমানের নিম্নতম স্তর।’ [সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৩]
সুতরাং বাধ্য হওয়ার কারণে আপনার গুনাহ হবে না।
রদ্দুল মুহতার ৯/৫৮৮
আল্লাহ তা‘আলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
و الله تعالى أعلم بالصواب
وصلى الله تعالى على رسوله وعلى آله وسلم
উত্তর দিচ্ছেন:
ড. মুফতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী
সূত্র: https://www.drkhalilurrahman.com/10007/article-details.html
← পূর্ববর্তী
ফলের পোকা খাওয়া যাবে কি
পরবর্তী →