সালাত বা নামাজ

ইমামের বরাবর পিছনে মাসবুক থাকলে কি ইমাম সাহেবের জন্য ফজর ও আসরের নামাযে মুসল্লিদের দিকে মুখ করে বস…

প্রশ্ন (১৩৮৭৫) : আমি একটি মসজিদে ইমামতি করি। ফজর ও আসরের নামাযের সালাম ফিরানোর পর মাঝেমধ্যেই দেখি, পেছনের কাতারে মাঝ বরাবর মাসবুক ব্যক্তি নামায পড়ছে। তাই জানতে চাচ্ছি, এ অবস্থায় আমার জন্য মুসল্লিদের দিকে মুখ করে বসা কি ঠিক হবে?

তাশাহ্হুদের কোনো অংশ ছুটে গেলে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৬৪) : আসরের নামাযে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার সময় ভুলে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ছুটে যায়। এজন্য নামায শেষে আমি সাহু সিজদা আদায় করেছি। জানার বিষয় হল, ঐ অংশটুকু ছুটে যাওয়ার কারণে আমার উপর কি সাহু সিজদা ওয়াজিব ছিল? যদি ওয়াজিব না হয় তাহলে আমি সাহু সিজদা করার কারণে আমার নামায হয়েছে কি?

ইমাম সাহেব তাশাহ্হুদ শেষ করে দাঁড়িয়ে গেলে মুসল্লি কী করবে?

প্রশ্ন (১৩৮৫৩) : অনেক সময় এমন হয় যে, নামাযের প্রথম বৈঠকে ইমাম সাহেব তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়িয়ে গেছেন। কিন্তু আমার এখনো তাশাহ্হুদ পড়া শেষ হয়নি। এখন আমার করণীয় কী? তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়াব, নাকি তাশাহহুদ অপূর্ণ রেখেই ইমাম সাহেবের সাথে দাঁড়িয়ে যাব?

ফজরের নামাযে ইমাম সাহেব সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করার পর নামাযে শরিক হলে কি মুসল্লির উপর তিলা…

প্রশ্ন (১৩৮৪০) : আমি ফজরের নামাযের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি জামাত দাঁড়িয়ে গেছে। তাই আমি মসজিদের বারান্দায় সুন্নত পড়ছিলাম। ইমাম সাহেব সূরা ফাতিহার পর সূরা আলিফ-লাম-মীম সাজদা পড়েন। সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা আদায় করেন। আমি ইমাম সাহেবের সঙ্গে সিজদার আয়াতে শরিক হতে পারিনি। তবে ঐ রাকাতেই রুকুর আগে শরিক হয়েছি। জানার বিষয় হল, আমার কি পরবর্তীতে তিলাওয়াতে সিজদা আদায় করতে হবে?

কছর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৮৩৮) : আমি যে স্থানে চাকরি করি সেখান থেকে আমার বাড়ি শরীয়ত নির্ধারিত মুসাফিরের সীমার অনেক উপরে। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমি বাড়িতে যাওয়ার সময় এবং বাড়ি থেকে আসার সময় রাস্তায় কছর নামায পড়ব কি? যদি কছর পড়তে হয় তাহলে আমি আমার বাড়ি/চাকরিস্থলে পৌঁছার কতটুকু সীমানা পর্যন্ত কছর পড়ব?

নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর নামায আদায়ের পূর্বেই হায়েয শুরু হয়ে গেলে ঐ ওয়াক্তের নামায কি কাযা করতে…

প্রশ্ন (১৩৮৩৬) : কখনো দেখা যায়, নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর নামায আদায়ের পূর্বেই হায়েয চলে আসে। জানতে চাই, পরবর্তীতে ঐ ওয়াক্তের নামায কি কাযা করা জরুরি?

ফরয নামাযের তৃতীয় বা চতুর্থ রাকাতে ভুলে তাশাহ্হুদ পাঠ করলে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৩৩) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হলো, ফরয নামাযের তৃতীয় বা চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতেহার পর ভুলে তাশাহহুদ পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

বিতর নামাযে দুআ কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৮৩১) : গত রমযানে একদিন আমি বিতর নামায পড়াতে গিয়ে ভুলবশত দুআয়ে কুনূত না পড়ে রুকুতে চলে যাই। পেছন থেকে সাথে সাথে একজন লোকমা দিলে আমি তৎক্ষণাৎ উঠে দুআয়ে কুনূত পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা দেই। সালামের পর মুসল্লিদের কেউ কেউ বলল, সাহু সিজদা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ আমাদের দুআয়ে কুনূত ছুটেনি এবং রুকুতে গিয়েও তিন তাসবীহ পরিমাণ বিলম্ব হয়নি। হুজুরের কাছে জানতে চাই, তাদের কথা কি ঠিক? আমার জন্য কি সিজদায়ে সাহু করা ঠিক হয়েছে?

অতীতের কাযা নামায আদায় করার পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৮২৮) : ১৯৯৬ সালে আমি জন্মগ্রহণ করেছি ।(২০০৮ সালে) ১২ বছর বয়সে আমি বালেগা হয়েছি। (২০১৬ সাল) ২০ বছর বয়স থেকে আমি নিয়মিত নামায, রোযা, পর্দা করা শুরু করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে কত বছরের নামায, রোযা কাযা করতে হবে? নামায রোযা ব্যতীত অন্য কোনো ইবাদাত আছে কি যা আমাকে এখন কাযা করতে হবে? কাযা নামাযের নিয়ত ও কাযা রোযার নিয়ত কিভাবে করতে হবে?

কাযা নামায আদায়ের পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৮২৫) : আমি স্কুলে পড়ার সময় যোহর ও আসরের নামায আদায় করতে পারিনি। কারণ নামাযের সময় স্কুলে ক্লাস হত। এখন আমি সে সময়ের নামাযগুলো কাযা করছি। কিন্তু তখন কত ওয়াক্ত নামায পড়া হয়নি তা জানা নেই। তবে আমার মনে হচ্ছে, অনাদায়ী সব নামায আদায় হয়ে গেছে। আর আমার নামাযগুলো আদায়ের পদ্ধতি এই ছিল যে, যোহরের সময় মসজিদে গিয়ে যোহরের সুন্নত না পড়ে কাযা নামায পড়েছি। এখন আমার কোনো কাযা নামায বাকি আছে কিনা তা আমি সঠিক বলতে পারছি না। তাই এখন আমার জানার বিষয় হল, আমি কি যোহরের সুন্নত বাদ দিয়ে অনাদায়ী নামায কাযা করব, নাকি আমার নামায অনাদায়ী নেই ধরে নিয়ে যোহরের সুন্নত আদায় করব? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

তারাবীর নামায একসাথে চার রাকাত পড়ে ফেললে উক্ত নামাযের বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৮২০) : এই রমযানে আমাদের মসজিদে এক হাফেয সাহেব তারাবীর নামাযে ভুলে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যান এবং অতিরিক্ত দু রাকাত মিলিয়ে মোট চার রাকাত পড়ে সাহু সিজদার মাধ্যমে নামায শেষ করেন। নামায শেষে এ নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেয়। কেউ কেউ বলে যে, সাহু সিজদার দ্বারা চার রাকাতই তারাবী হিসেবে সহিহ হয়েছে। কেউ বলে যে, শুরুর দু রাকাত সহিহ হয়েছে, শেষের দু রাকাত নয়। আবার কেউ বলে, শেষের দু রাকাত তারাবী হিসেবে ধরা হবে। এখানে আসলে কোনটি সঠিক? দয়া করে মাসআলাটির সঠিক সমাধান জানিয়ে আমাদের বিবাদ নিরসন করবেন।

কেউ ঈদের নামাযে ইমাম সাহেবকে রুকুতে পেলে তার অতিরিক্ত তাকবীরের হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩৮১৮) : কোন ব্যক্তি যদি ঈদের নামাযের প্রথম বা দ্বিতীয় রাকাতের রুকুর মধ্যে শরীক হয় তাহলে সে তাকবীর কখন বলবে?

নামাযের সময় চুল বেঁধে রাখার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৮১৭) : আমি নামায সংক্রান্ত একটি বইয়ে পড়েছি যে, সিজদার সময় চুল বেঁধে রাখা মাকরূহ। আমার প্রশ্ন হল, এই বিধান কি নারী-পুরুষ সবার জন্য, না শুধু পুরুষের জন্য? জানালে খুশি হব।

অযু ছাড়া আযান দিলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৮১৩) : আমি একটি মসজিদের মুয়াযযিন। সাধারণত আযানের আগেই আমি নামাযের প্রস্তুতি সেরে নেই। তবে কখনো এমন হয় যে, অযু করার আগেই আযানের সময় হয়ে যায়। তাই জানতে চাই, অযু না থাকাবস্থায় আযান দেওয়ার হুকুম কী? এতে কি আমার গুনাহ হবে?