যাকাত ফান্ডের জন্য টাকা দান করার পর সেই টাকা অন্য কারো জন্য বন্টণ করা কি জায়েয আছে?
প্রশ্ন (১২০৬৪) : আমি একটি এতিমখানা মাদরাসার দায়িত্বে আছি। কিছুদিন আগে এক ব্যক্তি মাদরাসার অফিসের বিকাশ নাম্বারে কিছু টাকা পাঠিয়ে ফোন করে বলে দেন যে, তা আমি যাকাত ফান্ডের জন্য পাঠিয়েছি। এর কিছুদিন পর তিনি আবার অফিসে ফোন করে বলেন যে, আমি পুরো টাকা যাকাত ফান্ডের জন্য দেই নি; বরং এর থেকে এত (একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ) টাকা অমুক দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ফান্ডের জন্য আর এত টাকা অমুক হুজুরকে হাদিয়া আর অবশিষ্ট টাকা মাদরাসার যাকাত ফান্ডের জন্য দিয়েছি। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, দফতরের বিকাশ নাম্বারে যাকাতের জন্য টাকা পাঠানোর পর পূনরায় টাকাগুলো বণ্টন করা সহিহ হবে কি না?
প্রশ্ন
আমি একটি এতিমখানা মাদরাসার দায়িত্বে আছি। কিছুদিন আগে এক ব্যক্তি মাদরাসার অফিসের বিকাশ নাম্বারে কিছু টাকা পাঠিয়ে ফোন করে বলে দেন যে, তা আমি যাকাত ফান্ডের জন্য পাঠিয়েছি। এর কিছুদিন পর তিনি আবার অফিসে ফোন করে বলেন যে, আমি পুরো টাকা যাকাত ফান্ডের জন্য দেই নি; বরং এর থেকে এত (একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ) টাকা অমুক দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ফান্ডের জন্য আর এত টাকা অমুক হুজুরকে হাদিয়া আর অবশিষ্ট টাকা মাদরাসার যাকাত ফান্ডের জন্য দিয়েছি। হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, দফতরের বিকাশ নাম্বারে যাকাতের জন্য টাকা পাঠানোর পর পূনরায় টাকাগুলো বণ্টন করা সহিহ হবে কি না?
উত্তর
بسم الله الرحمن الرحيم
حامدا و مصليا و مسلما
প্রশ্নের বক্তব্য অনুযায়ী লোকটি যেহেতু প্রথমে যাকাত ফান্ডের জন্যই সরাসরি মাদরাসার একাউন্টে টাকা পাঠিয়েছেন। আর এধরনের মাদরাসার দায়িত্বশীল হচ্ছেন যাকাত গ্রহীতা দরিদ্রদের প্রতিনিধি, তাই ঐ একাউন্টে টাকা দেওয়ার সাথেসাথে তা গরীবদের মালিকানাধীন হয়ে যাকাত আদায় হয়ে গেছে। সুতরাং পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তির জন্য ঐ টাকার অংশ বিশেষ কাউকে দিতে বলার সুযোগ ও বৈধতা নেই। ঐ পুরো টাকা প্রতিষ্ঠানের গোরাবা ফান্ডের জন্যই থাকবে।
-আলবাহরুর রায়েক ১/২১০; রদ্দুল মুহতার ২/২৬৯; হাশিয়াতুত তাহতাবী আলাদ্দুর ১/২৯৪
আল্লাহ তা‘আলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
و الله تعالى أعلم بالصواب
وصلى الله تعالى على رسوله وعلى آله وسلم
উত্তর দিচ্ছেন:
ড. মুফতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী
সূত্র:https://www.drkhalilurrahman.com/?p=27416&preview=true
← পূর্ববর্তী
ওযু করার সময় ভুলে গলায় পানি ঢুকে গেলে কি রোযা ভেঙে যায়?
পরবর্তী →