সাহু সিজদা

তাশাহ্হুদের কোনো অংশ ছুটে গেলে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৬৪) : আসরের নামাযে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার সময় ভুলে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ছুটে যায়। এজন্য নামায শেষে আমি সাহু সিজদা আদায় করেছি। জানার বিষয় হল, ঐ অংশটুকু ছুটে যাওয়ার কারণে আমার উপর কি সাহু সিজদা ওয়াজিব ছিল? যদি ওয়াজিব না হয় তাহলে আমি সাহু সিজদা করার কারণে আমার নামায হয়েছে কি?

ফরয নামাযের তৃতীয় বা চতুর্থ রাকাতে ভুলে তাশাহ্হুদ পাঠ করলে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৩৩) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হলো, ফরয নামাযের তৃতীয় বা চতুর্থ রাকাতে সূরা ফাতেহার পর ভুলে তাশাহহুদ পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

বিতর নামাযে দুআ কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৮৩১) : গত রমযানে একদিন আমি বিতর নামায পড়াতে গিয়ে ভুলবশত দুআয়ে কুনূত না পড়ে রুকুতে চলে যাই। পেছন থেকে সাথে সাথে একজন লোকমা দিলে আমি তৎক্ষণাৎ উঠে দুআয়ে কুনূত পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা দেই। সালামের পর মুসল্লিদের কেউ কেউ বলল, সাহু সিজদা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কারণ আমাদের দুআয়ে কুনূত ছুটেনি এবং রুকুতে গিয়েও তিন তাসবীহ পরিমাণ বিলম্ব হয়নি। হুজুরের কাছে জানতে চাই, তাদের কথা কি ঠিক? আমার জন্য কি সিজদায়ে সাহু করা ঠিক হয়েছে?

তারাবীর নামায একসাথে চার রাকাত পড়ে ফেললে উক্ত নামাযের বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৮২০) : এই রমযানে আমাদের মসজিদে এক হাফেয সাহেব তারাবীর নামাযে ভুলে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যান এবং অতিরিক্ত দু রাকাত মিলিয়ে মোট চার রাকাত পড়ে সাহু সিজদার মাধ্যমে নামায শেষ করেন। নামায শেষে এ নিয়ে মুসল্লিদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেয়। কেউ কেউ বলে যে, সাহু সিজদার দ্বারা চার রাকাতই তারাবী হিসেবে সহিহ হয়েছে। কেউ বলে যে, শুরুর দু রাকাত সহিহ হয়েছে, শেষের দু রাকাত নয়। আবার কেউ বলে, শেষের দু রাকাত তারাবী হিসেবে ধরা হবে। এখানে আসলে কোনটি সঠিক? দয়া করে মাসআলাটির সঠিক সমাধান জানিয়ে আমাদের বিবাদ নিরসন করবেন।

ফরয নামাযের শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতিহার পর বিসমিল্লাহ পড়লে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৭৩৭) : চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামাযের শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতেহার পর ভুলে বিসমিল্লাহ পাঠ করলে কি সাহু সিজদা দিতে হবে?

মুক্তাদির ভুলের কারণে কি তার উপর সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৭২৯) : ইমামের পিছনে নামায পড়া অবস্থায় প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ার পর মুক্তাদি যদি ভুলে দরূদ শরীফ পড়ে ফেলে তাহলে উপর কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

নামাযের বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়লে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৭২২) : একদিন আমি আসরের নামায পড়ার সময় নামাযের প্রথম বৈঠকে তাশাহ্হুদের পরিবর্তে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। এরপর তাশাহ্হুদের কথা স্মরণ হলে তাশাহ্হুদ পড়ি এবং নামায শেষে সাহু সিজদা করি। এখন প্রশ্ন হল, আমার ঐ ভুলের কারণে সাহু সিজদা দেওয়া ঠিক হয়েছে কি?

নামাযে ভুলবশত একটি সিজদা ছুটে গেলে তার পরিবর্তে সাহু সিজদা দিলে কি উক্ত নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৬৯) : আমি একদিন যোহরের নামাযের প্রথম রাকাতে ভুলে শুধু একটি সিজদা করি। পরে নামাযেই ভুল স্মরণ হওয়ায় আমি সাহু সিজদা দিয়ে নামায শেষ করি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমার এ নামায কি সহিহ হয়েছে, নাকি তা আবার আদায় করতে হবে?

জুমার নামাযে কোনো ওয়াজিব বিধান ছুটে গেলে সাহু সিজদা না করার কোনো সুযোগ আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৬১৮) : আমি একজন ইমাম। গত শুক্রবার জুমার নামায পড়াতে গিয়ে ভুলে একটি ওয়াজিব ছুটে যায়। শুনেছি, জুমার নামাযে ভুলে ওয়াজিব ছুটে গেলে নাকি সাহু সিজদা না দিলেও হয়। তাই আমি সাহু সিজদা করিনি। মাসআলাটি কি ঠিক? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

প্রথম বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে গিয়ে লোকমা শুনে আবার বসলে কি নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৬০৭) : একদিন আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাযে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যান। পেছন থেকে মুয়াজ্জিন সাহেব লোকমা দিলে তিনি তাশাহহুদের জন্য বসে যান এবং নামায শেষে সাহু সিজদা দেন। সালাম ফিরানোর পর কয়েকজন মুসল্লি বললেন যে, নামায হয়নি। ইমাম সাহেব তাই পুনরায় নামায দোহরান। আমার প্রশ্ন হল, মুসল্লিতের কথা কি ঠিক? ইমাম সাহেবের নামায দোহরানো কি সঠিক হয়েছে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় হাত উঠানোর বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৬০৬) : এবার ঈদের নামাযে খতীব সাহেব অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় হাত উঠাননি। নামায শেষে কেউ কেউ বলেন, ঈদের তাকবীরে হাত না উঠালে নামায শুদ্ধ হয় না। আবার অনেকে বলেন, সাহু সিজদা করলে নামায শুদ্ধ হয়ে যেত। জানতে চাই, ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় হাত উঠানোর বিধান কী?

ইমামের পিছনে মুকতাদি কোনো ভুল করলে কি তার উপর সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৫৯৭) : ইমামের পিছনে নামায আদায় করার ক্ষেত্রে প্রথম বৈঠকে আমি মাঝেমধ্যে তাশাহহুদের পর দরূদ শরীফ ও দুআয়ে মাসূরাও পড়ে ফেলি। জানার বিষয় হল, ইমামের পেছনে থেকে আমার উক্ত ভুলের কারণে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

নামাযের কোনো রাকাতে তিনটি সিজদা আদায় করলে উক্ত নামায সহিহ হবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৬৬) : আমি গতকাল আসরের নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে ভুলে তিনটি সিজদাহ করে ফেলেছি। নামাযের শেষে সাহু সিজদাও করেছি। হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, সাহু সিজদা তো ওয়াজিব হয় নামাযের কোনো ওয়াজিব বিধানে ত্রুটি হলে। সিজদা আদায় যেহেতু ফরয তাই এতে ত্রুটির কারণে হয়ত আমার নামায কি ভেঙ্গে গেছে?

নামাযের মধ্যে রাকাত সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ তৈরী হলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৫৬১) : কয়েকদিন ধরে প্রায়ই নামাযের মধ্যে আমার রাকাত সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ হয়, আমি তিন রাকাত পড়লাম নাকি চার রাকাত। এ অবস্থায় আমি কীভাবে নামায আদায় করব? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

নামাযের বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৬০) : আমি ফজরের দুই রাকাত সুন্নতের বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। সূরা ফাতিহা শেষ করার পর আমার বৈঠকের কথা মনে হয়। পরে তাশাহহুদ পড়ে সাহু সিজদা আদায় করে নামায শেষ করি। এখন আমি জানতে চাই, নামাযের শেষ বৈঠকে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়লে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে কি?

চার রাকাত বিশিষ্ট নামাযের প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের পর ভুলে দরূদ শরিফ পড়লে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩৫৩৭) : গতকাল এশার নামাযে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব সাহু সিজদা করেন। নামাযের পর কয়েকজন মুসল্লি সাহু সিজদার ব্যাপরে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তিনি বলেন, প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের পর ভুলে দরূদ শরিফ পড়ে ফেলি। এই কারণে সাহু সিজদা করেছি। তখন একজন বলল, দরূদ তো নবী (সা.)-এর জন্য দুআ। এর কারণে তো সাহু সিজদা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। জানতে চাই, এক্ষেত্রে সঠিক মাসআলা কী?

তারাবীর নামাযে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত না করে সিজদা আদায় করলে কি নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৪৮৫) : তারাবীহ নামাযে প্রথম রাকাতে হাফেয সাহেব সিজদার আয়াত না পড়েই সিজদা দেন। সিজদা থেকে উঠে সিজদার আয়াতের পর থেকে শুরু করে যথানিয়মে দুই রাকাত শেষ করেন। অর্থাৎ সিজদার আয়াতটুকু পড়া হয় নাই। নামায শেষে সিজদার আয়াত ছুটে গেছে জানানো হলে তিনি পরের দুই রাকাতের প্রথম রাকাতে সিজদার আয়াত পড়ে সিজদা দেন। অতপর যথানিয়মে বাকি নামায শেষ করেন। এখন প্রশ্ন হল, প্রথম রাকাতে সিজদার আয়াত না পড়েই যেহেতু সিজদা দেওয়া হয়েছে তাই ঐ দুই রাকাত নামায সহিহ হয়েছে কি? সহিহ না হলে আমাদের করণীয় কী?

মাসবুক ব্যক্তি কি ইমামের সাথে সাহু সিজদা আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৪৮৩) : আমি আসরের নামাযের সময় চতুর্থ রাকাতে ইমামের সাথে শরিক হই। নামায শেষে ইমাম সাহেব সাহু সিজদা আদায় করেন। কিন্তু আমি সাহু সিজদা না দিয়ে বসে থাকি। কারণ আমি এক ব্যক্তির কাছে শুনেছিলাম, মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সাথে সাহু সিজদা দিবে না। কিন্তু নামায শেষে পাশের এক মুসল্লি বলল, মাসবুক ব্যক্তিও ইমামের সাথে সাহু সিজদায় শরিক হবে। অন্যথায় তার নামায সহিহ হবে না। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, সঠিক মাসআলা কোনটি? জানালে উপকৃত হব।

নামাযের কোনো রাকাতে ভুলে রুকু ছুটে গেলে কি উক্ত নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৪৫৩) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাযের প্রথম রাকাতে ভুলে রুকু না করেই সিজদায় চলে যান। পেছন থেকে তাকবীর বললেও তিনি উঠেননি। ফলে সবাই তার সাথে সিজদায় শরিক হয়ে যায়। পরে তিনি দ্বিতীয় রাকাতে দুটি রুকু করেন এবং চতুর্থ রাকাতের পর সাহু সিজদা করে নামায শেষ করেন। জানার বিষয় হল, আমাদের ঐ নামায কি সহিহ হয়েছে?