মিথ্যা ও গীবত

নামাজ না পড়লে রোজাদার কি ক্ষুধার্ত কুকুরের মত

প্রশ্ন (৪৪০৪) : একটি বইয়ে পড়লাম, ‘কোনো রোজাদার যদি নামাজ না পড়ে তাহলে সে ঐ ক্ষুধার্ত কুকুরের মত যে সারাদিন খাবারের জন্য ছুটলো কিন্তু খাবার পেল না’। উক্ত বইয়ে এটিকে হাদিস বলা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, এমন কি কোনো হাদিস আছে?

ভুয়া তালাকনামার কারণে তালাক হবে কি

প্রশ্ন (৪৩২১) : আমাদের এলাকার জনৈক ব্যক্তি বিবাহিত হওয়ার পরও দ্বিতীয় আরেকটি বিয়ে করার জন্য ভুয়া একটি তালাকনামা বানিয়েছে। তাতে লেখা রয়েছে যে, সে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। অথচ বাস্তবে সে তার স্ত্রীকে তালাক দেয়নি। জানতে চাচ্ছি, এই ভুয়া তালাকনামার কারণে তার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে কি?

মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলা যাবে কি

প্রশ্ন (৪২০২) : আমাদের বন্ধু সার্কেলের অনেককেই দেখি, অন্যকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলে। আমি কখনো বলিনি। জানতে চাচ্ছি, এভাবে মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা বলা বৈধ হবে কি?

এপ্রিল ফুল পালন বৈধ হবে কি

প্রশ্ন (৪১৮২) : বিশ্বব্যাপী এপ্রিল মাসের এক তারিখ এপ্রিল ফুল দিবস পালন করা হয়। একজন মুসলমান হিসেবে এই দিবস পালন করা যাবে কি?

কাল্পনিক শিক্ষনীয় ঘটনা লেখা যাবে কি

প্রশ্ন (৪১৪৭) : আমি একজন লেখক। আমি শরিয়তের বিভিন্ন ভালো দিকগুলো নিয়ে কাল্পনিক শিক্ষনীয় ঘটনা লিখে থাকি। আমার লেখার উদ্দেশ্য হল, মানুষ যেন এই গল্পগুলো পড়ে ভালো বিষয়গুলো গ্রহণ করতে পারে। আমার এক বন্ধু এতে আপত্তি তুলে। সে বলে এগুলো মিথ্যা। আর মিথ্যা শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। তাই এগুলো লেখা যাবে না। জানতে চাচ্ছি, কাল্পনিক শিক্ষনীয় ঘটনা লেখার বিধান কী?

পজিটিভ থিংকিং কি নিষেধ

প্রশ্ন (৪০৫১) : আমি একটি বিষয় পারি না। কিন্তু নিজের মাঝে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করার জন্য আমি মনে মনে এই কল্পনা করি যে, আমি কাজটি পারি। সে অনুযায়ী আমি চেষ্টাও করে যেতে থাকি। এটাকে পজিটিভ থিংকিং বলে। বাহ্যিকভাবে এটিকে মিথ্যা মনে হয়। কারণ আমি কাজটি না পেরেও মনে মনে কল্পনা করছি যে, আমি কাজটি পারি। জানতে চাচ্ছি, এই ধরণের পজিটিভ থিংকিং শরিয়তে বৈধ কি?

শরিয়ত বিরোধী কাজের কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে কি

প্রশ্ন (৩৯৩৩) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি প্রকাশ্য শরিয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত। এলাকার কোনো কোনো ব্যক্তি তাকে কাফের বলে থাকে। জানতে চাচ্ছি, শরিয়ত বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার কারণে তাকে কাফের বলা যাবে কি?

বেনামে গীবত করা যাবে কি

প্রশ্ন (৩৮১৭) : আমি শুনেছি, গীবত করা মারাত্মক পর্যায়ের কবীরা গুনাহ। জানতে চাচ্ছি, কেউ যদি নাম উল্লেখ না করে গীবত করে তাহলে গুনাহ হবে কি?

বাধ্য হয়ে গীবত শুনলে গুনাহ হবে কি

প্রশ্ন (৩৮১৫) : আমি একবার আমার বন্ধুদের সাথে বসা ছিলাম। জনৈক বন্ধু এক ব্যক্তির নামে গীবত করছিল। আমি তাকে বারবার বাধা দিচ্ছিলাম। একপর্যায়ে তার সাথে ঝগড়া লেগে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয় তাই আমি চুপ করে যাই। কিন্তু সে গীবত করা চালিয়ে যেতেই থাকে। বিশেষ এক কারণে ঐ মজলিস থেকে উঠে আসা আমার জন্য সম্ভব ছিল না। ফলে বাধ্য হয়ে তা শুনতে হয়। জানতে চাচ্ছি, এ কারণে কি আমার গুনাহ হবে?

মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে চাকরি নেওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (৩৬৫৯) : আমি একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক। উক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার জন্য যে কোয়ালিফিকেশন চাওয়া হয়েছিল তা থেকে আমার যোগ্যতা কিছুটা কম ছিল। তারপরও আমি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আবেদন করি। কিন্তু ঘটনাক্রমে আমি সেখানে মনোনীত হয়ে যাই। আমার সে সময় চাকরিটি খুবই প্রয়োজন ছিল। তাই এ কাজটি করতে বাধ্য হয়েছি। জানতে চাচ্ছি, আমার এ কাজটি কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হয়েছে? আমার প্রাপ্ত বেতন বৈধ হবে কি? উল্লেখ্য,

গীবত কাকে বলে

প্রশ্ন (৩৫৫১) : একজন আলেমের মুখে শুনলাম, গীবত করা শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। জানতে চাচ্ছি, গীবত কাকে বলে?

গীবতকারীর শাস্তি কী

প্রশ্ন (৩৪৫৩) : যারা মানুষের গীবত করে বেড়ায় তাদের জন্য বিশেষ কোনো শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছি কি?

গীবত করা থেকে বাঁচার জন্য করণীয় কী

প্রশ্ন (৩৪৫২) : আমি শুনেছি, শরিয়তের দৃষ্টিতে গীবত করা কবীরা গুনাহ। আমি সবসময় চেষ্টা করি মানুষের গীবত করা থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু তারপরও কখনো কখনো গীবত হয়ে যায়। প্রশ্ন হল, কারো গীবত করতে মনে চাইলে করণীয় কী?

কারো ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিষোদগার করা বৈধ কি

প্রশ্ন (৩৪৫১) : বর্তমানে দেখা যায়, কারো সাথে কারো ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থাকলে একে অপরকে ঘায়েল করার জন্য ব্যক্তিগত বা পারিবারিক জীবনের অপছন্দনীয় বিষয় জনসম্মুখে তুলে ধরে। প্রশ্ন হল, এ কাজটি কতটুকু শরিয়ত সম্মত?

ধর্মের নামে অপব্যাখ্যাকারীর দোষচর্চা করা যাবে কি

প্রশ্ন (৩৩৮১) : আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি ধর্মের নামে বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। এতে মানুষেরা বিভ্রান্তিতে পতিত হচ্ছে। দোষচর্চা ইসলামে হারাম জানি। প্রশ্ন হল, মানুষকে এই ব্যক্তির ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য তার দোষচর্চা করা যাবে কি?