কোন বস্তুর উপর যাকাত আবশ্যক হয়?
প্রশ্ন (১৩৭৯৩) : কোন কোন বস্তুর উপর যাকাত ওয়াজিব হয়? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৭৯৩) : কোন কোন বস্তুর উপর যাকাত ওয়াজিব হয়? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হবো।
প্রশ্ন (১৩৭৭৮) : আমার ফুফাতো ভাই আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান। তার বাবা ব্যাংক থেকে সুদী ঋণ নিয়ে বাড়ি করেছে ভাড়া দেওয়ার জন্য। ফুফাতো ভাই তার বাবাকে সুদী ঋণ নিতে নিষেধ করেও বিরত রাখতে পারেনি। তার বাবা বাড়ি তৈরি করার সময় তার থেকে বেশ কিছু টাকা ঋণ নিয়ে ঐ বাড়িতে কাজে লাগিয়েছে। এখন সে জানতে চাচ্ছে, ঐ বাড়ি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া সে গ্রহণ করতে পারবে কি? সে কি ঐ বাড়িতে থাকতে পারবে? আর তার বাবার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে সে বাড়ি থেকে অংশ পেলে তা কি সে গ্রহণ করতে পারবে? যদি তার জন্য টাকা নেওয়া বৈধ না হয় তাহলে তার যে টাকা বাড়িতে বিনিয়োগ করা হয়েছে তা কি সে নিয়ে নিতে পারবে? উত্তর জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৭৪৮) : আমি একটি কলেজে শিক্ষকতা করি। এই কলেজটি একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রভিডেন্ট ফান্ড-এর টাকা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ৫০% এবং চাকরিজীবীদের বেতন থেকে ৫০% ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। উক্ত টাকা চাকরি শেষে চাকরিজীবীদের প্রদান করার নিয়ম রয়েছে। বর্তমানে কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত ৫০% এর উপর এফ.ডি.আর. করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ টাকাও চাকরির শেষে মূল ও বর্ধিত অংশসহ চাকরিজীবীদেরকে প্রদান করা হবে। অতএব এ অবস্থায় উক্ত মূল ও বর্ধিত অংশ চাকরির শেষে গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩৬৪৩) : বর্তমান সময়ে আমাদের অনিচ্ছ্বা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে হয়। তাই কোন ধরণের ব্যাংকের সাথে লেনদেন করা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ? দলিল-প্রমাণসহ জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৬১০) : আমি হজ্বের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা করে রেখেছি। প্রায় তিন বছর যাবৎ এই টাকা আমার ব্যাংক একাউন্টে রাখা আছে। যাব যাব করে এখনো যাওয়া হয়নি। জানতে চাচ্ছি, এই টাকার উপর কি প্রতি বছর যাকাত দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৩৪৭৮) : আমাদের একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার আছে। আমি ও আমার বড় ভাই মিলে এটি পরিচালানা করি। আমাদের এখানে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন চাকরির আবেদন, বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে ভর্তি ইত্যাদি ফরম পূরণ করা হয়। আমি জানি, ব্যাংকে চাকরি করা জায়েয নয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমাদের জন্য কি অনলাইনের মাধ্যমে কোনো ব্যাংকে চাকরির আবেদন ফরম পূরণ করা জায়েয হবে? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১৩৩৮৭) : প্রচলিত ধারার ব্যাংকে চাকরি করা কি জায়েয?
প্রশ্ন (১৩৩৪০) : আমরা স্বামী-স্ত্রী উভয়ে ব্যাংকে চাকুরী করি। ব্যাংকে পরিশ্রমের বিনিময়ে আমাদেরকে বেতন দেওয়া হচ্ছে এবং অবসরের পর কয়েক লক্ষ টাকা পেনশন দেওয়া হবে। আমার প্রশ্ন হল, পরিশ্রমের মাধ্যমে উক্ত বেতন এবং পেনশন-এর টাকা আমাদের জন্য হালাল হচ্ছে কি?
প্রশ্ন (১৩২৮৭) : আমি একজন ব্যবসায়ী। আমাকে প্রতি বছর অনেক টাকা ইনকামট্যাক্স দিতে হয়। করের পরিমাণ কমানোর জন্য আয়কর রেয়াত পাওয়ার কয়েকটি অপশন আছে। তার মধ্যে ব্যাংকে ডিপিএস করা, সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা ইত্যাদি। সুদের লভ্যাংশ না নেয়ার নিয়তে কেবলমাত্র করের পরিমাণ কমানোর জন্য ব্যাংকে ডিপিএস করা অথবা সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা ঠিক হবে কি?
প্রশ্ন (১৩২৪০) : ব্যাংকে আমার পিতার কিছু টাকা ছিল। আমার পিতা ইন্তেকাল করার পর ব্যাংক ঐ টাকার সুদসহ হিসাব করে আমাদের নামে দিয়ে দিয়েছে। এখন এই টাকা আমাদের জন্য হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (১৩২১৯) : আমি হজ্বে যাওয়ার জন্য ব্যাংকে ৩ লক্ষ টাকা জমা করেছি। আমার ভিসার কাগজপত্রে সমস্যার কারণে এ বছর হজ্বে যাওয়া হয়নি। আগামী বছর যাওয়ার নিয়ত করেছি। আমার জানার বিষয় হল, বছর অতিবাহিত হলে হজ্বে যাওয়ার জন্য ব্যাংকে জমাকৃত টাকার যাকাত আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৩২০৭) : আমরা একটি ইসলামী ব্যাংকের সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে আড়াই লক্ষ টাকার মেশিন কিনে দিবে। আর আমরা ব্যাংককে দুইলক্ষ আশি হাজার টাকা দিব। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সরাসরি আমাদেরকে মেশিন দামদর করে কিনে দেয়নি। বরং আমরাই মেশিন বিক্রেতার সাথে দামদর করেছি। আর ব্যাংক থেকে সরাসরি টাকা আমাদের হাতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা যখন ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে মেশিন বিক্রেতার কাছে যাই তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ থেকে একজন লোক আমাদের সাথে গিয়েছিল। মেশিন বিক্রেতার কাছে যাওয়ার পর ব্যাংক থেকে যে লোকটি আমাদের সাথে গিয়েছিল আমরা তার হাতে টাকা দেই আর তিনি মেশিন বিক্রেতাকে টাকা দেন। কিন্তু তিনি মেশিন বুঝে নিয়ে তা আমাদের হস্তান্তর করেননি। এখন আমরা জানতে চাচ্ছি, এভাবে লেনদেন করা বৈধ হয়েছে কি? বৈধ না হয়ে থাকলে এখন আমাদের কারণীয় কী?
প্রশ্ন (১৩১৮৪) : সন্তান যদি ব্যাংকে চাকরী করে তবে কি সন্তানের বেতনের টাকায় তার বাবা-মা হজ্ব করতে পারবে? জানালে কৃতজ্ঞ হব।
প্রশ্ন (১৩১৭৬) : আমি একটা টিউশনির প্রস্তাব পেয়েছি। যে ছেলেকে পড়াতে হবে তার বাবা একটি সুদি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। আমার জানামতে এ চাকুরী ছাড়া তার অন্য কোনো আয় নেই। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন, এ টিউশনি করা জায়েয হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি। হুজুরের কাছে জানতে চাই, আমি যদি সেখানে টিউশনি করে শুধু টিউশন ফি গ্রহণ করি; বোনাস গিফ্ট ইত্যাদি গ্রহণ না করি তাহলেও কি আমার জন্য এই টিউশনি করা জায়েয হবে না?
প্রশ্ন (১২৯১৪) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি ব্যাংকে বড় একটি পদে চাকরি করে । সে তার চাকরির টাকা দিয়ে এলাকায় বেশ কিছু জমি কিনে রেখেছে। এছাড়া তার অন্য কোনো আয় নেই। এই জমিগুলো সে অর্ধার্ধি হারে ফসল বণ্টনের শর্তে বর্গা দিয়ে রেখেছে। আমি জানতে চাচ্ছি, তার কাছ থেকে জমি বর্গা নেওয়া জায়েয হবে কি না? যদি জায়েয না হয় তাহলে যারা ইতিপূর্বে তার থেকে জমি বর্গা নিয়েছে তাদের কী করণীয়? দয়া করে জানাবেন।
প্রশ্ন (১২৮৮৬) : ব্যাংকে চাকরি করে এমন ব্যাক্তির সাথে ভাগে কুরবানি দিলে কি উক্ত কুরবানি সহিহ হবে?
প্রশ্ন (১২৮৬৭) : আমি একজন আলেমের কাছে জানতে পেরেছি যে, ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা হারাম। ছেলে ব্যাংকে চাকরি করে। তাই তার উপার্জন দ্বারা মা-বাবা হজ্ব করতে পারবেন না। এই উত্তর থেকে আমার মনে সংশয় এসেছে যে- ১. বিভিন্ন বিধর্মী বিদেশী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানী করে থাকে। তারা সুদকে হারাম মনে করে না। ব্যাংক থেকে সুদী লোন নিয়ে থাকে এবং ব্যাংক থেকে সুদ দেওয়া হলে তাও গ্রহণ করে। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসাবে বাংলাদেশে তাদের অফিসে কাজ পরিচালনা করে থাকি। এক্ষেত্রে আমার কাজ পোষাকশিল্প নিয়েই। প্রস্তুত করা থেকে নিয়ে শিপমেন্ট পর্যন্ত সকল কাজের পরিচালনা আমার দায়িত্বে। তো এ বাবদ তারা যে বিনিময় প্রদান করে থাকে তা গ্রহণ করা হালাল না হারাম? ২. আমার এক দ্বীনী ভাইয়েরও প্রশ্ন হল, উপরোক্ত কোম্পানী ও এধরনের প্রতিষ্ঠানের আমদানীকৃত পণ্য সে এদেশ থেকে বিদেশে পরিবহন করে থাকে। এ বাবদ তাদের থেকে প্রাপ্ত টাকা হালাল না হারাম। তার পরিবহন সংক্রান্ত কার্যাদিও বৈধ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তার পরিবহন খরচ পরিশোধ করছে তো উক্ত ইহুদী-খ্রিস্টানদের কোম্পানী, যারা সুদী লোন নেয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুদ গ্রহণও করে। এ কারণে আমাদের বেতন ও পারিশ্রমিক অবৈধ গণ্য হবে কি না?
প্রশ্ন (১২৭৮১) : আমার এক বন্ধু একটি সুদী ব্যাংকে প্রায় ১০ বছর যাবৎ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করেছে এবং ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত বেতন-বোনাস দিয়ে গাড়ি-বাড়ি করেছে। পরবর্তীতে একসময় ‘সুদী ব্যাংকে চাকরি করা বৈধ নয়’ এ মাসআলা জানার পর সুদী কারবারের সাথে জড়িত থাকার কারণে তার মাঝে অনুশোচনা জাগে। ফলে ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন অন্য একটি চাকরিতে যোগদান করেছে। এখন সে জানতে চাচ্ছে, আগের চাকরির বেতন-বোনাস দিয়ে যে গাড়ি-বাড়ি করেছে তার জন্য বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয়ে থাকে তাহলে তার এখন করণীয় কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
প্রশ্ন (১২৭৫৩) : আমি এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেছি যে , হুযুর আমি ব্যাংকে ৫ লক্ষ টাকা রেখেছি। এখন তা বেড়ে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। আমি এখন এইসব টাকা কীভাবে উঠাতে পারি? উদ্দেশ্য ছিল বৈধ কোনো পথ বলে দেওয়া। উত্তরে সে আলেম তাকে বললেন, আপনি ব্যাংক থেকে ৪ লক্ষ টাকা উঠাবেন। আর বাকি ১ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার যে ডলার হয় তা উঠাবেন তাহলে জায়েয হয়ে যাবে। অতপর তিনি তার কথার পক্ষে দলিল হিসেবে বললেন, টাকা এবং ডলারের মাঝে কমবেশ করা জায়েয। যেমন সোনা-রূপার মাঝে কমবেশ করা জায়েয। এখন আমার প্রশ্ন হল, তার কথা ঠিক কি না? এবং এভাবে টাকার পরিবর্তে ডলার উঠালে বৈধ হবে কি না?
প্রশ্ন (১২৭৩৩) : কোনো ব্যক্তি ব্যাংকে তার জমাকৃত টাকার উপর বছরে ২০০০ টাকা সুদ/মুনাফা পেল। ব্যাংক তার বিভিন্ন চার্জ বাবদ বছরে ১০০০ টাকা কেটে রাখল। এখন গরীবদেরকে দেওয়ার সময় মোট ২০০০ টাকা দিতে হবে নাকি ১০০০ টাকা দিতে হবে?