সুদী ব্যাংকে একাউন্ট খোলা জায়েয আছে কি?
প্রশ্ন (১২৬৮৬) : সুদী ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খুললে মাসে মাসে সুদ জমা হয় বলে তা হারাম। এখন কেউ যদি সুদের টাকা নিয়ে ভোগ না করে দরিদ্রদেরকে সদকা করার নিয়তে সঞ্চয়ী হিসাব খোলে তাহলে কি তার জন্য তা জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১২৬৮৬) : সুদী ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খুললে মাসে মাসে সুদ জমা হয় বলে তা হারাম। এখন কেউ যদি সুদের টাকা নিয়ে ভোগ না করে দরিদ্রদেরকে সদকা করার নিয়তে সঞ্চয়ী হিসাব খোলে তাহলে কি তার জন্য তা জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১২৬৮১) : আমি একজন ইউরোপ প্রবাসী। সেখানে আমি একটি কোম্পানীর অধীনে শ্রমিক হিসাবে কাজ করি। অধিকাংশ সময় আমাকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেই কাজ করতে হয়। তাই অনেক সময় বিভিন্ন ব্যাংকের নতুন শাখার ইলেকট্রিকের পুরো কাজও করে থাকি। সেখানে এটিএম বুথ ও কম্পিউটারের ফিটিংসহ যাবতীয় ইলেকট্রিকের কাজও করতে হয়। তাই জানার বিষয় হল; সুদী ব্যাংকে শ্রমিক হিসাবে ইলেকট্রিকের কাজ করা কি শরীয়তসম্মত? এবং এর দ্বারা উপার্জিত আয়ের হুকুম কী?
প্রশ্ন (১২৬৭০) : আমি ভার্সিটিতে পড়াশোনা করি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করি। টিউশনি থেকে প্রাপ্ত টাকার একটা অংশ আমি ব্যাংকে জমা করি। এভাবে ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা হয়েছে। গত তিন মাস আগে আমার এক বন্ধুর একটি বিপদে সে টাকাগুলো তাকে ঋণ দিয়েছি। বর্তমানে আমার কাছে অতিরিক্ত কোনো সম্পদ নেই। আমি একজন হুজুরের কাছে শুনেছিলাম যে, কেউ যদি ৪০ হাজার টাকা বা সে পরিমাণ সম্পদের মালিক হয় তাহলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব। তার কাছে যদি নগদ টাকা না থাকে তাহলে কিছু সম্পদ বিক্রি করে বা ঋণ নিয়ে হলেও কুরবানী দিতে হবে। এখন আমার প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় আমার উপর কি কুরবানী ওয়াজিব হয়েছে? দ্রুত মাসআলাটির সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ হব।
প্রশ্ন (১২৬৬৮) : আমার বাবার ব্যাংক একাউন্টে দশ লাখ টাকা ছিল। কিছুদিন আগে তিনি মারা যান। আমার জানার বিষয় হলো, বাবার একাউন্টে থাকা এই টাকার উপর যে সুদ জমা হয়েছে তা কি আমরা মিরাছ হিসেবে নিতে পারব?
প্রশ্ন (১২৬২৬) : আমার বোনের জামাই ব্যাংক জব করে। উনি যদি কোন উপহার বা খাবার দেন ওগুলো নেওয়া জায়েয হবে কিনা?
প্রশ্ন (১২৫৮২) : অনেকে বলে থাকেন, এখন তো সকল চাকরিতেই ঘুষ দিতে হয় এবং কোনো প্রতিষ্ঠান বা কারবারই সুদমুক্ত নয়। তাহলে কি তার জন্য সবধরনের প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যাংক-বীমারও চাকরি করা বৈধ হবে?
প্রশ্ন (১২৫৭২) : এক ব্যক্তি ব্যাংকে চাকরি করার অবৈধতা সম্পর্কে না জেনে একটি বিদেশী ব্যাংকে চাকরি নেয়। ঐ চাকরি অবস্থায় চাকরি ও লোনের টাকা দিয়ে জায়গা-জমি খরিদ করেন, বাড়ি-ঘর নির্মাণ করেন এবং নিজ ছোট-বড় ভাই-বোনদেরকে সেসকল জায়গা-জমিতে অংশিদার করেন। দলীলে তাদের নামও লিখে দেন। ভাই-বোনদের বিয়ে-শাদীতেও খরচাদি করেন। মা-বাবার অনেক খেদমত করেন। অবশ্য চাকরির শেষ পর্যায়ে এ চাকরি অবৈধ জেনেও ঈমানী দুর্বলতার কারণে বা অপারগ মনে করে শেষ পর্যন্ত চাকরিরত থাকেন। উল্লেখ্য, লোকটি ব্যক্তিগতভাবে উদার, আমলদার ও আলেমভক্ত। এখন তার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কী? কীভাবে তিনি আখেরাতে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা তার দান গ্রহণ করেছেন বিশেষ করে ভাই-বোন, যারা মাসে/বছরে তার থেকে লেখা-পড়ার খরচ গ্রহণ করেছেন। বিভিন্ন কাজে তিনি তাদেরকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। (যার কোনো হিসাব রাখা হয়নি) এবং তিনি যে ভাই-বোনদেরকে জায়গাজমিতে অংশিদার করেছেন, ভাই-বোনদের এখন করণীয় কী? তাদের দায়মুক্ত ও বৈধ অধিকারী হওয়ারই বা কী উপায়?
প্রশ্ন (১২৫৪৮) : আমার কয়েকটি বিষয় জানার ছিল, ১. আমি বিগত সময় আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে সেভিংস একাউন্টে কিছু টাকা জমা রেখেছিলাম। যার লাভের হার ছিল ৪%। এই লাভের টাকা আমি কোনোদিনই ভোগ করিনি এবং কোনোদিন করবও না ইনশাআল্লাহ। এই লাভের টাকা দিয়ে বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসার টয়েলেট ও প্রস্রাব খানা তৈরি করার কাজে ব্যয় করা হয়। এখন অন্য ব্যাংকে যদি জমা রাখি তাহলে সেই ব্যাংক আমাকে ৫.৫% হারে লাভ দিবে। উল্লেখ থাকে যে, সেই টাকাও বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসার টয়লেট ও প্রস্রাব খানা তৈরি করার কাজে ব্যয় করা হবে। এখন জানাবেন যে, বেশি লাভের জন্য আমি অন্য ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে পারব কি না? ২. আমার ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোম্পানীর নামে একাধিক ব্যাংকে চলতি হিসাব বা কারেন্ট একাউন্ট চালু আছে এবং লেনদেন করছি। ঐসকল ব্যাংকগুলো তাদের ব্যাংকে লেনদেন করার কারণে বাৎসরিক সার্ভিস চার্জ বাবদ টাকা কেটে নেয়। আমি অন্য ব্যাংক থেকে যে সুদ বা লাভের টাকা পাব তা দিয়ে উক্ত সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করতে পারব কি না? ৩. আমার কোম্পানীর ওভেন, ডায়ার ও চুলা ব্যবহারের নতুন গ্যাস লাইন বর্ধিত করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি বাবদ ১০ লক্ষ টাকা তিতাস গ্যাস কোম্পানীকে দিতে হবে। উক্ত ব্যাংক গ্যারান্টির ১০ লক্ষ টাকা নগদ জমা দিলে আমাকে ২% হারে সুদ বা লাভ দিবে ব্যাংক এবং জামানতও দেওয়া হবে। আর যদি নগদ ৩ লক্ষ টাকা জামানত বাবদ জমা দেওয়া হয় তাহলে ব্যাংকে বছর শেষে আরো ছয় হাজার টাকা অতিরিক্ত সুদ দিতে হবে। এখন আমার জানার ইচ্ছা যে, উক্ত সুদ বা লাভের টাকা অন্য ব্যাংক একাউন্টের সুদ বা লাভের টাকা থেকে পরিশোধ করা যাবে কি না? মোটকথা হল, এক ব্যাংকের সুদ বা লাভের টাকা দিয়ে অন্য ব্যাংকের সুদ বা লাভের টাকা পরিশোধ করা যাবে কি না?
প্রশ্ন (১২৫২৯) : আমি শুনেছি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে চাকরি করা হারাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষেত্রেও কি একই বিধান? বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম অন্যান্য ব্যাংকের মত নয়। এরা কাউকে (ব্যক্তিগতভাবে) ঋণ দেয় না, আমানতও নেয় না। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দেয় অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কাজ ও প্রতিষ্ঠার কারণ দেশের আর্থিক ব্যবস্থা ঠিক রাখা ও ভারসাম্য রক্ষা করা। এক্ষেত্রে এখানে চাকরি করা কি হারাম হবে? যদি উত্তর দেয়া হয় তাহলে খুব উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৫২৮) : আমার আলআরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও এনআরসি ব্যাংকে সেভিং একাউন্টে কিছু টাকা জমা আছে। এই টাকা দিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, টি কে গ্রুপসহ অন্যান্য কোম্পানির নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী যেমন, আটা, ময়দা, চিনি, তৈল, ডালডা, ভুসি ইত্যাদি পণ্য দাম যখন কম থাকে তখন পণ্যগুলো কোম্পানি থেকে ক্রয় করা হয়। পণ্যের মূল্য তাদের ব্যাংক একাউন্টে নগদ জমা করা হয়। তারা পণ্য প্রদানের একটি তারিখ দিয়ে শুধু পণ্যের স্লিপ দিয়ে দেয়। এই স্লিপটিকে ব্যবসার ভাষায় ডিও বলা হয়। ডিও কিনে তাতে উল্লেখিত পণ্যসামগ্রী সংশ্লিষ্ট কোম্পানির গোডাউনে মজুদ রাখা হয়। কোনো পণ্যসামগ্রী আমি স্ব-চোখে দেখিও না এবং আমার গোডাউনেও আনি না, কেবলমাত্র কোম্পানীর দায়িত্বশীল প্রতিনিধির সাথে সরাসরি বা মোবাইলে কথা বলে পণ্যসামগ্রী কিনে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিলে কোম্পানি আমাকে ঐ ডিও লেটার দিয়ে দেয়, পরবর্তীতে উল্লেখিত পণ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি হলে, উক্ত ডিও লেটার কাগজটি অন্য আরেকজন ব্যবসায়ীর কাছে কিছু লাভ করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এই ধরনের ব্যবসা করা জায়েয কি না? এই ব্যবসা করা যাবে কি না? জানালে খুবই উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৪৭৮) : আমার একটি মুদি দোকান আছে। আর তা একটি ব্যাংকের পাশে। ব্যাংকের কর্মকর্তারাই এখানের সাধারণ ক্রেতা। তারা সারা মাস প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাকিতে নেয় এবং মাস শেষে বেতন পেয়ে মূল্য পরিশোধ করে। তাদের অন্য কোনো আয় আছে কিনা আমার জানা নেই। শুধু এতটুকু জানি যে, বেতন পাওয়ার পর তারা আমাদের ঋণ আদায় করে। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং মাস শেষে আমাদের ধারণামতে ব্যাংকের বেতন দিয়ে পণ্যের পরিশোধিত মূল্য গ্রহণ করা বৈধ হবে কি? যদি বৈধ না হয় তাহলে কীভাবে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করব? সুন্দর সমাধানে আপনাদের সুমর্জি কামনা করছি।
প্রশ্ন (১২৩৩২) : আমি বিকাশের একজন এজেন্ট। অনেকেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে আমার দোকানে আসে। কেউ ক্যাশ আউট করতে আসলে বিকাশ এজেন্টগণ সাধারণত প্রতি হাজারে খরচ বাবদ ২০ টাকা রাখে। অথচ কোম্পানীর পক্ষ থেকে নির্ধারিত চার্জ হল ১৮.৫০। এখানে এজেন্টগণ ১.৫০ অতিরিক্ত লাভ গ্রহণ করে। আবার কারো ক্যাশ আউটের পরিমাণ বেশি হলে তাকে সেন্ড মানি করতে বলা হয়। এখানেও খরচ হিসেবে প্রতি হাজারে ২০ টাকা করে রাখে। অথচ কোম্পানীর পক্ষ থেকে সেন্ড মানির জন্য নির্ধারিত চার্জ হল পাঁচ টাকা। এক্ষেত্রে ২০ টাকা পুরোটাই অতিরিক্ত গ্রহণ করে থাকে। আর বলে- আমাদের তো টাকা ওঠাতে এত টাকা খরচ হবে। তাই আপনার থেকে রাখলাম। এক্ষেত্রে অনেকেই পরবর্তীতে ক্যাশ আউট না করে অন্যভাবে উক্ত টাকা ব্যবহার করে থাকে। অতএব হুযুরের কাছে উক্ত কারবারদুটির শরয়ী বিধান জানতে চাচ্ছি।
প্রশ্ন (১২৩০৪) : আমি গাড়ি কেনার জন্য কয়েক বছর যাবৎ ব্যাংকে টাকা জমা করি। কিছুদিন আগে মূল জমা টাকা উঠিয়ে গাড়ি কিনে ফেলি। কিন্তু টাকাগুলো এতদিন ব্যাংকে থাকার কারণে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা সুদ আসে। জানার বিষয় হল, আমার কি এই দেড় লক্ষ টাকার যাকাত দিতে হবে?
প্রশ্ন (১২১৫৫) : আমি একটি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির এজেন্ট। আমি এখানে মানুষকে দিয়ে ডিপিএস করাই। কোম্পানি তা থেকে আমাকে কিছু কমিশন দেয়। আমার জানার বিষয় হল, এখান থেকে যে টাকা পাই তা কি হালাল হবে? আর যদি হালাল না হয়, তাহলে আমি কি এই টাকা মসজিদ-মাদরাসা বা অন্যান্য সেবামূলক কাজে খরচ করতে পারব? আমি কি চাকরিটা চালিয়ে যা পাই তা যদি এইভাবে ব্যয় করি, তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে কি আমি দায়মুক্ত থাকব। আর যাদেরকে দিয়ে ডিপিএস করাই তাদের কাছে কি দায়ী থাকব? কেননা ডিপিএস করার এক বছরের ভিতরে ভাঙলে ডিপিএসকারী কোনো টাকাই পাবে না। এমনকি এক বছর পরে ভাঙলেও ডিপিএসকারীর কিছু লস হয়। যদিও আমি গ্রাহকদেরকে এই বিষয়গুলো জানিয়ে ডিপিএস করিয়ে থাকি। তাই মুফতী সাহেবের কাছে আমার আকুল আবেদন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর শরীয়তের দলীল দ্বারা দিলে আমি অনেক উপকৃত হব এবং হারাম থেকে বাঁচতে পারব।
প্রশ্ন (১২১৫০) : আমি পেনশন পেয়েছি। টাকাটা উঠানোর পর তা দিয়ে জমি বন্ধক রাখতে পারছি না, আবার গরু কিনে বর্গাও দিতে পারছি না। কারণ, উভয়টাই নাকি নাজায়েয। আমি কি সংরক্ষণের জন্য টাকাটা ব্যাংকে রাখতে পারব? যদি রাখা যায় তাহলে কোন ধরনের হিসাবে রাখা জায়েয হবে? জানালে অনেক উপকার হয়।
প্রশ্ন (১২০৩৮) : কিছুদিন আগে একটি অনলাইন শপ অফার দিয়েছিল যে, একমাস পূর্বে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করলে ১৫ হাজার টাকা মূল্যের পণ্যে ২০% ডিসকাউন্ট দেবে। আর সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করলে আরো ৪৪% ডিসকাউন্ট দেবে। তাই আমি ১৫ হাজার টাকা দামের একটি মোবাইল ক্রয় করি। এবং সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪৪% ডিসকাউন্টের পর অগ্রিম ৮ হাজার চারশত টাকা পরিশোধ করি। কিন্তু ডেলিভারির দুই দিন পূর্বে তারা জানিয়েছে যে, দুঃখিত, আমরা আপনার মোবাইলটি কিনে দিতে পারলাম না। বাকি আপনি যেন মোবাইলটি কিনে নিতে পারেন এজন্য আমরা আপনাকে মোবাইলের মূল্য ১৫ হাজার টাকা দিয়ে দিচ্ছি। অবশ্য আপনি চাইলে ১৫ হাজার টাকা মূল্যের অন্য কোনো পণ্যও নিতে পারবেন। আমার জানার বিষয় হল : ক) এখন মোবাইল না নিয়ে মোবাইলের মূল্য ১৫ হাজার টাকা বা ১৫ হাজার টাকা মূল্যের অন্য কোনো পণ্য নেওয়া আমার জন্য বৈধ হবে কি না? খ) যদি পুরো টাকা নেওয়া বৈধ না হয় তাহলে সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করার কারণে যে ২৪% ডিসকাউন্ট পেয়েছি, তা নেওয়া বৈধ হবে কি না? যেহেতু এই ডিসকাউন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করার কারণে আমি পেয়েছি।
প্রশ্ন (১১৭৯০) : হেফাজতের জন্য ব্যাংকে টাকা রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১৭৮৯) : একজন আলেম বললেন, যদি টাকা পয়সা সংরক্ষণের কোন নিরাপদ পথ না থাকে, তাহলে ব্যাংকে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা রাখা জায়েজ আছে। কিন্তু বর্তমানে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলো কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে দেয় না। জানতে চাচ্ছি, সেক্ষেত্রে সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১৭২৩) : আমরা ইসলামী বা অনৈসলামী বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা রেখে থাকি। তো আমার জানার বিষয় হলো, এ সমস্ত ব্যাংকে টাকা রাখা কি জায়েয?
প্রশ্ন (১১৪৯৭) : ঢাকা এয়ারপোর্টের পাশে অবস্থিত কাওলা এলাকায় একটি মার্কেটে আমার দোকানের পজিশন আছে। বর্তমানে আমি তাতে ব্যবসা করছি। কিন্তু ব্যবসায় তেমন লাভ হচ্ছে না। তাই আমি তা ভাড়া দিয়ে দিতে চাচ্ছি। বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক ও জেনারেল ব্যাংক ভাড়া নেওয়ার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করছে। যেহেতু ব্যাংকগুলো সুদি লেনদেনের সাথে জড়িত তাই একজন মাওলানা সাহেবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, সুদি ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেওয়া তাকওয়ার খেলাফ আর ইসলামী ব্যাংকের কাছে ভাড়া দিলে কোনো সমস্যা নেই। আমার ভাই আলেম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ইসলামী ব্যাংকের কাছে ভাড়া না দিয়ে সাধারণ দোকান ভাড়া দিতে।কারণ এসলামী ব্যাংকও সুদি লেনদেন করে থাকে। এখন আমি বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি। সাধারণ ব্যাংক অথবা ইসলামী ব্যাংকের কাছে ভাড়া দেওয়া যাবে কি? মুফতী সাহেবের কাছে শরীয়তের আলোকে সমাধান চাচ্ছি।