অর্থনীতি ও অর্থব্যবস্থাপনা

গাড়ির ভাড়ার বিপরীতে অন্য গাড়ি ভাড়া দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩১১৯) : আমার মামার দুইটি পিকআপ আছে। আর আমার একটি বড় ট্রাক আছে। বর্তমানে আমার ব্যবসায়িক কাজের জন্য ছোট পিকআপের প্রয়োজন বেশি। বিভিন্ন জায়গায় মাল পাঠাতে ছোট পিকআপ বেশি সুবিধাজনক। আর আমার মামা বড় ট্রাক দিয়েও ভালো ইনকাম করতে পারবে। তাই আমি মাসিক হিসাবে আমার ট্রাক তাকে ভাড়া দিয়ে বিনিময়ে তার পিকআপ দুটি ভাড়ায় নিতে চাচ্ছি। অর্থাৎ যার যার মালিকানা বহাল থাকবে। তবে আমার ট্রাক চালিয়ে যা ইনকাম হবে তা সে নেবে। বিনিময়ে তার পিকআপ দুটি আমি ব্যবহার করব। শরীয়তের দৃষ্টিতে এভাবে চুক্তি করার বিধান কী?

যৌথ ব্যবসায় বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ সদকা করার শর্তে বিনিয়োগ গ্রহণ করা জায়ে…

প্রশ্ন (১৩১১০) : আমি একজন ব্যবসায়ী। আমি সবসময় ব্যবসার লাভের ২% মসজিদ-মাদরাসায় এবং ৩% গরিব-মিসকীনদের দান করে থাকি। বিভিন্ন সময় আমি অন্যদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে লাভ প্রদানের চুক্তিতে বিনিয়োগ গ্রহণ করে থাকি। তাদেরকেও বিষয়টি জানিয়ে দেই যে, মোট লাভ থেকে উক্ত অংশ বাদ দিয়েই লাভ বণ্টন হবে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করতে কোনো সমস্যা আছে কি?

যৌথ ব্যবসায় লাভ-লোকসানের হিসাব কিভাবে হবে?

প্রশ্ন (১৩০৯২) : আমি ও আমার বন্ধু মিলে দশ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি চালের আড়ত দিয়েছি। আমার পুঁজি চার লক্ষ টাকা আর বন্ধুর ছয় লক্ষ টাকা। ব্যবসা পরিচালনা আমি একাই করি। তাই তার সাথে আমার চুক্তি হয় যে, লাভের ৩৩% তার আর বাকিটা আমার। আর লোকসান হলে অর্ধেক সে বহন করবে আর বাকি অর্ধেক আমি। সে এতে রাজি হয়। প্রশ্ন হল, এভাবে চুক্তি করা কি বৈধ হয়েছে?

যৌথভাবে বাগান চাষ করার পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩০৭৯) : আমরা দুই ভাই মিলে একটি আম বাগান ক্রয় করেছি। চাকরি সুবাধে আমি ঢাকায় থাকি। তাই বাগানের দেখা-শোনা করতে পারি না। এজন্য আমি আমার ভাইয়ের সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছি যে, সে এটি দেখাশোনা করবে। যা খরচ হবে তা আমাদের সম্মিলিত বলে গণ্য হবে। আর মোট লাভ থেকে তাকে নিচের দুই পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে লাভ দেওয়া হবে। ১. ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত লাভ থেকে ২০% তাকে দিয়ে বাকিটা আমরা দুই ভাগে ভাগ করে নেব। ২. সারা বছরের জন্য তাকে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হবে। ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ থেকে তার পারিশ্রমিক প্রথমে প্রদান করা হবে। এরপর খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা দু’জন ভাগ করে নেব। শরীয়তের দৃষ্টিতে উভয় পদ্ধতির বিধান কী? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

কর্মচারীদের অবহেলায় দোকানের পণ্য নষ্ট হয়ে গেলে কি তাদের থেকে জরিমানা গ্রহণ করা যাবে?

প্রশ্ন (১৩০৭৮) : আমার দোকানের কর্মচারীরা অনেক সময় কোনো জিনিস নষ্ট করে ফেলে বা তাদের অনিচ্ছায় কিংবা অবহেলায় নষ্ট হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে তাদের থেকে জরিমানা নেওয়ার বিধান কী? এক্ষেত্রে তাদেরকে ছাড় দেওয়া হলে তাদের অবহেলা বাড়তেই থাকে। তাই শরীয়তের দৃষ্টিতে কোন কোন ক্ষেত্রে তাদের থেকে জরিমানা নেওয়া যাবে এবং কখন নেওয়া যাবে না? বিস্তারিত জানালে খুবই উপকৃত হব।

কেউ নির্দিষ্ট কোনো ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগ করতে দিলে তাকে না জানিয়ে অন্য কোনো ব্যবসায় উক্ত টাকা বিনিয়ো…

প্রশ্ন (১৩০৬৮) : আমাদের বাজারে আমার দুটি ‍দোকান আছে। একটিতে মুদীর ব্যবসা, অন্যটিতে কাপড়ের ব্যবসা আছে। আমার ছোট মামা দুবাই থাকে। কয়েকমাস আগে তিনি ছুটিতে দেশে আসেন। এক মাস আগে বিদেশ যাওয়ার সময় তিনি আমাকে দুই লাখ টাকা দেন আমার ব্যবসাতে লাভ-লস সমান অংশীদারীর ভিত্তিতে বিনিয়োগ করার জন্য। কিন্তু আমার উক্ত ব্যবসাদুটিতে পুঁজি বিনিয়োগ করার প্রয়োজন নেই। তাই আমি চাচ্ছিলাম মামাকে না জানিয়ে তার টাকা দিয়ে জমি ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করার জন্য। অতপর ফসল মাড়াই করে বিক্রি করে লাভ-লস বণ্টন করার জন্য। জানতে চাচ্ছি, এভাবে তার টাকা বিনিয়ো করলে কোনো সমস্যা আছে কি?

ঋণের টাকার সাথে অতিরিক্ত ফসল গ্রহণ করার শর্তে ঋণ দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০৫৯) : আমাদের এলাকার একজন চাষী ফসল ফলাতে গিয়ে অভাবে পড়ে যায়। তখন সে মানুষের কাছ থেকে সার ইত্যাদি কেনার জন্য এই বলে ঋণ নেয় যে, আমাকে এখন ১০,০০০/- টাকা ঋণ দিন, পরবর্তীতে ফসল হওয়ার পর কিছু ফসলসহ পূর্ণ ১০,০০০/- টাকা ফেরত দিয়ে দিব। জানার বিষয় হলো, এ ধরনের ঋণচুক্তি করা বৈধ আছে কি?

নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ গ্রহণের শর্তে ব্যবসার চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০৫২) : আমি আমার এক বন্ধুকে এক লক্ষ টাকা নিম্নোক্ত শর্তাবলীতে ব্যবসা করার জন্য দিয়েছি। ১. লোকসান হলে আমার। ২. যদি লাভ হয় তবে মূল টাকার ১৮%-২৩% লাভ দিতে হবে। পরবর্তীতে জানতে পেরেছি, এরূপ ব্যবসায়িক চুক্তি বৈধ নয়। তাই হযরতের কাছে জিজ্ঞাসা, এ ব্যবসা থেকে অন্য কোনো পদ্ধতিতে লাভ নেওয়া যাবে কি না? কারণ, এক বছর ইতিমধ্যেই শেষ। যদি সে সন্তুষ্ট হয়ে কিছু লাভ দেয় তা গ্রহণ করা হারাম হবে কি? জানালে উপকৃত হব।

কোনো ব্যক্তি পারিশ্রমিক ছাড়া কোনো দোকানে শ্রম দিলে সে কি কোনো বিনিময় পাবে?

প্রশ্ন (১৩০৫১) : আমার চাচার টিনের ব্যবসা আছে। ব্যবসার সম্পূর্ণ পুঁজি তার একারই। আমরা দু’ভাই বড় হওয়ার পর তিনি আমাদেরকেও ব্যবসার কাজে শরীক করেছেন। এখন আমরা সবাই মিলে ব্যবসা দেখাশোনা করি। ইদানিং কিছু বিষয়ে বড় ভাইয়ের সাথে অমিল হওয়ায় আমি চাচ্ছি পৃথক হয়ে অন্য কোনো ব্যবসা করব। আমি গত সাত বছর দোকানে খেটেছি। এ সময়ে যখন যে প্রয়োজন দেখা দিয়েছে চাচার কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা পূরণ করেছি। জানার বিষয় হল, উক্ত দীর্ঘ সময়ের খাটনি বাবদ আমি কি কোনো প্রাপ্য বা ব্যবসার কোনো অংশের মালিকানা দাবি করতে পারব? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

জমির ফসল থেকে পারিশ্রমিক দেওয়ার শর্তে শ্রমিকদের সাথে চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০৩৪) : ধান কাটার বা অন্যান্য ফসল তোলার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সাথে আমরা উক্ত ফসলেরই একটা অংশ দেওয়ার চুক্তি করি। অর্থাৎ কথা থাকে, তারা ক্ষেতের ধান বা ফসল তুলে বাড়িতে এনে দেবে। বিঘাপ্রতি তাদেরকে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান বা ফসল দেওয়া হবে। তো ধান বা ফসল তোলা শেষ হলে তা বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে সেখান থেকে তাদের অংশ নিয়ে যায়। এক ভাই বললেন, এটা নাকি জায়েয নয়। কিন্তু আমি তার কথার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না। তাই আমি জানতে চাই, এ বিষয়ে শরীয়তের দৃষ্টিতে সঠিক সিদ্ধান্ত কী?

মসজিদ ফান্ডের টাকা নিজ প্রয়োজনে খরচ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০১৮) : আমি একটি মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। মসজিদ ফান্ডের লাখ লাখ টাকা আমার কাছে থাকে। আমি এ টাকাগুলো মসজিদের নামেই ব্যাংকের একটি কারেন্ট একাউন্টে জমা করি এবং প্রয়োজনের সময় উত্তলোন করে খরচ করি। গত কয়েকদিন আগে আমার একটি ব্যক্তিগত কাজে লাখ দেড়েক টাকার প্রয়োজন হয়। তখন আমি শীঘ্রই ফিরিয়ে দেওয়ার নিয়তে দেড় লাখ টাকা মসজিদের একাউন্ট থেকে উত্তোলন করে খরচ করে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, আমার এ কাজটি কি ঠিক হয়েছে? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

ক্রয় প্রতিনিধি কি পণ্যের ছাড় পাওয়া মূল্য রেখে দিতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৯৯৮) : আমি দোকান যাচাই করে ভালো শাল কিনতে পারি। তাই অনেক পরিচিতরা আমাকে কাশমীরী শাল কেনার জন্য টাকা দেয়। সাধারণ খুচরা বাজারে যে চাদরটার মূল্য হয় ৭০০০/-টাকা। কিন্তু ইন্ডিয়া থেকে সরাসরি এগুলো আমদানী করে এমন কয়েকজনের সাথে আমার পরিচয় আছে। তারা সে চাদরটাই বিক্রি করে ৫৫০০/- টাকায়। আবার কখনো দেখা যায়, তাদের থেকে আমি নিয়মিত পণ্য নেই, একারণেও আমার কাছ থেকে তারা মূল্য কম নেয়। তাই জানতে চাচ্ছি, আমার জন্য এই অতিরিক্ত টাকা রেখে দেওয়া বৈধ হবে কী? এতে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো আপত্তি আছে কি না? জানালে উপকৃত হব।

ব্যবসার আয়ের আংশিক ভাড়া হিসেবে দেওয়ার চুক্তিতে দোকান ভাড়া নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৯২) : ঢাকায় আমার একটি দোকান। আছে। আমার এক বন্ধু দোকানটি এভাবে ভাড়া নিতে চাচ্ছে যে, সে এখানে ব্যবসা করে যা লাভ হবে তার ৩০% আমাকে দিবে। কোনো সিকিউরিটি মানি বা অ্যাডভান্স দিবে না। জানতে চাই, এভাবে দোকান বাবদ লাভ নেওয়া সহিহ আছে কি না?

ফসল গুদামজাত করে রাখার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৯৭৮) : যখন নতুন ফসল কাটা হয় তখন ফসলের দাম কম থাকে। তাই অনেকেই কম দামে ক্রয় করে গুদামজাত করে রাখে। পরবর্তীতে যখন বাজারে বেশি দাম হয় তখন বিক্রি করে দেয়। জানার বিষয় হলো, এভাবে অধিক মুনাফা লাভের আশায় পণ্য গুদামজাত করে রাখতে কি কোনো অসুবিধা আছে?

অংশীদার ভিত্তিক পুকুরে মাছ চাষ সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৯৬৯) : একটি পুকুরে কয়েকজন অংশীদার। সবাই অংশ হিসেবে এতে খরচ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলো। কিন্তু বর্তমান পরস্পর সম্পর্কের অবনতির কারণে কিছু অংশীদার এতে মাছ চাষ করতে সম্মত নয়। আর কয়েকজন এতে মাছ চাষ করে। আর যারা মাছ চাষ করতে সম্মত নয় তাদেরকে মাছের অংশ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা উক্ত মাছ গ্রহণ করে না। ফিরিয়ে দেয়। তারা ফেরৎ দেওয়া মাছ এলাকার গরীব-মিসকীনকে দিয়ে দেয়। জানার বিষয় হল, শরীকি পুকুরে এভাবে মাছ চাষ করা এবং ফেরৎ দেওয়া মাছ গরীব-মিসকীনকে দেওয়া জায়েয আছে কি না? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

স’মিলে কেউ গাছ রেখে চলে গেলে স’মিলের মালিকের করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৯৬৮) : আমার একটি স’মিল আছে। এটাতে আমি বিভিন্ন লোকের অর্ডার নিয়ে তাদের গাছ চিড়ে দেই। তো গত কয়েক মাস থেকে কার যেন দুটি গাছ মিলে পড়ে আছে। এগুলোকে চিড়া হয়েছে। কেউ এগুলো নিতেও আসছে না এবং এগুলোর খোঁজও নিচ্ছে না। গাছগুলো দোকানে সংরক্ষণ করতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই জানতে চাই, এক্ষেত্রে আমার কী করণীয়? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

কোনো পণ্য হাতে পাওয়ার আগে তা বিক্রির চুক্তি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৬৫) : আমি গ্রামের এক চাষীকে এক লক্ষ টাকা এই শর্তে দিয়েছি যে, তিন মাস পর সে আমাকে পাঁচ শত টাকা মন হিসেবে দুইশ মন ধান দিবে। টাকা দেওয়ার এক মাস পরেই আমার একটি ছেলে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন দেখা দেয়। তখন আমার বড় ভাই থেকে ৫০,০০০/- টাকা এই বলে ঋণ নিয়েছি যে, দু’মাস পর ঐ কৃষক দুইশ মন ধান দিলে আমরা দু’জনে একশত মন করে ভাগ করে নিব। আর এভাবে তার ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে। জানার বিষয় হল, ভাইয়ের সাথে এই ঋণ চুক্তিটি কি সহিহ হয়েছে?

নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান দেওয়ার শর্তে ধানি জমি বর্গা দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯৬৪) : আমি আমাদের গ্রামের এক কৃষককে এই শর্তে ধানি জমি বর্গা দিয়েছি যে, ধান উৎপন্ন হওয়ার পরে সে আমাকে পাঁচ মন ধান দিবে। আর বাকিটা সে নিবে। আমি তাকে বীজও দিয়েছি। আর আমার জমিতে প্রায় ১০-১২ মন ধান হয়। আমি জানতে চাচ্ছি যে, এভাবে জমি বর্গা দেওয়া কি ঠিক হয়েছে?

নির্দিষ্ট পরিমাণ অংকের টাকা লাভ দেওয়ার ভিত্তিতে ব্যবসার চুক্তি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৫৩) : আমার ফুফার একটি রাইসমিল আছে। সেখানে নতুন কিছু মেশিনারিজ কেনার জন্য ১,৩০,০০০/- টাকার প্রয়োজন। সে আমার সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছে যে, আমি তাকে ঐ টাকা দিলে সে প্রতি মাসে আমাকে ১৭০০/- টাকা লাভ দিবে। এর পর বাকি লাভ যা থাকবে ছয়মাস পর পর হিসাব করে বণ্টন হবে। তখন লাভের পরিমাণ দেখে ইনসাফের ভিত্তিতে শতকরা হারে একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে বাকি লাভ নেওয়া হবে। তাই মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, উপরে বর্ণিত নিয়মে করা আমাদের চু্ক্তিটি কি বৈধ হবে?