মাজুর ব্যক্তির পিছনে তারাবীহের ইক্তিদা করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২১৮৭) : গত রমযানে তাবলীগের এক সফরে আমি ইন্ডিয়া ছিলাম। রোখের এক মসজিদে আমরা দেখলাম, একজন বৃদ্ধ হাফেজ হুইল চেয়ারে বসে তারাবীহ পড়াচ্ছেন। আর মুক্তাদীগণ সকলেই তার পিছনে দাঁড়িয়ে তারাবীহ পড়ছেন। এমন অবস্থার সম্মুখীন আমরা প্রথম হলাম। তাই কী করব- এ নিয়ে আমরা বেশ সংশয়ে ছিলাম। এবং শেষ পর্যন্ত আমরাও এলাকার ভাইদের মতই তার পিছনে তারাবীহ আদায় করি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, এভাবে হুইল চেয়ারে বসে ইমামতি করা ও তার পিছনে ইক্তিদা করা কি জায়েয আছে? এবং আমাদের উক্ত দিনগুলির তারাবীহ কি সহিহ হয়েছে?

তারাবীহর নামাযে কুরআন দেখে পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২১৬৭) : আমি আমেরিকার একটি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা। সেখান পুরো দুইশ কিলোমিটারের মধ্যে মাত্র একটি মসজিদ। দূর-দূরান্ত থেকে লোক এখানে নামায পড়তে আসে। রমযান মাসে কোনো হাফেয না পাওয়াতে সূরা তারাবীহ পড়তে হয়। সেখানকার কিছু মুসল্লীর পীড়াপীড়ি, উৎসাহ প্রদান ও সাহস যোগানোর কারণে আমি এ বৎসর আল্লাহর উপর ভরসা করে কুরআন হেফজ করা শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ প্রায় আঠারো পারা মুখস্থ করা শেষ হয়েছে। আমার ইচ্ছা হল, এবারের রমযানে এ আঠারো পারা দিয়ে নামায পড়াব। কিন্তু কিছু লোক আমাকে অনুরোধ করছে, অবশিষ্ট বারো পারা কুরআন শরীফ যেন দেখে পড়ে নিই। যাতে খতম পূর্ণ হয়। প্রশ্ন হল, দেখে দেখে নামাযে এভাবে কুরআন পড়া জায়েয হবে কি না? বিশেষত এক্ষেত্রে হানাফী মাযহাবের মতামত কী?

তারাবীর নামায ভুলে একসাথে চার রাকাত আদায় করে ফেললে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২০৯৭) : আমি আমাদের গ্রামের মসজিদে খতম তারাবী পড়াই। কয়েকদিন আগে তারাবী নামাযে দুই রাকাতের পর বৈঠক না করে ভুলে দাঁড়িয়ে যাই এবং একসঙ্গে চার রাকাত পড়ে সাহু সিজদা করে সালাম ফেরাই। নামায শেষে একজন বললেন, তারাবী নামাযে প্রত্যেক দুই রাকাতের পর বৈঠক করা ফরয। আপনি যেহেতু ফরয তরক করেছেন, তাই সাহু সিজদা করলেও নামায সহিহ হয়নি। সুতরাং আগামীকাল তারাবী নামায শুরু হওয়ার আগে এই চার রাকাত নামায পুনরায় পড়িয়ে দেবেন। আমি ইমাম সাহেবের নির্দেশ অনুযায়ী ঐ চার রাকাত নামায পরদিন রাতে তারাবীর নামায শুরু হওয়ার আগে ছোট ছোট সূরা দিয়ে পড়িয়ে দেই। মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হল, বাস্তবেই কি তারাবী নামাযে দুই রাকাতের পর ভুলে বৈঠক না করে একসঙ্গে চার রাকাত পড়ে নিলে (শেষে সাহু সিজদা করলেও) পুরো নামায ফাসেদ হয়ে যায়, নাকি এক্ষেত্রে সাহু সিজদা করাই যথেষ্ট?

এশার নামায আদায় করার আগে তারাবীর নামায আদায় করলে কি তা সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২০৭৯) : রমযান মাসে একদিন এশার জামাতে মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায়। মসজিদে পৌঁছে দেখি, তারাবী শুরু হয়ে গেছে। তখন আমি খতম ছুটে যাবে মনে করে এশার নামায না পড়েই তারাবীতে শরীক হয়ে যাই। পরে বাসায় এসে এশা ও বিতির আদায় করি। জানার বিষয় হল, আমার উক্ত তারাবী কি সহিহ হয়েছে?

বিতিরের নামাযের পর কি ছুটে যাওয়া তারাবীর নামায পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১২০২৭) : রমযান মাসে একদিন এশার জামাতে হাজির হতে দেরি হয়। ফলে আমার এশার নামায ও দুই রাকাত সুন্নত পড়তে পড়তে চার রাকাত তারাবীহ ছুটে যায়। আমি দ্রুত এশার ফরয ও সুন্নত আদায় করে তারাবীতে শরীক হয়ে যাই। পরবতীর্তে বিতির নামায পড়ার পরে ছুটে যাওয়া তারাবীহ আদায় করি। এখন এভাবে বিতিরের পরে তারাবীহ আদায় করা সহিহ হয়েছে কি?

দ্বিতীয় রাকাতে না বসে চার রাকাত তারাবী পড়লে শুদ্ধ হবে কি

প্রশ্ন (১১৮২৬) : কেউ যদি তারাবীর নামাযে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যায় এবং একসাথে চার রাকাত পূর্ণ করে সাহু সেজদা দেয় তাহলে কি নামায হবে? নাকি পুনরায় পড়তে হবে?

নাবালেগের পিছনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ নয়।

প্রশ্ন (১১৬৫০) : আমার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে হিফয বিভাগও আছে। তো রমযান মাসে ছাত্রদের ইয়াদ মজবুত করার উদ্দেশ্যে তারাবীর নামায পড়ানোর জন্য ছাত্রদের কয়েকটা গ্রুপ করা হয়ে থাকে। কোনো কোনো গ্রুপে নাবালেগ ছাত্র ইমামতি করে এবং তার পিছনে বালেগ ছাত্র বা উস্তাদ ইক্তিদা করে। তো আমার জানার বিষয় হলো, নাবালেগের পিছেনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ আছে?

একই রাকাতে কি কুরআনের বিভিন্ন সূরা থেকে তিলাওয়াত করা যাবে?

প্রশ্ন (১১৫৫২) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একজন হাফেয। সুন্নত ও নফল নামাযে কুরআন কারীম খতম করার নিয়ত করেছি। মাঝে মাঝে এমন হয় যে, সূরা ফাতেহা পড়ার পর কোনো একটা সূরা পড়া শুরু করি। এক দুই আয়াত তিলাওয়াত করার পর খতমের কথা মনে হলে ঐ সূরা ছেড়ে খতমের জায়গা থেকে পড়ি। এটা করা কি ঠিক আছে?

এশার নামায না পড়ে তারাবী পড়লে কি তা আদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৫০৮) : এই রমযানে একদিন এশার জামাতের সময় মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায়। মসজিদে গিয়ে দেখি, ইমাম সাহেব তারাবীর নামায শুরু করে দিয়েছেন। তখন আমি খতম ছুটে আশঙ্কায় এশার নামায না পড়েই তারাবীতে শরীক হয়ে যাই। পরে বাসায় এসে এশা ও বিতির আদায় করি। তো এশার নামায না পড়ে তারাবীতে শরীক হওয়ায় আমার উক্ত তারাবী কি সহিহ হয়েছে?

তারাবিহ নামাজের ফজিলত

প্রশ্ন (১১৪৬৭) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,যদি কেউ ওজর ছাড়া তারাবীর নামাজ ছেড়ে দেয় তাহলে কি তার গুনাহ হবে? আর তারাবীর নামাজের হুকুম কি? দয়া করে দলিলসহ জানাবেন।

বেতেরের আগে নফল পড়াতে বাধ্য করা যাবে কি

প্রশ্ন (১১৩৪৫) : আমাদের এলাকায় রমযানের শেষ দশকে তারাবির পর বেতেরের আগে ইমাম সাহেবকে চার রাকাত নফল পড়াতে বাধ্য করা হয়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কাজটি কতটুকু শরিয়ত সম্মত?

দ্বিতীয় রাকাতে না বসে চতুর্থ রাকাতা মিলিয়ে সাহু সেজদা দিলে হবে কি

প্রশ্ন (১১৩৩৯) : আমি একবার তারাবী পড়ার সময় ভুলে দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যাই। তৃতীয় রাকাত শেষ হলে স্মরণ হয় আমি দ্বিতীয় রাকাতে বৈঠক করিনি। পরবর্তীতে আরো এক রাকাত মিলিয়ে চার রাকাত পড়ে সাহু সেজদা করি। জানতে চাচ্ছি, আমার চার রাকাত আদায় হয়েছিল কি?

রুকুর সময় দাঁড়ানো যাবে কি

প্রশ্ন (১০৭৩৪) : তারাবীর নামাযে কিছু লোককে দেখা যায়, ইমাম নামায শুরু করলেও তারা বসে থাকে। ইমাম সাহেব যখন রুকুতে যান তখন তারা দাঁড়িয়ে তাহরীমা বেঁধে রুকুতে শরিক হয়। জানতে চাচ্ছি, তাদের এ কাজটি কি সঠিক হচ্ছে?

নারীরা খতম তারাবি পড়বে নাকি ঘরে পড়বে

প্রশ্ন (৯০৮৮) : রমযানে বিভিন্ন জায়গায় নারীদের জন্য জামাতের সাথে খতম তারাবির ব্যবস্থা থাকে। জানতে চাচ্ছি, নারীদের জন্য সে সকল খতম তারাবিতে অংশগ্রহণ করা উত্তম, নাকি ঘরে একাকি নামায পড়া উত্তম?