ব্যবসা-বাণিজ্য

যৌথ ব্যবসায় নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনো শরিক ব্যবসা থেকে বের হয়ে যেতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৯১) : আমরা কয়েক বন্ধু মিলে প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে যৌথ মূলধন দিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করেছি। কথা হয়েছে দশ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে আমরা কেউ এই ব্যবসা থেকে আলাদা হবো না। কিন্তু আমাদের একজন এখনই আলাদা হয়ে যেতে চাচ্ছে। ব্যবসাটির পরিচালনায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ অবস্থায় সে আলাদা হলে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই জানার বিষয় হল, আমাদের সম্মতি ব্যতীত সে ব্যবসা থেকে আলাদা হওয়ার অধিকার রাখে কি?

যৌথ ব্যবসায় মূলধন অর্ধেকের চেয়ে কম থাকলে কি অর্ধেক লাভের চুক্তি করা যাবে?

প্রশ্ন (১৩৩৬০) : আমার বাবা নয় লক্ষ টাকা দিয়ে একটি মুদি দোকান দিতে চাচ্ছে। এর মধ্যে চার লক্ষ নিয়েছে চাচার কাছ থেকে। চাচা বাবাকে শর্ত দিয়েছে যে, মোট লভ্যাংশের অর্ধেক তাকে দিতে হবে। এখন আমরাজানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করলে সহিহ হবে কি? উল্লেখ্য, ব্যবসার যাবতীয় কাজ কারবার দেখাশুনা বাবাই করবেন।

নির্দিষ্ট পরিমাণ লভ্যাংশের ভিত্তিতে মুদারাবা চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৪৫) : আমি মাদরাসায় পড়াশোনা করি। আমার বাবা, ভাই কেউ নেই। আমি টিউশনি করে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছি। তাছাড়া আমার ‍উপার্জনের অন্য কোনো পথ নেই। একজন আলেম আমাকে বললেন যে, আমি উনাকে মুদারাবা হিসেবে ৫০,০০০/- টাকা দিলে সে আমাকে মাসে দুই হাজার বা আড়াই হাজার টাকা লাভ দিবেন এবং আমার মূল টাকা আমি চাইলে যেকোনো সময় নিতে পারব। এখন হুজুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, এই পন্থায় টাকা নেওয়া বৈধ হবে কি?

যৌথ ব্যবসায় ক্ষতি হলে তার দায়ভার কিভাবে বহন করা হবে?

প্রশ্ন (১৩৩৩৪) : আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে একটা ব্যবসায়িক সংগঠন করেছি। এখানে আমরা সবাই সমানভাবে টাকা জমা করে শিরকতের পদ্ধতিতে ব্যবসা করব এবং লাভ সমানভাবে বণ্টন হবে। ব্যবসা করার দায়িত্ব আমি বহন করেছি। গত বছর এক লোককে তিন মাস পর ১০ মন ধান দিবে এ চুক্তিতে চার হাজার টাকা অগ্রিম দিই। পরে ঐ লোক থেকে টাকা বা ধান কোনোটাই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন সংগঠনের বাকি সদস্যরা আমার কাছে এই টাকা দাবি করছে। জানার বিষয় হল, এই টাকার দায় কি শুধু আমার উপর আসবে?

কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার নেসাব কতটুকু?

প্রশ্ন (১৩৩০৩) : আমার ছোটখাটো একটি ব্যবসা আছে। কোনো বছর আমার ব্যবসায় অনেক লাভ হয়। তখন আমার হাতে যাকাতযোগ্য সম্পদ থাকে। আবার কোনো বছর লাভ অনেক কম হয়। তখন প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থাকলেও তা যাকাতযোগ্য হয় না। কিন্তু আমি প্রতি বছর কুরবানী করি। আমাকে একজন বললেন, যে বছর আপনার উপর যাকাত ফরয হয় না সে বছর আপনার কুরবানী করা লাগবে না। এখন আমার প্রশ্ন হল, ঐ ব্যক্তির কথা কি ঠিক? আর বাস্তবে কতটুকু সম্পদ থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হয়? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

সমিতির টাকার উপর কি যাকাত আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১৩২৭১) : আমাদের ২০ সদস্য বিশিষ্ট একটি সমিতি আছে। বর্তমানে আমাদের সমিতিতে ১ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। তাই আমরা এ বছর ঐ টাকা দিয়ে ব্যবসা করতে চাচ্ছি। এবং এজন্য একটি মুদীর দোকান চালু করেছি। জানতে চাচ্ছি, যেহেতু সকলের টাকায় ব্যবসা করা হচ্ছে এবং ব্যবসার মালামাল যাকাতের নেসাবের চেয়ে বেশি তাই আমাদেরকে উক্ত মালামালের যাকাত আদায় করতে হবে কি না? হলে কীভাবে তা আদায় করতে হবে?

বন্ধকী জমি ভাড়া নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩২৬১) : আমি আমার এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে একটি জমি বন্ধক রেখে তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা ঋণ দেই। তার সাথে এই চুক্তি হয়েছে প্রায় চার বছর পূর্বে। এই কয়বছর জমিটি এমনিতেই অলস পড়ে আছে। কয়েক মাস হল আমি ইট বালু ও কংক্রিটের একটি ব্যবসা শুরু করেছি। তার বন্ধকি জমিটি এই ব্যবসার জন্য খুবই উপযুক্ত। তাই তাকে বললাম, তোমার জমিটি তো আমার কাছে বন্ধক হিসাবে অলস পড়ে আছে। তুমি চাইলে জমিটা আমার কাছে ভাড়া দিতে পার। আর তোমাকে যে পাঁচ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছি তা থেকে ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটা টাকা কেটে রাখবে। পরে যখন আমার ঋণ পরিশোধ করবে তখন হিসাব করে অবশিষ্ট টাকা আমাকে ফিরিয়ে দিবে। ফলে সে আমার এই প্রস্তাবে রাজী হয়েছে। এখন হযরতের কাছে প্রশ্ন হল, আমাদের উক্ত চুক্তি শরীয়তসম্মত হয়েছে কি? জানালে উপকৃত হব।

যৌথ ব্যবসায় দোকানে যাতায়াতের খরচ ব্যবসার লভ্যাংশ থেকে খরচ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩২৫৪) : আমি আমার মামার নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি। আমরা এভাবে চুক্তি করেছি যে, ব্যবসায় যা লাভ হবে তা আমরা সমানভাবে ভাগ করে নিব। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, প্রতিদিন বাসা থেকে দোকানে আসা-যাওয়ার খরচ ব্যবসায়িক খরচের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যেমন: মাল ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়। তো এ সময়ের কোন কোন খরচ ব্যবসায়িক খরচ হিসেবে গণ্য হবে?

বাদ্যযন্ত্রের দোকান দিয়ে ব্যবসা করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩২৫০) : আমি একজন ব্যবসায়ী। আমি আর আমার পার্টনার মিলে চাচ্ছি, আমরা বেহালা, তবলা, বাঁশি ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্রের দোকান দিব। তাই জানতে চাচ্ছি, এই ব্যবসা করা জায়েয আছে কি?

শরিকানা ব্যবসায় মুনাফা বণ্টনের পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩২৪৫) : আমার একটি লাইব্রেরী আছে। কয়েকদিন আগে আমার পরিচিত একজন প্রস্তাব দিলেন, তার দুটি কম্পিউটার এবং একটি প্রিন্টার আছে। এগুলো নিয়ে তিনি আমার দোকানে বসবেন। কম্পোজ, প্রিন্ট এবং এজাতীয় কাজ করবেন। সুযোগমত আমিও তার সাথে কাজ করব। আর এ বাবদ যা উপার্জন হবে তা উভয়ে সমানভাবে বা চুক্তি অনুযায়ী কিছুটা কম-বেশি হারে বণ্টন করে নেব। দোকান ভাড়া আমার দায়িত্বেই থাকবে। জানতে চাই, আমাদের এভাবে চুক্তি করা শরীয়তের দৃষ্টিতে সহিহ আছে কি?

পশুর চামড়া ছিলার আগে বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩২৩৫) : আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে কুরবানীর ঈদের সময় চামড়ার ব্যবসা করি। ব্যবসার প্রক্রিয়াটা এই হয় যে, আমরা প্রথমে ট্যানারিতে যোগাযোগ করে চামড়ার একটা মূল্য নির্ধারণ করি। এরপর ঈদের এক-দুদিন আগ থেকে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত যারা কুরবানী করবে তাদের বাড়ি বাড়ি যাই। তাদের সাথে চামড়া ক্রয়ের চুক্তি করে আমাদের নির্ধারণকৃত মূল্য তাদের হাতে অগ্রিম দিয়ে আসি। এতে দেখা যায়, অধিকাংশ চামড়াই আমরা কিনতে পারি। কেননা এভাবে অগ্রিম না কিনলে অন্য গ্রুপ এসে কিনে ফেলার আশংকা থাকে। অতপর ঈদের দিন সকালে কুরবানী হওয়ার পর চামড়া ছিলা হলে আমরা সেগুলো ট্যানারিতে নিয়ে বিক্রি করি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের উক্ত ব্যবসা শরীয়তসম্মত কি না? কোনো সমস্যা থাকলে তা সমাধানের উপায়সহ জানালে উপকৃত হব।

মুনাফা নির্দিষ্ট না করে ব্যবসার চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩২১৮) : আমার দুলাভাই দুবাই থাকেন। সেখানে তার ব্যবসা আছে। তো তিনি আমাকে ২ লক্ষ টাকা দিয়েছেন দেশে ব্যবসা করার জন্য। আর বলেছেন, তুমি এই টাকা দিয়ে ব্যবসা কর। আর যা লাভ হবে, সেখান থেকে তুমি তোমার পরিবারের জন্য প্রয়োজনমত খরচ কর। আর তারপর যদি কিছু টাকা বাকি থাকে তাহলে আমাকে দিয়ো, আর যদি বাকি না থাকে তাহলে কিছু দেওয়ার দরকার নাই। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করা কি জায়েয আছে?

জমি বন্ধক নিয়ে তা ভোগ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩২০৯) : আমাদের এলাকায় জমি বন্ধক দেওয়ার নিয়ম হলো, যতদিন ঋণ আদায় না করবে ততদিন ঋণদাতা জমি ভোগ করবে, ঋণ আদায় করলে কোনো কর্তন ব্যতীতই জমি ফেরত দিবে। এখন কেউ যদি কোনো প্রয়োজনে প্রচলিত নিয়মে জমি বন্ধক দিয়ে ঋণ নেয় এবং এই টাকা তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে তাহলে তার সম্পূর্ণ আয় কি হারাম বলে গণ্য হবে? দয়া করে জানাবেন।

ধান হওয়ার পর গাছসহ তা বিক্রি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩১৯৮) : আমি ধানের ব্যবসা করি। আমার কয়েকটি ধানের জমি আছে। আমি সেগুলোতে ধান চাষ করি। আর ধান কাটার কয়েকদিন আগে যখন খেতে ধান পরিপূর্ণ হয়ে যায় তখন কিছু খেতের ধান গাছসহ ক্রয় করে নিই। কথা থাকে সপ্তাহ খানেক পর ধান কাটার সময় হলে ধান কেটে নেব। নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করে দেই। আর সময়মত ধান কেটে নেই। এভাবে ব্যবসা করতে শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা আছে কি?

আমানতের টাকা অনুমতি না নিয়ে ব্যবসায় বিনিয়োগ করলে কি উক্ত ব্যবসার লভ্যাংশ হালাল হবে?

প্রশ্ন (১৩১৮৮) : আমার এক চাচাতো ভাই বিদেশে থাকে। গত বছর সে বাড়িতে এসে একটা জমি পছন্দ করে এবং আমাকে বলে, এবার বাহিরে গিয়ে সে টাকা পাঠাবে। আমি যেন জমিটা তাকে কিনে দেই। বিদেশে গিয়ে সে আমার একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা পাঠায়। পরবর্তীতে একটা জটিলতার কারণে জমিটি কিনতে দেরি হচ্ছে দেখে ঐ টাকা থেকে প্রায় ৪-৫ লক্ষ টাকা আমার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে ফেলি। এখন ঐ জমির মালিক জমিটি বিক্রি করবে না। তাই এই ১৫ লক্ষ টাকা ঐ ব্যক্তিকে ফেরত দিয়ে দিব। এখন পরিচিত একজন বলছেন, তার যে পরিমাণ টাকা আমার ব্যবসায় খাটিয়েছি সে পরিমাণ টাকার লভ্যাংশ আমার জন্য হালাল হবে না। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, যদি তা আমার জন্য বাস্তবেই হালাল না হয় তাহলে আমি তা কী করব? আর ব্যবসায় তো আমার পরিশ্রম ছিল। তাহলে হালাল না হওয়ার কারণ কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

সেলুন দিয়ে ব্যবসা করার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩১৮১) : আমার একটি সেলুনের দোকান আছে। সেটি খুব সাধারণ মানের। কিছুদিন আগে আমার পরিচিত একজন প্রস্তাব দিল, তোমার দোকানটি তো খুব সাধারণ। এতে উন্নত ও সুন্দর কোনো ব্যবস্থা নেই। আর আমার কাছে প্রায় লাখ খানেক টাকা আছে। সেটা দিয়ে দোকানটাকে সুন্দর করে ডেকোরেশন করে নাও। আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও ক্রয় করে নাও। তাহলে কাস্টমারও বেশি হবে এবং চার্জও বেশি নিতে পারবে। আর আমিও তোমার সাথে থেকে কাজ শিখতেও থাকলাম, করতেও থাকলাম। এরপর মোট ইনকামের ৪০ ভাগ নেবে তুমি আর ৬০ ভাগ আমি। তার প্রস্তাব আমার কাছে ভালোই মনে হয়েছে। আর এতে বর্তমানের চেয়ে ইনকাম বেশি হবে বলেই মনে হচ্ছে। আর আমি সব বিষয়ে হালাল-হারামের প্রতি লক্ষ রেখে চলার চেষ্টা করি। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করা আমাদের জন্য জায়েয হবে কি?

ব্যবসায়িক পণ্য ক্রয় করার পর কোনো একটিতে সমস্যা পেলে সম্পূর্ণ কার্টুন ফেরত দেওয়া কি ঠিক আছে?

প্রশ্ন (১৩১৮০) : আমি কাপড়ের পাইকারি ব্যবসা করি। আমি ফ্যক্টরী থেকে ২৫-৩০ হাজার পিস গেঞ্জি একসাথে ক্রয় করি। যখন আমার গোডাউনে ২৫-৩০ কার্টুন গেঞ্জি আসে তখন সব গেঞ্জি চেক করা সম্ভব হয় না। আমরা ৮-১০ টা কার্টুন থেকে কয়েকটা গেঞ্জি চেক করি। তখন কোনো কার্টুনে যদি কোনো একটি গেঞ্জিতে খুঁত পাওয়া যায় তাহলে আমরা ঐ কার্টুনের সব গেঞ্জি ফেরত পাঠিয়ে দেই। এভাবে কখনো কখনো ২৫-৩০ কার্টুন থেকে ২-৩ টি কার্টুন ফেরত দিয়ে বাকিগুলো গোডাউনে তুলি। এখন আমার প্রশ্ন হল, আমাদের ব্যবসার উক্ত পদ্ধতি কি জায়েয আছে? নাকি আমরা সমস্ত পণ্য রাখতে বা ফেরত দিতে বাধ্য?

কাউকে ব্যবসার জন্য ঋণ দিয়ে তার ব্যবসা থেকে লভ্যাংশ গ্রহণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩১৬৭) : এক কোম্পানী তাদের মাল বিক্রির জন্য ডিলার নিয়োগ দিয়েছে। কোম্পানী জামানত সরূপ ডিলারদের নিকট হতে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) করে টাকা চেয়েছে। হিসাব করে দেখা গেছে পণ্য বিক্রির পর প্রত্যেক পণ্য হতে ডিলারের ৭ টাকা করে লাভ থাকবে। একজন ডিলার তার নিকট জামানতের টাকা না থাকায় আমার নিকট ৫০,০০০/- টাকা ঋণ চেয়েছেন। আমি তাকে বলেছি, টাকা দিতে পারি এই শর্তে যে, প্রত্যেক বিক্রিকৃত পণ্য হতে আমাকে ১ টাকা করে লাভ দিবেন। আমি জানতে চাই উক্ত পদ্ধতিতে আমার টাকা নেওয়া শরীয়তসম্মত হবে কি?

মসজিদের টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩১৫৭) : মসজিদ কমিটির নিকট মসজিদের কিছু টাকা আছে। এখন কমিটির লোকজন চাচ্ছে, সেগুলো কোনো কাজে খাটিয়ে মুনাফা অর্জন করতে। তাই তারা একটি দোকান/ঘর এভাবে বন্ধক নিল যে, এক লক্ষ টাকা দোকান মালিককে দিয়ে তার থেকে দোকান বুঝে নিবে। অতপর সে দোকানটিকে দোকানের মালিক বা অন্য কারো নিকট ভাড়া দিয়ে দোকানের মাসিক ভাড়া মসজিদের ক্যাশে রাখবে। অতপর যখন মালিক এক লক্ষ টাকা দিয়ে দিবে তখন কমিটি তার দোকান তাকে বুঝিয়ে দিবে। এখন প্রশ্ন হল, মসজিদের টাকা মুনাফার আশায় খাটানো অথবা কাউকে ঋণ দেওয়া যাবে কি?

যৌথ ব্যবসায় লভ্যাংশ বণ্টন করার পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩১২২) : আমার ভাগিনা একটি দোকান করেছে। তার পুঁজি ছিল তিন লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে তার টাকা প্রয়োজন হলে আমি তার ব্যবসায় দুই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করি। তার সাথে এভাবে চুক্তি হয়েছে, দোকানের সকল খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ থাকবে তা দু’জনের মাঝে অর্ধার্ধি হারে বণ্টন হবে। আর লোকসান হলে উভয়ে মূলধন অনুপাতে তা বহন করবে। আমার এ বিনিয়োগ শরীয়তসম্মত হয়েছে কি না? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।