রমযান

ইচ্ছাকৃত ভাবে একাধিক রোযা ভেঙে ফেললে কি সবগুলোর কাফ্ফারা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩০০২) : আমি বালেগ হওয়ার পর থেকেই প্রতি রমযানে রোযা রাখি। কিন্তু শুরুতে বন্ধুদের প্ররোচনায় গোপনে পানাহার করে বেশ কিছু রোযা ভেঙে ফেলেছিলাম। এখন আমি সেগুলোর কাযা-কাফফারা আদায় করতে চাচ্ছি। আমি শুনেছি যে, বিনা ওজরে একটি রোযা ভাঙলে ৬০ টি রোযা কাযা হিসেবে রাখতে হয়। তাহলে কি আমাকে প্রত্যেক রোযার জন্য ৬০ টি করে রোযা রাখতে হবে? এ ব্যাপারে কোনো ছাড় আছে কি? শরীয়তের সমাধান জানানোর অনুরোধ রইল।

বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে রোযা রাখতে না পারলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩০০০) : আমাদের এলাকায় অনেক পরিবারে দেখি যে, পরিবারের কেউ বৃদ্ধ হওয়ার কারণে রোযা রাখতে না পারলে রমযান মাসে মাদরাসা থেকে একজন দরিদ্র ছাত্রকে লজিং রাখে। তাকে ভোররাতে ও সন্ধারাতে খাবার খাওয়ায়। আমার জানার বিষয় হল, বৃদ্ধ হওয়ার কারণে রোযা রাখতে অক্ষম হলে কী করবে? আর উপরোক্ত পদ্ধতিতে খাবার খাওয়ানোর দ্বারা রোযার ফিদয়া কি আদায় হবে?

রমজান মাসে কি বিতির নামাযের সব রাকাতেই জোরে কেরাত পড়তে হবে?

প্রশ্ন (১২৯৮৭) : রমযানে বিতিরের নামাযের প্রত্যেক রাকাতে জোরে কেরাত পড়তে হবে নাকি শুধু প্রথম দুই রাকাতে? ছোটদের জন্য লেখা একটি বইয়ে শুধু প্রথম দুই রাকাতে জোরে কেরাত পড়ার কথা বলা হয়েছে। এ বক্তব্যটি কি সঠিক? আশা করি দলীল-প্রমাণসহ বিস্তারিত জানিয়ে কৃতার্থ করবেন।

রমযানের শুরুতে একসাথে সব রোযার ফিদইয়া আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯২৪) : জনৈক অসুস্থ মাযূর ব্যক্তি যিনি রোযা রাখতে পারেন না তিনি তার রোযার ফিদইয়া পুরা রমযানেরটা একসাথে রমযানের শুরুতেই আদায় করে দিতে পারবেন কি না?

অসুস্থ অবস্থায় রোযা কাযা হওয়ার পর মারা গেলে কি উক্ত রোযার ফিদইয়া দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৯২৩) : আমার ছোট ভাই ২৫ রমযানে অ্যাক্সিডেন্টে মারাত্মকভাবে আহত হয়। প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এবং চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায়ই সে মারা যায়। তাই শেষের পাঁচটি রোযা রাখতে পারেনি। এখন জানার বিষয় হল, অসুস্থাতার কারণে রমযানের শেষের যে রোযাগুলো সে রাখতে পারেনি সেগুলোর ফিদইয়া আদায় করা কি তার উপর ওয়াজিব ছিল? দয়া করে জানাবেন।

বছরের মাঝে নতুন সম্পদ যুক্ত হলে তার জন্য নতুন করে বছর গণনা করতে হবে নাকি পূর্বের নেসাবের সাথে যুক্ত…

প্রশ্ন (১২৬৬২) : আমার পিতা একজন ব্যবসায়ী। প্রতি বছর তার যাকাতবর্ষ পূর্ণ হয় শাওয়ালের ৫ তারিখ। আর সে মাসেই তিনি যাকাত আদায় করে দেন। এ বছর রমযানে তার ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য টাকা লাভ হয়েছে । তিনি বলেছেন, এ বছর রমযানে যে টাকা লাভ হয়েছে তার যাকাত আগামী রমযানে আদায় করব। আমি আব্বুকে বললাম, নিয়ম তো এ বছরই সব টাকার যাকাত আদায় করে দেওয়া। তিনি বলেন, রমযানের টাকার উপর তো বছর অতিবাহিত হয়নি, তাহলে তার উপর কেন যাকাত আসবে? এখন হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আমার আব্বুর রমযানে যে টাকা অর্জিত হয়েছে, সেগুলোর যাকাত কি এ বছরই শাওয়ালে অন্যান্য সম্পদের সাথে আদায় করতে হবে? নাকি আগামী রমযানে যখন তার উপর বছর অতিবাহিত হবে? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

নফল নামায জামাতের সাথে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৪০) : আমাদের মহল্লার মসজিদে রমযানের শেষ দশকে রাত ১২টার পর জামাতের সাথে কিয়ামুল লাইল-এর নামায আদায় করা হয় এবং তাতে পূর্ণ ৩০ পারা পড়া হয়। ইমাম সাহেব ফতোয়া দিয়েছেন, রমযানের শেষ দশকের জামাতবদ্ধ এই নফল নামায মাকরূহ হবে না। তিনি মক্কা ও মদীনাকে দলীল হিসাবে ব্যবহার করেছেন। আমার জানার বিষয় হল, উক্ত নফল নামাযের জামাতটা শরীয়তে বৈধ হবে কি না? বিস্তারিত দলীলসহ জানালে উপকৃত হব।

রমযানের দিনে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার রোযার হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১২৬৩৫) : গত রমযানে আমরা একটি দাওয়াতী সফরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে যাই। বৌদ্ধ-পাড়ায় দাওয়াতের কাজ করি। আলহামদুলিল্লাহ ইসলামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এক ভাই বারতম রমযানে সকাল নয়টার দিকে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করে। সে যেহেতু নতুন তাই তাকে সেদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে বলিনি; বরং পরবর্তী দিন থেকে সে নিয়মিত রোযা রাখে। তার ইসলাম গ্রহণের দিন এবং পূর্বে অতিবাহিত হওয়া এগারো দিনের রোযা কাযা করা-না করা নিয়ে আমাদের মাঝে মতের ভিন্নতা দেখা দেয়। কেউ বলে, রমযান হল নামাযের মত। তাই এক রমযান পাওয়া পুরো রমযান পাওয়ার হুকুমে। ফলে বিগত এগারো দিনের কাযা করতে হবে। আবার কেউ ভিন্ন কথাও বলেন। তো প্রশ্ন হল- এক. যেদিন কেউ ইসলাম গ্রহণ করল, সেদিন কি সে পানাহার থেকে বিরত থাকবে? যদি এমন ক্ষেত্রে পানাহার করে ফেলে তাহলে কী পরবর্তীতে তা কাযা করতে হবে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধানটি জানালে কৃতজ্ঞ হব। দুই. রমযানের কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে বিগত দিনের রোযা কাযা করার ব্যাপারে সঠিক মাসআলাটি কী?

রমযানের কাযা রোযা রাখার জন্য সুবহে সাদিকের আগে নিয়ত করা কি জরুরি?

প্রশ্ন (১২৬৩০) : গত সোমবার আমার স্ত্রীর সাথে পরের দিন রোযা রাখার ব্যাপারে কথা হয় যে, আমি নফল রোযা রাখব আর আমার স্ত্রী তার রমযানের কাযা রোযা রাখবে। কিন্তু শেষরাতে উঠতে পারিনি, ফলে সকালে কী করবো চিন্তা করতে করতে প্রায় ১১টার দিকে দুইজনই সেহরি না খেয়েই রোযা রাখার সিদ্ধান্ত নেই এবং যথারীতি দুজনই রোযা রাখি। হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমাদের ঐ দিনের রোযা সহিহ হয়েছে কিনা? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

রমযানের রোযার কাফ্ফারা বিরতিহীন রাখা কি আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২৬১৭) : আমার স্ত্রীর উপর রমযানের একটি রোযার কাফফারা ওয়াজিব হয়েছিল। কাফফারার ষাটটি রোযার মধ্যে এগারোটি রোযা লাগাতার রাখে। বারোতম দিনে একটি দূরের সফরে বের হলে পথিমধ্যে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে রোযা ভাঙ্গতে বাধ্য হয়। তিন দিনের লাগাতার অসুস্থতার পর চতুর্থ দিন থেকে আবার কাফফারার রোযা রাখতে শুরু করে। এখন প্রশ্ন হল, সে তার গণনা বারোতম রোযা থেকে করবে, না আবার শুরু থেকে শুরু করবে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? দ্রুত জানালে কৃতজ্ঞ হব।

ওযরবশত রোযা না রাখতে পারলে কি ফিদইয়া দেওয়া যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৮৮) : আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনী প্রায় অচল। তাকে এক দিন পরপর ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কেবল নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট খাবার গ্রহণ করতে পারেন। তার হাই প্রেসারও আছে। তাকে প্রতিদিন কিডনীর জন্য এবং হাই প্রেসারের জন্য বেশ কিছু ওষুধ খেতে হয়। গত রমযান মাসে সবাই নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রথম রোযা রাখেন। সারাদিন রোযা রাখায় তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন। বেশি সমস্যা হয়- নিয়ম মাফিক ওষুধ না খাওয়ার কারণে। এতে তার প্রেসার হাই হয়ে যায়। আর রমযান মাসে আমেরিকায় দিন দীর্ঘ (প্রায় ১৬/১৭ ঘণ্টা) হওয়ার কারণে কেবল রাতে ওষুধ খেলে হয় না। তাই বেশিরভাগ দিনই তার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তিনি রোযা রাখতে পারেননি। মাঝে খুব কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ১/২টি রোযা তিনি রেখেছেন। আমার জানার বিষয় হল, তিনি কি তার রোযার পরিবর্তে ফিদইয়া দিতে পারবেন? আর ফিদইয়া দিলে কীভাবে আদায় করবেন।

রোযা রাখা অবস্থায় তরকারীর লবণ দেখার জন্য মুখে ঝোল নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫৭০) : আমি একটি হোটেলে রান্না করি। রমযান মাসে রান্নার সময় লবণ চেখে দেখার প্রয়োজন হয়। অনুমান করে দিলে মাঝে মাঝে লবণ কম-বেশি হয়ে যায়। তখন ম্যানেজার ধমক দেন। তো রমযান মাসে যদি লবণ দেখার জন্য সামান্য ঝোল মুখে নিয়ে সাথে সাথে কুলি করে ফেলি এতে রোযার কোনো ক্ষতি হবে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইতিকাফ সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৫৪) : গত রমযানে আমাদের গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে আমরা আটজন ইতিকাফে বসি। পাশের জামে মসজিদে আমার দুই মামাও ইতিকাফে বসেন। আটাশ রমযানে সেই মসজিদে জুমার নামায পড়তে গেলে বড় মামা আমাকে জোর করে রেখে দেন। ফলে বাকি দুদিন সেখানে থেকে ইতিকাফ পূর্ণ করি। এক হুজুরকে মাসআলা জিজ্ঞেস করলে ইতিকাফ হয়ে যাবে বলে মত দেন। কিন্তু এ বিষয়ে খটকা রয়ে যায়। তাই মুফতী সাহেবের কাছে আবেদন হল, এ বিষয়ে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

রমযানের রোযার কাযা আদায় করার জন্য সুবহে সাদিকের আগে নিয়ত করা কি আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২৪৪০) : এবার রমযানে অসুস্থতার কারণে আমার একটি রোযা ভাঙা পড়ে। শাওয়াল মাসে একদিন ঐ রোযার কাযা করার উদ্দেশ্যে একটি রোযা রাখতে মনস্থ করি। কিন্তু সুবহে সাদিকের আগে ঘুম না ভাঙায় আযান হওয়ার পরপরই রোযার নিয়ত করে নিই। এদিকে বেলা বাড়ার আগেই পুনরায় অসুস্থতা বোধ করতে থাকি এবং ওষুধ সেবনের প্রয়োজনে রোযাটা ভেঙ্গে ফেলি। এখন আমি আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, রমযানের ঐ রোযা কাযা করতে গিয়ে ওযরবশত ভেঙ্গে ফেলার কারণে আমাকে কি অতিরিক্ত আরেকটি কাযা রোযা রাখতে হবে?

রোযার কাফ্ফারা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩১৮) : আমি বালেগ হওয়ার পর ৭টি রমযান অতিবাহিত হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে শেষ ৩ রমযান আমি ঠিকমত রোযা রেখেছি। কোনো রোযা ছাড়িনি। বাকি ৪ রমযানে নিয়মিত রোযা রাখিনি। কোনো দিন রোযা রেখে বিনা ওজরে ভেঙে ফেলেছি। কখনো মায়ের চাপাচাপিতে ভেঙেছি। আবার কোনো দিন একেবারেই রাখিনি। তবে মনে হয়, রেখে ভেঙে ফেলার সংখ্যাই বেশি। এভাবে কত রোযা গেছে তার সঠিক হিসাব আমি বলতে পারছি না। আমার জানা মতে, বিনা ওজরে রোযা ভাঙলে কাফফারা আদায় করতে হয়। তাই একবার লাগাতার ৬০টি রোযা রেখেছি। এ অবস্থায় আমার ঐ রোযাগুলোর কাযা কাফফারা আদায়ের ব্যাপারে শরীয়তের মাসআলা জানতে চাই।

মুসাফির ব্যক্তি রোযা না রাখলে তার জন্য করণীয় কি?

প্রশ্ন (১২৩০৩) : গত বছর শাবান মাসের ত্রিশ তারিখে রাত দশটায় আমি বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যাওয়ার জন্য প্লেনে উঠি। আমেরিকায় যখন নিজের বাসায় পৌঁছাই তখন দুপুর একটা বাজে। সেখানে দ্বিতীয় রমযান চলছিল। সফরের কারণে আমি রোযা ছিলাম না। তাই বাসায় এসে দুপুরের খাবার খাই, কিন্তু পরে সন্দেহ হয় যে কাজটি ঠিক হল কি না। হুজুরের কাছে প্রশ্ন হল, আমার এ কাজটি কি শরীয়তসম্মত হয়েছে?

বিতিরের নামায পড়ার পর তারাবীহ পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২২৮১) : গত রমযানে একদিন এশার পরবর্তী দুই রাকাত সুন্নাত আদায় করার পর রমযানের কথা স্মরণ না থাকায় গতানুগতিকভাবে আমি ভুলে বিতিরও পরে ফেলি। বিতির শেষ হওয়ার পর তারাবীহ শুরু হলে আমার রমযানের কথা স্মরণ হয়। কিন্তু তখন আমার সংশয় হতে থাকে যে, তারাবীহ তো বিতিরের আগে পড়তে হয়। আমি তো বিতির পড়ে ফেলেছি, এখন কি আমার তারাবীহ হবে? এই দোদুল্যমান অবস্থা নিয়েই আমি তারাবীহ আদায় করি। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত তারাবীহ কি শুদ্ধ হয়েছে? না হলে এখন আমার করণীয় কি?

অযুতে কুলি করার সময় ভুলে গলায় পানি চলে কি রোযা ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১২২৭৬) : গত রমযানে একদিন অযু করছিলাম। কুলি করার সময় হঠাৎ গলার ভেতরে পানি চলে যায়। অনিচ্ছাকৃত এমনটি ঘটেছে বিধায় সারাদিন রোযা অবস্থাতেই ছিলাম। আমার উক্ত রোযা কি শুদ্ধ হয়েছে? যদি শুদ্ধ না হয়ে থাকে তাহলে এখন আমার জন্য করণীয় কী?

কারো কাছে নেসাব পরিমান সম্পদ থাকলে কি সে যাকাত গ্রহণ করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২২৭২) : আমার পরিচিত এক ড্রাইভার আমাকে বললেন, ভাই, প্রায়ই আমি রোযার ঈদে সদকায়ে ফিতর দিয়ে থাকি। কারণ রমযানে ডাবল বোনাস ও যাকাতের মাল অর্জন হওয়ায় ঈদের সময় আমার কাছে প্রয়োজন অতিরিক্ত নেসাব সমপরিমাণ টাকা থাকে। কিন্তু বড় সংসার একা চালানোর কারণে ৪-৫ মাসের ভিতর তা খরচ হয়ে যায়। ফলে রমযান পর্যন্ত আমার কাছে অতিরিক্ত আর কোনো টাকা থাকে না। বেতনের টাকা দিয়েই কোনো রকম সংসার চলে। তাই এ সময় আমি যাকাতের টাকা গ্রহণ করে থাকি। আমার জন্য এভাবে রমযানে যাকাত গ্রহণ করতে অসুবিধা নেই তো? জানালে উপকৃত হব। উল্লেখ্য, যাকাত গ্রহণের সময় তার কাছে নেসাব সমপরিমাণ টাকা থাকে না।