কাযা নামাজ

অসম্পূর্ণ গর্ভ নষ্ট হয়ে বের হয়ে গেলে কি তা নেফাস হিসেবে গণ্য হবে?

প্রশ্ন (১৩৮৭২) : আমার স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কিছু গোশতের টুকরার আকারে বেরিয়ে আসে। এরপর ৬/৭ দিন পর্যন্ত রক্ত আসে। স্রাবের সময়ও তার এমনই দেখা যায়। ঐ দিনগুলোতে সে নামায পড়েনি। এখন সে জানতে চায় যে, তার ঐ নামায কি কাযা করতে হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর নামায আদায়ের পূর্বেই হায়েয শুরু হয়ে গেলে ঐ ওয়াক্তের নামায কি কাযা করতে…

প্রশ্ন (১৩৮৩৬) : কখনো দেখা যায়, নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর নামায আদায়ের পূর্বেই হায়েয চলে আসে। জানতে চাই, পরবর্তীতে ঐ ওয়াক্তের নামায কি কাযা করা জরুরি?

অতীতের কাযা নামায আদায় করার পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৮২৮) : ১৯৯৬ সালে আমি জন্মগ্রহণ করেছি ।(২০০৮ সালে) ১২ বছর বয়সে আমি বালেগা হয়েছি। (২০১৬ সাল) ২০ বছর বয়স থেকে আমি নিয়মিত নামায, রোযা, পর্দা করা শুরু করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে কত বছরের নামায, রোযা কাযা করতে হবে? নামায রোযা ব্যতীত অন্য কোনো ইবাদাত আছে কি যা আমাকে এখন কাযা করতে হবে? কাযা নামাযের নিয়ত ও কাযা রোযার নিয়ত কিভাবে করতে হবে?

কাযা নামায আদায়ের পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৮২৫) : আমি স্কুলে পড়ার সময় যোহর ও আসরের নামায আদায় করতে পারিনি। কারণ নামাযের সময় স্কুলে ক্লাস হত। এখন আমি সে সময়ের নামাযগুলো কাযা করছি। কিন্তু তখন কত ওয়াক্ত নামায পড়া হয়নি তা জানা নেই। তবে আমার মনে হচ্ছে, অনাদায়ী সব নামায আদায় হয়ে গেছে। আর আমার নামাযগুলো আদায়ের পদ্ধতি এই ছিল যে, যোহরের সময় মসজিদে গিয়ে যোহরের সুন্নত না পড়ে কাযা নামায পড়েছি। এখন আমার কোনো কাযা নামায বাকি আছে কিনা তা আমি সঠিক বলতে পারছি না। তাই এখন আমার জানার বিষয় হল, আমি কি যোহরের সুন্নত বাদ দিয়ে অনাদায়ী নামায কাযা করব, নাকি আমার নামায অনাদায়ী নেই ধরে নিয়ে যোহরের সুন্নত আদায় করব? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।

ফজরের ওয়াক্তে কি পূর্বের কাযা নামায আদায় করা যাবে?

প্রশ্ন (১৩৭৭০) : আমরা জানি যে, ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পর ফজরের সুন্নত ব্যতীত অন্য নফল নামায পড়া যায় না। আমি জানতে চাচ্ছি যে, আগের কাযা নামায কি তখন পড়া যাবে?

রোযা রাখা অবস্থায় নাকে পানি গেলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?

প্রশ্ন (১৩৭৬১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুরের নিকট জনতে চাচ্ছি, গোসলের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে নাকে পানি গেলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?

সুস্থ থাকাবস্থায় কাযা হওয়া নামায অসুস্থ অবস্থায় বসে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭৫৮) : কিছুদিন আগে এক্সিডেন্টে আমার বাম পা ভেঙ্গে যায়। তাই আমি দাঁড়িয়ে রুকু সিজদা করে নামায পড়তে পারি না। বসে ইশারায় নামায পড়ি। সুস্থতার সময় আমার কিছু নামায কাযা হয়ে গিয়েছিল। আমি জানতে চাচ্ছি যে, ঐ নামাযগুলো এখন এ অবস্থায় কাযা করলে তা আদায় হবে কি? জানালে উপকৃত হব।

নামাযের ওয়াক্ত বাকি থাকা অবস্থায় সফর থেকে বাড়িতে ফিরলে কি উক্ত নামায কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১৩৭৪৬) : কিছুদিন আগে আমি একটি সফরে যাই । গতকাল যোহরের নামাযের ওয়াক্ত আধা ঘণ্টা বাকি থাকাবস্থায় আমি সফর থেকে বাড়িতে আসি। তখন ক্লান্তির দরুণ নামাযের কথা ভুলে যাই। আসরের আযান শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। প্রশ্ন হল, উক্ত যোহরের কাযা কি আমাকে চার রাকাত পড়তে হবে, নাকি দুই রাকাত? জানালে উপকৃত হব।

বৃদ্ধ ব্যক্তি তার পূর্বের কাযা রোযার জন্য কি ফিদয়া দিতে পারবে?

প্রশ্ন (১৩৭৩১) : কয়েক বছর আগে রমযান মাসে অসুস্থতার কারণে আমি কিছু রোযা রাখতে পারিনি। সুস্থ হওয়ার পর সেগুলো কাযা করিনি। এখন বার্ধক্যের কারণে এত দুর্বল হয়ে পড়েছি যে, রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় আমার জন্য করণীয় কী? আমি কি ঐ রোযাগুলোর জন্য ফিদয়া আাদায় করতে পারব?

কাযা নামায জামাতের সাথে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭০১) : আমি একটি মেসে ভাড়া থাকি। সেখানে আমার সাথে আরও চারজন থাকে। একদিন আমাদের ঘুম থেকে উঠতে বিলম্ব হয়। ফলে সকলেরই ফজরের নামায কাযা হয়ে যায়। তখন আমরা ঐ নামায জামাতের সাথে আদায় করি। এখন জানার বিষয় হল, কাযা নামায জামাতের সাথে পড়া কি আমাদের জন্য ঠিক হয়েছে? এবং এক্ষেত্রে কিরাত জোরে পড়তে হবে কি?

অসুস্থ ব্যক্তি ইশারা করেও নামায আদায় করতে না পারলে তার নামাযের বিধান কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৮৫) : আমার বাবা এক সপ্তাহ যাবৎ অসুস্থ ছিল। একেবারে মুমূর্ষু অবস্থায় ছিল। তার পক্ষে নামায আদায় করা সম্ভব ছিল না। এমনকি মাথার ইশারায়ও নামায পড়া সম্ভব ছিল না। তাই তিনি নামায পড়তে পারেননি। তবে পুরো সময় তার হুঁশ-জ্ঞান ছিল। আমার প্রশ্ন হল, অসুস্থ ব্যক্তির যদি হুঁশ-জ্ঞান বাকি থাকে কিন্তু মাথার ইশারায়ও নামায পড়তে না পারে তাহলে তার নামাযের হুকুম কী? বাবার কি বিগত দিনগুলোর নামায কাযা করতে হবে?

রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেললে কি কাযা-কাফ্ফারা উভয়টিই আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৮৪) : আমি রমযানের ২০ তারিখ বালেগ হই। প্রায়ই এমন হত যে, আমার রোযা রাখার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মায়ের পীড়াপীড়িতে রোযা রাখতাম না। আবার কয়েকদিন আমি নিজেই রোযা রাখিনি। এ দশদিনের মধ্যে কতদিন আমি রোযা রেখেছি আর কতদিন রাখিনি সেটা আমার পুরো স্মরণ নেই এখন আমি কী করব?

মান্নত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৬৮৩) : আমি অনেকদিন যাবৎ চাকরির সন্ধান করেও কোথাও মনমত চাকরি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। একবার একটা ভাল চাকরির সন্ধান পাই। আল্লাহর রহমতে উক্ত চাকরিতে ইন্টারভিউ দিয়ে উত্তীর্ণ হই। কিন্তু চাকুরী হবে কি না তা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। তখন আমি এই বলে মান্নত করি যে, যদি আমার এই চাকুরিটা হয়ে যায় তাহলে আমি প্রতি জুমার দিন রোযা রাখবো। পরে আমার ঐ চাকুরিটা হয়ে যায়। তাই আমি প্রত্যেক জুমার দিন রোযা রেখে যাচ্ছি। কিন্তু বর্তমানে আমার সাংসারিক ঝামেলা অনেক বেড়ে গেছে। তাই মাঝেমধ্যে জুমআর দিনে রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। হুযুরের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, রোযা না রাখতে পারলে আমার করণীয় কী? যে দিনগুরোর রোযা ছুটেছে সেগুলোর জন্য কী করতে হবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ হবো।

ভুলে ইফতারের সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে ফেললে কি কাফ্ফারা আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৬১) : এবার রমযান মাসে একদিন মুয়াযযিন সাহেব ঘড়ি দেখে মাগরিবের আযান দিয়েছেন। তার আযান শুনে মহল্লার অনেক লোক ইফতার করে ফেলেছেন। পরে মহল্লার অন্যান্য মসজিদের আযান, রেডিওর আযান ও রোযার চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে দেখা গেল যে, বাস্তবে তারা সূর্য ডোবার আগেই ইফতার করেছিলেন। জানতে চাই, যারা ইফতার করে ফেলেছেন তাদের রোযা কি ভেঙ্গে গেছে? যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে কাযা করলেই যথেষ্ট হবে নাকি কাফফারাও দিতে হবে?

সফর অবস্থায় রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেললে কি উক্ত রোযার কাযা-কাফ্ফারা উভয়টি আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৩৯) : এবার রযমানে আমি এক জায়গায় সফরে যাই। তো সফর অবস্থায় একদিন রোযা রেখে কোনো কারণ ছাড়াই আবার তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাই, উক্ত কারণে আমাকে এই রোযার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে নাকি শুধু কাযা করলেই হয়ে যাবে?

কোনো ওয়াক্তের কাযা নামায স্মরণ থাকা সত্ত্বেও পরের ওয়াক্ত পড়লে কি উক্ত নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৬২৮) : আমি গতকাল গাড়িতে থাকায় আসরের নামায যথাসময়ে আদায় করতে পারি নি। পরে মাগরিবের সময় গাড়ি থেকে নেমে এক মসজিদে জামাতের সাথে মাগরিবের নামায পড়ি। তখন আমার আসরের নামাযের কথা স্মরণ ছিল। কিন্তু মাগরিবের জামাত দাঁড়িয়ে যাওয়ায় আসরের কথা স্মরণ থাকা সত্ত্বেও মাগরিবের জামাতে শরিক হয়ে যাই। আর আমার পূর্বের কোনো নামায কাযা নেই। এখন আমার করণীয় কী? আমি কি আসরের কাযা আদায় করে নিব? বিস্তারিত জানতে চাই।

ইচ্ছাকৃত রোযা ভেঙ্গে ফেললে কাযা কাফ্ফারা আদায় করার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩৬১১) : এবার রমযান মাসে আমি ক্ষুধার কারণে খাবার খেয়ে তিনটি রোযা ভেঙে ফেলি। এরপর সারাদিন অন্যান্য সময়ের মতো পানাহার করি। এখন আমি চাচ্ছি রোযাগুলোর কাযা আদায় করতে। তাই হযরতের কাছে জানার বিষয় হলো, আমাকে কি ওই রোযাগুলোর জন্য শুধু কাযা আদায় করলেই চলবে, নাকি কাফফারাও আদায় করতে হবে?