নফল নামাজ

ফজরের ওয়াক্তে কি পূর্বের কাযা নামায আদায় করা যাবে?

প্রশ্ন (১৩৭৭০) : আমরা জানি যে, ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পর ফজরের সুন্নত ব্যতীত অন্য নফল নামায পড়া যায় না। আমি জানতে চাচ্ছি যে, আগের কাযা নামায কি তখন পড়া যাবে?

হিন্দু প্রতিবেশীকে সদাকাতুল ফিতর বা মানতের টাকা দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৬৫) : আমার একজন হিন্দু প্রতিবেশী আছে। সে খুবই গরিব। তাই আমি চাচ্ছি তাকে আর্থিকভাবে কিছু সহযোগিতা করতে। এখন হুযুরের নিকট জানার বিষয় হল, আমি কি তাকে সদাকাতুল ফিতর বা মানতের টাকা দিতে পারব? আর তাকে নফল দান করলে সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

কেরাতে ভুল পড়লে কি নামায ভেঙ্গে যাবে?

প্রশ্ন (১৩৫৪৮) : নামাযে ফরয পরিমাণ কেরাত পড়ার পর যদি পরবর্তী অংশে এমন কেনো ভুল পড়ে, যার কারণে অর্থ একেবারে পাল্টে যায় তাহলে নামায ভঙ্গ হবে কি? আর এক্ষেত্রে নফল ও ফরযের মধ্যে পার্থক্য আছে কি?

নফল নামাযে কেরাতের তারতীব ভঙ্গ হলে কি নামায মাকরূহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৫৪০) : আমি একদিন নফল নামাযের প্রথম রাকাতে সূরা কুরাইশ পড়ি। আর দ্বিতীয় রাকাতে বেখেয়ালে তার উপরের সূরা আছর পড়ে ফেলি। জানার বিষয় হলো, একারণে আমার উক্ত নামায মাকরূহ হয়েছে কি?

একাকী নামায আদায় করলে কেরাত আস্তে পড়বে নাকি জোরে পড়বে?

প্রশ্ন (১৩৫৩৯) : ফজর, মাগরিব ও এশার নামায জামাতে আদায় করলে ইমাম সাহেব উক্ত নামাযগুলোতে জোরে কেরাত পড়ে থাকেন। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এই নামাযগুলো কেউ একাকী আদায় করলে কেরাত জোরে পড়বে নাকি আস্তে পড়বে? আর নফল নামাযে আস্তে কেরাত পড়তে হবে, নাকি শব্দ করেও পড়া যাবে?

নফল নামায বসে আদায় করার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৫৩৮) : আমার আব্বু সুস্থ-সবল। তিনি দাঁড়িয়ে নমায পড়তেও সক্ষম। তিনি সব নামায দাঁড়িয়েই আদায় করেন। তবে শুধু নফল নামায বসে আদায় করেন। জানতে চাই, ওজর ছাড়া নফল নামায বসে আদায় করার কী বিধান?

নফল নামায শুরু করে ভেঙ্গে ফেললে কি তা কাযা করতে হয়?

প্রশ্ন (১৩৫৩৬) : গতকাল এশার নামাযের পর আমি দু রাকাত নফল নামায শুরু করার পর একটি জরুরি কাজের কথা মনে পড়ায় আমি নামায ছেড়ে দিয়ে ঐ কাজে চলে যাই। আমি ভেবেছিলাম, যেহেতু এটা নফল নামায তাই কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু মা বললেন, নফল নামায শুরু করে ভেঙ্গে ফেললে তা কাযা করতে হয়। আমি জানতে চাচ্ছি, আমার কি ‍উক্ত নফলের কাযা করতে হবে?

বিতিরের নামাযের পর কি নফল নামায পড়া যাবে?

প্রশ্ন (১৩৫৩১) : অনেককে দেখি, বিতির নামাযের পর বসে বসে দু’ রাকাত নামায পড়ে। কাউকে কাউকে আবার এ নামাযকে বিভিন্ন নামেও অভিহিত করতে শুনেছি। জানার বিষয় হল, এটা আসলে কী নামায? এ নামায কি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত?

নামাযের নিয়ত করার পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩৪৩১) : আমি একজন আলেমের কাছে জানতে পেরেছি যে, নামাযের জন্য মনে মনে নিয়ত করাই যথেষ্ট। মৌখিক নিয়্ত করা জরুরি নয়। কিন্তু ফরয ওয়াজিব সুন্নত ও নফল এগুলোর ক্ষেত্রে কীভাবে নিয়ত করতে হবে তা আমার জানা নেই। এ সব ক্ষেত্রে শুধু নামায পড়ছি এমন নিয়ত করা কি যথেষ্ট না কি ফরয-ওয়াজিব নিয়ত করতে হবে? আর কাযা নামায আদায়ের সময় কাযা কথা কি উল্লেখ করতে হবে? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

নফল রোযায় ভুলে খেয়ে ফেললে কি রোযা ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১৩৪১৩) : একবার আমি নফল রোযা রেখছিলাম। পরে রোযার কথা ভুলে গিয়ে খানা খেয়ে ফেলি। তবে রোযার কথা স্মরণ হওয়ার পর আর কিছু খাইনি। আমি জানতে চাচ্ছি, আমার এ রোযা কি আদায় হবে? আমাদের এলাকার এক মুরুব্বী বলেছেন, ফরয রোযায় ভুলে খেলে ফেললে রোযা নষ্ট হয় না। কিন্তু নফল রোযায় ভুলে খেয়ে নিলে রোযা নষ্ট হয়ে যায়। তার এ কথা কি ঠিক?

তাওয়াফের দুই রাকাত নফল নামায পড়তে ভুলে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৪১০) : একদিন নফল তাওয়াফ করার পর তাড়াহুড়োর কারণে তাওয়াফের দুই রাকাত ওয়াজিব নামায পড়া হয়নি। মক্কায় থাকা অবস্থায় আর ঐ নামাযের কথা স্মরণ হয়নি। পরবর্তীতে দেশে আসার পর স্মরণ হয়। এখন কি ঐ নামাযের কাযা আদায় করতে হবে? আর এ কারণে কি কোনো জরিমানা বা কাফফারা দিতে হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

একই সূরা নফল নামাযে বারবার পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৬৫) : কুরআন শরীফের অল্প কয়েকটি সূরা আমার মুখস্ত আছে। তাহাজ্জুদ নামাযে যদি কেরাত লম্বা করার উদ্দেশ্যে একই সূরা এক রাকাতে বারবার পড়ি তাহলে কি কোনো সমস্যা আছে?

রমযানের কাযা রোযা ও শাওয়ালের নফল রোযার নিয়ত একসাথে করলে কি শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন (১৩২৮২) : রমযানের কাযা রোযা এবং শাওয়ালের ছয় রোযা একত্রে রাখলে উভয়টি আদায় হবে কি? এবং কাযা ও নফল রোযার সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩২৭৫) : আমি ফজর নামায পড়ে জায়নামাযে বসে সকাল-সন্ধ্যার আমল করি। এরপর এশরাকের সময় হলে দু’চার রাকাত এশরাকের নামায পড়ে ঘরের কাজ শুরু করি। গত ঈদের দিনও ফজর নামায পড়ে এশরাকের অপেক্ষায় বসেছিলাম। আমার স্বামী দেখে বললেন, ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে মহিলাদের কোনো নফল নামায নেই। জানতে চাই, আমার স্বামীর উক্ত কথা কি ঠিক?

আদায়কৃত নামায পুনরায় আদায় করতে গিয়ে মনে পড়লে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩১৯০) : আমার মেধাশক্তি খুব দুর্বল। কিছু করার পর মনে থাকে না। নামায পড়েছি কি না এটাও মনে থাকে না। তাই মাঝে মাঝেই আমি নামায পড়িনি ভেবে নামাযে দাঁড়িয়ে যাই। এক-দুই রাকাত পর মনে পড়ে আমি তো নামায পড়েছি। তখন সাথে সাথে আমি নামায ছেড়ে দেই। হুজুরের নিকট জানতে চাই, উক্ত অবস্থায় এভাবে নামায ছেড়ে দেওয়ার কারণে গুনাহ হবে কি? আর এই নামাযের কাযা করতে হবে কি?

শেষ রাতে নফল নামায শুরু করার পর যদি সুবহে সাদিক উদিত যায় তাহলে উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১৩১০৬) : আমি মাঝে মাঝে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ শেষ করার পর দেখি, সুবহে সাদিক হয়ে গেছে। প্রশ্ন হল, আমার এ নামায কি নফল হিসেবে গণ্য হবে? নফল হলে যেহেতু ফজরের সময় হওয়ার পর শেষ হয়েছে এ জন্য তা মাকরূহ হবে কি না?

রমযানের কাযা রোযা আদায় আগে শাওয়ালের নফল রোযা রাখা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩০৬৩) : গত রমযানে আমি অসুস্থ থাকার কারণে কয়েকটি রোযা রাখতে পারিনি। এখনও তা কাযা হিসাবে রয়ে গেছে। কিন্তু রমযানের পরে কাযা রোযা না রেখে শাওয়ালের নফল রোযা রেখেছিলাম। তাই হযরতের কাছে জানার বিষয় হল, কাযা রোযা না রেখে নফল রোযা রাখলে তা কি সহিহ হবে?

নফল নামায শুরু করার পর মাসিক শুরু হয়ে গেলে কি তা কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩০৪৯) : একদিন শেষ রাতে নফল নামায পড়া অবস্থায় আমার মাসিক শুরু হয়ে যায়। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত নফল নামায কি পবিত্র হওয়ার পর কাযা করতে হবে?

ফজরের সু্ন্নত আর ফরযের মাঝে অন্য কোনো নফল নামায পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৫৯) : আমি সবসময় ঘরে ফজরের সুন্নত পড়ে তারপর মসজিদ যাই। মাঝে মাঝে মসজিদে গিয়ে দেখি ফজরের জামাত শুরু হতে এখনো কিছু সময় বাকি। তাই আমি সে সময় দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় করি। আমার এক ভাগিনা আছে। সে মাদরাসায় পড়ে। একদিন সে আমাদের বাসায় বেড়াতে আসলে আমরা বাসায় একসাথে সুন্নত আদায় করে মসজিদে যাই। মসজিদে গিয়ে দেখি জামাতের সময় এখনো বাকি আছে তাই আমি তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়তে দাঁড়িয়ে যাই। নামায শেষে সে আমাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে আমি তাকে বলি যে, আমি তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় করেছি। তখন সে আমাকে বলে, ফজরের সু্ন্নত আর ফরযের মাঝে অন্য কোনো নফল নামায পড়া যায় না। তাই আমি জানতে চাচ্ছি যে, তার কথা কি ঠিক আছে?