মসজিদ

একটি ভিত্তিহীন বর্ণনা।

প্রশ্ন (১৩৬৬৩) : আমাদের মহল্লার মসজিদে কয়েকজন মুসল্লি নিম্নোক্ত হাদিসটি মানুষের নিকট বর্ণনা করছে। তারা এটি ছাপিয়ে মসজিদে লাগিয়ে দিয়েছে। এবং তারা উক্ত হাদিসটি এলাকা জুড়েও ব্যাপক প্রচার করছে। তাই হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, নিম্নোক্ত হাদিসটি সহিহ ও আমলযোগ্য কি না? হাদিসটি হল, রাসূলুল্লাহ (সা.) আলী (রা.)-কে বলেছেন, হে আলী! প্রত্যেক রাতে পাঁচ কাজ করে ঘুমাও। যথা : ১. চার হাজার দিনার সদকা করে ঘুমাও। ২. এক খতম কুরআন পড়ে ঘুমাও। ৩. জান্নাতের মূল্য আদায় করে ঘুমাও। ৪. দুজনের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে ঘুমাও। ৫. একটি হজ্ব আদায় করে ঘুমাও। আলী (রা.) বললেন, এটা তো অসম্ভব। কীভাবে আমি তা আদায় করব? রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, চার বার সূরা ফাতিহা পড়ে ঘুমাও তাহলে চার হাজার দিনার সদকার সওয়াব পাবে। তিন মর্তবা সূরা ইখলাস পড়ে ঘুমাও তাহলে একবার কুরআন খতম করার সওয়াব পাবে। তিন বার দুরূদ পড়ে ঘুমাও তাহলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়ে যাবে। দশবার ইস্তেগফার পড়ে ঘুমাও তাহলে দুজনের বিবাদ মিটানোর সওয়াব পাবে। চারবার কালিমায়ে তামজীদ পড়ে ঘুমাও তাহলে একটি হজ্বের সওয়াব পাবে। হযরত আলী (রা.) বলেন, আমি প্রত্যহ রাতে এ আমল করে ঘুমাব।

ফজরের জামাত শুরু হয়ে গেলে সুন্নত পড়বে নাকি পড়বে না?

প্রশ্ন (১৩৬৫০) : আমি মাঝে মাঝেই ফজরের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি ইকামত হচ্ছে বা জামাত শুরু হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আমি সুন্নত পড়ব নাকি পড়ব না? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

নামাযরত ব্যক্তির সামনে থেকে কি উঠে আসা যাবে?

প্রশ্ন (১৩৬৪৯) : আমি মসজিদে নামায পড়া অবস্থায় এক ব্যক্তি আমার পেছনে এসে নামাযে দাঁড়িয়ে যায়। আমি নামায শেষ করে তার সামনে থেকে উঠে চলে আসি। তখন পাশে বসা এক ব্যক্তি আমাকে বললেন, আপনি নামাযির সামনে দিয়ে অতিক্রম করে গুনাহ করেছেন। কেননা মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা নিষিদ্ধ। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির সামনে থেকে উঠে আসার কারণে কি আমার গুনাহ হয়েছে? দয়া করে সঠিক মাসআলাটি জানাবেন।

অন্যের জমিতে তার অনুমতি ছাড়া মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৬৪৫) : আমাদের এলাকার মসজিদটি প্রথমে ওয়াকফকৃত ছিল না। বরং প্রবাসী এক ব্যক্তির জায়গার উপর তার অনুমতি না নিয়েই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। আমাদের ধারণা ছিল যেহেতু তিনি অনেক দানশীল মানুষ তাই তাকে মসজিদের কথা বললে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই তা ওয়াক্ফ করে দিবেন। কিছুদিন হল তিনি দেশে এসেছেন। তাকে না জানিয়ে তার জায়গার উপর মসজিদ নির্মাণের কারণে মনক্ষুন্ন হন। তবে এলাকায় মসজিদের প্রয়োজন দেখে এবং লোকদের অনুরোধের কারণে ঐ জায়গাকে মসজিদের জন্য প্রথমে মৌখিকভাবে ওয়াকফ করে দেন এবং পরবর্তীতে লিখিত ওয়াকফও করেন। কিন্তু ওয়াকফ দলীলে একটি শর্ত রাখেন এমন যে, ওয়াকফকৃত ভূমি আমার নিজ দখলে থাকিবে। আমার জানার বিষয় হল, ১. মালিকের প্রতি সুধারণার ভিত্তিতে তার অনুমতি ছাড়া ঐ জায়গায় মসজিদ বানানো কি ঠিক হয়েছে? মালিকের অনুমতি নিয়ে যেহেতু মসজিদটি নির্মাণ করা হয়নি তাই ওয়াকফ করে দেয়ার পর কি তা শরয়ী মসজিদ হবে? ৩.ওয়াকফ দলীলের ঐ শর্ত কি ঠিক আছে? জানালে উপকৃত হব।

অযু ছাড়া আযান দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৬২১) : আমি একজন মুয়াযযিন। মসজিদের নির্দিষ্ট কোনো খাদেম না থাকায় প্রায়ই মসজিদের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি। ফলে কখনো আযানের পূর্বে অযু করার সুযোগ হয় না। তখন অযু ছাড়াই আযান দিতে হয়। হুযুরের নিকট জানতে চাই, অযু ছাড়া আযান দেওয়ার হুকুম কী?

মৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়ানোর ক্ষেত্রে হক্বদার বেশি কে?

প্রশ্ন (১৩৫৯৯) : মৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়ানোর ক্ষেত্রে কে বেশি হক্বদার? মৃতের ওলি না মহল্লার ইমাম? জনৈক আলেম বলেছেন, মসজিদের ইমামই নাকি বেশি হক্বদার কথাটা কতটুকু ঠিক? দলীলসহ জানালে উপকৃত হব।

পারিবারিক কবরস্থানের উপর মসজিদের অযুখানা নির্মাণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৬৪) : আমাদের মহল্লার মসজিদের অযুখানাটি ছোট হওয়ায় নামাযের সময় খুব ভীড় হয়। আমাদের মসজিদ সংলগ্ন একটি পারিবারিক কবরস্থান আছে। মসজিদ কমিটি চাচ্ছে কবরস্থানের উপর ছাদ দিয়ে অযুখানা নির্মাণ করতে। জানার বিষয় হলো, পারিবারিক কবরস্থানের উপর মসজিদের অযুখানা নির্মাণ করা যাবে কি?

মসজিদের নিচ তলাকে মার্কেট বানানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৫১) : আমাদের এলাকায় আনুমাণিক ৫০ বছরের পুরাতন একটি টিনশেড মসজিদ ছিল। বর্তমানে আমাদের এলাকায় মুসল্লি সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই টিনশেড মসজিদটি ভেঙ্গে তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন কমিটির কেউ কেউ চাচ্ছে নিচ তলা মার্কেটের জন্য রেখে দোতলা থেকে মসজিদ শুরু করতে। যেন নিচ তলার আয় দিয়ে মসজিদের যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ করা যায়। এখন হযরতের নিকট জানতে চাই, নিচ তলাকে কি মসজিদের উন্নয়নের স্বার্থে মার্কেট বানানো যাবে? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

এক মসজিদের জন্য কালেকশন করা টাকা অন্য মসজিদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৪৩) : আমাদের গ্রামের মসজিদে অযুখানা বানানোর জন্য আমি আমার কয়েকজন পরিচিত ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা কালেকশন করি। মসজিদের অযুখানার কাজ শেষ হওয়ার পর আমার কাছে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা রয়ে গেছে। এখন জানতে চাচ্ছি, ঐ তিন হাজার টাকা আমি আমাদের গ্রামেরই অন্য মসজিদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করতে পারব কি?

দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্যে হিন্দু ব্যক্তিকে মসজিদে নিয়ে আসা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫২৪) : আমাদের মসজিদে একবার তিন দিনের জন্য একটি তাবলীগ জামাত আসে। তাবলীগের আমীর সাহেব গাশ্ত করার সময় এক হিন্দু ব্যক্তিকে দাওয়াত দিয়ে মসজিদে নিয়ে আসেন। আমীর সাহেব জানতেন না যে, ঐ লোক হিন্দু। আবার ঐ লোকও বলেনি। পরে এলাকার লোকজন ঐ হিন্দু ব্যক্তিকে মসজিদে দেখে তাদেরকে অনেক বকাবকি করে। জানার বিষয় হল, হিন্দুরা মসজিদে প্রবেশ করা কি নাজায়েয?

অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি কি মাকরুহ?

প্রশ্ন (১৩৫১৯) : আমাদের এলাকায় একটি বড় মাদরাসা আছে। মাদরাসার মুহতামিম সাহেব একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম। তিনি সবসময় আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, দুই ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। কিছুদিন আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এখনও তিনি আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। আমি শুনেছি, অন্ধ ব্যক্তির পেছনে নামায মাকরূহ হয়। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত ইমামের পেছনে নামায মাকরূহ হবে কি?

ইতিকাফকারী ব্যক্তি জানাযার নামাযে শরিক হতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫১৪) : এবার রমযানের শেষ দশকে আমার দাদা আমাদের মহল্লার মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন। একদিন মসজিদের পার্শ্ববর্তী মাঠে জানাযার নামায হচ্ছিল। তিনি তাতে শরিক হয়েছেন এবং নামায শেষ হওয়ামাত্রই মসজিদে ফিরে এসেছেন। এ কথা জানতে পেরে মসজিদের ইমাম সাহেব বলেছেন, তার ইতিকাফ ভেঙ্গে গেছে। জানতে চাচ্ছি, ইমাম সাহেবের কথা কি ঠিক?

তারাবীহর নামায পড়িয়ে হাদিয়া গ্রহণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫০৬) : আমি তিন বছর যাবৎ গ্রামের একটি মসজিদে তারাবীহ পড়াই। মসজিদের কমিটি আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমাকে অল্প কিছু হাদিয়া দিয়েছে। আর আমার ছোট ভাইও দু’বছর একটি বাসায় তারাবীহ পড়িয়েছে এবং একইভাবে তাকেও হাদিয়া দেওয়া হয়। আর একজন মুসল্লি তাকে একটি পাঞ্জাবির কাপড়ও দিয়েছেন। জানার বিষয় হল, এই হাদিয়া কি আমাদের জন্য বৈধ হবে?

স্ত্রীকে নিয়ে জামাত পড়লে দাঁড়ানোর পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৫০৪) : আমি নিয়মিত মসজিদেই নামায পড়ি। কখনো মসজিদে যেতে দেরি হয়ে গেলে বাড়িতে আমার স্ত্রীকে নিয়ে জামাত করি। এক্ষেত্রে তাকে আমার ডান পাশে একটু পেছনে দাঁড় করাই। অর্থাৎ তার পায়ের আঙ্গুল আমার গোড়ালির পরে হয়ে থাকে। আমার এ নিয়ম কি ঠিক আছে?

অস্থায়ী নামায ঘরে ইতিকাফ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪৬২) : আমাদের মসজিদের নির্মাণ কাজ চলছে। তাই মসজিদের পাশে এক ব্যক্তির জায়গায় টিন দিয়ে একটি নামাযের ঘর বানানো হয়েছে। বর্তমানে রমযান মাসেও এখানেই নামায পড়তে হচ্ছে। এখন আমাদের জানার বিষয় হলো, রমযানের শেষ দশকে এই অস্থায়ী মসজিদটিতে ইতিকাফ করা যাবে কি?

একসাথে একাধিক মসজিদে আযান হলে কোন মসজিদের আযানের জওয়াব দিবে?

প্রশ্ন (১৩৪৫৪) : আমার বাসার আশেপালে কয়েকটি মসজিদ রয়েছে। নামাযের সময় সবগুলো মসজিদে প্রায় একই সময় আযান শুরু হয়। কখনো বা কোনো মসজিদে অন্যান্য মসজিদগুলোর ১৫/২০ মিনিট আগেই আযান দেওয়া হয়। আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আমি কোন মসজিদের আযানের জওয়াব দিব?

ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দিলে কি সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৪৪৩) : কয়েকদিন আগে আমাদের মসজিদের মুয়াযযিন সাহেব ওয়াক্ত আসার আগেই ইশার নামাযের আযান দিয়ে দেন। তখন মসজিদে আমি ছিলাম আর আমাদের এলাকার একজন আলেম ছিলেন। তো তিনি ওয়াক্ত আসার পর মুয়াযযিন সাহেবকে পুনরায় আযান দিতে বললে তিনি অসম্মতি প্রকাশ করেন এবং বলেন, আযান একবার দিলেই হয়ে যায়। পুনরায় দিতে হবে না এবং তিনি পুনরায় আযান দেননি। জানার বিষয় হল, ওয়াক্ত আসার পূর্বে আযান দেওয়ার বিধান কী? এক্ষেত্রে পুনরায় আযান দিতে হবে কি?

মৃত ব্যক্তিকে তার মৃত্যুস্থল থেকে দূরে নিয়ে দাফন করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৪২৮) : আমার নানা ঢাকায় থাকতেন। তিনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেট। গ্রামে তিনি একটি মসজিদ ও মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেগুলোর মুতাওয়াল্লি তিনিই ছিলেন। তাই কিছুদিন পরপরই সেখানে যেতেন। এবং কয়েক দিন সেখানে থেকে আসতেন। তার খুব আশা ছিল, উক্ত মাদরাসা-মসজিদের কাছেই তার কবর হবে। সন্তানদেরকে এ কথা বলেছেনও বিভিন্ন সময়। তো তার ইন্তিকালের পর তার দাফনের বিষয় নিয়ে মতভেদ হয়। গ্রামের লোকদের দ্বীনী মুরুব্বি হওয়ায় তাদের চাওয়া ছিল তাকে গ্রামে দাফন করা হোক। তাই তাকে সিলেটে নিয়েই দাফন করা হয়। কিন্তু আমি জানতাম, লাশ এত দূর নিয়ে দাফন করা মাকরূহে তাহরীমী ও নাজায়েয। এখন জানার বিষয় হল, উপরোক্ত অবস্থায় তাকে গ্রামে নিয়ে দাফন করাটা শরীয়তের দৃষ্টিতে ঠিক হয়েছে কি?

কোনো ব্যক্তির নামে মসজিদের নামকরণ করলে কোনো সমস্যা আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৪২৭) : আব্দুল গনী সাহেব আমাদের এলাকার একজন ধনী মানুষ। তিনি একজন ধার্মিক ব্যক্তি। তিনি আমাদের এলাকায় একটি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। মসজিদের নাম দিয়েছেন আব্দুল গনী জামে মসজিদ। এখন এলাকার কিছু মানুষ বলছে যে, মসজিদ আল্লাহর ঘর। আর আল্লাহর ঘর দুনিয়ার কোনো মানুষের নামে রাখা যাবে না। যদি রাখা হয় তাহলে ঐ মসজিদে নামায সহিহ হবে না। এ নিয়ে মসজিদে খুব বিতর্ক হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হল, মানুষের নামে মসজিদের নামকরণ করা জায়েয আছে কি?

ঈদের নামায আদায় করার আগে কুরবানী করলে কি কুরবানী সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৩৮৯) : আমাদের এলাকায় কোন ঈদগাহ মাঠ নেই। আর মসজিদ ছোট হওয়ায় মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই আমাদের মসজিদে ঈদের দুইটি জামাত হয়। একটি ৭:৩০ মিনিটে, অপরটি ৮:৩০ মিনিটে। আমরা সাত শরিকে কুরবানী দিয়েছি। এক শরিক দ্বিতীয় জামাতে নামায পড়েছে। আমরা প্রথম জামাতে নামায পড়ে এসেই পশু যবাই করে দেই। পরে জানা গেল আমাদের এক শরিক তখনও ঈদের নামায পড়েনি। লোকজন বলছে শরিকের নামায পড়ার আগে কুরবানী করার কারণে আমাদের কুরবানী নাকি হয়নি। এখন আমাদের করণীয় কী?