গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় কবর যিয়ারত করলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন (১২৯৬০) : কিছুদিন পূর্বে আমার কয়েকজন আত্মীয় মামার বাড়িতে এসে তাদের মামার কবর যিয়ারত করার ইচ্ছা করে এবং তারা আমাকে সাথে নিয়ে যায়। তখন আমার উপর গোসল ফরয ছিল। আমি লজ্জার কারণে তাদের সামনে অপারগতা প্রকাশ করতে পারিনি ; বরং তাদের সাথে কবরস্থানে গিয়ে কবর যিয়ারত করেছি। হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় কবর যিয়ারত করা জায়েয আছে কি?

পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কবর খননের কাজ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮৭৪) : আমাদের গ্রামে একজন প্রসিদ্ধ কবর খননকারী আছে। নির্ধারিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সে কবর খুঁড়ে থাকে। প্রয়োজন হলে আশপাশের গ্রাম থেকেও তার ডাক আসে। প্রশ্ন হল, তার জন্য এভাবে পারিশ্রমিক নিয়ে কবর খনন করা এবং তাকে দিয়ে টাকার বিনিময়ে কবর খনন করানো কি জায়েয হবে?

কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮৬১) : আমাদের মসজিদের ধারণ ক্ষমতা খুব কম। জুমার দিন মসজিদে মুসল্লিদের জায়গা হয় না। তাই মসজিদ কমিটি মসজিদেরই ওয়াকফকৃত জমিতে মসজিদ সম্প্রসারণ করতে চাচ্ছে। উক্ত জমিতে তিনটি কবর রয়েছে। কবরগুলো ৮-১০ বছর বা এর চেয়েও বেশি পুরাতন। কবরওয়ালাদের পরিবার মসজিদ সম্প্রসারণের কথা শুনে তারা কবর থেকে মাটি ও হাড্ডি উঠিয়ে অন্য জায়গায় নিয়ে দাফন করেছে। এখন কেউ কেউ বলছে, কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে নামায পড়া শিরক। জানার বিষয় হল, উক্ত কবরের জায়গায় মসজিদ সম্প্রসারণ করা যাবে কি না? তাদের এ কথাটি কতটুকু সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

মাদরাসার জন্য জমি ওয়াকফ করার পর তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৮৫২) : আমার পিতা জীবদ্দশায় মসজিদ সংলগ্ন চার শতক জমি ক্রয় করেন মসজিদে অবস্থিত হেফজ খানার জন্য ওয়াকফ করার উদ্দেশ্যে। পরে আমার বাবা লিখিতভাবে ওয়াকফের কাজ সম্পন্ন করার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি আমাকে এবং আমাদের সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে ওয়াকফের কাজ সমাপ্ত করার আদেশ করে যান। আমরা তার নির্দেশ অনুযায়ী ওয়াকফের কাজ সম্পন্ন করি। এখন আমরা জানতে চাচ্ছি, মসজিদ-মাদরাসা কমিটির সম্মতিক্রমে ওসিয়তকারীর উত্তরাধিকারীরা ওয়াকফকৃত জমি সামাজিক কোনো কাজে ব্যবহার করার (পারিবারিক কবরস্থান বানানোর) জন্য ফেরত নিতে অথবা রদবদল করতে পারবে কি?

জমিতে রাস্তা তৈরী করার জন্য কবর স্থানান্তর করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৭৯১) : অনেক দিন আগে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে আমার এক প্রতিবেশীর থেকে প্রায় ১৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলাম। উক্ত জমি ক্রয় করার পর অন্য এক প্রতিবেশী আমাকে কিছু টাকা পয়সার বিনিময়ে আমার ক্রয় করা জমিতে যাতায়াত অর্থাৎ চলাচলের জন্য রাস্তা দিবে বলেছিল। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন আমাকে ঘুরিয়ে এখন আর রাস্তার জমি আমাকে দিতে বা বিক্রি করতে অস্বীকার করছে। এছাড়াও আমার জমিতে যাতায়াতের জন্য আমি অন্যান্য জমির মালিকের সাথেও দীর্ঘদিন যাবৎ রাস্তার জায়গা ক্রয় করার জন্য অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। ফলে আমি আমার জমিতে যাতায়াত করতে পারছি না। বর্তমানে আমার জমির পশ্চিম পাশ দিয়ে রাস্তার জন্য একটা জমি ক্রয় করা যায়। কিন্তু উক্ত অংশে ২ বছরের পুরনো বয়স্ক ব্যক্তির একটা কবর আছে। যদি আমি ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত ব্যক্তির কবর ১০ বা ২০ ফুট দূরে স্থানান্তর করার অনুমতি পাই তবে আমি উক্ত জমি ক্রয় করে আমার জমিতে যাতায়াত বা বাড়ী-ঘর নির্মাণ বা অন্যান্য প্রয়োজন পুরো করতে পারি অথবা বিক্রি করতে পারি। অতএব, উপরোক্ত বিষয়টি ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করে আমাকে কবর স্থানান্তরের বিষয়ে লিখিত ফতোয়া প্রদান করে একজন সাধারণ মুসলমানকে সহযোগিতা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

ওয়াকফ করা জমি ফিরিয়ে নেওয়া যায় কি?

প্রশ্ন (১২৭০৪) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি কবরস্থানের জন্য দুই বিঘা জমি ওয়াকফ করে। এলাকাবাসী সকলে মিলে জমিটির চারপাশ দিয়ে দেয়াল করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমিটির ওয়াকফ দলীল করা হয়নি। ইতিমধ্যে জমিটির এক পাশ দিয়ে কয়েকটি কবরও করা হয়েছে। এখন জমিটির ওয়াকফ দলীল করা হবে। তবে ওয়াকফকারী বিশেষ একটি প্রয়োজনের কারণে এক বিঘা জমি নিজের জন্য রেখে যে অংশে কবর দেওয়া হয়েছে শুধু ঐ এক বিঘা দলীল করতে চায়। আর যে এক বিঘা সে ফেরত নিতে চায় ঐ অংশের দেয়াল নির্মাণ বাবদ খরচ কবরস্থানের ফান্ডে দিয়ে দিবে। এখন আমরা জানতে চাই, তার জন্য ঐ এক বিঘা জমির ওয়াকফ প্রত্যাহার করার সুযোগ আছে কি? সঠিক মাসআলাটি জানিয়ে বাধিত করবেন।

কবরে মৃত ব্যক্তির নাম, কুরআনের আয়াত ইত্যাদি লিখে রাখা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৬৩) : কোনো কোনো কবরের পাশে কুরআনের আয়াত, কালিমা, দুআ বা কোনো নসীহত লিখে রাখতে দেখা যায়। আবার কোনো কবরে মৃতের নাম ঠিকানা মৃত্যু তারিখ লেখা থাকে। এ ধরনের কোনো কিছু লেখার বিধান কী?

মহিলাদেরকে দাফনের সময় কি পর্দা দিয়ে আবৃত করা জরুরী?

প্রশ্ন (১২৬৫০) : আমাদের এলাকায় মহিলা মারা গেলে সাধারণত দাফনের সময় কবর পর্দা দিয়ে ঘেরাও হয় না। ইদানীং এক ভাইয়ের কাছে শুনলাম, মায়্যেত মহিলা হলে দাফনের সময় কবর পর্দা দিয়ে ঘিরে রাখতে হয়। কথাটি কতটুকু যথার্থ? দলীলসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

মায়্যেতকে কবরে রাখার নিয়ম।

প্রশ্ন (১২৬৩৯) : আমাদের এলাকায় মায়্যেতকে কবরে রাখার পর শুধু মুখ কিবলার দিকে ঘুরিয়ে রাখা হয়। পুরো শরীর কিবলার দিকে রাখা হয় না। এতে কি সুন্নত আদায় হবে? নাকি পুরো দেহ কিবলার দিকে রাখতে হবে? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

একই ব্যক্তির জানাযা একাধিক বার পড়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬১৮) : আমার দাদু চিটাগাংয়ে আমার চাচার বাসায় থাকতেন। কয়েক দিন আগে তিনি চাচার বাসায় মারা যান। আমার চাচা সেখানে একবার জানাযার নামায পড়ান। এরপর তাকে মাটি দেওয়ার জন্য শরীয়তপুরে নিয়ে আসেন। এখানে এসে পুনরায় তার জানাযার নামায পড়া হয়। এতে আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেব শরীক হওয়া থেকে বিরত থাকেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার জানাযার নামায পড়া ঠিক না। আমার চাচা তাকে বললেন, সহিহ বুখারিতে আছে, সাহাবায়ে কেরাম এক মহিলার জানাযার নামায পড়ার পর রাসূলুল্লাহ (সা.) পুনরায় ঐ মহিলার কবরের ওপর জানাযার নামায পড়েছেন। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান কী? দ্বিতীয়বার জানাযার নামায পড়া যাবে কি না? যদি না যায় তাহলে সহিহ বুখারির এই হাদিসের ব্যাখ্যা কী? দলীলসহ বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

কবর ডেবে গেলে বা ভেঙ্গে গেলে কি তা মেরামত করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৬০৩) : দু’বছর আগে আমার দাদী ইন্তেকাল করেন। কিছুদিন আগে আমরা গ্রামের বাড়িতে যাই। দাদীর কবর যিয়ারত করতে গিয়ে দেখি, কবরটির মধ্যখান বেশ ডেবে গেছে। এ অবস্থা দেখে বাবা ও আমি মিলে কোদাল দিয়ে কবরস্থানের খালি জায়গা থেকে মাটি এনে কবরটি আগের মত করে দেই। আমাদের এ কাজ দেখে এক মুরব্বি আপত্তি করে বলেন, কবরকে আপন অবস্থায় রেখে দিতে হয়। তো প্রশ্ন হল, কবর ডেবে গেলে, কোনো পাশ ভেঙ্গে গেলে বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে। তাতে মাটি দিয়ে মেরামত করা কি ঠিক নয়? সঠিক মাসআলাটি জানিয়ে বাধিত করবেন।

কবর স্থানান্তর করার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২৫৪০) : আমাদের নির্দিষ্ট ওয়াকফকৃত কোনো কবরস্থান ছিল না। তাই আমাদের বংশীয় লোকদেরকে বাড়ির পাশে একটি স্থানে দাফন করা হত। এখানে নতুন পুরাতন অনেক কবর আছে। সর্বশেষ এক বছর আগে আমার চাচাকে দাফন করা হয়। আল্লাহর রহমতে এখন আমরা একটি ওয়াকফকৃত কবরস্থান বানিয়েছি। আমাদের বংশের অনেকেই কবরগুলোকে নতুন কবরস্থানে স্থানান্তর করে আগের জায়গাকে সমান করে দিয়ে ফসলি জমি বানাতে চাচ্ছে। জানার বিষয় হল, আমরা কি নতুন-পুরাতন কবরগুলোকে ওয়াকফকৃত নতুন কবরস্থানে স্থানান্তর করে ঐ জমি ব্যবহার করতে পারব? মাসআলাটির সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত জায়গায় কবর থাকলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৫১৬) : জনাব, ২৫ বছর আগে আমাদের গ্রামের এক মুরব্বী মসজিদের নামে ৫ শতাংশ জায়গা ওয়াকফ করেন। ওয়াকফকৃত জায়গাটির সীমানার মধ্যে ডান পাশে পুরাতন একটি কবর ছিল। আমাদের জানামতে এটি ওয়াকফকারীর নানার কবর। সে সময় আবাদী কম থাকায় মসজিদটি নির্মাণকালে আমরা কবরের দিক থেকে প্রায় দুই শতাংশ জায়গা ছেড়ে তা নির্মাণ করি। এখন মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। আমরা চাচ্ছি মসজিদটি বড় করে পূর্ণ জায়গার উপর নির্মাণ করতে। এক্ষেত্রে কী আমাদের জন্য কবরের জায়গাটি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে?

অনুমতি ছাড়া অন্যের জমিতে কবর দিলে তা স্থানান্তর করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৯) : গ্রামে আমাদের একটি জমি অনেক বছর ধরে এক ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ভোগ করে আসছিল। আইনের আশ্রয় নেওয়ার পর কিছুদিন আগে আমাদের পক্ষে রায় আসে। জমিটিতে আমরা ভবন নির্মাণ করে বসবাস করতে চাচ্ছি, কিন্তু তাতে তাদের একটি কবর আছে, যার বয়স প্রায় আট মাস। কবর স্থানান্তর করা না করা নিয়ে গ্রামে সালিশ বসে। তাতে এই সিদ্ধান্ত হয় যে, যেহেতু এটা দ্বীনী বিষয়, তাই এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান যেমন হবে তা উভয় পক্ষ মেনে নিবে। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, এক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক মাসআলাটি কী?

কবরে পানি উঠার কারণে কাঠের কফিনে দাফন করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪১৬) : আমরা চরাঞ্চলে বসবাস করি। এ অঞ্চলটি নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে কেউ মারা গেলে কখনো কখনো তার দাফনের বিষয়ে আমরা বেশ ঝামেলায় পড়ি। কবরস্থানের জায়গাটা তুলনামূলক উঁচু স্থানে হলেও মাটি খুঁড়তেই সেখান থেকে পানি উঠতে থাকে। ফলে লাশ রাখতেই কাফন নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ কাঠের কফিনে করে দাফন দেয়। এভাবে দাফন করতে কি কোনো অসুবিধা আছে?

পুরাতন কবরের উপর দোকান নির্মাণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৩৫) : তিন বছর আগে আমি এক ব্যক্তি থেকে আমাদের বাজারে এক কাঠা জায়গা ক্রয় করি। এখন সেখানে একটি দোকান করতে চাচ্ছি। কাজ শুরু করতে গেলে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলল, এখানে প্রায় চল্লিশ বছর আগের একটি কবর আছে। এমতাবস্থায় আমি কি ঐ জায়গায় দোকান করতে পারব?

কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩১৬) : আমাদের গ্রামে একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ আছে। মসজিদের জন্য যিনি জমি ওয়াকফ করেছিলেন। ওয়াকফ করার অনেক আগে (২০-২৫ বছর) সেই জমিতে তার দাদাকে কবর দেওয়া হয়েছিল। ওয়াকফ করার পর সেই জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের শেষের এক-দুই কাতার সেই কবরের উপর নির্মিত হয়েছে এবং এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে নামায আদায় করা হচ্ছে। এখন কেউ কেউ বলছেন, কবরের উপর মসজিদ বানানো হারাম। তাই অনেকে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে চাচ্ছেন। অথচ মসজিদের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি উক্ত মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে হবে? আরেকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি, সম্প্রসারণের প্রয়োজনে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি না?

কবরে মৃত ব্যক্তির নাম-ঠিকানা লিখে রাখা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২২২৬) : বর্তমান কবরস্থানগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় যে, কবরের উপর মৃত ব্যক্তির নাম-ঠিকানা সম্বলিত একটি ফলক লাগিয়ে দেয়া হয়। কিছুদিন আগে আমার চাচা ইন্তেকাল করেছেন। আত্মীয়স্বজন চাচ্ছেন যে, তার কবরেও নাম ইত্যাদি লিখে দেওয়া হোক, যাতে যিয়ারত করার সময় কবর চিনতে সুবিধা হয়। তাই আমরা মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, কবরের উপর মৃত ব্যক্তির নাম-ঠিকানা সম্বলিত কোনো ফলক ইত্যাদি স্থাপন করা কি জায়েয আছে?

মহিলারা কি কবর যিয়ারত করতে যেতে পারবে?

প্রশ্ন (১২২২৫) : কিছুদিন আগে আমার চাচা ইন্তেকাল করেছেন। মাঝেমাঝেই আমরা তার কবর যিয়ারত করতে যাই। কয়েকদিন যাবৎ আমার চাচাতো বোন ও চাচার কয়েকজন পুত্রবধু চাচ্ছেন, তারাও চাচার কবর যিয়ারত করবেন। কিন্তু এলাকার কিছু লোকজন বলছেন যে, মহিলাদের জন্য নাকি কবর যিয়ারত করা ঠিক নয়। তাই এখন আমরা চাচ্ছি যে, উক্ত মহিলাদের জন্য কি চাচার কবর যিয়ারত করা জায়েয হবে?

মায়্যিতের দাফনের পর কবরের পাশে অবস্থান করা কি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত?

প্রশ্ন (১২১৯২) : এক আলেম বলেছেন, দাফনের পর দেড় দুই ঘণ্টা কবরের পাশে থাকলে ভালো। এতে মায়্যিতের প্রশ্নোক্তর পর্ব সহজ হয়। এটা কি ঠিক? দলীলসহ জানালে খুবই ভাল হত।