চাকরি

চুক্তিতে মাছ শিকার করা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩২৩১) : আমাদের বাড়ি একটি নদীর পাশে অবস্থিত। নদীর পানি কমে গেলে নদীর পাশে অবস্থিত খালগুলোতে প্রচুর মাছ আটকা পড়ে। মাছ শিকার করার জন্য এলাকার যুবকরা খালের মালিকদের সাথে বিভিন্নভাবে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। তন্মধ্যে একটি হল, খালের মালিকরা মাছের একটি পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়। খালে মাছ যে পরিমাণই পাওয়া যাক, মালিকের জন্য ঐ পরিমাণ বরাদ্দ থাকবে। আর ঐ পরিমাণ থেকে বেশি যা পাওয়া যাবে তা মাছ শিকারীদের। সাধারণত প্রতি বছরই মালিকদের নির্ধারণ করে দেওয়া পরিমাণ থেকে অনেক বেশি মাছ পাওয়া যায়। মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি, মালিকদের সাথে এভাবে চুক্তি করে মাছ ধরা কি বৈধ হবে?

যাকাত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩১৯৯) : আমি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একাউন্ট বিভাগে কর্মরত। এ বছর সকল কর্মকর্তার জুন মাসের সেলারি রমযানের পূর্বেই (মে মাসের শেষে) একসাথে ব্যাংক থেকে উঠিয়ে আমার কাছে রাখা হয়। এর মধ্যে আমার সেলারিও ছিল। এমডি স্যারের নির্দেশ ছিল, নির্ধারিত সময়ে (জুনের ২০ তারিখে) সকল কর্মকর্তার সেলারি পরিশোধ করা হবে। এর পূর্বে কারো সেলারি দেওয়া যাবে না। সে হিসেবে ২০ তারিখেই সকলের সেলারি দেয়া হয়। আমার সেলারিও ২০ তারিখেই নিয়েছি। আমি যাকাতের হিসাব করি রমযানের ১ তারিখে। রমযানের ১ তারিখে (২৮শে মে) জুন মাসের সেলারি আমার কাছেই ছিল। এখন আমার প্রশ্ন হল, গত বছরের যাকাতের হিসাবে জুন মাসের সেলারি হিসাব হবে কি?

গাড়ি ভাড়া দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩১৭৭) : আমি গ্রামে ভাড়ায় অটো চালাই। দৈনিক ভাড়া বাবদ মালিককে ৩০০ টাকা করে দিতে হয়। গরমের মৌসুমে আমাদের এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যায়। যার কারণে অটোতে ভালভাবে চার্জ হয় না। তাই গ্রামের অটোচালকরা সকলে মিলে জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। জেনারেটরের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার কারণে বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি খরচ হয়। এতে মালিকের ভাড়ার টাকা ও চার্জ-বিল পরিশোধের পর কামাই বলতে তেমন কিছু থাকে না। তাই আমি আমার মালিকের সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, জেনারেটরের চার্জ-বিল বাদ দিয়ে সারাদিনের কামাইয়ের যা অবশিষ্ট থাকবে তা আমরা সমান দুই ভাগে বণ্টন করে নিব। আমার প্রতি মালিকের আস্থা থাকায় তিনি এতে সম্মত হয়েছেন। হুযুরের নিকট জানতে চাচ্ছি উক্ত পদ্ধতিটি কি বৈধ হবে?

ব্যাংক জব করে এমন ব্যক্তির ছেলেকে পড়িয়ে পারিশ্রমিক নেওয়া জায়েয হবে কি?

প্রশ্ন (১৩১৭৬) : আমি একটা টিউশনির প্রস্তাব পেয়েছি। যে ছেলেকে পড়াতে হবে তার বাবা একটি সুদি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। আমার জানামতে এ চাকুরী ছাড়া তার অন্য কোনো আয় নেই। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি বললেন, এ টিউশনি করা জায়েয হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমি খুব টেনশনে আছি। হুজুরের কাছে জানতে চাই, আমি যদি সেখানে টিউশনি করে শুধু টিউশন ফি গ্রহণ করি; বোনাস গিফ্ট ইত্যাদি গ্রহণ না করি তাহলেও কি আমার জন্য এই টিউশনি করা জায়েয হবে না?

কুরবানীর পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক হিসেবে গোশত দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩১৭৫) : আমাদের এলাকায় জনৈক ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাইয়ের বিনিময়ে গোশত নেন। এখন আমাদের প্রশ্ন হল, ১. কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে কুরবানীর পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক হিসেবে গোশত নেওয়ার বিধান কী? ২. যদি কোনো ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাই করে গোশত নেয় তাহলে উক্ত জবাইকৃত পশুর কুরবানী কি সহিহ হবে? এর বিধান সবিস্তারে জানতে চাই। ৩. জবাইকারীকে পশু জবাইয়ের বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা দেওয়ার পর স্বেচ্ছায় গোশত দেওয়া যাবে কি? কুরআন-হাদিসের আলোকে উক্ত মাসআলাগুলো জানিয়ে বাধিত করবেন।

গরু বর্গা দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩১৪৭) : আমাদের এলাকায় গরু বর্গা দেওয়ার একটি পদ্ধতি আছে। সেটা হলো, উদাহরণস্বরূপ-আমি একজনের কাছে একটি গরু বর্গা দিলাম। এই শর্তে যে, গরুটি যে দামে ক্রয় করলাম তা আমার থাকবে। আর পালনকারী পালার পর যে দামে বিক্রয় করা হবে তা থেকে আমার ক্রয়ের টাকা রেখে যা থাকবে তা থেকে এক ভাগ আমার আর এক ভাগ পালনকারীর। এইভাবে বর্গা দেওয়া জায়েয কি না? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

যৌথ ব্যবসায় শতকরা হারে লাভ বণ্টন কর যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩১২০) : আমি আট লক্ষ টাকা পুঁজি নিয়ে একটি দোকান শুরু করতে চাচ্ছি। আমার এক বন্ধু এবং আমি এটি দেখাশোনা ও পরিচালনা করব। আমি একটি চাকরি করি। তাই বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানে থাকব। ছুটির দিনেও থাকব। আর সে পুরো সময় থাকবে এবং যাবতীয় কাজ আঞ্জাম দেবে। চুক্তি হবে, খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ থাকবে তা থেকে ৩০% নেবে সে, আর ৭০% নেব আমি। শরীয়তের দৃষ্টিতে আমাদের উক্ত চুক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কি? দয়া করে জানাবেন।

যৌথভাবে বাগান চাষ করার পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩০৭৯) : আমরা দুই ভাই মিলে একটি আম বাগান ক্রয় করেছি। চাকরি সুবাধে আমি ঢাকায় থাকি। তাই বাগানের দেখা-শোনা করতে পারি না। এজন্য আমি আমার ভাইয়ের সাথে এভাবে চুক্তি করতে চাচ্ছি যে, সে এটি দেখাশোনা করবে। যা খরচ হবে তা আমাদের সম্মিলিত বলে গণ্য হবে। আর মোট লাভ থেকে তাকে নিচের দুই পদ্ধতির কোনো এক পদ্ধতিতে লাভ দেওয়া হবে। ১. ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত লাভ থেকে ২০% তাকে দিয়ে বাকিটা আমরা দুই ভাগে ভাগ করে নেব। ২. সারা বছরের জন্য তাকে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হবে। ফল বিক্রয় বাবদ প্রাপ্ত অর্থ থেকে তার পারিশ্রমিক প্রথমে প্রদান করা হবে। এরপর খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা দু’জন ভাগ করে নেব। শরীয়তের দৃষ্টিতে উভয় পদ্ধতির বিধান কী? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

কোনো ব্যক্তি পারিশ্রমিক ছাড়া কোনো দোকানে শ্রম দিলে সে কি কোনো বিনিময় পাবে?

প্রশ্ন (১৩০৫১) : আমার চাচার টিনের ব্যবসা আছে। ব্যবসার সম্পূর্ণ পুঁজি তার একারই। আমরা দু’ভাই বড় হওয়ার পর তিনি আমাদেরকেও ব্যবসার কাজে শরীক করেছেন। এখন আমরা সবাই মিলে ব্যবসা দেখাশোনা করি। ইদানিং কিছু বিষয়ে বড় ভাইয়ের সাথে অমিল হওয়ায় আমি চাচ্ছি পৃথক হয়ে অন্য কোনো ব্যবসা করব। আমি গত সাত বছর দোকানে খেটেছি। এ সময়ে যখন যে প্রয়োজন দেখা দিয়েছে চাচার কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা পূরণ করেছি। জানার বিষয় হল, উক্ত দীর্ঘ সময়ের খাটনি বাবদ আমি কি কোনো প্রাপ্য বা ব্যবসার কোনো অংশের মালিকানা দাবি করতে পারব? দয়া করে জানালে উপকৃত হব।

ইদ্দতরত অবস্থায় কোনো মহিলা ঘর থেকে বের হতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩০৩৫) : কিছুদিন পূর্বে আমার এক প্রতিবেশী ইন্তেকাল করেন। তার আট-দশ বছর বয়সী দুটি ছেলে আছে। উভয়ে মাদরাসায় পড়াশোনা করে। এছাড়া সংসারে কর্মক্ষম কোনো পুরুষ নেই। লোকটির স্ত্রী এক মহিলা মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। মাদরাসাটি বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে। মহিলাটি প্রতিদিন বিকেলে বাড়িতে চলে আসেন। আর বর্তমানে উক্ত মহিলার সংসারের খরচ চালানোর জন্য তার এ চাকরি ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা নেই। প্রশ্ন হল, উক্ত মহিলার জন্য ইদ্দতের সময় এ চাকরি করা জায়েয হবে কি না?

জমির ফসল থেকে পারিশ্রমিক দেওয়ার শর্তে শ্রমিকদের সাথে চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০৩৪) : ধান কাটার বা অন্যান্য ফসল তোলার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সাথে আমরা উক্ত ফসলেরই একটা অংশ দেওয়ার চুক্তি করি। অর্থাৎ কথা থাকে, তারা ক্ষেতের ধান বা ফসল তুলে বাড়িতে এনে দেবে। বিঘাপ্রতি তাদেরকে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান বা ফসল দেওয়া হবে। তো ধান বা ফসল তোলা শেষ হলে তা বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে সেখান থেকে তাদের অংশ নিয়ে যায়। এক ভাই বললেন, এটা নাকি জায়েয নয়। কিন্তু আমি তার কথার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না। তাই আমি জানতে চাই, এ বিষয়ে শরীয়তের দৃষ্টিতে সঠিক সিদ্ধান্ত কী?

আপন ভাগিনাকে যাকাত দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৯৯৪) : আমার বড় বোনের প্রথম স্বামী খুবই গরিব। তার সহায়-সম্পত্তিও তেমন নেই। সে দীর্ঘ দিন যাবৎ জেলে আছে। তাই বাধ্য হয়ে বোন তাকে তালাক দিয়ে তার ছেলেসন্তানকে নিয়ে চলে আসে। পরে আমরা তাকে অন্য জায়গায় বিয়ে দেই। তার বর্তমান স্বামী খুব স্বচ্ছল। আমার বোনের বিয়ের মোহরের স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা মিলে ৭০/৮০ হাজার টাকা আছে। তার প্রথম ঘরের ছেলেটি আমাদের তত্ত্বাবধানে থাকে। বর্তমানে তার বয়স ১৩; এখনও নাবালেগ। তার টিউশন ফি ও স্কুলের বেতন মাসে ৪/৫ হাজার টাকা- আমি পরিশোধ করে থাকি। এখন হুজুরের কাছে আমি জানতে চাচ্ছি যে, আমার এ ভাগিনা যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত কি না? তার টিউশন ফি ও স্কুলের বেতন যদি আমি যাকাতের নিয়তে পরিশোধ করি, যাকাতের বিষয়টি তাকে না জানিয়ে, তাহলে এতে আমার যাকাত আদায় হবে কি না?

শতকরা হারে পারিশ্রমিক দেওয়ার চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯৩৯) : আমি একজন মাইক্রোবাস চালক। আমি ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালাই। আমি আগে যে গাড়িটি চালাতাম তার মালিক গাড়িটি বিক্রি করে দেওয়ায় এখন আমি আর গাড়ি চালাচ্ছি না। আমার এক বন্ধুর একটি মাইক্রোবাস আছে। সে একদিন আমাকে বলল যে, তুমি আমার মাইক্রোটা চালাও। গাড়ীর প্রয়োজনীয় খরচ ব্যতীত যা আয় হবে তার ৩০% তোমার আর ৭০% আমার। আমাদের উক্ত চুক্তিটি কি সহিহ হয়েছে? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

ব্যাংক কর্মকর্তার জমি বর্গা নেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯১৪) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি ব্যাংকে বড় একটি পদে চাকরি করে । সে তার চাকরির টাকা দিয়ে এলাকায় বেশ কিছু জমি কিনে রেখেছে। এছাড়া তার অন্য কোনো আয় নেই। এই জমিগুলো সে অর্ধার্ধি হারে ফসল বণ্টনের শর্তে বর্গা দিয়ে রেখেছে। আমি জানতে চাচ্ছি, তার কাছ থেকে জমি বর্গা নেওয়া জায়েয হবে কি না? যদি জায়েয না হয় তাহলে যারা ইতিপূর্বে তার থেকে জমি বর্গা নিয়েছে তাদের কী করণীয়? দয়া করে জানাবেন।

অনির্ধারিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে গাড়ি ভাড়া দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮৮৯) : আমাদের এলাকার অনেকের সিএনজি আছে। কেউ কেউ সিএনজি চালায়। তবে অধিকাংশ মালিকরাই অন্যকে ভাড়া দিয়ে রাখে। এক্ষেত্রে তারা চালকদের সাথে এভাবে চুক্তি করে যে, গাড়ি চালিয়ে প্রতিদিন যা ইনকাম হবে তার চারভাগে ভাগ করা হবে। সেখান থেকে তিনভাগ মালিক পাবে। আর একভাগ চালক নিয়ে যাবে। আমাদের এলাকায় প্রায় সবাই এভাবেই চুক্তি করে। জানার বিষয় হল, এভাবে চুক্তি করা কি সহিহ?

পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কবর খননের কাজ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮৭৪) : আমাদের গ্রামে একজন প্রসিদ্ধ কবর খননকারী আছে। নির্ধারিত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সে কবর খুঁড়ে থাকে। প্রয়োজন হলে আশপাশের গ্রাম থেকেও তার ডাক আসে। প্রশ্ন হল, তার জন্য এভাবে পারিশ্রমিক নিয়ে কবর খনন করা এবং তাকে দিয়ে টাকার বিনিময়ে কবর খনন করানো কি জায়েয হবে?

কোনো প্রতিষ্ঠান সুদী ব্যাংক থেকে লোন গ্রহণ করলে উক্ত প্রতিষ্ঠারে চাকরি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮৬৭) : আমি একজন আলেমের কাছে জানতে পেরেছি যে, ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা হারাম। ছেলে ব্যাংকে চাকরি করে। তাই তার উপার্জন দ্বারা মা-বাবা হজ্ব করতে পারবেন না। এই উত্তর থেকে আমার মনে সংশয় এসেছে যে- ১. বিভিন্ন বিধর্মী বিদেশী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানী করে থাকে। তারা সুদকে হারাম মনে করে না। ব্যাংক থেকে সুদী লোন নিয়ে থাকে এবং ব্যাংক থেকে সুদ দেওয়া হলে তাও গ্রহণ করে। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসাবে বাংলাদেশে তাদের অফিসে কাজ পরিচালনা করে থাকি। এক্ষেত্রে আমার কাজ পোষাকশিল্প নিয়েই। প্রস্তুত করা থেকে নিয়ে শিপমেন্ট পর্যন্ত সকল কাজের পরিচালনা আমার দায়িত্বে। তো এ বাবদ তারা যে বিনিময় প্রদান করে থাকে তা গ্রহণ করা হালাল না হারাম? ২. আমার এক দ্বীনী ভাইয়েরও প্রশ্ন হল, উপরোক্ত কোম্পানী ও এধরনের প্রতিষ্ঠানের আমদানীকৃত পণ্য সে এদেশ থেকে বিদেশে পরিবহন করে থাকে। এ বাবদ তাদের থেকে প্রাপ্ত টাকা হালাল না হারাম। তার পরিবহন সংক্রান্ত কার্যাদিও বৈধ। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তার পরিবহন খরচ পরিশোধ করছে তো উক্ত ইহুদী-খ্রিস্টানদের কোম্পানী, যারা সুদী লোন নেয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে সুদ গ্রহণও করে। এ কারণে আমাদের বেতন ও পারিশ্রমিক অবৈধ গণ্য হবে কি না?

অংশীদার ভিত্তিক ব্যবসায় শরিকদের জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নির্ধারণের পর অতিরিক্ত ধার্য করা জায়েয আছ…

প্রশ্ন (১২৮৩০) : আমি আর আমার এক চাচাতো ভাই মিলে একলক্ষ আশি হাজার টাকা দিয়ে যাত্রী বহনের জন্য একটি মোটর সাইকেল কিনেছি। এতে আমি এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দিয়েছি আর সে ষাট হাজার টাকা দিয়েছে। আমাদের মাঝে চুক্তি হয়েছিল আমরা আমাদের মূলধন অনুপাতে লাভ নিব। মোটর সাইকেল নিয়মিত আমার চাচাতো ভাই চালায়। যার কারণে সে এত অল্প লাভে সন্তুষ্ট নয়। এজন্য আমি বলেছি, তুই প্রতিদিন লাভের সাথে দুইশত টাকা অতিরিক্ত নিবি। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত চুক্তিটি বৈধ হয়েছে কি না? বৈধ না হলে সঠিক পদ্ধতি কী হতে পারে?