ঈসা (আ.) কি খোদায়ি শক্তির অধিকারী ছিলেন
প্রশ্ন (১৮১৫) : আমার এক খ্রিস্টান বন্ধু বলে, ঈসা (আ.) নাকি খোদায়ি শক্তির অধিকারী ছিলেন। তার এ কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৮১৫) : আমার এক খ্রিস্টান বন্ধু বলে, ঈসা (আ.) নাকি খোদায়ি শক্তির অধিকারী ছিলেন। তার এ কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৬১২) : মাঝে মাঝে মনে কুফরি চিন্তা আসে। যদিও আমি সেগুলো বিশ্বাস করি না। এমতাবস্থায় আমার কি আবার নতুন করে ঈমান আনতে হবে?
প্রশ্ন (১৬০২) : এক ব্যক্তির সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে সে বলে, মরণের পরে যা হওয়ার হবে। প্রশ্ন হলো, এমন কথা বলার দ্বারা তার ঈমান কি থাকবে?
প্রশ্ন (১৫১৬) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি খ্রিষ্টান হয়ে গিয়েছে। আমরা জানি যে, স্বামী বা স্ত্রীর যেকোনো একজন কাফের হয়ে গেলে স্বামী স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এখন আমার প্রশ্ন হলো, উক্ত মহিলার কি ইদ্দত পালন করতে হবে?
প্রশ্ন (১৪৮৩) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি কাদিয়ানী হয়ে গিয়েছে। তার পরিবারের লোকেরা তাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছে, কিন্তু সে ঠিক হয়নি। এখন আমার প্রশ্ন হলো, স্বামী কাদিয়ানী হয়ে যাওয়ার কারণে তার স্ত্রীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে কি?
প্রশ্ন (১৪৩৮) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে স্ত্রীসহ কাদিয়ানী হয়ে যায়। আলেমদের একটি দল সংবাদ পেয়ে তাদের কাছে যান এবং বিভিন্নভাবে বুঝান। ফলে তারা পুনরায় ইসলাম গ্রহণ করে। আমার প্রশ্ন হলো, এক্ষেত্রে তাদের পূর্বের বিবাহ কি বহাল থাকবে?
প্রশ্ন (১৩৮৯) : এক খ্রিস্টান ব্যক্তি রাসূল (সা.)- কে মন্দ বললে আমার এক বন্ধু ঈসা (আ.)-কে বিরূপ মন্তব্য করে বসে। আমি জানতে চাচ্ছি, এতে কি আমার বন্ধুটির ঈমান চলে যাবে?
প্রশ্ন (৬৬৯) : আমার এক বন্ধু তার হিন্দু প্রেমিকাকে খুশী করার জন্য তার সাথে গিয়ে মন্দিরে প্রণাম করে এসেছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আমি তো আর অন্তর থেকে বিশ্বাস করে প্রণাম করিনি। জানতে চাই, তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (৬৬৮) : যে সকল লোক কাদিয়ানীদের পক্ষে কথা বলে, তাদেরকে আর্থিক ও আইনী সহযোগিতা করে এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করে তাদের হুকুম কী?
প্রশ্ন (৬৬৩) : আমাদের এলাকার এক পীর সাহেব তার মুরীদদেরকে এই কথা বলে যে, তিনি পরকালে তাদের জান্নাতের ব্যবস্থা করে দিবেন। এমন পীরের হাতে বায়আত হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬৬০) : কোনো ব্যক্তির স্ত্রী ঠিকমত নামাজ-রোজা, পর্দা পুশিদা করে না এবং বিভিন্ন সময়ে সে আল্লাহ সম্পর্কে অশোভন ও অশালীন মন্তব্য করে। স্বামী তার স্ত্রীকে বহুবার সতর্ক করেছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। এক পর্যায়ে সে নিম্নোক্ত জঘন্য মন্তব্য ও উক্তি করে বসেছে ‘আমি দীর্ঘদিন রোগে ভুগছি আল্লাহ আমাকে ভালো করেন না। আল্লাহ কি অন্ধ বধির? আল্লাহ জালিম, তিনি সুবিচার করেন না। আমি আর আল্লাহর ইবাদত করব না। আল্লাহর ইবাদত করার চেয়ে শয়তানের ইবাদত করাই উত্তম। আমি আর নামাজ পড়বো না। আল্লাহর কপালে ঝাড়ু মারি। আল্লাহর কোনো ক্ষমতা নাই। ক্ষমতা থাকলে আমার রোগ ভালো করে দেন না কেন?’ এখন প্রশ্ন হলো, উপরোক্ত অশালীন ও শরীয়ত বিরোধী বক্তব্যের পর উক্ত মহিলার ঈমান থাকবে কি? উল্লিখিত অবস্থার প্রেক্ষিতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে শরীয়তের ফায়সালা কী? উক্ত মহিলাকে তার স্বামীর জন্য তালাক প্রদান করা কি জরুরি?