তালাকের সাথে ইনশাল্লাহ যুক্ত করলে উক্ত তালাকের হুকুম কী?
প্রশ্ন (১৩৮৫৬) : ইনশাআল্লাহ বলে তালাক দিলে কি তালাক হবে? না হলে এর কারণ কী? দলিলপ্রমাণসহ জানানোর অনুরোধ রইল।
প্রশ্ন (১৩৮৫৬) : ইনশাআল্লাহ বলে তালাক দিলে কি তালাক হবে? না হলে এর কারণ কী? দলিলপ্রমাণসহ জানানোর অনুরোধ রইল।
প্রশ্ন (১৩৬৮০) : কোনো মহিলার স্বামী খোলা তালাক দিলে খোলা তালাকদাতা স্বামী তার স্ত্রী থেকে কী পরিমাণ বিনিময় নিতে পারবে? উত্তরটা জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৩৫৮০) : আমার ঘুমের মধ্যে কথা বলার অভ্যাস আছে। কিন্তু আমি কখনো এটা বুঝতে পারি না। তো গতকাল ঘুম থেকে ওঠার পর স্ত্রী বলছে, আমি নাকি ঘুমন্ত অবস্থায় ‘তোমাকে তালাক দিলাম’ কথাটি বলেছি। কিন্তু আমার এমন কিছু মনে পড়ে না। হুযুরের কাছে জানতে চাই, ঘুমের ঘোরে আমি কী বলেছি তা তো জানি না। এক্ষেত্রে কি আমার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে?
প্রশ্ন (১৩২৯৪) : আমার স্বামীর সাথে কয়েকদিন ধরে ঝগড়া চলছিল। একদিন সকালে একটা বিষয়ে কথা কাটাকাটির সময় আমার স্বামী বলে উঠল, এই বাড়িতে থাকার অধিকার তোমার নেই। তুমি যদি এ বাড়ি থেকে চলে না যাও তাহলে তুমি তালাক। তো তালাক থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার জন্য আমি ঐ দিনই বিকালবেলা আমার বাবার সাথে বাড়িতে চলে যাই। আমি জানতে চাচ্ছি, বিকেল পর্যন্ত বিলম্বের কারণে কি আমার উপর তালাক পড়বে?
প্রশ্ন (১২৯৪৩) : আমি কানাডা থাকি। দেশে আমার মা বোনদের সাথে আমার স্ত্রীর ঝগড়া হওয়াতে সে তার পিত্রালয়ে চলে যায়। পরিবারের লোকেরা তাকে তালাক দিতে বলে। কিন্তু আমি দেইনি। এর কিছু দিন পর আমি দেশে আসলে পরিবারের লোকেরা আবারো তালাক দিতে চাপ দিতে থাকে। এমনকি একদিন রাতে কয়েকজন আমাকে নিয়ে বসে স্ত্রীকে তালাক দিব কি না জানতে চায়। আমি কোনো উত্তর না দেওয়াতে তারা আমার উপর ক্ষেপে যায়। এক পর্যায়ে আমার ছোট ভাই (বেয়াদবীর সব সীমা অতিক্রম করে) পূর্ব থেকে সংগৃহীত একটি তালাকনামা আমার হাতে দিয়ে বলে যে তালাক না দিলে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে, বিদেশে যেতে দিবে না ইত্যাদি। অন্যান্যরাও তার কথার সমর্থন করে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। আচমকা এ পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে আমি তালাকনামা পূর্ণ করি। যাতে ‘আমি তোমাকে তিন তালাক দিলাম’ উল্লেখ করে নিচে দস্তখত করি। পুরো ঘটনায় আমি মুখ দিয়ে কিছুই বলিনি; বরং মনে মনে বলি ‘তালাক না তালাক না।’ এরপর তারা তালাকনামাটি আমার স্ত্রীর কাছে পাঠিয়ে দেয়। ছুটি শেষে আমি আবারো বিদেশ চলে আসি। এখনো আমি আমার স্ত্রীর উপর সন্তুষ্ট। তার সাথে সংসার করতে চাই। জানার বিষয় হল, কোনো সুযোগ আছে কি না?
প্রশ্ন (১২৮৯৩) : বছর খানেক আগে আমার বাবার এক বন্ধুর ছেলের সাথে এক লক্ষ টাকা মহরের বিনিময়ে আমার বিবাহ হয়। তার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা ছিল নগদ পরিশোধ, আর ৫০ হাজার ছিল বাকি। অতপর বিশেষ কিছু কারণে বাধ্য হয়ে আমি স্বামীর কাছে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে খোলা তালাকের আবেদন করি। তিনিও ২০ হাজার টাকার বিনিময় আমাকে খোলা তালাক দিতে রাজি হন। তখন আমি তাকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছি এবং অনাদায়ী ৫০ হাজার টাকার দাবিও ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি মহর বাবদ প্রদত্ত ৫০ হাজার টাকা দিয়ে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন। এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৭৮২) : আমি আমার স্ত্রীকে প্রায় এক বছর পূর্বে তার এক আত্মীয়ের সাথে কথা বলতে নিষেধ করি এবং বলি, তার সাথে সরাসরি অথবা ফোনে যে কোনোভাবে কথা বললে তালাক হয়ে যাবে। এরপর প্রায় এক বছর পর্যন্ত আমার স্ত্রী ঐ ব্যক্তির সাথে কোনো কথা বলেনি। কিছুদিন পূর্বে বিশেষ এক প্রয়োজনে শুধু একটি ম্যাসেজ পাঠায়। উদ্দেশ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি সংবাদ পৌঁছানো। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এখন আমরা উভয়ে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। ম্যাসেজ পাঠানোর কারণে তালাক হয়েছে কি না? যদি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (১২৭৫১) : এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করে। এরপর তার স্ত্রীর সাথে চার মাস বার দিন কোনো যোগাযোগ বা অন্য কোনো সম্পর্ক রাখেনি। ইতিমধ্যে তার স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হয়ে যায়। এরপর তাকে মৌখিক ও লিখিতভাবে কাজী ও উকিলের মাধ্যমে তিন তালাক প্রদান করে। এখন প্রশ্ন হল- ১. ইদ্দত অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর যে তিন তালাক প্রদান করা হয়েছে তা কার্যকর হয়েছে কি? ২. যদি তিন তালাক কার্যকর না হয় তাহলে তারা কীভাবে আবার বৈবাহিক সম্পর্কে ফিরে আসতে পারবে?
প্রশ্ন (১২৫১৯) : আমি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। আমার ছোট ছোট দুটি ছেলে এবং একটি মেয়ে আছে। আমার স্ত্রীর সাথে একটি বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হচ্ছিল। কিছুদিন আগে আমার বোনেরা আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসলে সে তাদের সাথে খুবই খারাপ আচরণ করে এবং ফোনে আমার সাথে খুব কথা কাটাকাটি হয়। আমি তাকে তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং একটি চিঠিতে ঘটনার বিবরণসহ লিখি যে, ‘আমি আমার স্ত্রীকে বায়েন তালাক দিলাম’। আমি মুখে উচ্চারণ করে তালাক বলিনি কিন্তু তালাকের নিয়তেই উক্ত কথা লিখেছি। পরে আমার ছেলে-মেয়ের কথা ভেবে তালাকের চিঠিটি তার কাছে না পাঠিয়ে ছিঁড়ে ফেলি। আমার জানার বিষয় হল, উক্ত লেখার কারণে আমার স্ত্রীর উপর তালাক পতিত হয়েছে কি না? এখন তার সাথে ঘর-সংসার করতে পারব কি না? উল্লেখ্য, আমি ইতিপূর্বে তাকে কোনো তালাক দেইনি। সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১২৫১৭) : গত বছর আমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পরই স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হয়। সে বিভিন্ন পর-পুরুষের সাথে ফোনে কথা বলে, তাদের সাথে আড্ডা দেয়। তাকে অনেক বোঝানোর পরও কাজ হয়নি; বরং সে বারবার বলে, আমাকে ছেড়ে দাও। আমাকে তালাক দিয়ে দাও। আমার স্ত্রীরা পারিবারিকভাবে বেশ ধনী। তাই মুরব্বীদের সাথে পরামর্শ করে তাকে খোলা তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আমার এক চাচা বললেন, তুমি খোলা তালাক বাবদ তিন লাখ টাকা নাও। আমার বিয়ের মহর ছিল আড়াই লাখ টাকা। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারের মাধ্যমে তা আদায় করে দিয়েছি। হযরতের কাছে কাছে জানতে চাই, আমি কি আমার স্ত্রী থেকে তালাক বাবদ উক্ত টাকা গ্রহণ করতে পারব?
প্রশ্ন (১২৫০৯) : কয়েকদিন আগে আমার প্রবাসী পিতা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার আম্মাকে তিন তালাক দিয়ে দেন। বিষয়টি একজনকে জানালে তিনি দ্রুত আম্মাকে নানাবাড়িতে পাঠিয়ে দিতে বলেন। একথা শুনে তিনি বিমূর্ষ হয়ে পড়েছেন। এই বৃদ্ধ বয়সে নানাবাড়িতে কীভাবে যাবেন? এ করুণ পরিস্থিতিতে জনাবের কাছে জানার বিষয় হল, ১. এখন কি বাস্তবেই আম্মাকে নানাবাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে? আমরা চাচ্ছি, তিনি আব্বুর স্ত্রী হিসাবে না থাকলেও আমাদের দেখাশুনা ও পরিবারের নিয়ন্ত্রণের জন্য আব্বুর সংসারে থাকুন। এতে শরয়ী কোনো সমস্যা আছে কি না? এক্ষেত্রে আব্বুর টাকা দিয়ে তিনি নিজের ব্যয় নির্বাহ করতে পারবেন কি না? ২. আম্মার তালাকের ইদ্দতেও মৃত্যু পরবর্তী ইদ্দতের ন্যায় সাজসজ্জা ত্যাগ ইত্যাদি বিভিন্ন বিধান কার্যকর হবে কি না?
প্রশ্ন (১২৫০৪) : আমার বন্ধুর সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হচ্ছিল। এক পর্যায়ে সে তার স্ত্রীকে থামানোর জন্য বলে, ‘তুই আমার মার মত’ একথা বলার সময় তার চিন্তায় তালাক বা ভিন্ন কিছুর নিয়ত ছিল না। কেবল ঝগড়া থামানোর জন্যই সে এটা বলেছিল। এখন সে একথা বলার জন্য অনুতপ্ত। সে জানতে চেয়েছে, এতে কি তাদের বিবাহে কোনো সমস্যা হয়েছে? হয়ে থাকলে তাদের করণীয় কী? তাদের কি দ্বিতীয়বার বিবাহ করতে হবে?
প্রশ্ন (১২৪৯৮) : আমার বন্ধু তার স্ত্রীকে এক তালাকে বায়েন দিয়েছে। তারপর ইদ্দত শেষ হওয়ার আগেই তারা পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এখন জানার বিষয় হলো, ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ঠিক হয়েছে কি না?
প্রশ্ন (১২৪৮৫) : আমার মামাতো বোনের তুলনায় ওর স্বামীর বয়স অনেক বেশি ছিল। সে কারণে ওদের মধ্যে কোনো বিষয়ে কথা কাটাকাটি হলেই আমার মামাতো বোন বলত, তুমি যদি আমাকে তালাক দিয়ে দাও তাহলে আমার কোনো সমস্যা নেই। গত সপ্তাহে আবার ঝগড়া হলে আমার মামাতো বোন কথার একপর্যায়ে বলে উঠে, তাহলে তুমি আমাকে তালাক দিয়ে দাও। তখন ওর স্বামী রাগের মাথায় বলে ফেলেছে, যা দিলাম। মুখে তালাক বা এজাতীয় কোনো শব্দ উল্লেখ করেনি। এখন একথা বলার দ্বারা তালাক হয়েছে কি না? কয়েকজন থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। সঠিক মাসআলাটি মুহতারামের নিকট জানতে চাচ্ছি। আর যদি তালাক হয়ে যায় তাহলে পুনরায় একত্রে থাকতে চাইলে কী করণীয়?
প্রশ্ন (১২৪৮২) : একবার ভাইয়া-ভাবির মাঝে প্রচন্ড ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে ভাইয়া তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, ‘তুমি তালাক, চুপ করো বলছি!’ একথা শুনে অবাক হয়ে আম্মা বললেন, বাবা, তুই কী বললি!? ভাইয়া বলে, বলেছি, ‘ও তালাক’ এরপর আব্বা, ভাইয়ার শ্বশুর এবং অন্যান্যরা ফোন করে আম্মার মতো প্রশ্ন করতে থাকলে ভাইয়া আগের মতই উত্তর দিয়ে যান। জানার বিষয় হল, তালাক দেওয়ার পর বিভিন্নজনের জানতে চাওয়ার প্রেক্ষিতে এভাবে একের পর এক তালাক শব্দ যে উচ্চারণ করা হল, এর দ্বারা আসলে কয় তালাক হয়েছে?
প্রশ্ন (১২২৩৭) : আজ থেকে ছয় মাস আগে আমাদের এক প্রতিবেশী তার নিকটাত্মীয় এক মেয়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। শুরুতে তাদের সংসার ভালোই চলছিল। কিছুদিন পর থেকে মেয়ে যে কারণেই হোক স্বামীর সাথে খারাপ আচরণ শুরু করে। স্বামী সর্বদা স্ত্রীর মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় হঠাৎ একদিন স্ত্রী স্বামীকে কোনো কিছু বলা ছাড়াই তার বাবার বাসায় চলে যায়। স্বামী তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও সে আসতে চায় না। এমনকি এখন সে স্বামী থেকে সম্পূর্ণরূপে পৃথক হয়ে যেতে চায়। কিন্তু স্বামী তাকে তালাক দিতে রাজি নয়। সর্বশেষ স্ত্রী মহরের বিনিময়ে খোলা করতে চাচ্ছে। জানার বিষয় হল, এভাবে অর্থের বিনিময়ে তালাক দেওয়া জায়েয হবে কি না? এক্ষেত্রে বিনিময় স্বরূপ প্রদত্ত মহরের চেয়ে অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবে কি না? পরবর্তীতে তারা উভয়ে যদি পুনরায় ঘর সংসার করতে চায় তাহলে সেটার কোনো বৈধ সুরত আছে কিনা?
প্রশ্ন (১২২০৭) : ১. আমি স্ত্রীর উপর রাগ করে ঠাণ্ডা মাথায় একবার একথা বলি, ‘আমার ছোট ছেলের ২ বছর পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথে তুমি তালাক’। একথা আমি একা একা বলি শব্দ করে। আবার প্রচন্ড রাগের মাথায় একা একা শব্দ করেও ঐ জাতীয় কথা আলাদা আলাদা দিনে কয়েকদিন বলি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে কয় তালাক পতিত হবে? ২. আমার এবং আমার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আমি আমার স্ত্রীকে এ কথা বলি- ‘বেশি চিল্লাবা না; আর বেশি চিল্লাইলে তুমি আমার বউ থাকবা না।’ এ কথার পরও সে অনেক চিল্লিয়েছে। ঐ কথা বলার সময় দিলের নিয়ত কী ছিল তা বুঝতে পারছি না। অতএব, উপরিউক্ত কথার ভিত্তিতে মেহেরবানী করে ফতোয়া জানালে বাধিত থাকব।
প্রশ্ন (১২১০৫) : আমার ও আমার স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কিছু বিষয়ে ঝগড়া হয়েছিল। তখন আমি তাকে রাগের মাথায় বলেছিলাম, ‘আজ থেকে তোকে তালাক দিয়ে দিলাম।’ প্রতি উত্তরে সে বলেছিল, ‘তালাক দিয়ে লাভ কী? কিছুদিন পর আবার তো ফিরিয়ে নেবেন।’ একথা শুনে আমার রাগ আরো বেড়ে যায় এবং তার কথার জবাবে বলে ফেলি, ‘আচ্ছা, ঠিক আছে তোকে আর ফিরিয়ে নেব না।’ তখন তার বাবা এসে তাকে বাপের বাড়ি নিয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত (প্রায় ২৫/২৬ দিন) তার সাথে আমার আর কোনো দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। অবশ্য প্রয়োজনে ফোনে এক-দুবার কথা হয়েছে। কিন্তু ইদানীং ফোন করে সে আমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছে এবং তার কৃতকর্মের ওপর অনুশোচনা প্রকাশ করছে। আমারও তার সাথে আবার সংসার করার ইচ্ছা আছে। তাই জানতে চাচ্ছি, উক্ত অবস্থায় তার ওপর কয় তালাক এবং কোন ধরনের তালাক পতিত হয়েছে? পুনরায় সংসার করতে চাইলে কীভাবে কী করতে হবে? আশা করি সবিস্তারে জানাবেন।
প্রশ্ন (১২০৯২) : এলাকার এক মেয়ের সাথে আমার দীর্ঘদিন সম্পর্ক ছিল। প্রায় সময়ই ফোনে তার সাথে কথাবার্তা হত। নিয়ত ছিল তাকে বিয়ে করব। তাই এ ব্যাপারে তাকে আশ্বস্ত করার জন্য একদিন বলেছিলাম, ‘আমি তোকে ছাড়া যদি অন্য কাউকে বিয়ে করি, তাহলে সে তিন তালাক।’ কিন্তু গত সপ্তাহে তার বাবা-মা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেয়। এখন তার সাথে আমার সম্পর্কও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। উক্ত বিষয়টি জানালে কেউ কেউ বলেছেন, আমি নাকি আর বিবাহ করতে পারব না। অন্য কাউকে বিয়ে করলে তার ওপর নাকি সাথে সাথেই তিন তালাক পড়ে যাবে। এ নিয়ে আমি খুব পেরেশানিতে আছি। হুজুরের কাছে অনুরোধ, সামনে গুনাহের পথ থেকে যেন বাঁচতে পারি তাই শরীয়াহসম্মত বিবাহের কোনো সমাধান দেবেন।
প্রশ্ন (১২০৭৩) : আমার এক প্রতিবেশী প্রায়ই মদ খায়। এক রাতে সে মাতাল হয়ে বাড়ি আসে এবং তার স্ত্রীকে খুব মারধর করে তাকে বলে, ‘যা আজ থেকে তুই তালাক?’ পরের দিন সে ঘুম থেকে উঠে লজ্জিত হয়। তার স্ত্রী এখন তার থেকে আলাদা থাকছে। এখন তারা পুনরায় ঘর-সংসার করতে চায়। হুযুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় তার স্ত্রীর উপর তালাক পতিত হয়েছে কি না? পতিত হলে তাদের ঘর-সংসার করার কোনো সুযোগ আছে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।