মাতা-পিতা সংক্রান্ত

চাকরি না করার আদেশ শোনা কি জরুরি

প্রশ্ন (৯১৩৩) : আমার স্বামী পিতা মাতার একমাত্র সন্তান। অতি আদরের কারণে তার পিতা মাতা তাকে চাকরি করতে নিষেধ করেন। তিনি তাদের কথামত কোনো চাকরি বাকরি করেন না। যার ফলে আমার ভরণ পোষণও আদায় করতে পারেন না। জানতে চাচ্ছি, আমার স্বামীর জন্য পিতা মাতা কর্তৃক চাকরি না করার আদেশ মান্য করা কি জরুরি?

মা তারাবি পড়তে না দিলে করণীয় কী

প্রশ্ন (৯০০৮) : সামনে আমার ফাইনাল পরীক্ষা। পরীক্ষার কারণে আমার মা আমাকে তারাবি পড়তে নিষেধ করেন। জানতে চাচ্ছি, আমি কি তারাবি পড়ব, নাকি তার কথা শুনে বিরত থাকব?

বাবা-মা পছন্দ না করলে কি খারাপ ব্যবহার করা যাবে

প্রশ্ন (৮৪৮৭) : আমার বাবা মা আমাকে পছন্দ করেন না। বিভিন্নভাবে আমি বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। আমি তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করতে চাই। কিন্তু তারপরও তাদের প্রতি মন থেকে ভালো ব্যবহার আসে না। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করা যাবে কি?

তোর টাকা আমার জন্য হারাম বলার দ্বারা কি কসম সংঘটিত হবে

প্রশ্ন (৭৮৯৮) : আমার মা আমার বড় ভাইয়ের সাথে রাগ করে বলে ফেলে ‘তোর টাকা আমার জন্য হারাম’। অতঃপর আবার রাগ কমার পর মিলমিশ হয়ে যায়। এখন তিনি বড় ভাইয়ের ঘরেই থাকছেন। তার উপার্জন খাচ্ছেন। প্রশ্ন হল, উক্ত কথা বলার পর এখন ভাইয়ের উপার্জন খাওয়া কি তার জন্য জায়েয হবে?

খুশি হয়ে শুধু এক সন্তানকে হাদিয়া দেওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (৭৮৮৪) : আমার দুটি ছেলে। বড় ছেলেটি আমার কথাবার্তা শুনে না। ছোট ছেলেটি মাশাআল্লাহ আমার অনুগত। আমি ছোট ছেলেটিকে কিছু হাদিয়া দিতে চাচ্ছি। এটা কি আমার জন্য জায়েয হবে?

বাবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভাইকে রক্ত দেওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (৭৭৮৭) : আমার ভাই বাবার কথা অমান্য করে নিজের মনমত বিয়ে করেছিল। বাবা এতে কষ্ট পেয়ে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন। এবং আমাদরকেও ছিন্ন করতে বলেন। আমরা তা-ই করে আসছি। বাবা এক বছর আগে মারা যান। এখন আমার ভাই গুরুতর অসুস্থ থাকায় তার রক্তের প্রয়োজন। আমি বাবার নিষেধ অমান্য করে ভাইকে রক্ত দিতে পারব?

শাশুড়ির সাথে স্ত্রীর মিল না হলে করণীয় কী

প্রশ্ন (৭৩৯০) : আমার স্ত্রীর ছোট ভাইকে বছর দুয়েক আগে একটি মেয়ের সাথে বিবাহ সম্পন্ন করানো হয়। আমার শাশুড়ি একজন দ্বীনদার মহিলা। এজন্য তিনি উক্ত পাত্রীকে পুত্রবধূ হিসেবে নির্বাচন করেন, এই ভেবে যে, সে দ্বীনদার এবং আমলী হবে। নম্র ও ভদ্র হবে। বর্তমানে, শ্বশুর-শাশুড়ি নিজেদের বাসায় পুত্রবধূকে রেখেছেন। তার যাবতীয় ভরণপোষণ ও পুত্রের ভরণপোষণের সিংহভাগ তারাই দিচ্ছেন। কিন্তু উক্ত পুত্রবধূ তার শাশুড়ির সাথে ছোটখাটো বিষয়েও তর্ক ও বেয়াদবিতে লিপ্ত হচ্ছে। বিভিন্ন আমল যেমন কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, কিতাব পড়া ইত্যাদি ব্যাপারে তারা উৎসাহ দিলে উক্ত পুত্রবধূ বিরক্তি প্রকাশ করে এবং উদাসীনতা প্রদর্শন করে। ছোট ভাই মাঝে মাঝে তার স্ত্রীকে এসব বিষয়ে বুঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ফল হচ্ছে না। শ্বশুরের বাসায় উক্ত পুত্রবধূর আচরণ নিয়ে সবাই পেরেশান। এমতাবস্থায় জানার বিষয় হলো, উক্ত পুত্রবধূকে আলাদা সংসার বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেদের সাথে রাখাটা কি শরিয়তসম্মত হচ্ছে? উক্ত পুত্রবধূর সংশোধনের জন্য পুত্র ও শ্বশুর-শাশুড়ির দায়িত্ব কী?