বাই’ মুশারাকা বা অংশীদারি কারবার

যৌথ ব্যবসায় লোকসান হলে এর দায় কে বহন করবে?

প্রশ্ন (১৩৮০০) : আমরা ব্যবসার উদ্দেশ্যে পাঁচজন মিলে একটি সমিতি গঠন করি। আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে, উক্ত ব্যবসা থেকে যা লাভ হবে তার সবার মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে। তো সবাই মিলে উক্ত ব্যবসা দেখাশোনার দায়িত্ব আমাকেই দিয়েছে। তবে আমার জন্য কোনো পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয় নি। তো এক বছর আগে এক লোককে পনের হাজার টাকা অগ্রিম দেই এই চুক্তিতে যে, তিনমাস পর সে চাল দিবে। পরে ঐ লোক থেকে চাউল বা টাকা কোনোটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন সংগঠনের বাকি সদস্যরা আমার কাছে এই টাকা দাবি করছে। জানার বিষয় হল, উক্ত টাকা সম্পর্কে শরীয়তে বিধান কী? এই টাকার দায় কি শুধু আমার উপরই আসবে?

যৌথ ব্যবসায় নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনো শরিক ব্যবসা থেকে বের হয়ে যেতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৯১) : আমরা কয়েক বন্ধু মিলে প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে যৌথ মূলধন দিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করেছি। কথা হয়েছে দশ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে আমরা কেউ এই ব্যবসা থেকে আলাদা হবো না। কিন্তু আমাদের একজন এখনই আলাদা হয়ে যেতে চাচ্ছে। ব্যবসাটির পরিচালনায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ অবস্থায় সে আলাদা হলে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তাই জানার বিষয় হল, আমাদের সম্মতি ব্যতীত সে ব্যবসা থেকে আলাদা হওয়ার অধিকার রাখে কি?

যৌথ ব্যবসায় ক্ষতি হলে তার দায়ভার কিভাবে বহন করা হবে?

প্রশ্ন (১৩৩৩৪) : আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে একটা ব্যবসায়িক সংগঠন করেছি। এখানে আমরা সবাই সমানভাবে টাকা জমা করে শিরকতের পদ্ধতিতে ব্যবসা করব এবং লাভ সমানভাবে বণ্টন হবে। ব্যবসা করার দায়িত্ব আমি বহন করেছি। গত বছর এক লোককে তিন মাস পর ১০ মন ধান দিবে এ চুক্তিতে চার হাজার টাকা অগ্রিম দিই। পরে ঐ লোক থেকে টাকা বা ধান কোনোটাই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন সংগঠনের বাকি সদস্যরা আমার কাছে এই টাকা দাবি করছে। জানার বিষয় হল, এই টাকার দায় কি শুধু আমার উপর আসবে?

যৌথ ব্যবসায় দোকানে যাতায়াতের খরচ ব্যবসার লভ্যাংশ থেকে খরচ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩২৫৪) : আমি আমার মামার নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি। আমরা এভাবে চুক্তি করেছি যে, ব্যবসায় যা লাভ হবে তা আমরা সমানভাবে ভাগ করে নিব। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, প্রতিদিন বাসা থেকে দোকানে আসা-যাওয়ার খরচ ব্যবসায়িক খরচের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে যেমন: মাল ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়। তো এ সময়ের কোন কোন খরচ ব্যবসায়িক খরচ হিসেবে গণ্য হবে?

শরিকানা ব্যবসায় মুনাফা বণ্টনের পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩২৪৫) : আমার একটি লাইব্রেরী আছে। কয়েকদিন আগে আমার পরিচিত একজন প্রস্তাব দিলেন, তার দুটি কম্পিউটার এবং একটি প্রিন্টার আছে। এগুলো নিয়ে তিনি আমার দোকানে বসবেন। কম্পোজ, প্রিন্ট এবং এজাতীয় কাজ করবেন। সুযোগমত আমিও তার সাথে কাজ করব। আর এ বাবদ যা উপার্জন হবে তা উভয়ে সমানভাবে বা চুক্তি অনুযায়ী কিছুটা কম-বেশি হারে বণ্টন করে নেব। দোকান ভাড়া আমার দায়িত্বেই থাকবে। জানতে চাই, আমাদের এভাবে চুক্তি করা শরীয়তের দৃষ্টিতে সহিহ আছে কি?

যৌথ ব্যবসায় লভ্যাংশ বণ্টন করার পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩১২২) : আমার ভাগিনা একটি দোকান করেছে। তার পুঁজি ছিল তিন লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে তার টাকা প্রয়োজন হলে আমি তার ব্যবসায় দুই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করি। তার সাথে এভাবে চুক্তি হয়েছে, দোকানের সকল খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ থাকবে তা দু’জনের মাঝে অর্ধার্ধি হারে বণ্টন হবে। আর লোকসান হলে উভয়ে মূলধন অনুপাতে তা বহন করবে। আমার এ বিনিয়োগ শরীয়তসম্মত হয়েছে কি না? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

শরিকানা ব্যবসায় লাভ বণ্টনের পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১৩১২১) : আমার চাচার একটি ব্যবসা আছে। সেখানে তিনি প্রায় দশ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। আমি চাচার ব্যবসায় দুই লক্ষ টাকা দিয়ে শরীক হতে চাচ্ছি। ব্যবসা তিনিই পরিচালনা করবেন। মাঝে মধ্যে সুযোগ হলে আমিও কিছু কাজ করব। তিনি মোট লাভের ২০% আমাকে দেবেন, আর বাকিটা তার থাকবে। এভাবে চুক্তি করতে কোনো সমস্যা আছে কি?

যৌথ ব্যবসায় লাভ-লোকসানের হিসাব কিভাবে হবে?

প্রশ্ন (১৩০৯২) : আমি ও আমার বন্ধু মিলে দশ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি চালের আড়ত দিয়েছি। আমার পুঁজি চার লক্ষ টাকা আর বন্ধুর ছয় লক্ষ টাকা। ব্যবসা পরিচালনা আমি একাই করি। তাই তার সাথে আমার চুক্তি হয় যে, লাভের ৩৩% তার আর বাকিটা আমার। আর লোকসান হলে অর্ধেক সে বহন করবে আর বাকি অর্ধেক আমি। সে এতে রাজি হয়। প্রশ্ন হল, এভাবে চুক্তি করা কি বৈধ হয়েছে?

নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ গ্রহণের শর্তে ব্যবসার চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩০৫২) : আমি আমার এক বন্ধুকে এক লক্ষ টাকা নিম্নোক্ত শর্তাবলীতে ব্যবসা করার জন্য দিয়েছি। ১. লোকসান হলে আমার। ২. যদি লাভ হয় তবে মূল টাকার ১৮%-২৩% লাভ দিতে হবে। পরবর্তীতে জানতে পেরেছি, এরূপ ব্যবসায়িক চুক্তি বৈধ নয়। তাই হযরতের কাছে জিজ্ঞাসা, এ ব্যবসা থেকে অন্য কোনো পদ্ধতিতে লাভ নেওয়া যাবে কি না? কারণ, এক বছর ইতিমধ্যেই শেষ। যদি সে সন্তুষ্ট হয়ে কিছু লাভ দেয় তা গ্রহণ করা হারাম হবে কি? জানালে উপকৃত হব।

অংশীদার ভিত্তিক পুকুরে মাছ চাষ সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৯৬৯) : একটি পুকুরে কয়েকজন অংশীদার। সবাই অংশ হিসেবে এতে খরচ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলো। কিন্তু বর্তমান পরস্পর সম্পর্কের অবনতির কারণে কিছু অংশীদার এতে মাছ চাষ করতে সম্মত নয়। আর কয়েকজন এতে মাছ চাষ করে। আর যারা মাছ চাষ করতে সম্মত নয় তাদেরকে মাছের অংশ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা উক্ত মাছ গ্রহণ করে না। ফিরিয়ে দেয়। তারা ফেরৎ দেওয়া মাছ এলাকার গরীব-মিসকীনকে দিয়ে দেয়। জানার বিষয় হল, শরীকি পুকুরে এভাবে মাছ চাষ করা এবং ফেরৎ দেওয়া মাছ গরীব-মিসকীনকে দেওয়া জায়েয আছে কি না? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

লভ্যাংশের হার নির্ধারণ করা ছাড়া কোনো ব্যবসায়িক চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৯৫২) : আমার মামার একটি কাপড়ের দোকান আছে। বছর খানেক আগে সেখানে বিনিয়োগের জন্য মামাকে দুই লাখ টাকা দিয়েছিলাম। মামা বলেছিলেন, প্রতি মাসে দুই-আড়াই হাজার টাকা করে দিবে। আর বছর শেষে যখন হিসাব হবে তখন চূড়ান্ত হিসাব করে লভ্যাংশ উভয়ে বণ্টন করে নেব। তবে কোনো অংশ উল্লেখ করা হয়নি। আমি জানতে চাচ্ছি যে, এভাবে চুক্তি করা কি বৈধ হয়েছে? আর আমি যে লাভ গ্রহণ করছি তা গ্রহণ করা জায়েয হচ্ছে কি? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

মুদারাবা ব্যবসায় লোকসান হলে তা বহন করবে কে?

প্রশ্ন (১২৯৩৫) : প্রায় এক বছর পূর্বে আমি আমার এক বন্ধুকে এক লক্ষ টাকা এ শর্তে বিনিয়োগ করি যে, আমি লাভের ৬০% পাব। আর সে পাবে ৪০%। তেমনি লোকসান হলে উভয়ে উক্ত হারে তা বহন করব। কিছুদিন আগে আমি জানতে পেরেছি যে, এভাবে চুক্তি সহিহ নয়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এতদিন পর্যন্ত এ চুক্তি থেকে আমরা যে লাভ ভোগ করেছি এর ব্যাপারে আমাদের করণীয় কী?

অংশীদার ভিত্তিক ব্যবসায় শরিকদের জন্য নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নির্ধারণের পর অতিরিক্ত ধার্য করা জায়েয আছ…

প্রশ্ন (১২৮৩০) : আমি আর আমার এক চাচাতো ভাই মিলে একলক্ষ আশি হাজার টাকা দিয়ে যাত্রী বহনের জন্য একটি মোটর সাইকেল কিনেছি। এতে আমি এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দিয়েছি আর সে ষাট হাজার টাকা দিয়েছে। আমাদের মাঝে চুক্তি হয়েছিল আমরা আমাদের মূলধন অনুপাতে লাভ নিব। মোটর সাইকেল নিয়মিত আমার চাচাতো ভাই চালায়। যার কারণে সে এত অল্প লাভে সন্তুষ্ট নয়। এজন্য আমি বলেছি, তুই প্রতিদিন লাভের সাথে দুইশত টাকা অতিরিক্ত নিবি। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত চুক্তিটি বৈধ হয়েছে কি না? বৈধ না হলে সঠিক পদ্ধতি কী হতে পারে?

কোনো ব্যবসায় শ্রম না দিয়ে বিনিয়োগকৃত মূলধনের আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি লভ্যাংশ গ্রহণ করা জায়েয আছে …

প্রশ্ন (১২৭৭৩) : আমার ফুফাতো ভাই একটি দোকান দিয়েছে। সে এতে ৬ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করেছে। কিছুদিন পর তার টাকার প্রয়োজন হলে সে আমার কাছে ঋণ চায়। আমি তাকে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে আলোচনাক্রমে তার ব্যবসায় বিনিয়োগ করি। বিনিয়োগকৃত টাকার পরিমাণ ছিল ৪ লক্ষ। এক্ষেত্রে আমাদের মাঝে এভাবে চুক্তি হয় যে, ব্যবসা সে দেখাশোনা করবে। আর দোকানের সব খরচ বাদ দিয়ে যা লাভ হবে তা দু’জনের মাঝে অর্ধার্ধি হারে বণ্টন হবে। আর লোকসান হলে উভয়ে মূলধন অনুপাতে বহন করবে। এখন মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমাদের উক্ত চুক্তিটি শরীয়তসম্মত হয়েছে কি না? দয়া করে জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

যৌথ কারবার চুক্তি।

প্রশ্ন (১২৭৬৩) : আমি মিরাছসূত্রে বাজারে একটি দোকান পেয়েছি। ব্যবসা করার মত বর্তমানে আমার কাছে তেমন কোন পুঁজি নেই। আমার এক বন্ধু কাঠমিস্ত্রীর কাজ করে। এতদিন সে অন্যের অধীনে বাইরে কাজ করত। এখন স্বতন্ত্রভাবে একটা দোকান নিতে চাচ্ছে। সে আমাকে প্রস্তাব দিয়েছে যে, সে তার সকল সাজ-সরঞ্জাম নিয়ে আমার দোকানে কাজ শুরু করবে। দোকানের প্রয়োজনীয় ডেকোরেশনও সে নিজ খরচে করবে। আমাকেও তার সাথে কাজে নিবে এবং প্রয়োজনীয় কাজ শিখিয়ে নিবে। মাসে যা উপার্জন হবে খরচ বাদ দিয়ে তা দুজনের মাঝে অর্ধা অর্ধি বণ্টন করা হবে। এখন আমার প্রশ্ন হল, এভাবে চুক্তি করা কি জায়েয?

যৌথ কারবারের ক্ষেত্রে মেয়াদ নির্দিষ্ট করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪২৮) : যশোর শহরে আমার একটি মুদি দোকান আছে। দোকান করার সময় একজনের সাথে এই মর্মে চুক্তি করি যে, সে দেড় লাখ টাকা দিয়ে পাঁচ বছর পর্যন্ত আমার সাথে যৌথ কারবার করবে। পাঁচ বছর পর আর যৌথ লেনদেন থাকবে না। পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও ব্যবসায় উন্নতি দেখে সে অংশীদারিত্ব ছাড়তে সম্মত হচ্ছে না। সে বলছে, যৌথ কারবারে এরকম শর্তারোপ করা ঠিক নয়। মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল, যৌথ কারবারে নির্দিষ্ট মেয়াদের শর্ত করা বৈধ কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

যৌথ কারবারে লাভ-লোকসান নির্ধারণের পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২০১০) : আমি ও আমার এক বন্ধু দুজনে মিলে মাছ চাষ করি। মূলধন হিসেবে আমাদের উভয়েরই দুই লক্ষ টাকা করে রয়েছে। এই ব্যবসায় আমার বন্ধুর দক্ষতা বেশি থাকায় তার জন্য ৬০% এবং আমার জন্য ৪০% লভ্যাংশ নির্ধারণ করি। এবং ব্যবসায় লোকসান হলে প্রত্যেকে উক্ত হার অনুযায়ী লোকসান বহন করার চুক্তি করি। আমাদের জানার বিষয় হল, উক্ত কারবারে লাভ-লোকসান উভয় ক্ষেত্রে তার জন্য ৬০% আর আমার জন্য ৪০% নির্ধারণ করা কী শরীয়তসম্মত হয়েছে?

সন্তানকে পারিশ্রমিক দেওয়া কি জরুরি

প্রশ্ন (১১৭৮৭) : ছেলে তার পিতার দোকানে সময় দিত। কোনো এক কারণে পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ায় সে আলাদা হয়ে যায়। এখন সে যে কয়দিন শ্রম দিয়েছে তার পারিশ্রমিক পিতার কাছে চাচ্ছে। উল্লেখ্য, ব্যবসায় তার কোনো মূলধন নেই এবং সে পরিবারসহ পিতার সাথেই থাকে। পিতাই তার ভরণ পোষণ বহন করে। প্রশ্ন হল, পিতার উপর কি পারিশ্রমিক দেওয়া আবশ্যক?

লাভ ও ক্ষতির অংশ সমান ধরা যাবে কি

প্রশ্ন (১১০৬৫) : আমি ও আমার ছোট ভাই মিলে মাছের ঘেরে মাছ চাষ করি। দুইজনই ৪ লক্ষ টাকা দিয়ে শরিক হয়েছি। তবে আমি একটু ভালো পারি তাই লভ্যাংশ নির্ধারণ করি ৭০% ও ৩০% হিসেবে। ক্ষতি হলে এই পার্সেন্টিসে ভাগ করার চুক্তি করি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের এ চুক্তি শুদ্ধ হয়েছে কি?