বাই’ মুদারাবা বা মেয়াদী বিনিয়োগ কারবার

নির্দিষ্ট মুনাফা দেওয়ার শর্তে মুদারাবা চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৮৬৭) : আমি দেশের বাইরে থাকি। আমার চাচা ধানের ব্যবসা করে। আমি চাচার কাছে ব্যবসার উদ্দেশ্যে এক লক্ষ টাকা দিয়েছি। আমাদের মাঝে এভাবে ‍চু্ক্তি হয়েছে যে, চাচা আমাকে লাভ হিসেবে প্রতি বছর বিশ হাজার টাকা করে দিবে। এখন জানার বিষয় হল, আমাদের এই চুক্তি কি জায়েয হয়েছে, নাকি এটা সুদ হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

মুদারাবা ব্যবসা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১৩৭৯৬) : আমরা দশজন সাথী মিলে পাঁচ বছর আগে একটি সমিতি করেছিলাম। মাসে ১০০০/- টাকা করে জমা করে পাঁচ বছরে মোটামুটি একটি সঞ্চয় হয়েছে। এখন সবাই চাচ্ছে, এই টাকা দিয়ে একটি ব্যবসা করতে এবং সে দায়িত্বটা সবাই মিলে আমাকে দিয়েছে। কিন্তু এ টাকা দিয়ে ব্যবসা করার মতো সময় এখন আমার হাতে নেই। তাই আমি চাচ্ছি এই টাকা দিয়ে কারো সাথে মুদারাবা চুক্তি করতে এবং তাতে আমার জন্য যে লাভ ধার্য করা হবে সেটা সবাই মিলে ভাগ করে নিব। হুযুরের কাছে জানতে চাই, এভাবে কারবার করা আমার জন্য বৈধ হবে কি?

মুদারাবা চুক্তিতে ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ কে বহণ করবে?

প্রশ্ন (১৩৬৩২) : আমি আমার চাচাতো ভাইয়ের সাথে এভাবে চুক্তি করি যে, আমরা একটি ব্যবসা করব। ব্যবসার পুঁজি আমি দিব। আর তুমি ব্যবসা পরিচালনা করবে। ব্যবসা থেকে যা লাভ হবে তা আমরা উভয়ে সমান সমান ভাগ করে নিব। সাথে এ চুক্তিও করি যে, যদি ব্যবসায় কোনো ক্ষতি হয় তাহলে সব ক্ষতিপূরণ তুমি বহণ বহন করবে। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমাদের এ চুক্তি সহিহ হয়েছে কি? যদি সহিহ না হয় তাহলে আমরা চুক্তিটা কীভাবে করতে পারি? দয়া করে জানাবেন।

মুদারাবা ব্যবসায় লভ্যাংশ বণ্টন হবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১৩৬১৩) : আমি আমার ভাইয়ের সাথে মুদারাবা পদ্ধতিতে ব্যবসার চুক্তি করি। আমাদের চুক্তি ছিল যে, ব্যবসার যাবতীয় পুঁজি তার থাকবে। আর আমি ব্যবসা পরিচালনা করব। লভ্যাংশ আমাদের মাঝে সমানহারে বণ্টিত হবে। কিছুদিন পর ব্যবসা বড় হতে শুরু করে। কিন্তু ভাইয়া পর্যাপ্ত মূলধন সরবরাহ করতে পারছিলেন না। তাই ভাইয়ার সাথে পরামর্শক্রমে আমি আমার কিছু টাকা ঐ ব্যবসায় খাটিয়েছি। এখন জানার বিষয় হলো, আমরা লভ্যাংশ বণ্টন কীভাবে করব?

মুদারাবা চুক্তিতে লাভ বণ্টন ও লোকসানের ক্ষেত্রে একই হারে টাকা কেটে নেওয়ার চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৫৭৩) : আমরা দুই বন্ধু মিলে দেড় লক্ষ করে মোট ৩ লক্ষ টাকা আমাদের অন্য এক বন্ধুকে দেই ব্যবসা করার জন্য। সে বিভিন্ন ধরণের পুরাতন পণ্য ক্রয় করে তা মেরামত করে আবার বিক্রি করে। সে আমাদেরকে অর্জিত লাভের ২৩% করে দেওয়ার আর লস হলে একই হারে কেটে নেওয়ার চুক্তি করে। এক বছর পর সে নিজেও তাতে ৫০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ করে। এখন জানার বিষয় হল, আমাদের উপরোক্ত চুক্তিটি সহিহ আছে কি?

মুদারাবা চুক্তিতে ব্যবসা অব্যাহত রাখতে বিনিয়োগকারীকে বাধ্য করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৯৭) : এক বছর পূর্বে আমি আমার বন্ধুর কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা নিয়ে একটি কাপড়ের দোকান দিয়েছি। আমাদের মাঝে লভ্যাংশ সমান ভাগে ভাগ করে নেওয়ার ভিত্তিতে চুক্তি হয়েছিল। আর নতুন ব্যবসায় দোকান ভাড়া, ডেকোরেশন, ইত্যাদি খাতে প্রচুর খরচ হওয়ায় এক বছরে আমি তাকে কোনো লাভ দিতে পারিনি। এখন আমার বন্ধু ব্যবসা বাদ দিয়ে তার মূলধন ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছেন। আমি চাচ্ছি, ব্যবসাটা ধরে রাখতে। এখন যদি ব্যবসাটা বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে আমার এত দিনের শ্রম সম্পূর্ণ বৃথা যাবে। তাই জানার বিষয় হল, আমার বন্ধু যদি স্বেচ্ছায় ব্যবসাটা রাখতে না চায় তাহলে তাকে আমি বাধ্য করতে পারব কি?

যৌথ ব্যবসায় মূলধন অর্ধেকের চেয়ে কম থাকলে কি অর্ধেক লাভের চুক্তি করা যাবে?

প্রশ্ন (১৩৩৬০) : আমার বাবা নয় লক্ষ টাকা দিয়ে একটি মুদি দোকান দিতে চাচ্ছে। এর মধ্যে চার লক্ষ নিয়েছে চাচার কাছ থেকে। চাচা বাবাকে শর্ত দিয়েছে যে, মোট লভ্যাংশের অর্ধেক তাকে দিতে হবে। এখন আমরাজানতে চাচ্ছি, এভাবে চুক্তি করলে সহিহ হবে কি? উল্লেখ্য, ব্যবসার যাবতীয় কাজ কারবার দেখাশুনা বাবাই করবেন।

নির্দিষ্ট পরিমাণ লভ্যাংশের ভিত্তিতে মুদারাবা চুক্তি করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১৩৩৪৫) : আমি মাদরাসায় পড়াশোনা করি। আমার বাবা, ভাই কেউ নেই। আমি টিউশনি করে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছি। তাছাড়া আমার ‍উপার্জনের অন্য কোনো পথ নেই। একজন আলেম আমাকে বললেন যে, আমি উনাকে মুদারাবা হিসেবে ৫০,০০০/- টাকা দিলে সে আমাকে মাসে দুই হাজার বা আড়াই হাজার টাকা লাভ দিবেন এবং আমার মূল টাকা আমি চাইলে যেকোনো সময় নিতে পারব। এখন হুজুরের নিকট জানতে চাচ্ছি, এই পন্থায় টাকা নেওয়া বৈধ হবে কি?

মুদারাবা ব্যবসায় শ্রমদাতা যদি টাকা বিনিয়োগ করে তাহলে উক্ত টাকার লভ্যাংশ বণ্টন করার পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১২৭৭১) : আমি বিদেশ থাকা অবস্থায় আমার ভাগিনাকে মুদারাবা ব্যবসা করার জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। চুক্তি হয়েছিল যে ৬০% আমি ও ৪০% লভ্যাংশ সে পাবে। কিছুদিন পর ব্যবসায় আরো ১ লক্ষ টাকার প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু আমি টাকা দিতে পারছিলাম না। সে আমার সাথে পরামর্শ করে নিজের পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকা ব্যবসায় লাগায়। জানার বিষয় হল, এখন আমাদের হিসাবের পদ্ধতিটা কী হবে? তার বিনিয়োগকৃত টাকার জন্য কি তাকে অতিরিক্ত মুনাফা দিতে হবে? নাকি পূর্ব নির্ধারিত হারেই লভ্যাংশ বণ্টন করা যাবে।

চলমান ব্যবসা দিয়ে মুদারাবা চুক্তি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭৫৪) : আমার এক বন্ধুর বড় একটি লাইব্রেরী রয়েছে। কিছুদিন আগে সে বিদেশ চলে যায়। যাওয়ার সময় আমাকে লাইব্রেরীর দায়িত্বশীল বানিয়ে যায়। তার সাথে আমার এভাবে চুক্তি হয় যে, লাইব্রেরী দিয়ে মুযারাবার ভিত্তিতে আমি স্বাধীনভাবে ব্যবসা করব। অর্জিত লভ্যাংশের ৪০% আমি ও ৬০% তিনি পাবেন। বিষয়টি শুনে আমার এক পরিচিত আলেম বললেন, চলমান ব্যবসা দিয়ে এভাবে কারবার করা সহিহ নয়। মুহতারামের কাছে আমার জানার বিষয় হল, তার এ কথাটি কি ঠিক? বাস্তবে এমন হলে এখন আমাদের করণীয় কী?

মুযারাবা ব্যবসার ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের জন্য মূলধন থেকে খরচ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৭০৩) : আমি আমার বন্ধুর কাছ থেকে মুযারাবার ভিত্তিতে ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছি। তাকে ৩০% লভ্যাংশ দেওয়ার চুক্তি করে তা দিয়ে একটি লাইব্রেরী দিয়েছি। আর বর্তমানে এ ধরণের ব্যবসার প্রচার-প্রসার না হলে দেখা যাবে ভালো ব্যবসা হবে না। তাই ব্যবসার স্বার্থেই প্রাথমিকভাবে এর পরিচিতির জন্য প্রচারণা ও বিজ্ঞাপনে কিছু টাকা খরচ হয়েছে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, এ টাকাগুলো যেহেতু ব্যবসার স্বার্থেই খরচ হয়েছে তা ব্যবসার ব্যয় ধরে ব্যবসা থেকে নিতে পারব কি না?

মুদারাবা চুক্তিতে শ্রমদাতা কি পারিশ্রমিক নিতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৫৬২) : আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন। শ্রম তাদের উভয়ের। কিন্তু বিনিয়োগের সকল টাকা আব্দুর রশিদ সাহেবের। তাদের মাঝে এভাবে চুক্তি হয়েছে যে, আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব চার ভাগের এক ভাগ করে মোট অর্ধেক লাভ পাবেন। আর বাকি অর্ধেক লাভ আব্দুর রশিদ সাহেবের। আর আব্দুর রশিদ সাহেব ও মারুফ সাহেব নিজ খরচের জন্য প্রতি মাসে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। জানার বিষয় হল, তাদের এই চুক্তি বৈধ কি না? কারবারের ভেতর কোনো সমস্যা থাকলে তা এখন সমাধানের উপায় কী?

মুদারাবা ব্যবসা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৩৭) : আমি আমাদের এলাকার ‘উদয়ন সমবায় সমিতির’ একজন সদস্য। আমাদের সমিতিতে বেশ কিছু টাকা জমা হলে কোষাধ্যক্ষ সাহেবকে মুযারাবার ভিত্তিতে ব্যবসার জন্য ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। তিনি প্রথমে আগ্রহ দেখালেও পরে ঝামেলা হবে ভেবে রাজি হচ্ছিলেন না। তাই সমিতির সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, তিনি যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই ব্যবসা পরিচালনা করবেন, ব্যবসার উপকারার্থে যে কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নিবেন- এতে কারো আপত্তি থাকবে না। তিনি (একথা ভেবে যে, ব্যবসায় তার অভিজ্ঞতা নেই তাই লাভ না হতে পারে) তার এক আমানতদার বন্ধুকে সমিতির টাকা মুদারাবা চুক্তিতে দুই বছরের জন্য দিয়ে দেন। শতকরা হারে লাভের ৩০% সে পাবে ৭০% সমিতি পাবে। এক্ষেত্রে বিষয়টি তিনি দু-একজনের সাথে মৌখিকভাবে আলোচনা করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে সকলের থেকে অনুমতি নেননি। ঘটনাটি জানাজানি হলে অনেক সদস্য এতে অসন্তুষ্ট হন। তারা টাকা ফিরিয়ে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অনেক ঝামেলা হচ্ছে। সভাপতি চাচ্ছেন কোনোভাবে চলতি বছর শেষ করতে। কিন্তু অন্যান্যরা এখনই টাকা ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন। হযরতের কাছে জানার বিষয় হল, নিজে ব্যবসা না করে এভাবে অন্যের সাথে চুক্তি করা কি জায়েয হয়েছে? সদস্যদের অভিযোগের কারণে এখনই তিনি চুক্তি ভঙ্গ করতে বাধ্য কি না? এক্ষেত্রে এক বছর শেষ করার দাবি কি শরীয়তসম্মত? এ সময় ব্যবসায় কোনো লোকসান হলে এর দায়ভার কে নিবে?

মুযারাবা চুক্তিতে মুযারাবার সম্পদ থেকে কী কী কাজে খরচ করা যাবে?

প্রশ্ন (১২৩৯৮) : বাইয়ে মুযারাবার মাঝে মুযারিব যদি মুযারাবা ব্যবসার মালামাল রাখার উদ্দেশ্যে কোনো ঘর ভাড়া নেয় কিংবা ব্যবসার প্রয়োজনে নিজের জন্য কোনো ঘর ভাড়া নেয় কিংবা ব্যবসায়িক কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে তবে সে ঘরের ভাড়া বাবদ বা চিকিৎসা বাবদ মুযারাবার সম্পদ থেকে ব্যয় করতে পারবে কি না? আর মুযারিবের জন্য আর কী কী সুবিধা আছে? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

মুদারাবা ব্যবসা।

প্রশ্ন (১২২৮৩) : আমার কয়েক বিঘা জমি আছে। এতে যে ধান হয় তার বেশিরভাগ অংশ সেদ্ধ করে শুকিয়ে বিক্রি করি। তাতে ভাল লাভ হয়। কিছু দিন আগে এক লোক আমাকে ২০,০০০/- টাকা দিয়ে বলেন টাকাগুলো দিয়ে আপনি নিজের মনমত ব্যবসা করেন। ব্যবসায় যে লাভ হবে তার অর্ধেক আমাকে দেবেন। আমি এই টাকাগুলো দিয়ে ধান কিনে আমার ধানের সাথে সেদ্ধ করে ব্যবসা করতে চাচ্ছি। এক লোক আমাদের চুক্তিটি জানার পর বলল, তার ধানগুলো নিজের ধানের সাথে মিশিয়ে ব্যবসা করতে পারবেন না। এদিকে অন্য কোনো ব্যবসায় আমি অভ্যস্ত নই। তাই মুফতি সাহেবের কাছে উক্ত বিষয়টির শরঈ সমাধান জানতে চাচ্ছি।

ব্যবসার টাকা দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে কি

প্রশ্ন (১০৯১২) : আমি এক ব্যক্তির সাথে মুযারাবা চুক্তিতে ব্যবসা করছিলাম। কিছূদিন আগে ব্যবসায়িক পণ্য কিনতে যাওয়ার সময় অ্যাকসিডেন্টের শিকার হই। আমার চিকিৎসার জন্য টাকার প্রয়োজন। আমি কি মুযারাবার টাকা থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিতে পারব?

মুযারিবকে বেতন দেওয়া যাবে কি

প্রশ্ন (১০৮৯০) : আমি এক ব্যক্তিকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছি ব্যবসা করার জন্য। তার সাথে এভাবে চুক্তি করেছি যে, ব্যবসা থেকে যা লাভ হবে তার ৬০% সে নিবে আর ৪০% আমি নিব। পাশাপাশি তার জন্য আমি ১০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করেছি। জানতে চাচ্ছি, আমাদের এ চুক্তি কি সঠিক হয়েছে?

মুযারিব পুঁজি দিয়ে শরিক হলে লাভ কিভাবে বণ্টন হবে

প্রশ্ন (১০৮৮৯) : আমি ৫ লক্ষ টাকা ছোট ভাইকে দিয়েছি ব্যবসা করার জন্য। তার সাথে চুক্তি হয়েছে যে, যে লাভ হবে তা অর্ধেক হারে দুইজনের মাঝে বণ্টিত হবে। কিছুদিন পর সে ১.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যবসার পুঁজিতে শরিক হয়। জানতে চাচ্ছি, এখন লাভ কিভাবে বণ্টিত হবে?

বর্ষপূর্তির আগে নেওয়া টাকা দিতে হবে কি

প্রশ্ন (১০৮৮৬) : এক ব্যক্তির সাথে মুদারাবা চুক্তি হয়েছে এক বছরের জন্য। সে বছরের মাঝে মূলধন থেকে দশ হাজার টাকা নেয় এবং বলে এটা আমার লাভের অংশ। কিন্তু বছর শেষ হওয়ার আগেই ব্যবসায় লস হয় এমনকি লভ্যাংশ থেকে কাটার পর মূলধনও অর্ধেক চলে যায়। জানতে চাচ্ছি, সে কি উক্ত দশ হাজার টাকা ফেরত দিতে বাধ্য?

লাভের অংক নির্ধারণ করা যাবে কি

প্রশ্ন (৯৬৬৩) : একটি প্রতিষ্ঠান ১০ জন বিনিয়োগকারী নিচ্ছে এক বছর মেয়াদে। তারা প্রত্যেকে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে ব্যবসায় শরীক হবে। প্রতিষ্ঠান তাদেরকে প্রতিমাসে ৩০০০ টাকা করে লভ্যাংশ দিবে। এক বছর পর উক্ত টাকা প্রত্যেক বিনিয়োগকারীকে দিয়ে দিবে। জানতে চাচ্ছি, এভাবে লাভ নির্ধারণ করা কি বৈধ?