সফর অবস্থায় রোযা রেখে ভেঙ্গে ফেললে কি উক্ত রোযার কাযা-কাফ্ফারা উভয়টি আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১৩৬৩৯) : এবার রযমানে আমি এক জায়গায় সফরে যাই। তো সফর অবস্থায় একদিন রোযা রেখে কোনো কারণ ছাড়াই আবার তা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাই, উক্ত কারণে আমাকে এই রোযার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে নাকি শুধু কাযা করলেই হয়ে যাবে?

মুসাফির ব্যক্তি রোযা না রাখলে তার জন্য করণীয় কি?

প্রশ্ন (১২৩০৩) : গত বছর শাবান মাসের ত্রিশ তারিখে রাত দশটায় আমি বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যাওয়ার জন্য প্লেনে উঠি। আমেরিকায় যখন নিজের বাসায় পৌঁছাই তখন দুপুর একটা বাজে। সেখানে দ্বিতীয় রমযান চলছিল। সফরের কারণে আমি রোযা ছিলাম না। তাই বাসায় এসে দুপুরের খাবার খাই, কিন্তু পরে সন্দেহ হয় যে কাজটি ঠিক হল কি না। হুজুরের কাছে প্রশ্ন হল, আমার এ কাজটি কি শরীয়তসম্মত হয়েছে?

রোযা রেখে ভেঙে ফেললে করণীয়।

প্রশ্ন (১২১৬৩) : গত বছর রমযানে প্রায় এক সপ্তাহ সফরে ছিলাম। সফরের কিছুদিন রোযা রাখতে পারিনি। মুহাররাম মাসে তা কাযা করতে শুরু করি। কতদিন রোযা রাখিনি- নিশ্চিতভাবে এ সংখ্যাটি মনে ছিল না। চারদিন রোযা রাখার পর পঞ্চম দিন রোযা রাখা অবস্থায় ঘটনাক্রমে এক সাথীর সাথে দেখা হয় যে ঐ সফরে আমাদের সাথে ছিল। সে আমাকে জানালো যে, আমরা কেবল তিন দিন রোযা রাখিনি। অবশিষ্ট দিনগুলোতে নিশ্চিতভাবেই রোযা রেখেছি। বিষয়টি জানার পর আমি পঞ্চম দিনের রোযাটি ভেঙে ফেলি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম যে, রোযা শুরু করার পর তা পূর্ণ করা জরুরি। শুরু করার পর ভেঙে ফেললে এর কাযা করতে হবে। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রেও কি আমাকে এ রোযার কাযা করতে হবে?

রোযা রাখার পর সফর অবস্থায় তা ভেঙে ফেলা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২১৫৩) : গত রমযানে সকালে জরুরি এক কাজে দেশের বাড়ি পাবনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। দুপুর ১টার দিকে গাড়ি সিরাজগঞ্জে হোটেলে বিরতি দেয়। তখন মাথায় চিন্তা আসল যে, আমি তো এখন মুসাফির। আর সফর অবস্থায় তো রোযা না রাখারও অনুমতি রয়েছে। কিছুটা ক্লান্তিও লাগছিল। তাই বিষয়টি চিন্তা করে রোযা ভেঙে ফেললাম। পাবনায় পৌঁছার পর যখন আমার মামাকে উক্ত ঘটনা শোনালাম। তখন তিনি বললেন, রোযা রাখার পর তা ভেঙে ফেলা জায়েয নেই। এখন তোমাকে উক্ত রোযার কাযা-কাফফারা উভয়টিই আদায় করতে হবে। তার এই কথা শোনার পর থেকে আমি বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত। তাই এখন হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি যে, আসলে সেই রোযার জরিমানাস্বরূপ এখন আমার করণীয় কী?

মুসাফির রোজা ভাঙ্গলে কি কাফফারা ওয়াজিব হবে

প্রশ্ন (৪৫৭২) : এই রমজানে আমি কিছু দিনের জন্য মুসাফির ছিলাম। একদিন আমি রোজা রেখে আবার জোহরের পর ভেঙ্গে ফেলি। এখন কি আমার কাযা-কাফফারা দুটোই রাখতে হবে না শুধু কাযা রাখলেই চলবে?

মুসাফিরের জন্য রোজা রাখা উত্তম না না-রাখা

প্রশ্ন (১৯৫৮) : আমি শুনেছি, মুসাফির রমজানে ইচ্ছা করলে রোজা না রাখতে পারে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল সে যদি রাখে তাহলে কি তার কোন সমস্যা আছে? রাখা উত্তম না না-রাখা উত্তম?

রোজা রেখে সফর শুরু করলে রোজা ভাঙ্গা যাবে কি

প্রশ্ন (১৯৫৬) : আমি রোজা রেখে আজকে সফর শুরু করেছি। পরে মনে হল যে, মুসাফিরের জন্য তো রোজা না রাখারও সুযোগ রয়েছে। তাই রোজাটি ভাঙ্গতে চাই। কিন্তু এক আলিম বললেন: রোজা রেখে সফর শুরু করার পর আর রোজা ভাঙ্গার সুযোগ থাকে না। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আমি এখন কী করব?

মুসাফির রোজা ভেঙ্গে ফেললে তার কি কাফফারা আদায় করা লাগবে

প্রশ্ন (১৯৩২) : আমি একবার তাবলীগ জামাতে গিয়েছিলাম। দিনের শুরুতে আমি রোজা অবস্থায় ছিলাম। তাবলীগ জামাতে যাওয়ার পর একজন বলল: মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখার সুযোগ আছে। তাই আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, আমার এই কাজ ঠিক হয়নি। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, এর জন্য কি আমার কাযা-কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে?

এক দেশে ৩০টি রোজা শেষ করার পর অন্য দেশে গিয়ে যদি দেখে রোজা শেষ হয়নি তাহলে কী করবে

প্রশ্ন (৮৩৫) : এক দেশে ৩০টি রোজা রেখে যদি অন্য দেশে গিয়ে দেখে এখনো রমজান মাস শেষ হয়নি তাহলে কী করবে? ৩১টি রোজা রাখবে না ৩১তম দিনে রোজা রাখবে না?