অসুস্থতার কারণে কষ্ট লাগলে রোজা ভাঙ্গা যাবে কি
প্রশ্ন (৫৯৪২) : অসুস্থতার কারণে যদি বেশি কষ্ট লাগে তাহলে রোজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫৯৪২) : অসুস্থতার কারণে যদি বেশি কষ্ট লাগে তাহলে রোজা ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫৯৪১) : আমার নানা মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। যে কারণে ১০টি রোজা রাখতে পারেননি। সে অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়। জানতে চাচ্ছি, সেই ১০টি রোজার ফিদয়া দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৮৬০) : আমার দাদি অসুস্থার কারণে দু’টি রোজা রাখতে পারেননি। সেই অসুস্থতায় তার ইন্তেকাল হয়। জানতে চাচ্ছি, তার সেই দুই রোজার ফিদয়া দেওয়া কি তার ওয়ারিশদের উপর জরুরি?
প্রশ্ন (৪৫৫২) : রমজানের ফিদয়া কি একজনকে দেওয়া উত্তম না একাধিক ব্যক্তিকে?
প্রশ্ন (৪৪৯৪) : আমাদের এলাকায় ফুসফুসের যক্ষ্মায় আক্রান্ত। একাধিক মুসলিম ডাক্তার বলেছেন, সে রোজা রাখতে পারবে না। রাখলে তার শারীরিক ক্ষতি হবে। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত ব্যক্তির রোজা না রাখলে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৩৯৯) : আমি অনেক আগে ইচ্ছাকৃত একটি রোজা ভেঙ্গেছিলাম। আমি কাফফারার ষাটটি রোজা রাখতে সক্ষম। জানতে চাচ্ছি, সেই ষাটটি রোজা না রেখে কাফফারার নির্দিষ্ট ফিদয়া দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৩০২) : আমার দাদা বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে অক্ষম। তার পক্ষ থেকে অন্য কেউ রোজা রাখলে হবে কি?
প্রশ্ন (৪২৯৩) : আমার দাদি ৫ম রোজার দিন মারা গিয়েছেন। তিনি অসুস্থার কারণে পাঁচটি রোজা রাখতে পারেননি। জানতে চাচ্ছি, তার কাযা হওয়া রোজাগুলোর ফিদয়া দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪২৮৭) : আমার আম্মা এ বছর রোজা অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে পারছেন না। জানতে চাচ্ছি, প্রতি রোজার পরিবর্তে কী পরিমাণ ফিদিয়া দিতে হবে?
প্রশ্ন (৪২৮৬) : আমার দাদা অতিশয় বৃদ্ধ। তিনি রোজা রাখতে সক্ষম নন। জানতে চাচ্ছি, একমাসের রোজার ফিদিয়া একজন গরিবকেই দিতে হবে, নাকি একাধিক গরিব ব্যক্তিদেরকেও দেওয়া যাবে?
প্রশ্ন (৪২৭১) : আমার বাবা বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে অক্ষম। তিনি ফিদিয়া দিতে চাচ্ছেন। এক ব্যক্তি বলল, একটি রোজার ফিদিয়া একজন গরিবকেই দিতে হবে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪২৬৪) : আমার দাদা বার্ধক্যের কারণে রোজা রাখতে অক্ষম। জানতে চাচ্ছি, রমজানের শুরুতেই পুরো মাসের ফিদিয়া একবারে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪২৪১) : আমার দাদির কিছু কাযা রোজা ছিল। বার্ধক্য জনিত কারণে বর্তমানে তিনি রোজা রাখতে অক্ষম। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কাযা রোজগুলোর ক্ষেত্রে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪২৩৯) : আমার দাদি খুবই অসুস্থ। তিনি রোজা রাখতে পারছেন না। জানতে চাচ্ছি, তিনি ফিদিয়া দিতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (৪২২৫) : আমার স্ত্রী গর্ভবতী। সে রোজা না রেখে ফিদয়া দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৪২২৪) : আমি গত রোজায় গর্ভবতী ছিলাম। এ কারণে রোজা রাখিনি। জানতে চাচ্ছি, এখন কি আমার কাযা কাফফারা উভয়ই করতে হবে?
প্রশ্ন (৪২২৩) : গর্ভবতী নারীর জন্য রোজা রাখা কি আবশ্যক?
প্রশ্ন (৩৭৫৩) : আমার দাদি বর্তমানে অসুস্থ। তিনি সুস্থ অবস্থায় না বুঝে কিছু রোজা কাযা করেছিলেন। কিন্তু কয়টি রোজা তা তিনি সুনিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না। বর্তমানে তার রোজা রাখারও শক্তি নেই। জানতে চাচ্ছি, তার অনির্দিষ্ট কাযা রোজার ফিদয়া কিভাবে দেওয়া লাগবে?
প্রশ্ন (১৯৫০) : আমার ছোট বোনের এক মাসের একটি সন্তান আছে। তাকে দুধ পান করাতে হয়। এখন যদি বোন রোজা রাখে তাহলে বাচ্চার দুধ পাওয়া কষ্টকর হয়ে যাবে। এ অবস্থায় সে কি রোজা ভাঙ্গতে পারবে?
প্রশ্ন (১৯৪১) : স্তন্যদানকারিণী যদি বাচ্চার কথা চিন্তা করে রোজা না রাখে তাহলে সে কী করবে? সে কি ফিদয়া দিতে পারবে?