ঈদের নামাযে শেষ বৈঠকে ইমাম সাহেবের সাথে শরিক হলে কিভাবে নামায আদায় করবে?
প্রশ্ন (১৩৮৪২) : যদি কেউ ঈদের নামাযে ইমাম সাহেবকে শেষ বৈঠকে পায় তাহলে তার তাকবীরের হুকুম কি?
প্রশ্ন (১৩৮৪২) : যদি কেউ ঈদের নামাযে ইমাম সাহেবকে শেষ বৈঠকে পায় তাহলে তার তাকবীরের হুকুম কি?
প্রশ্ন (১৩৮২৯) : কোন ব্যক্তি ঈদের নামাযে দ্বিতীয় রাকাতে কেরাত অবস্থায় শরীক হলে তার তাকবীরের হুকুম কী?
প্রশ্ন (১৩৮১৮) : কোন ব্যক্তি যদি ঈদের নামাযের প্রথম বা দ্বিতীয় রাকাতের রুকুর মধ্যে শরীক হয় তাহলে সে তাকবীর কখন বলবে?
প্রশ্ন (১৩৭৮৮) : কোন ব্যক্তি যদি ঈদের নামাযে প্রথম তিন তাকবির শেষ হওয়ার পর কেরাত চলাকালীন নামাযে শরীক হয় তাহলে তার তাকবীরের হুকুম কী?
প্রশ্ন (১৩৬০৬) : এবার ঈদের নামাযে খতীব সাহেব অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় হাত উঠাননি। নামায শেষে কেউ কেউ বলেন, ঈদের তাকবীরে হাত না উঠালে নামায শুদ্ধ হয় না। আবার অনেকে বলেন, সাহু সিজদা করলে নামায শুদ্ধ হয়ে যেত। জানতে চাই, ঈদের নামাযে অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় হাত উঠানোর বিধান কী?
প্রশ্ন (১৩৩৩১) : আমাদের এলাকায় সাধারণত ঈদের জামাত ঈদগাহ ময়দানে হয়। গত ঈদে নামাযের আগে প্রচণ্ড বৃষ্টি আরম্ভ হয়। তখন আমরা সবাই মসজিদে অবস্থান নেই। এছাড়া অবস্থানের অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। ঈদের নামাযের সময় আমরা প্রস্তুতি নিয়ে কাতার করি। কিন্তু ভিড়ের কারণে মুসল্লীদের জায়গা না হওয়ায় পেছনের কাতারের কয়েকজন মুসল্লী অন্যের পিঠের উপর সিজদা করে নামায আদায় করে। জানতে চাচ্ছি, আমাদের এভাবে নামায আদায় করা কি সহিহ হয়েছে? নাকি পুনরায় আদায় করতে হবে।
প্রশ্ন (১৩২৭৫) : আমি ফজর নামায পড়ে জায়নামাযে বসে সকাল-সন্ধ্যার আমল করি। এরপর এশরাকের সময় হলে দু’চার রাকাত এশরাকের নামায পড়ে ঘরের কাজ শুরু করি। গত ঈদের দিনও ফজর নামায পড়ে এশরাকের অপেক্ষায় বসেছিলাম। আমার স্বামী দেখে বললেন, ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে মহিলাদের কোনো নফল নামায নেই। জানতে চাই, আমার স্বামীর উক্ত কথা কি ঠিক?
প্রশ্ন (১৩১৪২) : আমি ঈদের দিন প্রথম খুৎবার শুরুতে ৯ তাকবীর এবং দ্বিতীয় খুৎবার শুরুতে ৭ তাকবীর বলে খুৎবা শুরু করি। খুৎবা শেষে একজন মুসল্লি আমাকে বলল, শরীয়তে এই তাকবীরের কোনো ভিত্তি নেই। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, উক্ত তাকবীর বলাটা শরীয়তের দৃষ্টিতে কেমন হয়েছে?
প্রশ্ন (১২৯৫৫) : ঈদের খুতবায় ইমামের তাকবীর বলার সময় মুসল্লীরাও কি তাকবীর বলবে না চুপ থাকবে? অনেককে তাকবীর বলতে দেখা যায়। সঠিক মাসআলাটি জানানোর অনুরোধ রইল।
প্রশ্ন (১২৬৯২) : আমি গত ঈদে ঈদগাহে গিয়ে দেখি ইমাম সাহেব রুকুতে চলে গেছেন। আমি নামাযের নিয়ত করে রুকুতে চলে যাই এবং বাকি নামায আদায় করি। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবকে ঈদের নামাযের রুকুতে পেলে কীভাবে তাকবীর বলব? মাসআলাটির সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।
প্রশ্ন (১২৩৫১) : ঈদের নামাযের খুতবার সময় আমাদের মসজিদে একটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়। তা হল খুতবার মাঝে ইমাম সাহেব যখন তাকবীর বলেন তখন অনেক মুসল্লিও তাঁর সাথে সাথে উচ্চস্বরে তাকবীর বলেন। আমি এক আলেমকে বলতে শুনেছিলাম, খুতবার সময় একেবারে চুপ থাকতে হয়। জানার বিষয় হল, এই বিধান কি শুধু জুমার খুতবার সাথেই খাস, নাকি ঈদের খুতবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য? সঠিক বিষয়টি জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৩৫০) : গত কুরবানী ঈদে এক মসজিদে ঈদের নামায পড়তে যাই। নামাযের আগে ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত তাকবীর আদায়ের তরীকা বলেন, প্রথম দুই তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে বেঁধে নিবে, তৃতীয় তাকবীরের পর হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিবে এবং চতুর্থ তাকবীর বলতে বলতে রুকুতে যাবে। অথচ আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব প্রথম দুই তাকবীরেও হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে বলেন। এক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি কোনটি জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১২৩১১) : গত রোযার ঈদে মাঠে যেতে দেরি হওয়ায় আমার ও আমার ছোট ভাইয়ের ঈদের নামায এক রাকাত ছুটে যায়। তারপর ইমাম সাহেবের সালাম ফেরানোর পর আমরা আমাদের ছুটে যাওয়া নামায পূর্ণ করি। আমি দাঁড়িয়ে প্রথমে অতিরিক্ত তাকবীর বলেছি, তারপর কেরাত পড়েছি। কিন্তু আমার ছোট ভাই কেরাত পড়ার পর অতিরিক্ত তাকবীর বলেছে। নামাযের পর তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছে, ঈদের নামাযে মাসবুক হলে ছুটে যাওয়া নামায আদায় করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তাকবীর কেরাতের পর বলতে হয়। জানার বিষয় হল, আমার ভাইয়ের কথাটি কি ঠিক?
প্রশ্ন (১২২৫৪) : গত কুরবানীর ঈদে ঈদগাহে যেতে আমার দেরি হয়ে যায়। আমি ঈদগাহে গিয়ে দেখি ইমাম সাহেব প্রথম রাকাতে কেরাত পড়ছেন। তখন আমি তাকবীরে তাহরীমা বলে জামাতে শরীক হই। নামায শেষে পাশের মুসল্লি আমাকে বললেন, ‘আপনার ছুটে যাওয়া তাকবীরগুলো শুরুতেই আদায় করে নিতে হত।’ জানতে চাই, লোকটি কি ঠিক বলেছে? ঈদের নামাযে প্রথম রাকাতের কেরাত অবস্থায় জামাতে শরীক হলে তাকবীর আদায়ের নিয়ম কী?
প্রশ্ন (১২১৮৬) : আমি গত ঈদুল আযহার দিন আসরের নামাযে মাসবুক হই। ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর সবাই যখন তাকবীরে তাশরীক বলে তখন আমারও তাকবীরের কথা স্মরণ হয়। কিন্তু অবশিষ্ট নামায শেষ করে সালাম ফেরানোর পর তাকবীর বলতে ভুলে যাই। বাসায় যাওয়ার পর তাকবীরের কথা স্মরণ হলে তৎক্ষণাৎ একবার তাকবীর বলে নেই। জানার বিষয় হল, আমার ঐ ওয়াক্তের তাকবীর কি আদায় হয়েছে? না হয়ে থাকলে এখন করণীয় কী?
প্রশ্ন (১২১৪৮) : এবার ঈদের সময় ঈদগাহে অনেক মানুষ হয়েছিল। ইমাম সাহেবের বয়ানের পর নামায শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে আমার ওযু ভেঙে যায়। আমি ঈদগাহের মাঝখানে ছিলাম। তো মনে হল যে, এখন যদি ওযু করতে যাই তাহলে নামায হয়তো আর পাব না। তাই আমি নামাযের নিয়ত ছাড়া সবার সাথে এমনি রুকু সিজদা করি। প্রশ্ন হল, আমার এ কাজটি কি ঠিক হয়েছে? এমন অবস্থায় আমার করণীয় কী ছিল?
প্রশ্ন (১২১০০) : এবার ঈদগাহে ঈদের নামায পড়ানোর সময় মাইকে সমস্যা হওয়ায় মুকাব্বির ঠিক করে দেই। ঈদের জামাত বেশ বড় ছিল। তাই অতিরিক্ত তাকবীর বলার সময় দুই তাকবীরের মাঝে কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে ছিলাম। যাতে সকলেই তাকবীর বলে শেষ করতে পারে। হুজুরের নিকট জানতে চাই, দুই তাকবীরের মাঝে কিছু সময় চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে ঐ নামাযের কি কোনো সমস্যা হয়েছে?
প্রশ্ন (১২০২২) : ঈদের নামাযের পর ইমাম সাহেব খুতবা পড়ার সময় অনেককে দেখা যায় ইমাম সাহেবের সঙ্গে তাকবীরে তাশরীক পড়েন। জানার বিষয় হল, ঐ সময় ইমাম সাহেবের সঙ্গে তাকবীর বলা কি ঠিক, না চুপ থেকে খুতবা শোনা উচিত?
প্রশ্ন (১১৭১৭) : আমি একজনের কাছে শুনেছি যে, ইমাম বা মুসল্লি ঈদের নামাযের খুতবায় তাকবীরে তাশরীক বলতে পারবে না। আমি জানতে চাচ্ছি, এ ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?
প্রশ্ন (১১৫৫৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের এলাকায় ঈদের খুতবার মধ্যে ইমাম সাহেব কিছুক্ষণ পর পর যখন তাকবীরে তাশরীক বলেন তখন মুসল্লিরাও ইমাম সাহেবের সাথে উচু আওয়াজে তাকবীরে তাশরীক বলে থাকে। তো ঈদের খুতবা চলাকালে এভাবে ইমামের সঙ্গে তাকবীরে তাশরীক বলার বিধান আছে কি? জানালে উপকৃত হব।