জামায়াতে সালাত আদায়

ইমাম সাহেব তাশাহ্হুদ শেষ করে দাঁড়িয়ে গেলে মুসল্লি কী করবে?

প্রশ্ন (১৩৮৫৩) : অনেক সময় এমন হয় যে, নামাযের প্রথম বৈঠকে ইমাম সাহেব তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়িয়ে গেছেন। কিন্তু আমার এখনো তাশাহ্হুদ পড়া শেষ হয়নি। এখন আমার করণীয় কী? তাশাহহুদ শেষ করে দাঁড়াব, নাকি তাশাহহুদ অপূর্ণ রেখেই ইমাম সাহেবের সাথে দাঁড়িয়ে যাব?

অযু ছাড়া আযান দিলে কি গুনাহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৮১৩) : আমি একটি মসজিদের মুয়াযযিন। সাধারণত আযানের আগেই আমি নামাযের প্রস্তুতি সেরে নেই। তবে কখনো এমন হয় যে, অযু করার আগেই আযানের সময় হয়ে যায়। তাই জানতে চাই, অযু না থাকাবস্থায় আযান দেওয়ার হুকুম কী? এতে কি আমার গুনাহ হবে?

অন্ধ ব্যক্তিকে আযানের দায়িত্ব দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৭০৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত! আমি জানতে চাচ্ছি, অন্ধ ব্যক্তিকে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের আযানের দায়িত্ব দেওয়া যাবে কি?

আযান দেওয়ার সময় ভুলে আযানের কোনো বাক্য ছুটে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৭০৮) : আমি একজন মুআজ্জিন। একদিন ফজরের আযানের সময় ভুলবশত الصلاة خير من النوم বাদ দিয়ে الله أكبر দুইবার বলে ফেলি। এরপর সাথে সাথে ছুটে যাওয়া বাক্যের কথা মনে পড়লে তা বলি এবং পুনরায় সেখান থেকে পরের বাক্যগুলো বলে আযান শেষ করি। প্রশ্ন হল, আমাম ঐ আযান কি সহিহ হয়েছে?

দুই ব্যক্তি জামাতে নামায আদায় করা পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১৩৬৯৬) : দুই ব্যক্তি জামাতে নামায আদায় করার ক্ষেত্রে শরীয়তের সঠিক বিধান হলো মুকতাদি ইমামের ডান পাশে দাঁড়াবে। হযরতের কাছে জানার বিষয় হলো, এক্ষেত্রে যদি মুকতাদি লম্বা হওয়ার কারণে মুক্তাদির সিজদা ইমামের আগে চলে যায় তাহলে কি মুকতাদির নামায ফাসেদ হয়ে যাবে?

ফজরের জামাত শুরু হয়ে গেলে সুন্নত পড়বে নাকি পড়বে না?

প্রশ্ন (১৩৬৫০) : আমি মাঝে মাঝেই ফজরের সময় মসজিদে গিয়ে দেখি ইকামত হচ্ছে বা জামাত শুরু হয়ে গেছে। এ অবস্থায় আমি সুন্নত পড়ব নাকি পড়ব না? দয়া করে বিস্তারিত জানাবেন।

অযু ছাড়া আযান দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১৩৬২১) : আমি একজন মুয়াযযিন। মসজিদের নির্দিষ্ট কোনো খাদেম না থাকায় প্রায়ই মসজিদের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি। ফলে কখনো আযানের পূর্বে অযু করার সুযোগ হয় না। তখন অযু ছাড়াই আযান দিতে হয়। হুযুরের নিকট জানতে চাই, অযু ছাড়া আযান দেওয়ার হুকুম কী?

ইমাম সাহেব মুসল্লিদের থেকে উঁচু স্থানে দাড়িয়ে নামায আদায় করার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩৬১৫) : একবার বৃষ্টির সময় আমরা কয়েকজন ঘরে আসরের নামাযের জামাত করি। ইমাম ও আরো দুইজন খাটের উপর দাঁড়ায়। আর বাকিরা নিচে দাঁড়ায়। জানতে চাই, যারা নিচে দাঁড়িয়েছে তাদের নামাযের হুকুম কী?

প্রথম বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে গিয়ে লোকমা শুনে আবার বসলে কি নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৬০৭) : একদিন আমাদের মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাযে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যান। পেছন থেকে মুয়াজ্জিন সাহেব লোকমা দিলে তিনি তাশাহহুদের জন্য বসে যান এবং নামায শেষে সাহু সিজদা দেন। সালাম ফিরানোর পর কয়েকজন মুসল্লি বললেন যে, নামায হয়নি। ইমাম সাহেব তাই পুনরায় নামায দোহরান। আমার প্রশ্ন হল, মুসল্লিতের কথা কি ঠিক? ইমাম সাহেবের নামায দোহরানো কি সঠিক হয়েছে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

নামাযের প্রথম বৈঠকে মুসল্লি তাশাহ্হুদ শেষ করার আগে ইমাম সাহেব দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩৫৮৮) : মাঝে মাঝে আমি প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ শেষ করার আগেই ইমাম সাহেব তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। এ অবস্থায় আমি কী করব? তাশাহহুদ শেষ করব? নাকি তাশাহহুদ শেষ না করেই ইমামের সাথে দাঁড়িয়ে যাব?

ইমাম সাহেবের তিলাওয়াত সহিহ না হলে তার পিছনে নামায আদায় করার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১৩৫৮৫) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব সহিহভাবে কুরআন শরীফ পড়তে পারেন না। তার ع ও ح এর উচ্চারণ সঠিক হয় না। ع হামযার মতো এবং ه ح ـ এর মতো হয়ে যায়। এ অবস্থায় তার পেছনে আমাদের নামায সহিহ হবে কি? আর এ ধরনের ব্যক্তিদের ইমামতির হুকুম কী? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি কি মাকরুহ?

প্রশ্ন (১৩৫১৯) : আমাদের এলাকায় একটি বড় মাদরাসা আছে। মাদরাসার মুহতামিম সাহেব একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম। তিনি সবসময় আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, দুই ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। কিছুদিন আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এখনও তিনি আমাদের জামে মসজিদে জুমআ, ঈদ ও তারাবীহর নামায পড়ান। আমি শুনেছি, অন্ধ ব্যক্তির পেছনে নামায মাকরূহ হয়। জানার বিষয় হল, আমাদের উক্ত ইমামের পেছনে নামায মাকরূহ হবে কি?

ইমাম সাহেব নামাযের মধ্যে কেরাতে আটকে গেলে অন্য জায়গা থেকে পড়তে পারবে কি?

প্রশ্ন (১৩৫১৫) : যদি ইমাম সাহেব কেরাতে আটকে যায় এবং নামায শুদ্ধ হয় এ পরিমাণ কেরাত পূর্ণ হয়নি তাহলে কি তিনি সে স্থান ত্যাগ করে অন্য জায়গা থেকে পড়তে পারবে?

স্ত্রীকে নিয়ে জামাত পড়লে দাঁড়ানোর পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১৩৫০৪) : আমি নিয়মিত মসজিদেই নামায পড়ি। কখনো মসজিদে যেতে দেরি হয়ে গেলে বাড়িতে আমার স্ত্রীকে নিয়ে জামাত করি। এক্ষেত্রে তাকে আমার ডান পাশে একটু পেছনে দাঁড় করাই। অর্থাৎ তার পায়ের আঙ্গুল আমার গোড়ালির পরে হয়ে থাকে। আমার এ নিয়ম কি ঠিক আছে?

একসাথে একাধিক মসজিদে আযান হলে কোন মসজিদের আযানের জওয়াব দিবে?

প্রশ্ন (১৩৪৫৪) : আমার বাসার আশেপালে কয়েকটি মসজিদ রয়েছে। নামাযের সময় সবগুলো মসজিদে প্রায় একই সময় আযান শুরু হয়। কখনো বা কোনো মসজিদে অন্যান্য মসজিদগুলোর ১৫/২০ মিনিট আগেই আযান দেওয়া হয়। আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আমি কোন মসজিদের আযানের জওয়াব দিব?

ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দিলে কি সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩৪৪৩) : কয়েকদিন আগে আমাদের মসজিদের মুয়াযযিন সাহেব ওয়াক্ত আসার আগেই ইশার নামাযের আযান দিয়ে দেন। তখন মসজিদে আমি ছিলাম আর আমাদের এলাকার একজন আলেম ছিলেন। তো তিনি ওয়াক্ত আসার পর মুয়াযযিন সাহেবকে পুনরায় আযান দিতে বললে তিনি অসম্মতি প্রকাশ করেন এবং বলেন, আযান একবার দিলেই হয়ে যায়। পুনরায় দিতে হবে না এবং তিনি পুনরায় আযান দেননি। জানার বিষয় হল, ওয়াক্ত আসার পূর্বে আযান দেওয়ার বিধান কী? এক্ষেত্রে পুনরায় আযান দিতে হবে কি?

চার রাকাত বিশিষ্ট ফরয নামাযের শেষ বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে গিয়ে পঞ্চম রাকাত পড়ে নামায শেষ করলে কি উক্ত …

প্রশ্ন (১৩৪১৮) : আমাদের মসজিদে একদিন ইশার জামাতে ইমাম সাহেব চতুর্থ রাকাতের পর না বসে দাঁড়িয়ে যান। মুসল্লিরা লোকমা দিলেও তিনি ফিরে আসেননি। অতপর পঞ্চম রাকাতের সিজদা করে বৈঠক করেন এবং সাহু সিজদার মাধ্যমে নামায শেষ করেন। আমরা সবাই মনে করেছি নামায হয়ে গেছে। কিন্তু পরে জানতে পারলাম যে, আমাদের নামায হয়নি। আমাদের ইমাম সাহেবকে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাহু সিজদার কারণে নামায সহিহ হয়ে গেছে। এখন আমরা জানতে চাচ্ছি, আমাদের সেদিনের ইশার নামায কি সহিহ হয়েছিল? যদি না হয়ে থাকে তবে ঐ দিনের ইশা, সুন্নত ও বিতর সবাইকে কি কাযা করতে হবে?

জুমার খুতবা দেওয়ার সময় হাত নাড়ানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১৩৩১৭) : আমাদের মসজিদের খতীব সাহেব জুমার খুতবা দেওয়ার সময় হাত নাড়া চাড়া করে খুতবা দেন। আমার জানার বিষয় হলো, জুমার খুতবা পাঠ করা অবস্থায় এভাবে হাত নাড়াচাড়া করা যাবে কি?

জুমার নামায কি চার রাকাত ছিল?

প্রশ্ন (১৩৩১৪) : কেউ কেউ বলে, জুমার নামায চার রাকাত ছিল। চার রাকাত থেকে দুই রাকাত করা হয়েছে। দুই রাকাত এর পরিবর্তে দুই খুতবাহ এবং বাকি দুই রাকাত হচ্ছে নামায। জানতে চাচ্ছি, এই কথা কতটুকু সঠিক? দয়া করে দলিলসহ জানাবেন।