মূসা (আ.) কি রাসূল (সা.)-এর উম্মত হওয়ার আবেদন করেছিলেন
প্রশ্ন (৮৬২৮) : একজন বক্তাকে বলতে শুনলাম, মূসা (আ.) রাসূল (সা.)-এর উম্মত হওয়ার আবেদন করেছিলেন। জানতে চাচ্ছি, তার এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৮৬২৮) : একজন বক্তাকে বলতে শুনলাম, মূসা (আ.) রাসূল (সা.)-এর উম্মত হওয়ার আবেদন করেছিলেন। জানতে চাচ্ছি, তার এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৮৬২৭) : মূসা (আ.) তাওরাতে উম্মতে মুহাম্মাদীর ফজিলত দেখতে পেয়ে নিজের উম্মত হিসেবে লাভ করতে চেয়েছিলেন কি?
প্রশ্ন (৮৬০৭) : জনৈক বক্তাকে একটি হাদিসে কুদসী বলতে শুনলাম। তিনি বলেন, বান্দা আল্লাহকে ভুলে আল্লাহ তাকে তাঁর বিভিন্ন অনুগ্রহের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। জানতে চাচ্ছি, এমন কোনো হাদিসে কুদসী আছে কি?
প্রশ্ন (৮৫৮৬) : কিছুদিন আগে এক ব্যক্তি আমাকে বললো, কেউ যদি কোনো শহরে গমন করে তাহলে সেখানকার পেঁয়াজ খেলে তার আর রোগ বালাই হয় না। আমি উক্ত কথার দলিল চাইলে সে বলল, এক হাদিসে এমনটি বলা আছে। জানতে চাচ্ছি, এমন কোনো হাদিস আছে কি?
প্রশ্ন (৮৫৭৪) : রাসূল (সা.) যখন জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, তখন কি তাকে পুরো বিশ্ব ভ্রমণ করানো হয়েছিল?
প্রশ্ন (৮৫৫৩) : একটি বইয়ে পেলাম, আবু মূসা আশআরী (রা.) যখন ইরানের তুস্তর নগরী বিজয় করেন তখন সেখানে দানিয়াল (আ.)-এর লাশ একটি সিন্দুকে দেখতে পান। পরে তিনি সেখানে দানিয়াল (আ.)-কে কবরস্থ করেন। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ঘটনা কি সহিহ সূত্রে প্রমাণিত?
প্রশ্ন (৮৫০৯) : জনৈক বক্তাকে ওয়াজ করতে শুনলাম, রাসূল (সা.)-এর জন্মের সময় ঘরের ছাদ ফেটে গিয়েছিল। জানতে চাচ্ছি, এ কথার কোনো সূত্র আছে কি?
প্রশ্ন (৮৫০৮) : একজন বক্তাকে বলতে শুনলাম, রাসূল (সা.)-এর জন্মের খুশিতে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদেরকে দু’দিন ছুটি দিয়েছিলেন। জানতে চাচ্ছি, এ মর্মে কোনো বর্ণনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮১৯১) : জনৈক বক্তাকে একটি ঘটনা বলতে শুনলাম। এক ব্যক্তি মদ পান করছিল। উমর (রা.)-কে দেখে সে মদের বোতল লুকিয়ে ফেলে এবং আল্লাহ কাছে খাঁটি মনে আর মদ পান না করার তওবা করে। উমর (রা.) তাকে বোতল বের করতে বললে সে তা বের করে দেখে তা দুধে পরিপূর্ণ। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ঘটনার কি কোনো সূত্র আছে?
প্রশ্ন (৮১৩৫) : আমার একজন বন্ধু আমাকে বলল, এমন নাকি একটি দোয়া আছে, যা পাঠ করলে মা বাবার হক আদায় করা যায়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত দোয়াটি কী?
প্রশ্ন (৭৯৯৭) : কিছুদিন আগে একটি বইয়ে পেলাম, খাদীজা (রা.)-এর কবরে মুনকার নাকীরের সওয়ালের জবাব আরশ থেকে দেওয়া হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (৭৭৬০) : من قطع ميراث وارثه قطع الله ميراثه من الجنة এই হাদিসটি কি সহিহ? না যয়ীফ?
প্রশ্ন (৭৭০৫) : একটা বইতে পড়লাম, ফাতেমা (রা.)কে কবরে রাখার সময় আবু যর গিফারী (রা.) কবরকে সম্বোধন করে বলেছিলেন, হে কবর! তুমি কি জানো, তোমার উদরে কাকে রাখা হচ্ছে? ইনি হলেন, প্রিয় নবির কন্যা। এ কথা বলার সাথে সাথে কবর থেকে আওয়াজ এল, আমি কাউকে চিনি না। আমি প্রত্যেকের আমল অনুযায়ী আচরণ করি।’
প্রশ্ন (৭৬৮৭) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব বললেন, পাগড়ি পরে নামাজ পড়লে নাকি সত্তর গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। কিন্তু আমি কোন এক বইয়ে পড়েছি, এটা সঠিক কথা নয়। আসলে আমার ভুল হচ্ছে না ইমাম সাহেব ভুল বলেছেন?
প্রশ্ন (৭৬৮৫) : পাগড়ি পরে নামাজ পড়লে সত্তর গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়-এই মর্মে বর্ণিত হাদিসটি কি সঠিক
প্রশ্ন (৭৬৩৪) : আমাদের এলাকায় একজন বক্তা তার ওয়াজে বলেছেন, হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, যদি কোনো এলাকা দিয়ে কোনো আলেম বা তালিবে ইলম হেঁটে যায়, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাদের বরকতে সেখানকার কবরবাসীদের কবরের আযাব চল্লিশ দিনের জন্য মাফ করে দেন। আমার প্রশ্ন হল, এমন কোনো হাদিস কি আছে?
প্রশ্ন (৭৬২৮) : সেদিন একজন বক্তাকে বলতে শুনলাম, কিয়ামতের দিন আলেমদের হিসাব নিকাশ পর্দার আড়ালে করা হবে। কিন্তু এ সম্পর্কে তিনি কোনো রেফারেন্স দেননি। আমি জানতে চাচ্ছি, এ কথার কি কোনো রেফারেন্স আছে?
প্রশ্ন (৭৫৫১) : আমাদের দেশে প্রচলিত যে, মানুষ বলে থাকে, কবরের সওয়াল জবাবের সময় রাসূল (সা.)-এর ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন করা হবে এই ব্যক্তি কে? আমার প্রশ্ন হল, এ সম্পর্কে কোনো হাদিস রয়েছে কি? এ সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?
প্রশ্ন (৭৫৪২) : জনৈক বক্তা মেরাজ যে মুজেযা তা প্রমাণ করার জন্য বলেছেন, রাসূল (সা.) যখন মেরাজ থেকে ফিরে আসেন, তখন তাঁর ঘরের দরজার শিকল যেভাবে কাঁপা কাঁপা অবস্থায় রেখে গিয়েছিলেন সেভাবে কাঁপা অবস্থায় পান। আমার জানার বিষয় হল, এই বর্ণনাটি কি সঠিক? এই বিষয়টি কি হাদিসের কোনো কিতাবে বর্ণিত আছে?
প্রশ্ন (৭০১৫) : একটি বইয়ে নিম্নোক্ত হাদিসটি পেলাম। ‘এক ব্যক্তি নবি করিম (সা.)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করল ইয়া রাসূলাল্লাহ! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার নিকট আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তখন নবি করিম (সা.) বললেন, তুমি ফেরেশতাদের দরুদ এবং মানবজাতির এই তাসবীহ দ্বারা কেন কল্যাণ অর্জন কর না, যার মাধ্যমে মানুষকে রিযিক প্রদান করা হয়? লোকটি নিবেদন করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি? তিনি এরশাদ করেন, ‘‘তুমি সুবহে সাদিক হতে ফজরের নামায আদায় করা পর্যন্ত একশত বার سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم পাঠ করিও। দেখবে দুনিয়া তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়বে। এর প্রত্যেকটি শব্দ দ্বারা আল্লাহ তাআলা একজন করে ফেরেশতা সৃষ্টি করবেন, যে কিয়ামত পর্যন্ত তার তসবীহ পাঠ করতে থাকবে এবং তুমি এর সওয়াব পেতে থাকবে।’ এই হাদিসটি কি সহিহ?