সিজদা

সিজদায় গিয়ে কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২০৮৫) : আমি এই রমযানে প্রথম তারাবীর নামায পড়াই। প্রতিবার প্রথম রাকাত পড়ার পর ভিতরে ভয় লাগত যে, দ্বিতীয় রাকাতে আটকে যাব কিনা। তাই প্রথম রাকাতে রুকু-সিজদায় তাসবীহ না পড়ে দ্বিতীয় রাকাতের পড়া তিলাওয়াত করতাম। মুহতারামের কাছে আমি জানতে চাই, এভাবে রুকু-সিজদায় তাসবীহ না পড়ে কুরআন তিলাওয়াত করলে নামাযের কি কোনো ক্ষতি হয়? জানিয়ে বাধিত করবেন।

কানটুপি দ্বারা কপাল ঢেকে থাকলে কি সিজদা আদায় হবে?

প্রশ্ন (১২০৮১) : শীতকালে শেষ রাতে প্রচণ্ড শীতের কারণে আমি কানটুপি ব্যবহার করি এবং সাধারণত এটি পরেই ফজরের নামায আদায় করি। এক্ষেত্রে কখনো এমনও হয় যে, কানটুপি পরার কারণে কপাল ঢেকে যায় এবং ঐ অবস্থাতেই সিজদা আদায় করা হয়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, কপাল কানটুপি দ্বারা আবৃত অবস্থায় সিজদা করার দ্বারা আমার সিজদা আদায় হবে কি?

সুন্নত নামাযে কি উচ্চৈঃস্বরে কেরাত পাঠ করা যাবে?

প্রশ্ন (১২০৮০) : একদিন আমি মাগরিবের ফরয নামায মসজিদে পড়ে বাসায় এসে সুন্নতের নিয়ত বাঁধি। বাইরে থেকে অনেক আওয়াজ আসছিল। তাই নামাযে একাগ্রতা আনার জন্য আমি উচ্চৈঃস্বরে কেরাত পড়ি। নামায শেষে খটকা লাগে, এভাবে জোরে কেরাত পড়ার কারণে নামাযে কোনো অসুবিধা হয়নি তো? তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার ওপর কি সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হয়েছিল? আমি সাহু সিজদা করিনি; আমার নামাযের কী হুকুম

নামাযে চোখ বন্ধ করে রাখলে কি নামাযের কোনো সমস্যা হবে?

প্রশ্ন (১২০০৩) : নামাযে চোখ বন্ধ করে থাকলে আমার মনোযোগ বেশি হয়। তাই আমি চোখ বন্ধ করেই নামায আদায় করি। আামার জানার বিষয় হলো, চোখ বন্ধ করে নামায আদায় করলে কি নামাযের কোনো সমস্যা হবে?

নামাযে ওয়াজিব ছুটে যাওয়ার পর সাহু সিজদা দিতে ভুলে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৯৯২) : আমার মাঝে মাঝেই নামাযে ওয়াজিব ছুটে যায়। কিন্তু বৈঠক শেষে আমি সাহু সিজদা দিতে ভুলে যাই। ফলে উভয় দিকে সালাম ফিরিয়ে ফেলি। এমতাবস্থায় আমি কী করতে পারি?

নামাযের প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৮৯৩) : আমি একদিন একাকী আসরের নামায আদায় করছিলাম। তখন প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে যাই এবং নামায শেষে সাহু সিজদা আদায় করে নেই। তো আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে নাকি পুনরায় আদায় করতে হবে?

ইমাম সাহেব প্রথম বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে গেল করণীয়।

প্রশ্ন (১১৮৯০) : ইমাম সাহেব মাগরিবের নামাযে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যান। মুক্তাদীরা পেছন থেকে লোকমা দিলে ইমাম সাহেব বসে যান। তারপর নামায শেষে সাহু-সিজদা করেন। নামাযের পরে কয়েকজন মুসল্লি বলল, ইমাম সাহেবের দাঁড়ানো থেকে বসে যাওয়াটা ঠিক হয়নি। এতে নামায নষ্ট হয়ে গেছে। আমি জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি আমাদের ওই নামায নষ্ট হয়ে গেছে, নাকি সহিহ হয়েছে?

মাসবুক ব্যক্তির নামায।

প্রশ্ন (১১৮৮৯) : আমি যোহরের নামায জামাতের সাথে আদায় করছিলাম। তখন প্রথম রাকাতের সিজদায় যাওয়ার পর এক ব্যক্তি এসে নিজে নিজে রুকু করে ইমাম সাহেবের সাথে সিজদায় শরিক হয়ে ইমাম সাহেবের সাথে নামায শেষ করে। তো আমি জানতে চাচ্ছি, এভাবে নামায আদায় করা কি সহিহ হয়েছে?

হায়েজ অবস্থায় সেজদার আয়াতে সেজদা আবশ্যক হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৫৬) : আমি হেফজখানার এক শিক্ষিকা। হায়েজ অবস্থায় ছাত্রীদের পড়া শুনতে হয়। সেক্ষেত্রে তারা যদি সেজদার আয়াত পাঠ করে তাহলে আমার উপর সেজদা আবশ্যক হবে কি?

সেজদার আয়াতে লুকমা দিলে কয়টি সেজদা করতে হবে

প্রশ্ন (১১৮৫০) : তারাবীর নামাযে ইমাম সাহেব সেজদার আয়াত ভুলে যান। পিছনের হাফেজ সাহেব লুকমা দিতে গিয়ে সেজদার আয়াত পুরো পাঠ করেন। ইমাম সাহেব উক্ত আয়াত পুনরায় পাঠ করে সেজদা করেন। জানতে চাচ্ছি, এখানে যেহেতু দুইজন সেজদার আয়াত পাঠ করেছেন তাই কয়টি সেজদা আবশ্যক হয়েছিল?

সাহু সেজদা দিলে নামায শুদ্ধ হয়ে যাবে কি

প্রশ্ন (১১৮৪৬) : কেউ যদি ভুলে তারাবির দ্বিতীয় রাকাতে ভুলে না বসে দাঁড়িয়ে যায় এবং আরো দুই রাকাত পড়ে সাহু সেজদা দিয়ে নামায শেষ করে তাহলে নামায কি শুদ্ধ হবে?

মাসবুক প্রথম রাকাতে বৈঠক না করলে সেজদা করতে হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৪১) : কিছুদিন আগে এশার নামাযে এক রাকাত পাই। ইমামের সালামের পর নিজের প্রথম রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যাই। পরবর্তী রাকাতে বসি। নামায শেষে সেজদা দেইনি। আমার কি নামায হয়েছিল?

ভুলে দাঁড়িয়ে আবার বসে গেলে নামায হবে কি

প্রশ্ন (১১৮৩৬) : কিছুদিন আগে জামাতে এশার নামায পড়ছিলাম। দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকে ইমাম সাহেব তাকবীর কিছুটা দীর্ঘ করেন। এ কারণে আমরা কয়েকজন না বসে দাঁড়িয়ে যাই। সাথে সাথে আবার বসে যাই। জানতে চাচ্ছি, আমাদের নামায কি হয়েছিল?

পেশাবের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ইশারায় রুকু সেজদা করতে পারবে কি

প্রশ্ন (১১৮৩৩) : জনৈক ব্যক্তি পেশাবের রোগে আক্রান্ত। সে যদি দাঁড়িয়ে কিংবা বসে রুকু সেজদাসহকারে নামায আদায় করে তাহলে পেশাব বের হয়ে তার অজু নষ্ট হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, সে কি মাজুর হিসেবে দাঁড়িয়েই নামায পড়বে নাকি বসে ইশারায় রুকু সেজদা আদায় করবে?