বিবিধ

নির্দিষ্ট কোথাও দান করার মান্নত করার পর অন্য জায়গায় দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৫) : আমি মান্নত করেছিলাম, এ বছর আমার ফসল ভালো হলে শ্বশুর বাড়ির মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে এক মন ধান দান করব। আল্লাহর রহমতে এ বছর আমার ফসল ভালো হয়েছে। কিন্তু বিশেষ কারণে অল্প কিছু ধান ছাড়া সবই বিক্রি করার প্রয়োজন হয়েছে। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, আমি কি এক মন ধানের সমমূল্য পরিমাণ টাকা সদকা করতে পারব? অনুরূপভাবে যে মাদরাসায় সদকা করার মান্নত করেছিলাম সেটা ছাড়া অন্য এক মাদরাসা, যা কিছুদিন আগে আমাদের বাড়ির পাশে হয়েছে, সেই মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে (উক্ত টাকা) দান করতে পারব?

মসজিদের ক্যাশিয়ার পদে দায়িত্বরত ব্যক্তির জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা জায়েয হবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৭৪) : আমাদের এলাকার মসজিদের ক্যাশিয়ার সাহেব অত্যন্ত পরিশ্রমী ও বিশ্বস্ত। মসজিদের হিসাব-নিকাশ ও অন্যান্য কাজে অনেক সময় দেন। তিনি সরকারি চাকরি করেন। অর্থনৈতিক কিছু সমস্যার কারণে সম্প্রতি একটি ফার্মেসিতে পার্টটাইম চাকরি নিতে চাচ্ছেন এবং মসজিদের কমিটি থেকে বের হয়ে যেতে যাচ্ছেন। অপরদিকে মসজিদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার কাজ শুরু হয়েছে। এসময় তিনি না থাকলে এবং সময় না দিলে নির্মাণকাজে বিঘ্নতা ঘটতে পারে। কারণ, কমিটির অন্য কেউ তার মতো এতো সময় দেয় না। এসব কারণে কমিটির অনেকে বলছেন, তার জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হোক। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, মসজিদের ফান্ড থেকে তার জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা কি বৈধ হবে?

মসজিদে বেচা-কেনা করার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১২৪৭৩) : আমাদের মসজিদের সিঁড়ির নিচের জায়গা বেশ বড়। মসজিদ কমিটির এক প্রাক্তন সদস্য উক্ত স্থানটি ভাড়া নিয়ে আতর-টুপির দোকান বানাতে চাচ্ছেন। যেহেতু তিনি অনেকদিন পর্যন্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলেন, তাই বর্তমান কমিটির অনেকেই তার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, মসজিদের উক্ত অংশে কি দোকান বানানো বৈধ হবে? উল্লেখ্য, মসজিদের সিঁড়িটি মসজিদের বারান্দা হয়ে উপরে উঠেছে। সিঁড়ির নিচে দোকান বানানো হলে বারান্দাটি ব্যবহার হবে। কারণ ক্রেতারা সেখানে দাঁড়ানো ছাড়া কিছু কিনতে পারবে না।

মান্নত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৪৭০) : কিছুদিন আগে আমার ছেলের জ্বর হয়। চেকআপ করার পর ডাক্তার টাইফয়েড চিহ্নিত করেন। তখন মান্নত করেছিলাম যে, সে সুস্থ হয়ে গেলে দুই হাজার টাকা সদকা করব। ১৫ দিন পর সে সুস্থ হয়ে যায়। তখন আর ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাইনি। ১০ দিন পর সে পুনরায় জ্বরাক্রান্ত হয়ে পড়ে। ডাক্তার বললেন, তার টাইফয়েড এখনো ভাল হয়নি। দ্বিতীয়বার আমার কাছে না এনে ভুল করেছেন। এখন লাগাতার আরো ১০ দিন ওষুধ খাওয়াতে হবে। কয়েকটি ইঞ্জেকশনও দিতে হবে। জানার বিষয় হল, কয়েকদিন বাহ্যিকভাবে সুস্থ থাকার দ্বারাই কি আমার উপর মান্নত পুরা করা ওয়াজিব হয়ে গেছে? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

কষ্টদায়ক ও ক্ষতিকর পোকা-মাকড় গরম পানি দিয়ে মারা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৬৭) : আমাদের বাসায় ছারপোকার উপদ্রব অনেক বেড়ে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও সেগুলো দূর করতে পারছি না। ধীরে ধীরে সেগুলোর উপদ্রব বেড়েই চলছে, যার ফলে আমরা অনেক অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তাই আর কোনো উপায় না দেখে এখন চাচ্ছি যে, পুরো ঘর আমরা গরম পানি দিয়ে ধোব এবং ঘরের সব সামান ফুটন্ত গরম পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করব। এখন আমার প্রশ্ন হল, এ পদ্ধতিতে ঘর পরিষ্কার করার দ্বারা তো ছারপোকাগুলোকে কষ্ট দেয়া হবে, যা হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। তাই এখন আমার খটকা লাগছে। কিন্তু অন্য কোনো উপায়ও খুঁজে পাচ্ছি না। তাই সিদ্ধান্তও নিতে পারছি না। আশা করি মুফতী সাহেব আমাকে এই পেরেশানি থেকে মুক্ত করবেন।

ধান ভাঙানোর পর ধানের কুঁড়া দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৬৪) : আমাদের এলাকায় প্রচলন আছে যে, যারা ধান ভাঙ্গায় তারা প্রতি মন ধানে যত টাকা পারিশ্রমিক আসে তার পরিবর্তে তত টাকার কুঁড়া নেয়। আর কুঁড়া না দিলে ধান ভাঙ্গাতে চায় না। আমার প্রশ্ন হল, কুঁড়া নিয়ে ধান ভাঙ্গানো জায়েয কি না? নাজায়েয হলে বৈধ পদ্ধতি কী হবে? দয়া করে জানাবেন।

মসজিদ নির্মাণের জন্য মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত জমি বিক্রি করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৬৩) : আমার দাদা প্রায় ৪০ বছর আগে মসজিদ মাদরাসার জন্য এক বিঘা জমি ওয়াকফ করেছিলেন। তখনই একটি মসজিদ এবং ছোট পরিসরে একটি মাদরাসা বানানো হয়। এরপর ছাত্রসংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার কারণে নামাযের সময় মসজিদে তাদের জায়গা হয় না। তাই মসজিদটি বড় করা খুবই দরকার। এজন্য মসজিদ কমিটি আগের ভবনটি ভেঙ্গে বড় করে মসজিদ বানাতে চাচ্ছে। এর জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন। তাই মসজিদ কমিটি উক্ত জমির একটি অংশ বিক্রি করে তার অর্থ নতুন মসজিদ নির্মাণে ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছেন। জানার বিষয় হল, ওয়াক্ফকৃত জমিটির একটি অংশ বিক্রি করে তার অর্থ দিয়ে মসজিদ ভবন নির্মাণ করার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? মাসআলাটির সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

সার্টিফিকেটে ভুল জন্ম তারিখ দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৫৩) : দেশের আইন অনুযায়ী পাবলিক (সরকারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হলে তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখ হতে বয়স হিসাব করা হয়। এক ব্যক্তি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এসএসসি পরিক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করার সময় তার মামা (যিনি ঐ স্কুলের শিক্ষক ছিলেন) নিজের থেকেই তার একটা জন্ম তারিখ বসিয়ে দেন। সেই অনুযায়ী এসএসসি সার্টিফিকেটে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তি তার মরহুম পিতার নোট বুকে তার জন্ম তারিখ লিখিত দেখেন। সেই অনুযায়ী এসএসসি সার্টিফিকেটে যদি তার সঠিক জন্ম তারিখ থাকত তবে তাকে ৩ বছর পূর্বে অবসরে যেতে হত। তিনি যদি ইচ্ছা করেন তবে তার সঠিক জন্ম তারিখ অনুযায়ী ৩ বছর পূর্বে অবসরে যেতে পারেন। এ বিভাগে শিক্ষক পদের সংখ্যা নির্দিষ্ট। তিনি অবসরে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় তার বিভাগে একজন নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। অবসরে না যাওয়া পর্যন্ত ঐ পদে কোনো নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে না। এমতাবস্থায় এসএসসি সার্টিফিকেটে উল্লেখিত জন্ম তারিখ হিসাবে তার ৬৫ বছর পর্যন্ত চাকরি করা জায়েয হবে কি না?

নিজের উপর লানত করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৪৫২) : আমার একটি বদঅভ্যাস আছে। আমি জানি তা বড় গুনাহের কাজ। কিন্তু ইচ্ছা-অনিচ্ছায় তা করে ফেলি। অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছি, যেন তা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি। বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রতিজ্ঞাই করেছি। একবার ঐ মন্দ কাজটি করার কারণে রাগে এ বলে প্রতিজ্ঞা করি যে, যদি সামনে কখনো এ কাজ করি তবে আমার উপর আল্লাহর গযব! আল্লাহর লানত! আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের সঙ্গে এ কথা নিয়ে আলোচনা করলে তিনি বলেন, এমন কথা বললে তা কসম হয়। তাই তোমাকে এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে নতুবা কাফফারা আবশ্যক হবে। কিন্তু আমি কিছুদিন পরই তা করে ফেলি। এখন মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি যে, আসলেই কি এ কাজ করার কারণে আমার উপর কাফফারা ওয়াজিব হয়েছে? সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

কসম ভঙ্গের কাফ্ফারা।

প্রশ্ন (১২৪৫১) : একবার আমি আমার স্ত্রীর রান্না আর খাব না বলে শপথ করেছিলাম। পরে এই শপথ ভঙ্গ হয়ে যায় এবং আমি তার হাতের রান্না খাই। এর কাফফারা আদায়ের জন্য আমি দরিদ্র দশ জনকে দাওয়াত করি। তারা এসে দুপুরে আমার বাসায় খানা খায়। খানার পর তাদেরকে পরের দিন দুপুরে আবার আসার জন্য বলে দিই। সে হিসেবে তারা পরের দিনও এসে খানা খায়। কিন্তু তাদের মধ্যে দুইজন এমন ছিল, যারা আগের দিন আসেনি। এখন গ্রামের এক আলেম বলছেন, কাফফারা আদায়ের জন্য প্রথম দিন যারা এসেছিল তাদেরকেই খাওয়াতে হবে। অন্য দুই জনকে খাওয়ালে কাফফারা আদায় হবে না। তাই হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আসলেই কি প্রথম দশ জনকে খাওয়াতে হবে? নাকি যে কোনো দশজনকে খাওয়ালে হবে? যদি না হয় তাহলে এখন আমার করণীয় কী? এখন কি পুনরায় দশজনকে দু’বেলা খাওয়াতে হবে? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

ঋণদাতা বন্দকী বস্তু থেকে উপকৃত হতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৪৩) : আমার এক প্রতিবেশী আমার কাছ থেকে বড় অংকের টাকা ঋণস্বরূপ গ্রহণ করেন। ঋণের জামানত স্বরূপ তার একটি গরু আমার কাছে বন্ধক রাখেন। গরুটি আমার কাছে হস্তান্তরের সময় তিনি বললেন, এর যা দুধ হয় আপনি নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। তিনি এবং আমি দুজনেই আমরা শরীয়ত মেনে চলার চেষ্টা করি। আমি যতদূর জানি। ঋণ দিয়ে তার বিপরীতে অতিরিক্ত কোনো সুবিধা গ্রহণ করলে সেটা সুদ হয়ে যায়। তো আপনার কাছে আমার প্রশ্ন, এই যে বন্ধকী গরুটির দুধ তিনি আমাকে খাওয়ার কথা বললেন এটা সুদের পর্যায়ে চলে যায় কি না? নাকি এতে কোনো অসুবিধা নেই? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

শীতকালে খেজুর গাছ বাঁধার কয়েকটি অবৈধ পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২৪৩৩) : আমাদের এলাকায় শীতের মৌসুমে খেজুর গাছওয়ালারা গাছিদের নিম্নোক্ত চুক্তিগুলো করে থাকে। শরীয়তের আলোকে সেগুলো বৈধ কি না জানিয়ে বাধিত করবেন। ১. গাছি পুরো মৌসুমে খেজুর গাছ কেটে নিজে রস নিয়ে নেবে। আর গাছের মালিকদেরকে নির্দিষ্ট পরিমাণে খেজুরের গুড় দেবে। যেমন, ২ বিলি বা ৩ বিলি। ২. এক পালায় গাছি রস নেবে। অন্য পালায় গাছের মালিক রস নেবে। ৩. যা রস হবে, তার অর্ধেক নেবে গাছি। আর অর্ধেক নেবে গাছের মালিক।

কোনো ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি করার পর মারা গেলে কি তার চুক্তি বহাল থাকবে?

প্রশ্ন (১২৪৩১) : আমার বাবা পরিবারের খাবারের জন্য গ্রামের পরিচিত একজনকে এই শর্তে বিশ হাজার টাকা দেন যে, এ বছর প্রতি চার মাস অন্তর চার মন করে অমুক জাতের চাল আমাদের বাসায় দিয়ে যাবে। মাস দেড়েক হল বাবা ইন্তিকাল করেছেন। জানার বিষয় হল, বাবার মৃত্যু পরবর্তী উক্ত চুক্তির হুকুম কী হবে? চুক্তিটি কি বহাল থাকবে না বাতিল হয়ে যাবে?

ওয়াকফকৃত জমি ব্যবহার করার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২৪৩০) : আমাদের এলাকায় ঈদগাহের জন্য একটি জায়গা ওয়াকফ করা হয়। পরবর্তীতে তার কিছু জায়গায় একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। জানার বিষয় হলো, সেই স্থানে মসজিদ নির্মাণ করা ঠিক হয়েছে কি না? এবং সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমার নামায আদায় করা সঠিক হবে কি না? যদি মসজিদ নির্মাণ এবং পাঁচ ওয়াক্ত ও জুমার নামায আদায় করা সঠিক না হয় তাহলে এখন করণীয় কী?

নবজাতক বাচ্চাকে চুড়ি পড়ানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪১৮) : আমাদের অঞ্চলে বাচ্চা হওয়ার পর সেই বাচ্চা মেয়ে হোক কিংবা ছেলে হোক; বাচ্চার মায়ের বাড়ির পক্ষ থেকে রুপার এক ধরনের বিশেষ চুড়ি তাকে উপহার দেওয়া হয়। বাচ্চা নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হলে তার হাতে সেগুলো পরিয়ে দেওয়া হয়। এধরনের চুড়ি বাচ্চাকে পরিধান করালে কোনো অসুবিধা আছে?

কোনো বস্তু মেরামত করার সময় কোনো অংশ ভেঙে গেলে তার ক্ষতিপূরণ কে দিবে?

প্রশ্ন (১২৪১৪) : আমি আমার ল্যাপটপ মেরামতের জন্য একজন মেকারের দোকানে যাই। সব যন্ত্রপাতি খুলে দেখার সময় তার হাতে একটি দামি পার্টস ভেঙে যায়। আমি জরিমানা দাবি করি। কিন্তু সে তা দিতে অস্বীকার করে এবং বলে, অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনার জন্য আমি কেন জরিমানা দিব? জানার বিষয় হল, শরীয়তের দৃষ্টিতে আমার জন্য কি তার থেকে জরিমানা নেওয়া অবৈধ হবে?

বিশেষ কোনো কারণে এব্রোশন করে বাচ্চা নষ্ট করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪১৩) : আমার স্ত্রীর বয়স ২৮ বছর। এর মধ্যে দুই সন্তান হয়েছে। বড় জনের বয়স ৩ বছর। ছোট জনের বয়স ১ বছর ৬ মাস। দুবারেই সিজার করতে হয়েছে। কিছু দিন হল সে আবার কনসিভ করেছে। যেহেতু তার দুবার সিজার হয়েছে এবং স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও সে একটু মোটা তাই এবার তার জন্য এটা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। এক্ষেত্রে আমরা কি এব্রোশন করতে পারব? পরপর দুই সন্তান হওয়ার কারণে তার সিজারের জায়গা এখনো ভালোমতো শুকায়নি। বাচ্চার হার্ডবিটও আসেনি।

চায়ের দোকানের কাস্টমার চায়ের কাপ ভেঙে ফেললে কি জরিমানা দিবে?

প্রশ্ন (১২৪০৯) : আমি একজন চা বিক্রেতা। কোনো কোনো সময় কাস্টমারের হাত থেকে কাপ পড়ে ভেঙ্গে যায়। এক্ষেত্রে আমি কি জরিমানা দাবি করতে পারি। অনুরূপভাবে কাস্টমারের হাত থেকে পড়ে যাওয়া চায়ের দামও কি নিতে পারব?

পশু জবাইকারীর জন্য বিসমিল্লাহ বলার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৪০৮) : কুরবানীর দিন কোথাও এমন দেখা যায় যে, কুরবানীর পশুর হাত, পা, মাথা ইত্যদি যারা ধরে আছে, তাদেরকে জবাই করার সময় উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ বলার জন্য বলা হয় এবং সবার এমনটি করা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। কেউ না বললে তিরস্কার করা হয়। প্রশ্ন হল, যারা কুরবানীর পশু জবাই করতে বিভিন্নভাবে শরীক হয়েছে, তাদের সবার জন্যই কি বিসমিল্লাহ বলা জরুরি? এক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুমটি জানতে চাচ্ছি।

শুফা সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩৯৯) : আমরা ছয় ভাই-বোন আমাদের চাচার পক্ষ থেকে হেবাসূত্রে তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবনের মালিকানা লাভ করি। ভবনে আমার ফ্ল্যাটটি আমি সম্প্রতি বাইরের একজনের কাছে বিক্রি করে দেই। এখন আমার ভাই-বোনেরা আমাকে চাপ দিচ্ছে, ঐ বিক্রি প্রত্যাহার করে তাদের কোনো একজনের কাছে তা বিক্রি করার জন্য। আমি জানতে চাচ্ছি, ফ্ল্যাটটি বিক্রি করতে কি তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা বিবেচনা করা আমার জন্য জরুরি?