বিবিধ

অসিয়ত সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩৮৭) : আমার পিতা তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছিলেন এবং আমাদেরকে মৃত্যুর সময় ওসিয়ত করেছিলেন যে, আমরা যেন এক বছর অতিবাহিত হওয়ার আগে তার থেকে ঋণ উসুল না করি। এক বছর পর ধীরে ধীরে উসুল করি। আমাদের জানা ছিল যে, ঋণ পরিশোধের সময় নির্ধারণ করার পরও নির্ধারিত সময়ের আগে টাকা উসুলের দাবি করা যায়। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, আমরা যে কোনো সময় ঋণ উসুলের দাবি করতে পারব, নাকি পিতার ওসিয়ত অনুযায়ী এক বছর পরই ধীরে ধীরে উসুল করতে হবে? মাসআলাটির সমাধান জানালে খুবই উপকৃত হব।

মসজিদ-মাদরাসায় খেদমতে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বোনাস নিতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৮২) : যারা মসজিদ-মাদরাসার খেদমতে নিয়োজিত আছেন, তারা যদি বেতনের পাশে বছরের দুই ঈদে বোনাস গ্রহণ করেন তাহলে সেটা কি বৈধ হবে?

হোটেল বয়দেরকে বখশিশ দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩৮১) : আজকাল বড় বড় হোটেলে বয়দেরকে বখশিশের নামে টাকা দেওয়ার প্রচলন আছে। এটা না দিলে কেমন যেন খারাপ লাগে। অবশ্য না দিলেও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এখন জানার বিষয় হল, উক্ত টাকা ঘুষের অন্তভুর্ক্ত হবে কি না?

জমিনে পানি সেচ করার পারিশ্রমিক হিসেবে বিঘা প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ধার্য করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৭৮) : আমাদের এলাকায় কৃষকরা সেলোমেশিনের মালিকদের সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, তারা পুরো সিজনে মেশিন দিয়ে কৃষকদের জমিতে পানি দেবে। এর বিনিময়ে কৃষকরা তাদেরকে বিঘা প্রতি পাঁচ হাজার টাকা দেবে। আবার কখনো কখনো কৃষকরা ঘণ্টা হিসাবে তাদের থেকে পানি ক্রয় করে। যেমন এক ঘণ্টা পানি নিলে ৫০ টাকা। দুই ঘণ্টা নিলে ১০০ টাকা। আমি জানতে চাচ্ছি , শরীয়তের আলোকে এ ধরনের লেনদেন বৈধ কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইলেকট্রিক দোকানে কাস্টমার কোনো জিনিস ফেলে রেখে গেলে সেটা দোকানদার বিক্রি করতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৩৭৪) : আমার একটি কম্পিউটার সার্ভিসিংয়ের দোকান আছে। অনেকে সার্ভিসিংয়ের জন্য মাদারবোর্ড নিয়ে আসলে দেখা যায়, সেটা মেরামত করার চেয়ে নতুন মাদারবোর্ড কিনে নেওয়াই ভালো। আমি তাদেরকে বিষয়টি বললে, অনেকে নতুন মাদারবোর্ড কিনে পুরনোটি ফেলে চলে যায়। অনেকদিন পর দেখা যায়, কোনো কোনো পুরনো মাদারবোর্ড ঠিক করে ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে যখন মেরামত করে এগুলো ব্যবহারযোগ্য হয় তখন কি এগুলো আমার জন্য বিক্রি করা জায়েয হবে? অথবা এর বিভিন্ন পার্টস অন্য মাদারবোর্ডে ব্যবহার করা জায়েয হবে? নাকি মালিককে বিষয়টি জানাতে হবে? অথচ মালিককে তো আমি চিনি না। আর মালিকও তো স্বেচ্ছায় জিনিসটি ফেলে গেছে। যদি এগুলো মেরামত করে ব্যবহার করা বা বিক্রি করা জায়েয না হয় তাহলে ইতিপূর্বে যেগুলো বিক্রি করেছি সেগুলোর ব্যাপারে আমার করণীয় কী? আর এখনও যেগুলো রয়ে গেছে সেগুলো কী করব? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

মৃত ব্যক্তির সমস্ত সম্পদের কী পরিমাণ অংশে তার অসিয়ত কার্যকর হবে?

প্রশ্ন (১২৩৭৩) : কিছুদিন আগে আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি মারা গেছে। লোকটি ছিল অবিবাহিত। তাই তার ছেলে-সন্তান স্ত্রী পরিবার-পরিজন কেউ নেই। মৃত্যুর আগে সে অসিয়ত করে গেছে, তার যাবতীয় সম্পদ মসজিদ-মাদরাসায় দিয়ে দিতে। এখন মসজিদ ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ উভয়ে তার সম্পদ দাবি করছে। কিন্তু মৃত ব্যক্তির ভাই তা মেনে নিচ্ছে না। মৃতের আত্মীয় বলতে শুধু তিনিই আছেন। বিষয়টি নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে। এখন আমরা সবাই (মসজিদ ও মাদারাসা কর্তৃপক্ষ ও তার ভাই) মুফতী সাহেবের শরণাপন্ন হচ্ছি, আমাদেরকে শরীয়তের সঠিক সমাধান জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

দাইয়ূস মানে কী?

প্রশ্ন (১২৩৭২) : অনেকের মুখে দাইয়ূস শব্দটি শোনা যায়। এর অর্থ কী? কুরআন হাদিসে এ সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? কেউ কেউ অন্যকে দাইয়ূস বলে গালি দেয়। এটা কি ঠিক?

কুরআনের আয়াত লিখিত কাগজ নিয়ে বাথরুমে যাওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৬৯) : আমি কিছুদিন আগে কুরআনের আয়াত লিখিত একটা কাগজ পকেটে নিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করি। পরে এক ভাই বললেন যে, এভাবে কুরআন লিখিত কাগজ নিয়ে বাথরুমে প্রবেশ করা জায়েয নেই। জানার বিষয় হল, তার ঐ কথা কি ঠিক?

কসম বাক্যের সাথে ইনশাআল্লাহ বললে কসম সংঘটিত হবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৬৫) : আমার এক আত্মীয় শহরে চাকরির খোঁজে এসে আমাদের বাড়িতে উঠেছে প্রায় এক বছর হল। যতদিন চাকরি হচ্ছে না ততদিন আমাদের এখানেই সে থাকবে এবং আমাদের সঙ্গেই খাবে- একথা আমি তাকে বলেছি। কিন্তু দীর্ঘ একটা সময় পার হওয়ার পরও চাকরি পাবার ক্ষেত্রে তার কোনো অগ্রগতি হয়নি। এদিকে জীবন নির্বাহের জন্য সাধারণ কোনো পেশা গ্রহণেও সে আগ্রহী নয়। একপর্যায়ে গত কয়েক দিন আগে আমি তাকে বলেই ফেললাম, ‘আল্লাহর কসম, যদি তুমি নিজ পায়ে দাঁড়ানোর একটা উপায় না কর তাহলে আমি আর তোমার সাহায্য-সহযোগিতা করতে পারব না।’ তবে সেইসাথে আমি আমার এই কথার শেষে যুক্ত করে দিলাম, ‘ইনশাআল্লাহ’। এরপর আরো মাসখানেক সময় পার হয়েছে। সে এখনো তার কোনো গতি করতে পারেনি। আমি তো কসম করেছি, রোযগারের পথ করতে না পারলে তাকে আর সাহায্য করব না। কিন্তু এখন তার অবস্থা দেখে মায়া হচ্ছে। এ মুর্হূতে আমার কী করণীয়? আমি যদি আবারো তাকে সহযোগিতা করতে চাই তাতে কি আমার কসম ভঙ্গ করার কারণে কাফফারা দিতে হবে? জানালে উপকৃত হব।

মসজিদ স্থানান্তর করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩৬০) : প্রায় সত্তর বছর আগে আমাদের এলাকায় মাদরাসার জন্য একটি জমি ওয়াকফ করা হয় এবং সেখানে একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাদরাসার ছাত্ররা কাছের একটি পুরনো মসজিদে নামায আদায় করত। আনুমানিক চল্লিশ বছর আগে মসজিদ ও মাদরাসার মাঝে একটি হাইওয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। রাস্তা পার হয়ে মসজিদে যাওয়া ছাত্রদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। তাই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নামায আদায়ের সুবিধার্থে মাদরাসার ওয়াক্ফকৃত জমির উত্তর কোণে একটি মসজিদ নির্মাণ করে। চল্লিশ বছর যাবৎ উক্ত মসজিদে নামায পড়া হচ্ছে। কিন্তু মাদরাসার নতুন কর্তৃপক্ষ পুরো এরিয়ার সুযোগ-সুবিধার প্রতি লক্ষ করে মসজিদটি উক্ত জমির অন্য এক পাশে স্থানান্তর করে নিচ তলায় দোকানপাট ও দোতলা থেকে মসজিদ নির্মাণ করতে চচ্ছে। জানার বিষয় হল, এভাবে মসজিদ স্থানান্তর করা বৈধ হবে কি না? বৈধ হলে আগের মসজিদের জায়গা কী করা হবে? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

জমি ভাড়া সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৩৪৯) : আমরা চরাঞ্চলে বসবাস করি। এখানে আমার কিছু জমি আছে। এ অঞ্চলটি নিচু হওয়ায় বর্ষায় পানি বেশি হলে এখানের জমিগুলো প্রায় দেড়-দু’মাস চাষাবাদের অনুপযোগী থাকে। এ সময়ের ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে সংশয় হয়। অন্যান্য মালিকরা যেহেতু এ সময়ের ভাড়া আদায় করে থাকে, তাই আমিও নিই। এটা নেয়া কি বৈধ হবে? বর্ষার পর ফলন ভাল হলে তো তারা আমাদেরকে ভাড়া বেশি দেয় না। তাহলে আমরা কেন তাদের ক্ষতি বহন করব?

বর্গা চাষের একটি পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২৩৪৮) : এক ব্যক্তির সাথে আমি চুক্তি করতে চাচ্ছি যে, সে আমার এক বিঘা জমি চাষ করবে। চাষের জন্য বীজ, পানি, সার ইত্যাদির যাবতীয় খরচ সে বহন করবে। সিজন শেষে যা ফসল হবে তার বীজ সার ইত্যাদির খরচ বাদ দিয়ে বাকিটা দু’জনের মাঝে সমান হারে বণ্টন হবে। হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমাদের এভাবে চুক্তি করা বৈধ হবে কি না? বৈধ না হলে বৈধতার কোনো পদ্ধতি আছে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।

জমি চাষের একটি বৈধ পদ্ধতি।

প্রশ্ন (১২৩৪৭) : আমাদের এলাকায় জমি চাষাবাদের একটি পদ্ধতি ব্যাপকভাবে চালু রয়েছে। জমির মালিক জমি দেয়। আর পরবর্তীতে বীজ, সার, হাল দেওয়া ও সেচ বাবদ খরচ উভয়ে বহন করে। বীজ রোপন ও জমি প্রস্তুত করতে যে খরচ হয় তাও উভয়ে দেয়। আর উৎপাদিত ফসল উভয়ে সমান সমান করে ভাগ করে নেয়। হুজুরের কাছে জিজ্ঞাসা হল আমাদের জমি চাষাবাদের উক্ত পদ্ধতি বৈধ কি না? অনুগ্রহপূর্বক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

পুরাতন কবরের উপর দোকান নির্মাণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৩৫) : তিন বছর আগে আমি এক ব্যক্তি থেকে আমাদের বাজারে এক কাঠা জায়গা ক্রয় করি। এখন সেখানে একটি দোকান করতে চাচ্ছি। কাজ শুরু করতে গেলে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলল, এখানে প্রায় চল্লিশ বছর আগের একটি কবর আছে। এমতাবস্থায় আমি কি ঐ জায়গায় দোকান করতে পারব?

কলম, পেন্সিল, রাবারজাতীয় ইত্যাদি জিনিসপত্র কেউ ফেলে দিলে অন্য কেউ তা নিয়ে ব্যবহার করতে পারবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৩৩) : আমি একটি দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের খাদেম। বছরের শুরুতে বা শেষে তাফসীলি সাফাইয়ের পর ছাত্র ভাইয়েরা যে ময়লা আমাকে ফেলার জন্য দেয়, তাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কলম, পেন্সিল, রাবারজাতীয় জিনিসপত্র থাকে। এগুলো তাদেরকে রেখে দিতে বললে তারা রাখতে চায় না; বরং জানায়- ‘এগুলো সারা বছর কামরায় পড়ে থাকে। কেউ নেয় না। খোঁজও করে না। আপনি চাইলে এগুলো রেখে দিতে পারেন কিংবা ফেলেও দিতে পারেন।’ মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, আমি কি এগুলো ব্যবহার করতে পারব?

মাদ্রাসার জন্য জমি দান করার পর আবার সেখান থেকে পৃথক করে মসজিদের জন্য দান করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩৩০) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার জন্য ১০ ডিসিম জমি দান করে। সেখানে একটি অনাবাসিক নূরানী মকতব প্রতিষ্ঠা করা হয়। দুই-তিন বছর পর এলাকার মানুষের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে মাদরাসা কমিটি সিদ্ধান্ত নিল, মাদরাসার পাশাপাশি একটি জামে মসজিদ নির্মাণ করবে। তাই কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে উক্ত ব্যক্তি দানকৃত জমি থেকে ৪ ডিসিম জমি মসজিদের জন্য দান করে এবং সেখানে মসজিদ নির্মাণ করে। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত প্রক্রিয়াটি সঠিক হয়েছে কি না? ভুল হলে সংশোধনের উপায় কী? এবং এতদিন এলাকাবাসীর আদায়কৃত নামাযে কোনো সমস্যা হবে কি না? মাদরাসা ও মসজিদে একই কমিটি ও পূর্বের কমিটি অপরিবর্তিত।

সম্মান প্রদর্শন করার জন্য মাথা ঝুঁকানো যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৩২৮) : আত্মরক্ষার কৌশল (মার্শাল আর্ট, কারাতে) শেখার সময় শিক্ষকের সামনে মাথা ঝুঁকাতে হয় (শিক্ষককে সম্মান দেখানোর জন্য) এতে কি কোনো অসুবিধা আছে? থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা কী?

শপিং ব্যাগে আল্লাহ ও নবীর নাম লিখলে কোনো সমস্যা হবে?

প্রশ্ন (১২৩২৭) : আমার দোকানের শপিং ব্যাগে বরকত ও মহব্বতের প্রকাশস্বরূপ এক পাশে ডিজাইন করে আল্লাহ ও অপর পাশে মুহাম্মাদ (সা.) লেখা। কিছুদিন আগে এক ভাই তা দেখে আপত্তি করেন। যে এতে নাকি আল্লাহর নামের অপব্যবহার ও অবমাননা হয়। আমি জানতে চাচ্ছি যে, তার এ কথাটি কি ঠিক? এটা নিয়ে এখন পেরেশানিতে আছি। দয়া করে সঠিক সমাধান জানাবেন।

বিয়েতে উপহার দিলে সেগুলোর মালিক কে হবে?

প্রশ্ন (১২৩১৭) : আমার পিতার ইন্তেকালের পর আমিই আমার ভাই-বোনদের দেখাশোনা করছি। কিছুদিন আগে আমার ছোট বোনের বিবাহ দিই। বিবাহে আত্মীয়-স্বজন ও অন্যান্যদের আপ্যায়ন করি। উক্ত আপ্যায়নে অলঙ্কার ছাড়া নগদ অর্থ ও অন্যান্য সামগ্রী মিলে প্রায় ৪০ হাজার টাকার উপঢৌকন উঠেছে। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, এ উপঢৌকনের মালিক কে? সবগুলো আমার বোনকে দিয়ে দিতে হবে নাকি আমাদের ব্যবহার করার অনুমতি আছে? মাসআলাটির সঠিক সমাধানে হুযুরের সুমর্জি কামনা করছি।

কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৩১৬) : আমাদের গ্রামে একটি পাঞ্জেগানা মসজিদ আছে। মসজিদের জন্য যিনি জমি ওয়াকফ করেছিলেন। ওয়াকফ করার অনেক আগে (২০-২৫ বছর) সেই জমিতে তার দাদাকে কবর দেওয়া হয়েছিল। ওয়াকফ করার পর সেই জমিতে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদের শেষের এক-দুই কাতার সেই কবরের উপর নির্মিত হয়েছে এবং এভাবেই দীর্ঘদিন থেকে নামায আদায় করা হচ্ছে। এখন কেউ কেউ বলছেন, কবরের উপর মসজিদ বানানো হারাম। তাই অনেকে মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে চাচ্ছেন। অথচ মসজিদের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে নতুন করে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি উক্ত মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে হবে? আরেকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি, সম্প্রসারণের প্রয়োজনে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি না?