রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে
প্রশ্ন (৩১১) : রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে
প্রশ্ন (৩১১) : রোযা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হয়ে গেলে কি রোযার কোনো ক্ষতি হবে
প্রশ্ন (৩০৬) : আমার আম্মা রমযানে গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় ডাক্তার তাকে ইঞ্জেকশান দেন। আমার জানার বিষয় হচ্ছে, এর দ্বারা রোযার কোনো সমস্যা হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৩০৪) : আমার এক বন্ধুর রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় আমি একবার রোযা অবস্থায় তাকে রক্ত প্রদান করি। জানতে চাই, আমার রোযার কি কোনো সমস্যা হয়েছে?
প্রশ্ন (৩০০) : কোনো শ্বাসকষ্টের রোগী যদি ইনহেলার ছাড়া থাকতে না পারে তাহেলে সে কীভাবে রোযা রাখবে?
প্রশ্ন (২৯৬) : রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে?
প্রশ্ন (২৯৪) : রমযানের রোযার নিয়ত কি মুখে করা জরুরি?
প্রশ্ন (২৬৫) : আমার দাদী রমযানের রোযা রাখতে না পারার কারণে আমরা ফিদয়া আদায় করি। ফিদয়ার টাকা আমাদের ঘরের কাজের ছেলে দুটিকে ভাগ করে দিই। কিন্তু আমাদের এক প্রতিবেশী বললেন, এক রোযার ফিদয়া একজনকেই দিতে হয়। একাধিক ব্যক্তিকে দিলে আদায় হবে না। জানতে চাই, তার কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৬১) : আমার বাবা খুবই দরিদ্র। তিনি যাকাত গ্রহণের হকদার। এ বছর তিনি বার্ধক্যের কারণে রোযা রাখতে পারছেন না। জানতে চাই, তিনি যদি রোযা না রাখেন তাহলে কি ফিদয়া দিতে হবে?
প্রশ্ন (২৪৮) : অনেকের কাছে শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার কথা শুনি। জানতে চাই, এই রোযাগুলো রাখার ফযিলত কী? দয়া করে কোরআন-হাদিসের আলোকে জানাবেন।
প্রশ্ন (২৪১) : কোনো মহিলার যদি চল্লিশ দিন পূর্বে নেফাস (সন্তান প্রসবের পর যে স্রাব দেখা যায়)বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সে কি নামাজ-রোযা করতে পারবে?
প্রশ্ন (২৩৫) : কোনো নারী ঋতুস্রাবের কারণে রমযানে যে রোযাগুলো ছুটে গেছে সেগুলো আগে রাখবে না শাওয়ালের ছয় রোযা আগে রাখবে?
প্রশ্ন (২০৪) : শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযা কি লাগাতার রাখতে হবে না ইচ্ছামতো পৃথক পৃথকভাবে রাখা যাবে?
প্রশ্ন (২০১) : আমি শাওয়াল মাসের ছয় রোযা সোমবার ও বৃহস্পতিবার রাখতে চাচ্ছি। যেন সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখার ফযিলতও অর্জন করতে পারি। জানতে চাচ্ছি, এভাবে রোযা রাখলে আমি কি উভয় ফযিলত লাভ করব?
প্রশ্ন (১৪৩) : আমি গত রমযানে বিনা ওজরে রোযা ভেঙ্গে ফেলেছিলাম। আমি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। একসাথে ষাট দিনের রোযা রাখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এখন আমি কী করবো?
প্রশ্ন (১৪০) : আমাদের প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বার্ধক্যের কারণে রমজানের সিয়াম রাখতে পারে না। অপরদিকে সে খুবই দরিদ্র। যার দরুন রোজার ফিদইয়া আদায় করাও তার পক্ষে সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় তার জন্য রোজা থেকে দায়মুক্ত হওয়ার কোনো পন্থা আছে কি?
প্রশ্ন (১২৩) : আজ ৩রা রমজান। গত রাতে ঘুমানোর সময় আমি রোজার নিয়ত করতে ভুলে যাই। আজ সকাল ৫ টার পর যখন জাগ্রত হই, তখন রোজার কথা স্বরণ হয়। আমি মনে মনে বলে নিলাম যে “আজ আমি রোজা রাখবো”। এরপর কোনো কিছু পানাহার না করে সারা দিন কাটিয়ে দেই। উপরোক্ত বিবরণ অনুযায়ী আমার রোজা কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১২২) : আশুরার দিন আমি রোযা পালন করছিলাম। মাঝে আমার বড় ভাই আমাকে দুপুরের খাবারের দাওয়াত দিলে তার অনুরোধে আমি রোজা ভেঙ্গে ফেলি। আমার উক্ত কাজটি কি শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৭) : রোজা অবস্থায় কুলি করার পর থুথু গিলে ফেলার হুকুম কী?
প্রশ্ন (১১১) : আপনাদের পূর্বের এক প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গের গ্রহণযোগ্য ওজরসমূহ জানতে পেরেছি, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের এ খেদমত আঞ্জাম দেয়ার জন্য আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক মুবারকবাদ। আমার আজকের প্রশ্ন হলো, দিনের শুরুতে বা মাঝে উক্ত গ্রহণযোগ্য কোনো কারণে যদি আমি রোজা ভঙ্গ করি, তাহলে কি দিনের বাকি অংশে আমার জন্য পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?
প্রশ্ন (১১০) : কেউ যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভঙ্গ করে তাহলে কি তার তার জন্য দিনের বাকি অংশ পানাহার থেকে বিরত থাকা আবশ্যক?