মুসল্লী তাশাহুদ পড়তে ভুলে গেলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি
প্রশ্ন (৪৬৫৬) : কোনো মুসল্লী যদি ইমামের পিছনে তাশাহুদ পাঠ করতে ভুলে যায় তাহলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৫৬) : কোনো মুসল্লী যদি ইমামের পিছনে তাশাহুদ পাঠ করতে ভুলে যায় তাহলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৪৮) : মাসবুক ব্যক্তি তার ছুটে যাওয়া নামাজ পড়ার সময় যদি কোনো ভুল করে তাহলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৪৬) : আমি কিছুদিন আগে নামাজের রুকুতে ভুলে সেজদার তাসবীহ পড়ে ফেলি। কিন্তু নামাজ শেষে সাহু সেজদা করিনি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেই নামাজটি কি শুদ্ধ হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৬২৪) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব নামাজে ভুল করেন। নামাজের শেষে দুইদিকে সালাম ফিরানোর পর সাহু সেজদা দেন। জানতে চাচ্ছি, ইমাম সাহেবের নামাজ কি সঠিক হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৬০৬) : আমি একদিন জামাআতে নামাজ পড়া অবস্থায় শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পড়িনি। নামাজ শেষে সাহু সেজদাও করিনি। আমার প্রশ্ন হল, সাহু সেজদা না দেওয়ার কারণে কি আমার সেদিনের নামাজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৫৯৭) : আমার জানা আছে যে, সেজদায় যাওয়ার সময় জমিনে আগে হাঁটু লাগাতে হয়। কিন্তু আমার দাদা বৃদ্ধ। তার আগে হাঁটু লাগাতে কষ্ট হয়। তিনি কি আগে হাত রাখতে পারবেন?
প্রশ্ন (৪৫৯৫) : কখনো কখনো এমন হয় আমি এক রাকাতে ভুলে তিন সেজদা দিয়ে ফেলি। তখন আমি আবার নতুন করে নামাজ পড়ি। আসলে এ ক্ষেত্রে নিয়ম কী?
প্রশ্ন (৪৫৯৪) : কারও যদি এমন হয় যে, নামাজে কোন ভুল করে ফেলেছে। তাই তার সাহু সেজদা দেওয়ার নিয়ত রয়েছে। কিন্তু সাহু সেজদা না দিয়েই সে দুদিকে সালাম ফিরিয়ে ফেলেছে। পরবর্তীতে তার মনে পড়েছে। তাহলে এ ক্ষেত্রে তার করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৫৭৭) : হায়েয অবস্থায় কোন নারী সেজদার আয়াত শুনলে তার কি সেজদা দিতে হবে?
প্রশ্ন (৪৪৩৭) : একদিন ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় তন্দ্রা চলে আসে। দ্বিতীয় সেজদা ইমামের সাথে করেছি কিনা, তা মনে করতে পারিনি। একবার মনে হচ্ছে করেছি। আবার মনে হচ্ছে, তন্দ্রার কারণে ছুটে গিয়েছে। এভাবেই নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার নামাজ কি হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪৪৩৫) : শবে বরাত উপলক্ষ্যে মসজিদে সম্মিলিত ইবাদত বন্দেগী করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৪৪২২) : ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় কেউ যদি ঘুমিয়ে যায় এবং ইমাম সাহেব দ্বিতীয় সেজদা করে দাঁড়িয়ে যান। তাহলে উক্ত ব্যক্তির করণীয় কী? সে কি সরাসরি দাঁড়িয়ে যাবে? নাকি দ্বিতীয় সেজদা করে তারপর দাঁড়াবে?
প্রশ্ন (৪৩৮৯) : আমাদের গ্রামের মসজিদ ছোট। লোকদের স্থান সংকুলান হয় না। একদিন জুমআর সময় প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হয়। সবাই মসজিদে ঢুকে যায়। সকলের স্থান না হওয়ায় ইমাম সাহেব প্রত্যেককে বলেন সামনের মুসল্লীর পিঠে সেজদা দিতে। প্রশ্ন হল, ইমাম সাহেবের উক্ত বক্তব্যটি কি সঠিক হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪২৮৩) : তারাবীর নামাজে দোয়ায়ে মাছুরা না পড়লে কি কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৪১২৪) : আমি একবার এশার নামাজের ইমামতির সময় প্রথম রাকাতে সেজদার আয়াত তেলাওয়াত না করেই সেজদায়ে তেলাওয়াত দিয়ে দেই। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্বিতীয় রাকাতে সেজদার আয়াতটি তেলাওয়াত করে দেই। তারপর স্বাভাবিকভাবেই নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার এ কাজটি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৪১২৩) : কোনো অসুস্থ ব্যক্তি যদি সেজদা করতে সক্ষম না হয় তাহলে সে বসে নামাজ পড়তে পারবে কি? উল্লেখ্য, সে দাঁড়াতে সক্ষম।
প্রশ্ন (৪১২২) : আমার দাদা সেজদা করতে অক্ষম। জানতে চাচ্ছি, তিনি কিভাবে নামাজ পড়বেন?
প্রশ্ন (৪১১৭) : আমি একবার তারাবীর নামাজের ইমামতি করছিলাম। সেজদার আয়াত পাঠ করেছি মনে করে আমি সেজদায়ে তেলাওয়াত আদায় করি। নামাজ শেষে দেখি, সেজদার আয়াতটি তেলাওয়াত হয়নি। তার আগেই আমি সেজদা করে দিয়েছি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৪০৯২) : গত বছর ঈদের নামাজে ইমাম সাহেব সানার পর অতিরিক্ত তাকবীরগুলো দিতে ভুলে যান। কেরাত পড়া অবস্থায় হঠাৎ করে কেরাত বন্ধ করে অতিরিক্ত তাকবীরগুলো আদায় করেন। পুনরায় আবার সূরা ফাতেহা ও কেরাত পাঠ করে বাকি নামাজ আদায় করেন এবং শেষে সাহু সেজদা দেন। জানতে চাচ্ছি, ইমাম সাহেবের সেদিনের কাজটি কি সঠিক হয়েছিল?
প্রশ্ন (৪০৮৫) : আমাদের খতিব সাহেব গত রোজার ঈদে ঈদের নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে অতিরিক্ত তাকবীর দিতে ভুলে যান। পরবর্তীতে স্বাভাবিকভাবেই সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করেন। নামাজ শেষে মুসল্লীদের মাঝে বিরূপ এক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ বলছেন নামাজ হয়নি। আবার কেউ বলছেন নামাজ হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, আমাদের সেদিনের ঈদের নামাজটি কি হয়েছিল?