আযানের পর জবাব দেওয়া যাবে কি
প্রশ্ন (১১৮১৮) : কিছুদিন আগে মোবাইলে কথা বলছিলাম। তখন আযান শুরু হয়। তাৎক্ষণিক আযানের জবাব দিতে পারিনি। আযান শেষ হওয়ার পর জবাব দেই। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৮১৮) : কিছুদিন আগে মোবাইলে কথা বলছিলাম। তখন আযান শুরু হয়। তাৎক্ষণিক আযানের জবাব দিতে পারিনি। আযান শেষ হওয়ার পর জবাব দেই। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৮১৭) : ১৩ জ্বিলহজ্ব আসরের নামায কাযা হয়ে যায়। মাগরিবের পর যখন তা কাযা করি তখন আর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করিনি। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি বিধি সম্মত হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৮০১) : নামাযে হাই আসার পর এমনিতেই প্রতিরোধ করা যদি সম্ভব হয় তাহলে পুনরায় হাত দিয়ে তা প্রতিরোধ করা কি মাকরূহ?
প্রশ্ন (১১৭৭০) : আমার জানামতে নামাযের মধ্যে মহিলাদের জন্য মাথা ঢেকে রাখা ফরয। কিন্তু কিছু ওড়না আছে এতটা পাতলা, যা দ্বারা মাথা ঢাকার পরও মাথার চুল স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, কোনো মহিলা যদি এ ধরনের ওড়না পরে নামায পড়ে তাহলে কি তার নামাযে কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (১১৭৬৪) : আমি আসরের নামাযের সময় ওযু করে মসজিদে প্রবেশ করে দেখি ইমাম সাহেব রুকুতে চলে গেলেন। আমি ঐ রাকাত পাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলে রুকুতে চলে যাই। তখন আমি তাকবীর বলার সময় হাত উঠাতে ভুলে যাই। এখন আমার জানার বিষয় হল, তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় হাত না উঠানোর কারণে কি আমার নামাযে কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (১১৭৬৩) : আমি একটি মসজিদের মুআজ্জিন। আমি মাঝে মাঝেই ওযু ছাড়া আযান দিয়ে পরে ওযু করতে যাই। এ কারণে অনেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমি কেন ওযু ছাড়া আযাদ দেই। তো আমার জানার বিষয় হলো, ওযু ছাড়া আযান দিলে কি কোনো সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (১১৭৪৮) : আমাদের মসজিদের মুআজ্জিন অন্ধ। সে কয়েক বছর ধরেই আমাদের মসজিদে আযান দিচ্ছে। এবং সে সুন্নত তরীকায় আযান দেয়। এখন এলাকার কয়েকজন লোক বলছে যে, অন্ধ ব্যক্তির আযান শুদ্ধ না। তাদের কথা কি ঠিক আছে?
প্রশ্ন (১১৭৪৭) : আমি প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করি। তারপরেও বারবার আমার মনে সন্দেহ জাগে যে, মুত্রফোঁটা বের হয়েছে। নামাযের ভিতরে এমনটা বেশি মনে হয়। কিন্তু যাচাই করে কিছুই পাই না। এই বিষয়টা থেকে আমি কিভাবে বাঁচতে পারি? আর নামাযে থাকাবস্থায় প্রস্রাবের ফোঁটা বের হলে কি নামায ভেঙে যাবে?
প্রশ্ন (১১৭৪৪) : একবার আমি মসজিদে যাওয়ার পর দেখি ইমাম সাহেব রুকুতে চলে গেছেন। তখন আমি রুকু পাওয়ার জন্য সামনের কাতার ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও তাড়াতাড়ি পিছনের কাতারে গিয়ে একা দাঁড়াই। নামায শেষে পাশের মুসল্লি আমাকে বললেন, সামনের কাতার ফাঁকা রেখে পিছনের কাতারে দাঁড়ানো মাকরুহ। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, পিছনের কাতারে একা নামায পড়ার বিধান কী?
প্রশ্ন (১১৭৪১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি ৭ মাসের গর্ভবতী। আমি অনেক কষ্ট করে মাটিতে ভর করে উচু হয়ে নামায আদায় করি। আবার বৈঠকে বসতেও অনেক কষ্ট হয়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমি এভাবেই নামায আদায় করবো নাকি ইশারায় অথবা বসে নামায আদায় করবো?
প্রশ্ন (১১৭৩৯) : আমি এশার নামাযের তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করার পর ভুলে অন্য একটি সূরা পড়ে ফেলি। নামায শেষে আর সাহু সিজদা করি নি। আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে?
প্রশ্ন (১১৭৩৫) : আমার দাদী আমলদার মানুষ। তিনি প্রতিদিন ফজরের নামাযের পরে দীর্ঘ সময় যিকির ও তাসবীহ আদায় করার পর ইশরাকের নামায পড়েন। তো গত ঈদের দিন তিনি ইশরাক পড়ার জন্য দাঁড়ালে আব্বু বলেন, ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়া মাকরুহ। তখন দাদী বলেন, এই হুকুম শুধু পুরুষের জন্য। আমি জানতে চাচ্ছি, মহিলাদের জন্য ঈদের দিন ঈদের নামাযের আগে নফল নামায পড়ার বিধান কী?
প্রশ্ন (১১৭২৮) : একবার আমি একাকী যোহরের নামায আদায় করছিলাম। তখন চতুর্থ রাকাত শেষে বৈঠক না করে ভুলে দাঁড়িয়ে যাই। পরে পঞ্চম রাকাতে রুকুতে গিয়ে মনে পড়ে যে, আমি চতু্র্থ রাকাত শেষে বৈঠক করি নি। তখন মাসআলা না জানা থাকার কারণে আমি নামায ছেড়ে দিয়ে পুনরায় আবার নামায আদায় করি। হযরতের কাছে জানতে চাই, এ ক্ষেত্রে আমার করণীয় কী ছিল?
প্রশ্ন (১১৭১৭) : আমি একজনের কাছে শুনেছি যে, ইমাম বা মুসল্লি ঈদের নামাযের খুতবায় তাকবীরে তাশরীক বলতে পারবে না। আমি জানতে চাচ্ছি, এ ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?
প্রশ্ন (১১৭১৬) : মাসবুক ব্যক্তি যদি চার রাকাত নামাজের শেষ দুই রাকাত এবং শেষ বৈঠক সম্পুর্ন পায় তাহলে জামাতের শেষ বৈঠকে তার জন্য তাশাহুদ এর সাথে দরুদ শরিফ ও দুআ মাসূরা পড়া কি জরুরি?
প্রশ্ন (১১৭০৮) : মসজিদে জামাত শেষ হওয়ার পর যখন মুসল্লিরা সুন্নত নামায আদায় করে তখন সাধারণত তাদের সামনে সুতরা থাকে না। ফলে অনেকে না্মাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে চলে যায়। আমার জানার বিষয় হলো, নামাযরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে সুতরা ব্যতীত চলাফেরা করা যাবে?
প্রশ্ন (১১৭০৭) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বাড়ি খুলনা। কয়েকদিন আগে আমি দুই দিনের জন্য ঢাকায় মামার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার আসরের নামায কাযা হয়ে যায়। কিন্তু আমি তা আদায় করি নি। এখন আমি বাড়িতে চলে এসেছি। তো এখন সেই ছুটে যাওয়া নামায কি আমি দুই রাকাত আদায় করব নাকি চার রাকাত আদায় করব?
প্রশ্ন (১১৬৯৯) : আমার বাড়ি যশোর। মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কাজে আমার ঢাকা যেতে হয়। যাত্রাপথে ড্রাইভার নামাযের বিরতি দেয়। তখন মসজিদে জামাত হলেও আমি এই ভেবে জামাতে শরিক হই না যে, ইমাম সাহেব মুকিম, তাই তিনি চার রাকাত নামায পড়াবেন। আর আমি তো মুসাফির, আমার উপর দুই রাকাত ওয়াজিব। তো আমার এই ভাবনা কি ঠিক আছে?
প্রশ্ন (১১৬৯৪) : আমি একজন আলেম। আমি ঢাকা থাকি। একবার আমি সিলেট আমার এক বন্ধুর বাড়ি দুই দিনের জন্য বেড়াতে যাই। সেখানে জুমার দিনে বন্ধুর আবেদনে তাদের মসজিদে জুমার নামায পড়াই। নামাযের পর স্থানীয় একজন লোক বলল, হুজুর তো মুসাফির। আর মুসাফিরের উপর তো জুমার নামায ফরয না। তাহলে হুজুরের জুমার নামায পড়ানো কি সঠিক হয়েছে? হযরতের নিকট জানতে চাচ্ছি, মুসাফির ব্যক্তি জুমার নামায পড়ালে কি শুদ্ধ হবে?
প্রশ্ন (১১৬৮২) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি দাঁড়িয়েও নামায আদায় করতে পারি আবার বসেও নামায আদায় করতে পারি। কিন্তু রুকু-সিজদা করতে পারি না। এই অবস্থায় আমি কি দাঁড়িয়ে নামায আদায় করব নাকি বসে আদায় করব? আর রুকু-সিজদা কিভাবে আদায় করব?