হজ্জ ও উমরাহ

মুহরিম ব্যক্তি ঘুমের মধ্যে নিজের অজান্তে মাথা ঢেকে ফেললে কি তার উপর দম ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১২৯৪৯) : একদিন এহরাম অবস্থায় রাত্রে ঘুমানোর সময় ঠাণ্ডার কারণে কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। প্রথমদিকে মুখ খোলা রেখেই ঘুমিয়ে ছিলাম। কিন্তু ঘুমে আমার অজান্তেই মাথা ঢেকে ফেলি। দেশে আসার পর এ বিষয়ে এক হাজ্বী সাহেবের সাথে কথা বললে তিনি বললেন, আপনাকে দম দিতে হবে। অবশ্য আমি রাত ১১ টায় ঘুমিয়েছি তিনটায় উঠে পড়েছি। এখন আমি এ বিষয়ে সঠিক মাসআলা জানতে চাই।

ভুলে উমরার সায়ী না করে মাথা মুন্ডিয়ে হালাল হয়ে গেলে কি তার উমরাহ সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৯৪৫) : আমাদের কাফেলার এক ব্যক্তি ভুলে উমরার সায়ী না করে মাথা মুন্ডিয়ে হালাল হয়ে যায়। স্মরণ হওয়ামাত্রই হেরেমে গিয়ে সায়ী করে নেয়। জানতে চাই, তার এই উমরা কি সহিহ হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে করণীয় কী?

কিরান হজ্বের ইহরাম বাঁধার পর কোনো কারণে হজ্বে যেতে না পারলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৯০৮) : ইদানিং হজ্বের মওসুমে হজ্বযাত্রীদের অনেকে হজ্ব এজেন্সী কর্তৃক বিড়ম্বনার শিকার হন। তাদের মধ্যে কারো কারো বেলায় এমনও ঘটে যে, ইহরাম বেঁধে ফ্লাইটের দোরগোড়ায় যাওয়ার পর ফেরত আসতে হয়। এখন জানার বিষয় হল, কেউ কিরান হজ্বের ইহরাম বাঁধার পর হজ্বে যেতে না পারলে তার করণীয় কী? সে ইহরাম থেকে হালাল হবে কীভাবে? এবং পরবর্তীতে উক্ত হজ্ব কাযা করার নিয়ম কী? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইহরাম ছাড়া মক্কায় প্রবেশ করলে কি দম ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন (১২৮৯৪) : কিছুদিন আগে আমি শ্রমিক ভিসায় সৌদীআরব এসেছি। কাজ কোথায় হবে তা আগে থেকে আমার জানা ছিল না। জেদ্দায় পৌছার পর ভিসাদাতা কোম্পানি মক্কার একটি রডের দোকানে আমাকে নিয়োগ দেয়। মক্কায় পৌঁছার পর আমি জানতে পারি যে, ইহরাম ছাড়া মক্কায় প্রবেশ করা অন্যায়। ইহরাম ছাড়া মক্কায় প্রবেশ করলে নাকি জরিমানা স্বরূপ দম দিতে হয়। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, এ পরিস্থিতিতে আমার করণীয় কী?

বাইতুল্লাহ দেখলে কি হজ্ব ফরয হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২৮৮৭) : একবার আমি একটি মাহফিলে শুনেছিলাম, কোনো দরিদ্র ব্যক্তি যদি কারো পক্ষ থেকে বদলী হজ্বে যায় তাহলে বাইতুল্লাহ দেখামাত্র তার উপর হজ্ব ফরয হয়ে যায়। তদ্রুপ কেউ যদি ওমরায় যায় তাহলেও নাকি বাইতুল্লায় পৌঁছলেই তার উপর হজ্ব ফরয হয়ে যায়। আমি জানতে চাচ্ছি, এ কথা কতটুকু সঠিক? দয়া করে সঠিক মাসআলা জানাবেন।

নাবালেগ বাচ্চা কিভাবে হজ্ব আদায় করবে?

প্রশ্ন (১২৮৮৩) : আমি আমার পরিবারকে নিয়ে হজ্বে যেতে চাচ্ছি। এর মাঝে আমার ছোট একটি ছেলে আছে, যার বয়স সাত বছর। প্রশ্ন হল, নাবালেগ বাচ্চাদের হজ্ব আদায়ের পদ্ধতি কী? আর ইহরাম অবস্থায় তারা যদি ইহরাম পরিপন্থী কোনো কাজ করে তবে এর হুকুম কী?

মহিলাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় হাতমোজা পা-মোজা পরিধান করা জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৮৭৩) : আমি এক তালীমে শুনেছি যে, মহিলাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় হাতমোজা পরতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, ইহরাম অবস্থায় মহিলাদের জন্য হাতমোজা, পা-মোজা পরা জায়েয আছে কি? দলীল-প্রমাণসহ জানালে উপকৃত হব।

ফরয হজ্বের সাথে মান্নতের হজ্বের নিয়ত করা যাকে কি?

প্রশ্ন (১২৮৬৩) : আমি অনেক দিন যাবৎ মারাত্মক অসুস্থতায় ভুগছি। অসুস্থতার এক পর্যায়ে আমার মা একটি মান্নত করেছে যে, আল্লাহ যদি আমার ছেলেকে সুস্থ করে দেন তাহলে আমি একটি হজ্ব করব। আল্লাহ তাআলার মেহেরবানীতে এখন আমি সুস্থ। আবার আমার মায়ের উপরও হজ্ব ফরয। কিন্তু এখনো তা আদায় করার সুযোগ হয়নি। এখন তিনি জানতে চাচ্ছেন যে, তার কয়টি হজ্ব আদায় করতে হবে। একটি হজ্ব আদায় করলে উভয়টির ক্ষেত্রে (ফরয ও মান্নত) যথেষ্ট হবে কি না? জানালে খুব উপকৃত হব।

সৌদিতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশী নাগরিক হজ্বের অসিয়ত করলে তা কিভাবে আদায় করতে হবে?

প্রশ্ন (১২৮৪৭) : আমার বন্ধু শৈশব থেকেই পিতা-মাতার সাথে সৌদিআরব থাকে এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। চার-পাঁচ বছর পর পর বাংলাদেশে এসে দু’-এক মাস থেকে আবার চলে যায়। সে গত বছর সৌদিতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়। তখন সে মান্নত করেছিল, আমি পূর্ণ সুস্থ হলে আমার ফরয হজ্ব পালন করে নেব। আর না পারলে তোমরা আমার পক্ষ থেকে হজ্ব করে নিবে। কিন্তু কিছুদিন পর সে আবার আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকাল করে। পরে সৌদিআরব থেকে তাকে বাংলাদেশে এনে দাফন করা হয়। এখন হুজুরের নিকট জানার বিষয় হলো, তার ওসিয়তকৃত হজ্ব সৌদিআরবে অবস্থানরত তার বাবা/ভাই বা অন্য কারো মাধ্যমে করাতে হবে, নাকি বাংলাদেশ থেকে কাউকে পাঠিয়ে তার ওসিয়তকৃত হজ্ব করাতে হবে?

হজ্বে কি মহিলাদের মুখ ঢেকে রাখা আবশ্যক?

প্রশ্ন (১২৮২৮) : আমি হজ্বে যেতে চাচ্ছি। তাই এখন থেকে হজ্বের মাসআলা জানার চেষ্টা করছি। আমি একবার একটি কিতাবে পড়েছিলাম যে, ইহরামের সময় মহিলাদের চেহারায় কাপড় না লাগে এমন হ্যাট জাতীয় উঁচু কিছু ব্যবহার করে তার উপর নেকাব ঝুলিয়ে পর্দা করা ওয়াজিব। এখন আমাদের প্রশ্ন হল, কারো যদি এভাবে চেহারার পর্দা করা কষ্টকর হয় এবং এজন্য চেহারা খোলা রাখতে বাধ্য হন তবে কি তিনি গুনাহগার হবেন? ইহরাম ধারণকালীন সময়ের জন্য কি তিনি শরীয়তের দৃষ্টিতে এতটুকু ছাড় পাবেন?

ইহরাম পরিহিত ব্যক্তি নিজে হালাল হওয়ার আগে কি অন্য কারো চুল কাটতে পারবে?

প্রশ্ন (১২৭৯৫) : আল্লাহর রহমতে আমি এ বছর আমার স্ত্রীসহ হজ্ব করেছি। হজ্বে যাওয়ার কিছুদিন আগে হজ্ব প্রশিক্ষণে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে, উমরার সমস্ত কাজ শেষ করার পর এবং ১০ যিলহজ্ব কুরবানী করার পর হালাল হওয়ার জন্য প্রথমে কাফেলার একজন কোনো নাপিত বা হালাল ব্যক্তির কাছে মাথা মুণ্ডিয়ে হালাল হবেন। তারপর সেই ব্যক্তি অন্যদের মাথা মুণ্ডন করতে পারবেন। এভাবে যারা হালাল হয়ে গেছেন শুধু তারাই অন্যদের মাথা মুণ্ডন করবেন। আর হালাল হয়েছেন এমন কোনো পুরুষ তার স্ত্রী বা মাহরামের চুল কেটে দেবেন। তারপর সেই মহিলা অন্য মহিলাদের চুল কেটে দিতে পারবেন। মোটকথা প্রশিক্ষণে বলা হয়েছে, কেউ নিজে হালাল না হয়ে নিজের বা অন্য কারো চুল কাটতে পারবে না। এ কথা কি ঠিক? কেউ যদি হালাল না হয়ে নিজের বা অন্য কারো চুল কেটে দেয় তাহলে এর ফলে কি দম বা সদকা ওয়াজিব হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

অসুস্থতার কারণে মাথায় ক্ষুর ব্যবহার করতে না পারলে ইহরাম থেকে হালাল হবে কিভাবে?

প্রশ্ন (১২৭৫৮) : আমি হজ্বের বিভিন্ন বইয়ে পড়েছি যে, হলকের দিন কারো মাথায় চুল না থাকলেও মাথায় ক্ষুর ঘুরাতে হয়। আমার মাথায় বিভিন্ন ধরনের গুটি থাকায় অনেক দিন যাবৎ আমি ডাক্তারের পরামর্শে ক্ষুর-কাঁচি কিছুই ব্যবহার করি না; বরং প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর ঔষধ ব্যবহার করে চুল উঠিয়ে ফেলি। এখন হুযূরের কাছে জানতে চাই, আমার উক্ত রোগের কারণে কি মাথায় ক্ষুর না লাগানোর সুযোগ আছে?

কী পরিমাণ অর্থ থাকলে হজ্ব ফরয হয়?

প্রশ্ন (১২৭০৫) : জনৈক ব্যবসায়ী এই পরিমাণ সম্পদের মালিক যে, তা দ্বারা হজ্বের যাবতীয় খরচ ও হজ্ব থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত পরিবারের খরচাদি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু হজ্ব করলে তার ব্যবসার মূলধন থাকবে না। তার পরিবারের জীবিকা নির্বাহ এই ব্যবসা দ্বারাই হয়ে থাকে। এখন সে জানতে চাচ্ছে যে, এমতাবস্থায় তার উপর হজ্ব ফরয হবে কি?

ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার জন্য কতটুকু পরিমাণ চুল কাটতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৬১) : হজ্ব বা উমরাহ করার পর হালাল হওয়ার জন্য কতটুকু পরিমাণ চুল কাটা আবশ্যক? মাথার চারপাশের কয়েক জায়গা থেকে অল্প অল্প করে চুল কেটে নিলে তার দ্বারা কি হালাল হওয়া যাবে?

হজ্বের কয়েকটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৭৬) : আমি এবং আমার স্বামী ২০২৫ সালে হজ্বে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছি। এখন থেকেই আমি প্রয়োজনীয় মাসআলা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আপনাদের কাছে আমি কয়েকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি। ১ . আমি সাধারণত হাতে-গলায় মিলিয়ে ২/৩ ভরি স্বর্ণ ব্যবহার করে থাকি। ইহরাম অবস্থায় কি এগুলো ব্যবহার করতে পারব? ২. ইহরাম অবস্থায় হাতমোজা-পামোজা পরলে কোনো সমস্যা হবে কি না? ৩. সাধারণত সবাই ইহরামের জন্য সাদা কাপড় ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে মহিলাদের জন্যও কি সাদা বোরকা পরতে হবে?

বদলী হজ্ব সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৭১) : আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনীই প্রায় অচল। তাকে ১ দিন পর পর ডায়ালাইসিস করতে হয়। কিছুদিন পূর্বে তিনি ওয়ারিসসূত্রে ঢাকায় একটি বাড়ি এবং ২৬ লাখ টাকার মালিক হন। তিনি মোটামুটি সচ্ছল। তবে আগে তার অর্থনৈতিক অবস্থা এমন ছিল না, যার মাধ্যমে হজ্ব আদায় করা যায়। তিনি জানতে চাচ্ছেন, অসুস্থ হবার পর মিরাসসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের কারণে তার উপর কি হজ্ব ফরয হয়ে গিয়েছে? যদি ফরয হয় তাহলে তার করণীয় কী? কারণ তার বর্তমান অবস্থায় সফর করা সম্ভব নয়। জানিয়ে বাধিত করবেন।

পুরস্কার স্বরূপ হজ্ব করলে কি ফরয হজ্ব আদায় হয়ে যাবে?

প্রশ্ন (১২৫৫২) : দুই বছর আগে রমযানে ‘ইসলামিক নলেজ’ নামের একটি কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে আমি ১ম স্থান অধিকার করি। পুরস্কার স্বরূপ সে বছর আমাকে হজ্বে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে আমি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। এখন আমার হজ্ব করার সামর্থ্য আছে। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, এই অবস্থায় কি আমার জন্য পুনরায় হজ্ব করা আবশ্যক?

একসাথে দুইটি কংকর নিক্ষেপ করলে কি সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৫৫০) : গত বছর আব্বা ও আম্মাকে নিয়ে হজ্বে গিয়েছিলাম। আব্বা অনেক বৃদ্ধ হয়ে গেছেন। মুআল্লিম সাহেব হজ্বের নিয়মাবলী বলে দেওয়ার পরও আব্বা অনেক কিছু ভুলে গিয়েছিলেন। ১০ তারিখ কংকর মারার সময় আব্বা দুটি কংকর একসাথে মেরেছিলেন। হযরতের কাছে জানার বিষয় হল, কংকর মারার সময় যদি দুইটি বা তিনটি কংকর একসাথে নিক্ষেপ করে ফেলে তাহলে করণীয় কী? এটার কারণে কোনো জরিমানা আসবে কি না? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

তাওয়াফ ও সাঈর চক্কর নিয়ে সন্দেহ হলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৫৪৬) : অনেক সময় তাওয়াফ ও সাঈর চক্কর নিয়ে সন্দেহ হয় যে, কয়টি চক্কর হল। তো তাওয়াফ ও সাঈর চক্করের ব্যাপারে সন্দেহ হলে কী করণীয়? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

পথ হারিয়ে ফেলার কারণে তাওয়াফে যিয়ারত যথাসময়ে করতে না পারলে কি দম ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১২৫৩১) : আল্লাহর রহমতে আমার গত বছর হজ্বে যাওয়ার সুযোগ হয়। ১২ই যিলহজ্ব মাগরীবের পর রাস্তায় এক বৃদ্ধের সাথে দেখা হয়। তিনি বললেন, বাবা, আমি রাস্তা হারিয়ে ফেলেছি। আমার বাসাটা একটু খুঁজে দেবে? তার বাসা খুঁজতে খুঁজতে আলাপচারিতায় জানতে পারলাম তিনি তখনও তাওয়াফে যিয়ারত করেননি। মিনা থেকে ১২ই যিলহজ্বের কংকর মারার পর কাফেলার সাথে মক্কার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। কিন্তু ভিড়ে কাফেলা থেকে বিছিন্ন হয়ে যান। কাফেলাকে খুঁজে না পেয়ে শেষে একাই মাগরীবের সময় মক্কায় এসে পৌঁছান। আমি বললাম, ১২ই যিলহজ্ব সূর্যাস্তের আগে তাওয়াফ না করার কারণে আপনার উপর তো দম ওয়াজিব হয়ে গেছে। তিনি বললেন, আমি তো বিকালের আগেই তাওয়াফ করার জন্য বের হয়েছিলাম। কিন্তু পথ ও কাফেলা হারিয়ে ফেলায় দেরি হয়ে গেছে। এখন এশার সময়ই তাওয়াফ করে নিচ্ছি। তাহলেও কি আমার দম দিতে হবে? আমি জানতে চাচ্ছি, এধরনের ক্ষেত্রেও কি দম ওয়াজিব হবে? কাফেলা খুঁজতে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে তাওয়াফে যিয়ারত না করতে পারলে যদি পরে করে নেওয়া হয় তাহলেও কি দম দিতে হবে?