কোনো মহিলা হজ্ব না করে মারা গেলে করণীয় কী
প্রশ্ন (৩৪৫) : কোনো মহিলার উপর হজ্ব ফরজ হওয়ার পরও যদি হজ্বে না যেতে পারেন এবং হজ্ব না করেই মৃত্যুবরণ করেন তাহলে এক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান কী
প্রশ্ন (৩৪৫) : কোনো মহিলার উপর হজ্ব ফরজ হওয়ার পরও যদি হজ্বে না যেতে পারেন এবং হজ্ব না করেই মৃত্যুবরণ করেন তাহলে এক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান কী
প্রশ্ন (৩৪৪) : এক ব্যক্তি ইনকাম টেক্স কম দেওয়ার জন্য বা ইনকাম টেক্স থেকে বাঁচার জন্য স্ত্রী-পুত্রদ্বয়ের নামে সম্পত্তি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান করল। ইসলামী আইন অনুসারে তারা মালিক হবে কি না এবং তাদের উপর হজ্ব ফরজ হবে কি না
প্রশ্ন (৩৪৩) : হজ্বের মাসগুলো কী কী? কোন কোন মাসে কাবা শরিফ যেতে পারলে হজ্ব ফরজ হয়?
প্রশ্ন (৩৪২) : আমি একজন দরিদ্র রিকশাচালক। আমি কিছু গাছ লাগিয়েছিলাম। নিয়ত করেছিলাম, গাছগুলো বড় হলে বিক্রি করে যা পাই তা দিয়ে হজ্বে যাওয়ার চেষ্টা করব। এখন পারিবারিক প্রয়োজনে গাছগুলো কেটে ফেলতে হচ্ছে। জানতে চাই, আমার জন্য কি হজ্ব করা জরুরি?
প্রশ্ন (৩৪১) : ঢাকায় আমাদের একটি জমি আছে। যারা পরিমাণ আট কাঠা। চারা কাঠা আমার আব্বার নামে। আর চার কাঠা আমার আম্মার নামে। উক্ত জমি ক্রয় করার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার হচ্ছে না। এখন আমার প্রশ্ন হলো, উক্ত জমিটির কারণে আমার আব্বা-আম্মার উপর হজ্ব ফরজ কি হবে? যদি ফরজ হয় তাহলে বর্তমানে আমার আম্মা স্বয়ং হজ্ব করতে পারবে কি? না বদলি হজ্ব করাতে হবে?
প্রশ্ন (৩৪০) : এক ব্যক্তির উপর হজ্ব ফরজ হওয়ার পরও তিনি হজ্ব করেননি। এখন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এখনো কি তার উপর হজ্ব ফরজ রয়েছে?
প্রশ্ন (৩৩৯) : এক ব্যক্তি তার সমস্ত সম্পত্তি তার ছেলেদের নামে লিখে দেয়। যখন সম্পত্তি লিখে দেয় তখন তার উপর হজ ফরজ হয়নি। পরবর্তীতে ছেলেরা ব্যবসা বাণিজ্য করে অবস্থা ভালো করে এবং হজ্ব ফরজ হওয়ার মতো টাকা পয়সা জমে। পিতা এবং ছেলেরা একই পরিবারে বসবাস করছে। যেহেতু পিতা সমস্ত সম্পত্তি ছেলেদের নামে লিখে দিয়েছে, এমতাবস্থায় কার উপর হজ্ব ফরজ হবে? ছেলের উপর না পিতার উপর?
প্রশ্ন (৩৩৮) : এক ব্যক্তি ঢকায় চাকরি করে এবং ভাড়া থাকে। তার বাড়িতে মীরাস সূত্রে পাওয়া তিন লক্ষ টাকার সম্পত্তি আছে। বাড়ির উক্ত সম্পত্তি ছাড়া ঢাকায় সাড়ে তিন কাঠা জায়গা আছে। কিন্তু ঐ জায়গা সম্পূর্ণটা ঋণের উপর আছে। এখন বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে তার উপর হজ্ব করা কি ফরজ?
প্রশ্ন (৩৩৭) : আমার এক আত্মীয়ের এ পরিমাণ জমি আছে যা থেকে এক-দুই বিঘা বিক্রি করলে তিনি হজ্বে যেতে পারবেন। কিন্তু তার ওয়ারিশরা তাকে তা বিক্রি করতে দিচ্ছে না। এখন তিনি কী করবেনয়
প্রশ্ন (৩৩৬) : আমি বাড়ি নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে টাকা জমিয়ে আসছি। প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মতো জমা হয়েছে। আমি জানি, এ পরিমাণ টাকা কারও কাছে থাকলে তার উপর হজ্ব ফরজ হয়। এখন আমি কী করতে পারি? আমি হজ্ব করব না বাড়ি নির্মাণ করব?
প্রশ্ন (৩৩৫) : এক লোকের কাছে কিছু টাকা আছে। ইচ্ছা করলে সে টাকা দিয়ে হজ্বে যাওয়া যাবে। তবে তার মেয়েও বিবাহের উপযুক্ত। তাকে বিবাহ দেওয়ার ইচ্ছা করেছে। যদি তাকে বিবাহ দেয় তাহলে আর হজ্ব করতে পারবে না। এখন কি তার হজ্ব করা জরুরি? না আগে মেয়েকে বিবাহ দিবে?
প্রশ্ন (২৬৪) : মাহরাম ছাড়া মহিলারা হজ্বে যেতে পারবে কি না?
প্রশ্ন (২৫৬) : এক ব্যক্তি মক্কায় অবস্থান করে। তিনি রমযানের আগেই মক্কা থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মদীনায় চলে যান। যিলকদ মাসের শুরুতে তিনি তামাত্তু হজ্বের নিয়তে ওমরার ইহরাম করতে চাচ্ছেন। তার জন্য কি তা জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১৯২) : শুনেছি তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামাজ পড়তে হয়। জানতে চাই, এ নামাজ কি নফল না ওয়াজিব?
প্রশ্ন (১৯১) : গত বছর হজ্বের সময আমি তাওয়াফের পরের দুই রাকাত নামাজ বাসায় গিয়ে আদায় করি। জানতে চাই এর জন্য কোনে দম ওয়াজিব হবে কি?
প্রশ্ন (১৯০) : তাওয়াফের পর যে দুই রাকাত নামাজ পড়া জরুরি তা কোন স্থানে পড়তে হয়?
প্রশ্ন (১৮৯) : উমরার ফরজ ও ওয়াজিব কয়টি ও কী কী
প্রশ্ন (১৬৯) : আমার উপর হজ্ব ফরজ ছিলো। এমতাবস্থায় আমি অসুস্থ হয়ে যাই। তখন আমি মান্নত করি,আল্লাহ তা’আলা যদি আমাকে সুস্থতা দান করেন তাহলে আমি হজ্ব করব। প্রশ্ন হল,আমার উপর তো আগে থেকেই হজ্ব ফরয হয়ে আছে। এখন যদি আমি হজ্ব করি তাহলে কোনটি হবে? আমার ফরয হজ্ব এবং মান্নতের হজ্ব উভয়টিই কি আদায় হবে?
প্রশ্ন (১৬৮) : আমার বাবা হজ্বের এহরাম অবস্থায় শরীর চুলকানোর কারণে ৬/৭টি পশম পড়ে যায়। জানতে চাই যে, এতে কি তার উপর কোনো কাফফারা দিতে হবে? দিতে হলে তা কি দেশে দেওয়া যাবে?
প্রশ্ন (১৬৬) : আমি আট বছর বয়সে আমার বাবা-মায়ের সাথে হজ্ব করেছি। বর্তমানে বড় হয়েছি এবং হজ্ব করার মতো আর্থিক সঙ্গতিও আছে। জানিয়ে বাধিত করবেন যে, নাবালেগ অবস্থায় আদায়কৃত হজ্বটি ফরয হিসাবে গণ্য হয়েছে কি?