দোয়ায়ে কুনুত দেখে দেখে পাঠ করা যাবে কি
প্রশ্ন (৪৮১৫) : আমি একজন নও মুসলিম। এখনো দোয়ায়ে কুনুত মুখস্ত করতে পারিনি। জানতে চাচ্ছি, বিতরের নামাজে দোয়ায়ে কুনুত দেখে দেখে পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৮১৫) : আমি একজন নও মুসলিম। এখনো দোয়ায়ে কুনুত মুখস্ত করতে পারিনি। জানতে চাচ্ছি, বিতরের নামাজে দোয়ায়ে কুনুত দেখে দেখে পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৮১৪) : আমি একদিন নামাজে ভুল করি। শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর সেজদার কথা ভুলে যাই। যথারীতি দোয়ায়ে মাছুরা শেষ করার পর সাহু সেজদার কথা মনে পরে। তাই তখন সাথে সাথে সেজদা করে পুনরায় তাশাহুদ, দরূদ ও দোয়ায়ে মাছুরা পড়ি। প্রশ্ন হল, আমার সেদিনের নামাজ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৪৮০৩) : তেলাওয়াতে সেজদা আদায় করার জন্য কি অজু করা জরুরি?
প্রশ্ন (৪৭৭০) : আমি একদিন মসজিদে গিয়ে দেখি এশা শেষ করে ইমাম সাহেব তারাবী শুরু করে দিয়েছেন। আমি তারাবীতে কুরআনের খতম ধরার জন্য এশা না পড়েই ইমামের সাথে তারাবীতে যুক্ত হই। তারাবী শেষ করে এশা পড়ে নেই। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৭৬৭) : কেউ যদি ভুলে একই রাকাতে সূরা ফাতিহা দুইবার পাঠ করে তাহলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৭৬৬) : ইমামের পিছনে ইকতিদার নিয়ত না করলে কি নামাজ হবে না?
প্রশ্ন (৪৭৫৫) : তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামাজের বিধান কী?
প্রশ্ন (৪৭৪৫) : বর্তমানে অনেকেই ক্বাবলাল জুমআ চার রাকাত নামাজ পড়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এই নামাজের কোনো ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৪৭৪৩) : আমি শুনেছি, কয়েকটি সময় এমন রয়েছে যখন কোনো নামাজই পড়া যায় না। জানতে চাচ্ছি, সেই সময়গুলো কখন কখন?
প্রশ্ন (৪৭৩৮) : এ বছর ঈদের নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে ইমাম সাহেব অতিরিক্ত তাকবীর দিতে ভুলে যান এবং রুকুতে চলে যান। যথারীতি সাহ সেজদার মাধ্যমে নামাজ শেষ করেন। কিন্তু মসজিদের বাহিরে যে সকল মুসল্লী ছিলেন, তারা মনে করেছেন ইমাম সাহেব তাকবীর দিয়েছেন। পরবর্তীতে যখন বুঝতে পারেন তখন ইমামের সাথে সেজদায় চলে যান রুকু না করেই। জানতে চাচ্ছি, তাদের নামাজ কি হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৭৩৭) : আমরা যে দোয়ায়ে মাছুরাটি নামাজে পড়ি তা কি কোনো হাদিসে আছে?
প্রশ্ন (৪৭১৬) : হাদিস শরিফে নামাজকে বেহেশতের চাবি বলা হয়েছে। এর কারণ কী?
প্রশ্ন (৪৭১২) : একটি বইয়ে পেলাম, নামাজ বেহেশতের চাবি। এ সম্পর্কে কোনো রেফারেন্স আছে কি?
প্রশ্ন (৪৭০১) : সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে কি? কেউ কেউ বলে থাকেন গুনাহ হবে না। সঠিক বিষয়টি জানতে চাচ্ছি।
প্রশ্ন (৪৬৯৬) : বিভিন্ন বইয়ে শবে বরাতের নামাজ নামে এক বিশেষ ধরনের নামাজের বিবরণ পাওয়া যায়। জানতে চাচ্ছি, শবে বরাতের নামাজ নামে কোনো নামাজ আছে কি?
প্রশ্ন (৪৬৯২) : আমি শুনেছি, সর্বোচ্চ ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত কিবলার দিক থেকে বাঁকা হয়ে নামাজ পড়লে নামাজ হয়ে যায়। আমাদের এলাকায় একটি মসজিদ নির্মিত হচ্ছে। মসজিদের ডিজাইনের সৌন্দর্যের জন্য মসজিদটি কিবলার দিক থেকে ২০ ডিগ্রি বাঁকা করে নির্মাণ করতে হবে। প্রশ্ন হল, এতটুকু বাঁকা করে নির্মাণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৯১) : একটি বইয়ে শবে ক্বদরের নামাজ নামে এক বিশেষ ধরনে নামাজের সন্ধান পেলাম। জানতে চাচ্ছি, শবে ক্বদরের নামাজ কয় রাকাত? কিভাবে পড়তে হয়?
প্রশ্ন (৪৬৮৭) : ইমাম সাহেব নামাজে কোনো ভুল করলে সতর্ক করার জন্য মুসল্লী যদি আল্লাহু আকবার বলে তাহলে মুসল্লীর নামাজ ভেঙ্গে যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৮০) : কাযা নামাজ পড়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় আছে কি? নাকি যেকোনো সময় পড়া যাবে?
প্রশ্ন (৪৬৭৫) : আমাদের একটি মাটির ঘর রয়েছে। অনেক সময় ছোট বাচ্চারা ফ্লোরে পেশাব করে দেয়। জানতে চাচ্ছি, পেশাব শুকিয়ে গেলে সেখানে নামাজ পড়া যাবে কি?