সময়ের আগে কুরবানি করে ফেললে করণীয় কী
প্রশ্ন (৭৯৪০) : কুরবানির সময় হওয়ার আগে তথা ঈদের নামাজের পূর্বেই কেউ যদি কুরবানি করে ফেলে তাহলে সে কী করবে? তাকে আবার কুরবানি করতে হবে? না আগের কুরবানিই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৭৯৪০) : কুরবানির সময় হওয়ার আগে তথা ঈদের নামাজের পূর্বেই কেউ যদি কুরবানি করে ফেলে তাহলে সে কী করবে? তাকে আবার কুরবানি করতে হবে? না আগের কুরবানিই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (৭৯৩২) : কখনো এমন হয় যে ফজরের নামাজে মসজিদে যেতে দেরি হয়ে যায়। ইমাম সাহেবেরও এক রাকাত শেষ হয়ে যায়। এমতাবস্থায় সুন্নত না পড়েই জামাতে শরিক হই। তো এই যে সুন্নত বাকি রয়ে গেল এটা কখন পড়ব? সূর্যোদয়ের আগে তা পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৯২৫) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, রাসূল (সা.) নামাজে বেশ কিছু দোয়া পড়তেন। কিন্তু আমরা সেগুলো পড়ি না কেন?
প্রশ্ন (৭৯১৩) : কেউ যদি এত পাতলা ওড়না পরে যে, মাথার চুল দেখা যায় তাহলে কি তার নামাজ হবে?
প্রশ্ন (৭৯০৯) : নামাজের সময় বাকি থাকতে যদি স্রাব শুরু হয় তাহলে কি ঐ নামাজ পড়া লাগবে?
প্রশ্ন (৭৯০৮) : জনৈক ব্যক্তি বললেন, নামাজের পর পৃথকভাবে হাত তুলে দোয়া করার বিষয়টি হাদিসে নেই। কিন্তু আমরা তো করি। তাহলে কি আমরা বিদআত করছি?
প্রশ্ন (৭৯০০) : জনৈক বৃদ্ধ নামাজ পড়ার সময় দুই সেজদার মাঝে আধা হাত পরিমাণ মাথা উঠিয়েই দ্বিতীয় সেজদায় চলে যায়। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, তিনি সারা জীবন এভাবেই করেছেন। এখন তার পিছনের নামাজগুলোর কী হবে?
প্রশ্ন (৭৮৯৭) : রমজানে কখনো যদি এমন হয় যে, আট রাকাত পড়া হয়ে যাওয়ার পর আমি মসজিদে পৌঁছতে পারি তাহলে কীভাবে ইশাসহ অন্যান্য নামাজ পড়ব?
প্রশ্ন (৭৮৯৬) : কুরবানি ঈদের সময় যে তাকবীরে তাশরীক পড়তে হয় আমি অনেক সময় তা ভুলে যাই। এ ক্ষেত্রে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৭৮৯২) : আমার ভাতিজার জানাজায় আমি উপস্থিত হতে পারিনি। এখন আমি কী করতে পারি? দ্বিতীয়বার কি জানাজা পড়তে পারব?
প্রশ্ন (৭৮৯১) : জানাজা পড়ার সময় কি এটা জানা থাকতে হবে যে, মাইয়েত নারী না পুরুষ?
প্রশ্ন (৭৮৮৭) : গ্রামে নাকি জুমার নামাজ পড়া জায়েয নেই। তাহলে যে আমরা গ্রামে জুমার নামাজ পড়ি?
প্রশ্ন (৭৮৭১) : আমি জানি, তাওয়াফের পর দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। কিন্তু ভিড়ের কারণে সবসময় তো নামাজ পড়া সম্ভব হয় না। এখন যদি একসাথে কয়েকবার তাওয়াফ করে পরে একসাথে ওয়াজিব নামাজগুলো পড়ে নিই তাহলে কি কোন সমস্যা হবে?
প্রশ্ন (৭৮৭০) : কারও জানাজা একাধিকবার পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৭৮৬৭) : ঈদের নামাজে এক রাকাত ছুটে গেলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৭৮৬৬) : মনে করুন, আমি ঈদের নামাজ পড়তে গেলাম। ওদিকে ইমাম সাহেবের নামাজ প্রায় শেষ। তিনি তাশাহহুদ পড়ছেন। তাহলে এমতাবস্থায় আমি কী করব?
প্রশ্ন (৭৮৬৪) : কাউকে কাউকে দেখা যায় যে, ইমামের আগেই রুকু থেকে দাঁড়িয়ে যায়। তাদের কি নামাজ হয়?
প্রশ্ন (৭৮৫৬) : আমাদের এলাকায় দেখা যায় নামাজের সময প্রথমে কাতার সোজা করা হয় তারপর ইকামত শুরু হয় আর তখন ইমাম সাহেবসহ সবাই বসে পড়ে। অতঃপর কদ ক্বমাতিস সলাহ বলার সময় আবার সবাই দাঁড়ায়। এটা কি সঠিক পদ্ধতি?
প্রশ্ন (৭৮৩৪) : ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় কেউ যদি ঘুমিয়ে যায় এবং ইমাম সাহেব দ্বিতীয় সেজদা করে দাঁড়িয়ে যান। তাহলে উক্ত ব্যক্তির করণীয় কী? সে কি সরাসরি দাঁড়িয়ে যাবে? নাকি দ্বিতীয় সেজদা করে তারপর দাঁড়াবে?
প্রশ্ন (৭৮৩৩) : একদিন ইমামের সাথে নামাজরত অবস্থায় প্রথম সেজদায় তন্দ্রা চলে আসে। দ্বিতীয় সেজদা ইমামের সাথে করেছি কিনা, তা মনে করতে পারিনি। একবার মনে হচ্ছে করেছি। আবার মনে হচ্ছে, তন্দ্রার কারণে ছুটে গিয়েছে। এভাবেই নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার নামাজ কি হয়েছিল?