সালাত বা নামাজ

নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৫৪২) : কিছুদিন আগে আমার মেয়ের একটি ছেলেসন্তান জন্ম হয়। নার্সরা নাতিকে আমাদের কোলে দেওয়ার পর তার কানে আযান দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেই। ঠিক তখনই যোহর নামাযের আযান হয়। আমরা মসজিদের আযানই যথেষ্ট মনে করে পুনরায় তার কানে আর আযান দেইনি। জানার বিষয় হল, মসজিদের আযানের দ্বারা কি নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার সুন্নাত আদায় হয়ে যায়? আর নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার ক্ষেত্রেও কি حي على الصلاة ও حي على الفلاح বলার সময় ডানে-বামে চেহারা ঘোরানোর নিয়ম আছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

সফর সংক্রান্ত একটি মাসআলা।

প্রশ্ন (১২৫৪১) : তাবলীগ জামাতের মারকায ঢাকা কাকরাইল মসজিদ থেকে ৪০, ২০, ৭, ৩ দিনের জন্য বিভিন্ন মহল্লা, গ্রাম, শহর, পৌরসভা, থানা বা জেলাভিত্তিক জামাত পাঠানো হয়ে থাকে। এ অবস্থায় তাবলীগ জামাতের ভাইদের নামাযের হুকুম কী হবে? কিছু ভাই বলে থাকেন, তাবলীগ জামাতে বের হয়ে যেহেতু একই মসজিদে ১৫ দিনের বেশি অবস্থান করা হয় না তাই সদা-সর্বদা মুসাফির থাকবে। তাদের এ কথা কতটুকু ঠিক? এখানে আরো উল্লেখ্য যে, একই মসজিদ বা একই মহল্লা, গ্রাম, ইউনিয়ন, থানা বা জেলার ভিতর ১৫ দিনের বেশি থাকলে নামাযের হুকুম কী হবে?

মসজিদের জায়গা বেদখল হয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৫২১) : দুই শতাংশ জায়গার উপর একশ বছরের পুরনো একটি মসজিদ রয়েছে। সঙ্গে মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত আরো পাঁচ শতাংশ জমি ছিল। কালক্রমে যা বেদখল হয়ে গিয়েছে। তা আর উদ্ধার করা সম্ভব নয়। এখন মসজিদটি সম্প্রসারিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। যা এখানে সম্ভব নয়। তাই মুতাওয়াল্লী চাচ্ছেন, অদূরে চার শতাংশের উপর বড় আকারে মসজিদ করতে। এখন আমার জানার বিষয় হল, আগের মসজিদ ও তার জায়গাটা কোন কাজে ব্যবহার করা হবে? উল্লেখ্য, অতি নিকটে হওয়ার কারণে উভয়টাকে মসজিদ হিসাবে ব্যবহার করা সমীচীন মনে হচ্ছে না। দয়া করে মাসআলাটির সমাধান প্রদান করে বাধিত করবেন।

অস্থায়ী নামায ঘর গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৫১৫) : আমাদের বাজারের মসজিদের সাথে লাগানো একটি পাটের গুদাম ছিল। গুদামের মালিক এই এলাকা থেকে তার ব্যবসা সরিয়ে নেয়ার সময় গুদামটি মসজিদের কল্যাণে ওয়াকফ করে যায়। এরপর মসজিদ কমিটি সেটিকে এক গম ব্যবসায়ীর নিকট গোডাউন হিসেবে ভাড়া দেয়। জুমার দিন মুসল্লি বেশি হওয়া শুরু হলে মসজিদ কমিটি ভাড়াটিয়াকে সরিয়ে গুদামটির দেয়াল ভেঙ্গে মসজিদের সাথে মিলিয়ে দেয়। এক থেকে দেড় বছর সেখানেও নামায হয়। এখন মসজিদের মূল জায়গাতেই তিন তলা ভবন করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় মুহতারামের নিকট জানার বিষয় হচ্ছে, এতদিন নামায পড়ার পর এখন ঐ জায়গাটি গুদাম বা দোকান হিসাবে ভাড়া দেওয়া যাবে কি না?

নামায শেষে সালাম ফিরানোর সুন্নতসম্মত পদ্ধতি কী?

প্রশ্ন (১২৫১০) : আমি একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে নামাযের ইমামতি করি। কিছুদিন আগে একটি ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত সাময়িকীতে দেখলাম ‘সুন্নাহসম্মত নামায’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন এক নিবন্ধকার। সেখানে বলা হয়েছে, নামাযের শেষে যে সালাম ফেরানো হয় তার একটি সুন্নত হল, সালামের শব্দগুলো ‘মদ’ না করে (দীর্ঘক্ষণ না টেনে) সংক্ষেপে স্বাভাবিকভাবে উচ্চারণ করা। সালাম বিষয়ে এ কথাটি এর আগে কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। তাই আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি, এ নিবন্ধে যা লেখা হয়েছে তা কি ঠিক? নামাযের শেষে সালামের শব্দ উচ্চারণের সুন্নাহসম্মত তরীকা কি এটাই? জানালে অনেক উপকৃত হব।

হিজড়াদের কাফন-দাফনের বিধান।

প্রশ্ন (১২৫০৭) : মুসলিম হিজড়া মারা গেলে তাদের গোসল দেয়া, কাফন পরানো, দাফন করা ও জানাযার নামায পড়া বিষয়ে শরীয়তের বিধান কী?

জোঁক শরীর থেকে রক্ত খেলে কি অযু ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১২৪৯৬) : আমাদের বাসা থেকে মসজিদে যেতে একটা ঝোপঝাড়ের পথ পাড়ি দিতে হয়। কিছুদিন আগে সেই পথ ধরে মসজিদে যাই। মসজিদের কাছাকাছি গিয়ে হঠাৎ পায়ে একটি জোঁক দেখতে পাই, যা রক্তে পূর্ণ ছিল। জামাত দাঁড়িয়ে যাওয়ায় জোঁকটি ফেলে জামাতে শরীক হই। যেহেতু অযু অবস্থায় ছিলাম, তাই নতুন করে অযু করিনি। এখন হুজুরের কাছে জানার বিষয় হল, আমার উক্ত নামাযটি কি শুদ্ধ হয়েছে? জানিয়ে উপকৃত করবেন।

শেষ রাতে নফল নামাযে দাঁড়ানোর পর ফজরের আযান হয়ে গেলে উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১২৪৯৫) : শেষ রাতে উঠে কয়েক রাকাত নফল আদায় করছিলাম। আমার ধারণা, তখনো ভোর হবার কিছু সময় বাকি। কিন্তু নামাযে দাঁড়ানোর পরপরই ফজরের আযান শুনতে পেলাম। এখন কি আমার এ দুই রাকাত নামায ফজরের দুই রাকাত সুন্নত হিসেবে আদায় হয়েছে বলা যাবে?

বার্ধক্যের কারণে নফল নামায বসে আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৪৯৪) : আমার বড় চাচা বার্ধক্যে কাবু হওয়ার পর থেকে নফল নামাযের বেলায় প্রায়ই এমন করেন যে, কখনো দাঁড়িয়ে নামায শুরু করার পর বাকিটা বসে আদায় করেন। আবার কখনো এর উল্টো। অর্থাৎ প্রথমে বসে আরম্ভ করার পর বাকিটা দাঁড়িয়ে। তাঁর এভাবে নফল পড়া কি ঠিক আছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

ফজর ও আসর নামাযে ইমাম সাহেব সালাম ফিরানোর পর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৪৯৩) : মসজিদে আমরা সাধারণত দেখি, আসর ও ফজরের নামাযে সালাম ফেরানোর পর ইমাম সাহেব মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসেন। আমার এক সহপাঠী, ধর্মীয় বিষয়ে বেশ পড়াশোনা আছে তার। সে আমাকে একদিন বলল, এই যে মসজিদগুলোতে ইমাম সাহেবরা ফজর ও আসরের পর মুসল্লীদের দিকে মুখ করে বসেন এটা সুন্নতের খেলাফ। মুসল্লিদের বরাবর না বসে মেহরাবের ডান দিকে বা বাম দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে বসা উচিত ইমামের। সহপাঠীর কথায় আমি একটু অবাকই হলাম। ব্যাপকভাবে মসজিদগুলোতে ইমাম সাহেবরা কি তাহলে সুন্নতের খেলাফ আমল করে আসছেন? আপনার কাছে তাই জিজ্ঞাসা, এক্ষেত্রে শরীয়তস্বীকৃত পদ্ধতি কী?

মসজিদে একাকী ফরয নামায শুরু করার পর জামাত শুরু হয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১২৪৯১) : আমাদের গ্রামের বাজার মসজিদে প্রায়ই জামাতের নির্ধারিত সময় থেকে পাঁচ-দশ মিনিট দেরি করে জামাত শুরু করে। তাই অনেক মুসল্লীই জামাতের অপেক্ষা না করে একাকী নামায পড়তে দাঁড়িয়ে যায়। পরে দেখা যায় জামাত শুরু হয়ে যায়। আমিও প্রায় সময় একাকী দাঁড়িয়ে যাই। একবার এশার নামাযে একাকী দাঁড়িয়ে গেলে এক রাকাত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাতে যখন কেরাত আরম্ভ করেছি তখন জামাত আরম্ভ হয়ে যায়। এ অবস্থায় আমি বুঝতে পারছিলাম না- আমার কী করণীয়। আমি কি নামায ছেড়ে দিয়ে জামাতে অংশগ্রহণ করব, নাকি পুরো নামায একাকী শেষ করে ফেলব- যেমনটা সাধারণত করে থাকে এখানকার অন্য মুসল্লীরা- নাকি দুই রাকাত পূর্ণ করে জামাতে অংশ নেব। অবশেষে চিন্তা করে দ্বিতীয় রাকাত সমাপ্ত করে জামাতে শরীক হয়ে গেলাম। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে আসলে কী করা উচিত? তাছাড়া আমি যা করেছি তা কি ঠিক হয়েছে? জানিয়ে বাধিত করবেন। বিস্তারিত বললে ভালো হয়।

জুমার নামাযে একই ব্যক্তির খুতবা দেওয়া ও ইমামতি করা কি জরুরী?

প্রশ্ন (১২৪৮৮) : জুমার নামাযের খুতবা জুমার নামাযের মতোই গুরুত্বপূর্ণ বলে আলেমদের মুখে শুনেছি। আমাদের মসজিদের যিনি খতীব, সাধারণত তিনিই খুতবা দেন এবং নামায পড়ান। কিছুদিন আগে এক জুমায় খুতবা দেওয়ার পর তিনি হাম্মামের জরুরতে মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলেন। আর উপস্থিত একজনকে ইমামতির দায়িত্ব অর্পণ করলেন। আমার জানার বিষয়, পরে যিনি নামায পড়ালেন তার ইমামতিতে কি আমাদের জুমা পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় হয়েছে? যেহেতু খুতবা তিনি দেননি, তিনি ছিলেন কেবল শ্রোতা। জানালে উপকৃত হব।

লাহেক ব্যক্তি নামাযের শেষ বৈঠকে ভুলে তাশাহ্হুদ না পড়ে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেললে কি তার উপর সাহু সিজদা আ…

প্রশ্ন (১২৪৫৭) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদে একটি বিদেশি জামাত আসে। ঘটনাক্রমে ইমাম সাহেব অনুপস্থিত থাকায় বিদেশি মেহমানদের একজন ইমামতি করেন। ইমাম সাহেব মুসাফির থাকার কারণে তিনি দুই রাকাত পড়ে সালাম ফেরানোর পর আমি বাকি দুই রাকাত পড়ার জন্য দাঁড়িয়ে যাই। আমি এই দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ি এবং যথারীতি নামায শেষ করি। কিন্তু শেষ বৈঠকে ভুলে তাশাহহুদ না পড়ে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি এবং সিজদায়ে সাহু না করেই নামায শেষ করি। জানার বিষয় হল, আমার নামায কি সহিহ হয়েছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

নামাযে গলা খাঁকারি দেওয়ার হুকুম কি?

প্রশ্ন (১২৪৪৮) : ১. নামাযে গলা খাঁকারি দেওয়ার হুকুম কী? কেউ যদি ইচ্ছাকৃত দেয় তবে কী হুকুম? অনিচ্ছাকৃত দিলে কী হুকুম? কেউ যদি অভ্যাসের কারণে দেয়, (সে চেষ্টা করেও অভ্যাস ছাড়তে পারছে না) বা গলার সমস্যার কারণে দেয় তবে কী হবে? ২. কাশি দেওয়ার কী হুকুম? কোন অবস্থায় জায়েয, কোন অবস্থায় নাজায়েয? মাসআলাগুলোর সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

ইমামের পিছনে মুসল্লিরা কিভাবে দাঁড়াবে?

প্রশ্ন (১২৪৪৭) : আমরা ভার্সিটিতে মাঝে মাঝে নিজেরা জামাত করি। একদিন নামাযের জন্য কাতার করে দাঁড়ানোর সময় এক সাথী বললেন, প্রথম কাতারে যারা আছি তাদের ইমামের পিছনেই দাঁড়াতে হবে এটা আবশ্যক না। ইমামের পাশে ডানে বামে দাঁড়ালেও চলবে। আরেক সাথী বললেন, না, এভাবে দাঁড়ালে হবে না। ইমামকে সামনে এগিয়েই দাঁড়াতে হবে। যাই হোক আমরা আর কথা না বাড়িয়ে প্রথমোক্ত সাথীর কথামতো ইমামের থেকে এক কদম সরে ডানে ও বামে তিনজন করে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করি। আর বাকি সাথীরা আমাদের পিছনে আরেক কাতারে। এখন জানার বিষয় হল, এইভাবে কাতার করে দাঁড়ালে কি নামায শুদ্ধ হবে? নাকি ইমামের একদম পিছনে কাতার করা বাধ্যতামূলক? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

মাসবুক ব্যক্তি ইমামের সাথে সালাম ফিরালে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন (১২৪৪৪) : আমি এক নামাযে মাসবুক হই। ভুলবশত ইমামের সাথে আমিও সালাম ফিরাই। এরপর পাশের লোকদের দাঁড়াতে দেখে আমার মাসবুক হওয়ার কথা স্মরণ হয়। তখন আমি দাঁড়িয়ে বাকি রাকাত পড়ে সাহু সিজদা করি। আমার এ নামায কি সহিহ হয়েছে? ইমাম সাহেব বলেছেন সাহু সিজদা না দিলেও নামায হয়ে যেত, তাঁর কথা কি ঠিক?

বিতির নামাযে ইমাম সাহেব ভুলে দুআ কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৪৩৯) : বিতিরের নামাযে ইমাম সাহেব ভুলে দুআ কুনূত না পড়েই রুকুতে চলে যান। মুক্তাদীগণ লোকমা দিলে রুকু বাদ দিয়ে আবার দাঁড়িয়ে যান। এরপর দুআ কুনূত পড়ে যথারীতি বাকি নামায শেষ করেন। এতে এক রাকাতে দুই রুকু হয়ে যায়। উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে? এক আলেম বলেছেন, নামায সহিহ হয়নি। সঠিক মাসআলাটি জানালে উপকৃত হতাম।

তাওয়াফ শেষ করে দুই রাকাত নামায পড়ার হুকুম কী?

প্রশ্ন (১২৪৩৫) : তাওয়াফের শেষে যে দু’রাকাত নামায পড়তে হয়; এর কী হুকুম? কখনো যদি ভুলক্রমে এ নামায ছুটে যায় তাহলে কি এতে দম আবশ্যক হবে, নাকি শুধু কাযা করলেই চলবে?

ওয়াকফকৃত জমি ব্যবহার করার বিধান কি?

প্রশ্ন (১২৪৩০) : আমাদের এলাকায় ঈদগাহের জন্য একটি জায়গা ওয়াকফ করা হয়। পরবর্তীতে তার কিছু জায়গায় একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। জানার বিষয় হলো, সেই স্থানে মসজিদ নির্মাণ করা ঠিক হয়েছে কি না? এবং সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও জুমার নামায আদায় করা সঠিক হবে কি না? যদি মসজিদ নির্মাণ এবং পাঁচ ওয়াক্ত ও জুমার নামায আদায় করা সঠিক না হয় তাহলে এখন করণীয় কী?

ছোট বাচ্চা বা পরিবারের নারী সদস্যদের নিয়ে জামাতে নামায আদায় করার ক্ষেত্রে দাঁড়ানোর পদ্ধতি কী হবে?

প্রশ্ন (১২৪২৭) : বাসায় জামাত করে নামায আদায়ের সময় অনেক ক্ষেত্রে আমার সঙ্গে শুধু আমার ভাই ও আমার বোন থাকে। অনেক সময় কেবল আমার স্ত্রী ও আমার ছোট বাচ্চা। তো এধরনের ক্ষেত্রে জামাতে নামায আদায়ের জন্য দাঁড়ানোর পদ্ধতি কী হবে? জানালে উপকৃত হব।