বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে গেলে কি আবার বসতে হবে
প্রশ্ন (৬০৯২) : ইমাম সাহেব যদি নামাজে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যায়। এরপর মুক্তাদীরা লোকমা দেয় তাহলে ইমাম সাহেব পুনরায় ফিরে আসবেন, নাকি দাঁড়িয়েই থাকবেন?
প্রশ্ন (৬০৯২) : ইমাম সাহেব যদি নামাজে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যায়। এরপর মুক্তাদীরা লোকমা দেয় তাহলে ইমাম সাহেব পুনরায় ফিরে আসবেন, নাকি দাঁড়িয়েই থাকবেন?
প্রশ্ন (৬০৭৩) : কিছুদিন আগে আসরের নামাজ পড়া অবস্থায় ভুলে প্রথম বৈঠক না করে তৃতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে যাই। পরবর্তীতে স্মরণ হওয়ায় নামাজ শেষ করে সহু সেজদা করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনে নামাজটি কি হয়েছিল?
প্রশ্ন (৬০৭০) : কেউ যদি ভুলে শেষ বৈঠক না করে পঞ্চম রাকাতে দাঁড়িয়ে যায় এবং পঞ্চম রাকাতের সেজদা করে ফেলে তাহলে কি ফরজ নষ্ট হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সাহু সেজদা দিলে কি নামাজের ক্ষতিপূরণ সম্ভব হবে?
প্রশ্ন (৬০৫৯) : ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যান। মুসল্লীরা লোকমা দিলে তিনি পুনরায় আবার বসে পড়েন। নামাজ শেষে সাহু সেজদা করেন। কিন্তু মুসল্লীর বক্তব্য হল, ইমাম সাহেব দাঁড়ানো থেকে বসার কারণে নামাজ ভেঙ্গে গিয়েছে। জানতে চাচ্ছি, তাদের কথা কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৬০৫৮) : কেউ যদি তাশাহুদের পরিবর্তে সূরা ফাতিহা পাঠ করে তাহলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৮১৪) : কিছুদিন আগে আমি এশার নামাজ পড়তে গিয়ে ভুলে তৃতীয় রাকাতে উচ্চস্বরে সূরা ফাতিহা পাঠ করে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে কি আমার উপর সাহু সেজদা আবশ্যক হয়েছিল? উল্লেখ্য, আমি সেদিন সাহু সেজদা করিনি।
প্রশ্ন (৫৭৬৯) : আপনাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ইমাম সাহু সেজদার সালাম ফিরালে মাসবুক ব্যক্তি তার সাথে সালাম ফিরাবে না। তবে ইমামের সাথে সাহু সেজদা করবে। জানতে চাচ্ছি, এক্ষেত্রে মাসবুক যদি ইমামের সাথে ভুলে সালাম ফিরিয়ে ফেলে তাহলে তার নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে কি?
প্রশ্ন (৫৬২১) : কেউ যদি ভুলে সাহু সেজদা না করে তাহলে নামাজ হবে কি?
প্রশ্ন (৫৬০০) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব এশার নামাজের তৃতীয় রাকাতে ভুলে বসে যান। মুসল্লীরা তাকবীর দেওয়ার সাথে সাথেই আবার দাঁড়িয়ে যান। পরবর্তীতে সাহু সেজদা ছাড়াই নামাজ শেষ করেন। নামাজ শেষে এক ব্যক্তি বলে, তৃতীয় রাকাতে ভুলে বৈঠক করলে সাহু সেজদা দিতেই হয়। অন্যথায় নামাজ হয় না। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৫৫৭৫) : আমি একদিন ভুলে ইমামের আগে সেজদা থেকে উঠে যাই। পরবর্তীতে করণীয় বুঝতে না পেরে ইমামের অপেক্ষায় বসে থাকি। নামাজ শেষে এক ব্যক্তি বলল, তোমার উচিৎ ছিল পুনরায় সেজদায় চলে যাওয়া। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজ হয়েছিল কি?
প্রশ্ন (৫৫১৭) : চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে তাশাহুদের পর দরূদ পাঠ করে ফেললে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৪৭৯) : জামাতে নামাজ পড়া অবস্থায় কোনো মুক্তাদী যদি চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজের দ্বিতীয় রাকাতের বৈঠকে তাশাহুদের পর দরূদ পাঠ করে ফেলে তাহলে সাহু সেজদা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫৪৪৭) : বেতেরের নামাজের তৃতীয় রাকাতে রুকু থেকে উঠার পর যদি দোয়ায়ে কুনুতের কথা স্মরণ হয় তাহলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৫৪২৮) : কখনো এমন হয় যে, সাহু সেজদা আবশ্যক থাকা অবস্থায় শেষ বৈঠকে দরূদ শরিফ পড়ে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে করণীয় কী হবে?
প্রশ্ন (৫৪০৩) : সাহু সেজদা আবশ্যক থাকা অবস্থায় কেউ যদি দোয়ায়ে মাছুরা পড়ে ফেলে তাহলে সাহু সেজদা দিতে বিলম্ব হওয়ার কারণে কি দুইটি সাহু সেজদা করতে হবে?
প্রশ্ন (৪৯৫৭) : চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজের শেষ দুই রাকাতে কেউ যদি সূরা ফাতিহা পাঠ না করে তাহলে সাহু সেজদা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৮৪০) : বিতর নামাজে দোয়ায়ে কুনুত পড়তে ভুলে গেলে সাহু সেজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৮১৪) : আমি একদিন নামাজে ভুল করি। শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর সেজদার কথা ভুলে যাই। যথারীতি দোয়ায়ে মাছুরা শেষ করার পর সাহু সেজদার কথা মনে পরে। তাই তখন সাথে সাথে সেজদা করে পুনরায় তাশাহুদ, দরূদ ও দোয়ায়ে মাছুরা পড়ি। প্রশ্ন হল, আমার সেদিনের নামাজ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৪৭৬৭) : কেউ যদি ভুলে একই রাকাতে সূরা ফাতিহা দুইবার পাঠ করে তাহলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৬৬৩) : কিছুদিন আগে আমি এশার নামাজে সেজদায় রুকুর তাসবীহ পাঠ করে ফেলি। উক্ত কারণে সাহু সেজদা করতে হবে কিনা, তা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দে পড়ে যাই। পরিশেষে সাহু সেজদা না করেই নামাজ শেষ করি। আমার প্রশ্ন হল, উক্ত কারণে কি সাহু সেজদা আবশ্যক হয়?