করোনার কারণে কুরবানি না করে টাকা সদকা করা যাবে কি
প্রশ্ন (৪৮৯৮) : বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ বলছে, কুরবানি না করে সে টাকা মানুষের মাঝে সদকা করে দিলে বেশি সওয়াব হবে। এমতাবস্থায় এমন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৮৯৮) : বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ বলছে, কুরবানি না করে সে টাকা মানুষের মাঝে সদকা করে দিলে বেশি সওয়াব হবে। এমতাবস্থায় এমন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৬৪০) : আমি বিয়ে করার ইচ্ছা করেছি। আমার এক বন্ধু বলল, বিয়ের রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নফল নামাজ পড়তে। আমি জানতে চাচ্ছি, বিয়ের রাতে কয় রাকাত নফল নামাজ পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৪৫৩৯) : যিলকদ মাসে কোন বিশেষ রোজা আছে কি? এ মাসে নাকি কয়েকদিন নফল রোজা রাখতে হয়।
প্রশ্ন (৪৪৬৮) : আমি শাওয়ালের রোজা অবস্থায় ছিলাম। বাসায় মেহমান আসলে তাদের পীড়াপীড়িতে রোজা ভেঙ্গে ফেলি। জানতে চাচ্ছি, সেই রোজার কাযা আমাকে করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৪৪৬৭) : ঈদের পর দিন শাওয়ালের রোজা অবস্থায় এক আত্মীয়ের বাড়ি যাই। আত্মীয়ের পীড়াপীড়িতে রোজা ভেঙ্গে তাদের সাথে খানায় শরিক হই। আমার প্রশ্ন হল, মেহমানদারি রক্ষার্থে সেদিনের রোজা ভাঙ্গাতে আমার কি কোনো গুনাহ হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৩৮১) : নফল রোজার জন্য যে দিন নির্দিষ্ট আছে, যেমন, প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোজা ইত্যাদি। সেই দিনগুলোতে যদি কাযা রোজা রাখা হয় তাহলে কাযা রোজা আদায়ের সওয়াবের পাশাপাশি নফল রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪৩৭৯) : আমি এই বছর সুন্নত ইতিকাফ করার ইচ্ছা করি। কিন্তু ২০শে রমজান কোনো একটি কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে মাগরিবের আগে মসজিদে উপস্থিত হতে পারিনি। তবে মাগরিবের পরপর মসজিদে উপস্থিত হই। জানতে চাচ্ছি, মাগরিবের পর উপস্থিত হওয়ার কারণে আমার সুন্নত ইতিকাফ আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (৪৩৫৯) : আমি একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করি। রমজানের শেষ তিনদিন আমার ছুটি থাকে। জানতে চাচ্ছি, আমি যদি রমজানের শেষ তিনদিন ইতিকাফ করি তাহলে সুন্নত ইতিকাফের সওয়াব পাব কি?
প্রশ্ন (৪৩৫৫) : আমি গত বছর রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফরত ছিলাম। মসজিদে অজু অবস্থায় থাকার জন্য নফল অজু করতে আমি মসজিদ থেকে বের হই। এক ব্যক্তি বলল, নফল অজুর জন্য বের হওয়ার কারণে আপনার ইতিকাফ ভেঙ্গে গিয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তি কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪১৭০) : আমি এ বছর একটি গরু কুরবানী দেওয়ার নিয়ত করেছি। সেই গরুতে একটি ভাগ রাসূল (সা.)-এর নামে দিতে চাচ্ছি। আমার প্রশ্ন হল, রাসূল (সা.)-এর নামে যে ভাগটি দেওয়া হবে সে ভাগের গোশত কারা খেতে পারবে?
প্রশ্ন (৪০৯১) : আমরা দুই ভাই। বড় ভাইয়ের উপর কুরবানী ওয়াজিব। আমার উপর ওয়াজিব না। বড় ভাই একটি গরু কুরবানী দিবেন। আমি চাচ্ছি, আমার নফল কুরবানীর নিয়তে সেই গরুতে একটি ভাগ দিতে। জানতে চাচ্ছি, একই গরুর একটি ভাগ যদি ওয়াজিব কুরবানী আর অপর ভাগে নফল কুরবানীর নিয়ত করা হয় তাহলে কুরবানী সহিহ হবে কি?
প্রশ্ন (৪০৫২) : বর্তমানে দেখা যায়, কোনো বন্দীর ফাঁসির আদেশ হলে সে ফাঁসির আগে দুই রাকাত নামাজ পড়ে থাকে। জানতে চাচ্ছি, এই নামাজের শরয়ি কোনো ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৪০০২) : আমার একটি প্রশ্ন ছিল। সেটি হল, শবে বরাতে কোন পদ্ধতিতে নামাজ পড়ব? এ রাতে নামাজ পড়ার নির্দিষ্ট কোন নিয়ম আছে কি?
প্রশ্ন (৪০০০) : আমাদের দেশে তো শবে বরাতের সময় সকলে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে। এটা কি ভালো না ঘরে একাকী নামাজ পড়া ভালো?
প্রশ্ন (৩৮০২) : রমজান মাসে আমি কিয়ামুল লাইলের ইমামতি করে থাকি। প্রথমে এক জামাত করার পর অন্য লোকদের নিয়ে আরেকটি জামাতের ইমামতি করি। জানতে চাচ্ছি, এভাবে দু’টি জামাতের ইমামতি করা আমার জন্য বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৭৫৯) : আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ছুটি পাওয়া যায় না। তাই রমজানের শেষ দশকের পুরো দশদিন ইতিকাফ করতে পারি না। জানতে চাচ্ছি, আমি যদি রমজানের শেষ তিনদিন ইতিকাফ করি তাহলে তা আদায় হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫৩৭) : আমি একবার সফরে এক মসজিদে ফজরের নামাজ পড়তে যাই। ইমাম সাহেব আসতে দেরি হওয়ায় আমি একাকি ফরজ পড়ে ফেলি। ফরজ শেষ হওয়ার পর পর ইমাম সাহেব চলে আসে তাই তার সাথে আবার নফলের নিয়তে নামাজ পড়ি। নামাজ শেষে আমার বড় ভাই বললেন, ইমামের সাথে আমার নামাজ পড়া ঠিক হয়নি। কারণ ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত নফল নামাজ পড়া নিষিদ্ধ। জানতে চাচ্ছি, আমার বড় ভাই যা বলেছেন তা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৩৮৮) : আমার বাবার হজ্ব করার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তিনি হজ্বের জন্য টাকা জোগাড় করতে পারেননি। দুই বছর আগে তার ইন্তেকাল হযে যায়। আমি এ বছর নফল হজ্বের নিয়ত করেছি। জানতে চাচ্ছি, নফল হজ্বের নিয়ত কি আমার নিজের জন্য করব, নাকি আমার বাবার জন্য করব?
প্রশ্ন (৩৩৭৬) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, রাসূল (সা.) নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তেন। এ তথ্য জানার পর আমার মনে একটি প্রশ্ন জেগেছে যে, ফরজ নামাজের মত তাহাজ্জুদ নামাজও কি উম্মতের উপর আবশ্যক হয়ে গিয়েছে?
প্রশ্ন (৩১৫১) : আমি একবার ইতিকাফরত অবস্থায় নফল ইবাদতের অজুর জন্য মসজিদ থেকে বের হই। এক ব্যক্তি বলল, ইতিকাফ অবস্থায় শুধু ফরজ ইবাদতের অজুর জন্য বের হওয়া যাবে। নফল ইবাদতের অজুর জন্য বের হওয়া যাবে না। নফল ইবাদতের অজুর জন্য বের হলে ইতিকাফ ভেঙ্গে যাবে। প্রশ্ন হল, আমার ইতিকাফ কি তাহলে ভেঙ্গে গিয়েছে?