কুরবানির পশুর চামড়া ইমাম সাহেবকে দেওয়া যাবে কী?

প্রশ্ন (১১৭১৮) : আমাদের এলাকায় কুরবানির পশুর চামড়া ইমাম সাহেবকে দেওয়ার প্রচলন আছে। আমি জানতে চাচ্ছি, কুবানির পশুর চামড়া ইমাম সাহেবকে দেওয়া কি জায়েয আছে?

ঈদের নামাযের খুতবায় ইমাম ও মুসল্লিদের জন্য তাকবীরে তাশরীক বলার হুকুম।

প্রশ্ন (১১৭১৭) : আমি একজনের কাছে শুনেছি যে, ইমাম বা মুসল্লি ঈদের নামাযের খুতবায় তাকবীরে তাশরীক বলতে পারবে না। আমি জানতে চাচ্ছি, এ ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী?

মাসবুক ব্যক্তি কি শেষ বৈঠকে তাশাহহুদের পরে দরুদ শরিফ ও দুআ মাসূরা পড়বে?

প্রশ্ন (১১৭১৬) : মাসবুক ব্যক্তি যদি চার রাকাত নামাজের শেষ দুই রাকাত এবং শেষ বৈঠক সম্পুর্ন পায় তাহলে জামাতের শেষ বৈঠকে তার জন্য তাশাহুদ এর সাথে দরুদ শরিফ ও দুআ মাসূরা পড়া কি জরুরি?

মুসাফির ব্যক্তি মুকিমের পিছনে ইকতিদা করলে কত রাকাত আদায় করবে?

প্রশ্ন (১১৬৯৯) : আমার বাড়ি যশোর। মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কাজে আমার ঢাকা যেতে হয়। যাত্রাপথে ড্রাইভার নামাযের বিরতি দেয়। তখন মসজিদে জামাত হলেও আমি এই ভেবে জামাতে শরিক হই না যে, ইমাম সাহেব মুকিম, তাই তিনি চার রাকাত নামায পড়াবেন। আর আমি তো মুসাফির, আমার উপর দুই রাকাত ওয়াজিব। তো আমার এই ভাবনা কি ঠিক আছে?

মুসাফির ব্যক্তি জুমার নামায পড়ালে কি সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১১৬৯৪) : আমি একজন আলেম। আমি ঢাকা থাকি। একবার আমি সিলেট আমার এক বন্ধুর বাড়ি দুই দিনের জন্য বেড়াতে যাই। সেখানে জুমার দিনে বন্ধুর আবেদনে তাদের মসজিদে জুমার নামায পড়াই। নামাযের পর স্থানীয় একজন লোক বলল, হুজুর তো মুসাফির। আর মুসাফিরের উপর তো জুমার নামায ফরয না। তাহলে হুজুরের জুমার নামায পড়ানো কি সঠিক হয়েছে? হযরতের নিকট জানতে চাচ্ছি, মুসাফির ব্যক্তি জুমার নামায পড়ালে কি শুদ্ধ হবে?

মায়্যিতকে দাফনের পর কিবলামুখী হয়ে দুআ করা ।

প্রশ্ন (১১৬৮৩) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব মায়্যিতের দাফন শেষে উপস্থিত লোকদেরকে নিয়ে দুআ করে থাকেন। আমি আমাদের ইমাম সাহেবকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এতে অসুবিধার কিছু নেই। বরং মায়্যিতের দাফন শেষে দুআ করার কথা হাদিসে আছে। আমি জানতে চাচ্ছি, ইমাম সাহেবের উত্তরটি কি সঠিক?

চার রাকাত বিশিষ্ট নামাযের প্রথম বৈঠকে ইমাম সাহেব না বসে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬৬৪) : ইমাম সাহেব আসরের নামাযের জামাতে প্রথম বৈঠকে না বসে দাঁড়িয়ে যান। পেছন থেকে মুসল্লিরা লোকমা দেওয়ার পরেও তিনি বৈঠকে ফিরে আসেন নি। নামায শেষে তিনি সাহু সিজদা আদায় করেন। নামায শেষ হওয়ার পর কেউ কেউ বলল, ইমাম সাহেবের নামায হয়নি। কারণ তিনি লোকমা শোনার পরেও বৈঠকে ফিরে আসেন নি। আমার জানার বিষয় হলো, মুসল্লিদের কথা কি ঠিক আছে?

ইমাম সাহেব যেখানে দাঁড়িয়ে ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে সুন্নত পড়া অনুত্তম।

প্রশ্ন (১১৬৫২) : একদিন যোহরের নামাযের সময় আমাদের মসজিদে ইমাম সাহেব না থাকায় আমি ইমামতি করি। নামায শেষে ইমামতির জায়গায় দাঁড়িয়েই আমি নামায পরবর্তী সুন্নত আদায় করি। নামায শেষে একজন আলেম আমাকে বললেন, যেখানে দাঁড়িয়ে আপনি ইমামতি করেছেন সেখানে দাঁড়িয়ে পরবর্তী সুন্নত আদায় করা অনুত্তম হয়েছে। সেই আলেমের কথা ঠিক আছে?

নাবালেগের পিছনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ নয়।

প্রশ্ন (১১৬৫০) : আমার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে হিফয বিভাগও আছে। তো রমযান মাসে ছাত্রদের ইয়াদ মজবুত করার উদ্দেশ্যে তারাবীর নামায পড়ানোর জন্য ছাত্রদের কয়েকটা গ্রুপ করা হয়ে থাকে। কোনো কোনো গ্রুপে নাবালেগ ছাত্র ইমামতি করে এবং তার পিছনে বালেগ ছাত্র বা উস্তাদ ইক্তিদা করে। তো আমার জানার বিষয় হলো, নাবালেগের পিছেনে বালেগ ব্যক্তির ইক্তিদা সহিহ আছে?

ইমাম সাহেব কেরাতে ভুল করলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬৩০) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব এশার নামাযের প্রথম রাকাতে সূরা ‘লাইল’ পড়ার সময়- وَ سَیُجَنَّبُهَا الْاَتْقَی،الَّذِیْ یُؤْتِیْ مَالَهٗ یَتَزَكّٰی. আয়াতের الْاَتْقَی -এর জায়গায় الْاَشْقَی পড়ে ফেলেন এবং ওভাবেই নামায শেষ করেন। নামাযের পরে একজন আলেম বললেন, নামাযের কেরাতে ভুল হয়েছে; তাই নামায হয়নি। সুতরাং পুনরায় পড়তে হবে। ফলে নামায পুনরায় পড়া । সেই আলেমের কথা কি ঠিক আছে? পুনরায় নামায পড়া কি দরকার ছিল?

ইমাম সাহেব নামাযের মাঝে কেরাতে আটকে গেলে করণীয়।

প্রশ্ন (১১৬২৭) : আমি মাঝে মাঝে আমাদের এলাকার মসজিদে ইমামতি করি। নামাযে কেরাত পড়ার সময় কখনো আয়াতের মাঝে আটকে যাই, আবার কখনো পরবর্তী আয়াত স্মরণ করতে পারি না। এমন পরিস্থিতিতে পড়লে আমার করণীয় কি?

ইমাম সাহেব ভুলবশত জোরে ছানা পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১১৬২৬) : ইমাম সাহেব মাগরিবের নামাযে ভুলবশত জোরে ছানা পড়ে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি নামায শেষে সাহু সিজদা করেন নি। আমার জানার বিষয় হলো, ইমাম সাহেবের সাহু ‍সিজদা না করা কি ঠিক আছে? নাকি এখানে সাহু সিজদা করা জরুরি ছিল?

তিন বা চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজে প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়

প্রশ্ন (১১৬১৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের মসজিদের ইমামা সাহেব গতকাল মাগরিবের নামাযে প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে যান। পরে মুসল্লিদের লোকমা শুনে বৈঠকে ফিরে আসেন। তারপর সাহু সিজদা দিয়ে নামায শেষ করেন। নামায শেষে একজন বলল দাঁড়ানো থেকে ফিরে এসে বৈঠকে বসার কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই ইমাম সাহেব দ্বিতীয়বার নামাজ পড়ান। তো প্রথমবার নামাজ কি হয়নি? না হলে কেন? আর দ্বিতীয়বার নামাজ পড়া কি ঠিক হয়েছে?

জানাযার নামাযে ভুলে চারের অধিক তাকবীর বলে ফেললে কি নামায হবে?

প্রশ্ন (১১৫৮৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাকে এক মাইয়্যিতের জানাযার নামায পড়াতে দেওয়া হয়। আমি ভুলে চতুর্থ তাকবীরের পর পঞ্চম তাকবীর দিয়ে ফেলি। এতে কি আমার নামায হয়েছে? নাকি আবার পড়াতে হবে?

নারী-পুরুষ একসাথে জামাতে নামায পড়লে কিভাবে দাঁড়াবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মাঝে মধ্যে আমরা কয়েকজম মিলে বাসায় জামাত করি। কখনো কখনো মাহরাম নারী জামাতে শরীক হয়। এক্ষেত্রে দাঁড়ানোর সঠিক পদ্ধতি কী?

নামাযে কাতার ফাঁকা রেখে ইমামের ইক্তিদা করলে কি নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৭) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের মসজিদের বারান্দাটি খুব বড়। এটি একটি খোলা চত্বরের ন্যায়; তবে তা মসজিদেরই অংশ। গরমের মৌসুমে আসর-মাগরিবের সময় মসজিদের ভেতর তীব্র গরম হয়ে থাকায় কিছু লোক সেই বারান্দায় দাঁড়িয়েই ইমামের ইক্তেদা করে নামায আদায় করে। অথচ তখনও মসজিদের ভেতর কয়েক কাতার ফাঁকা রয়ে যায়। এখন জানার বিষয় হলো,এভাবে কয়েক কাতার ফাঁকা রেখে তাদের ইক্তদা সহিহ হবে কি?

জামাত চলাকালীন সময়ে মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে সিজদায় পেলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫৬৬) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মসজিদে জামাত চলাকালীন সময়ে যদি গিয়ে ‍দেখি ইমাম সাহেব সিজদায় আছে তাহলে এক্ষেত্রে কি করব? তাকবীরে তাহরীমা বলে তখনই ইমামের সাথে সিজদায় শরীক হবো নাকি ইমাম সাহেবের দাঁড়ানোর পর তাকবীর বাধবো?

একসাথে একাধিক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়ার বিধান।

প্রশ্ন (১১৫৫৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ইসলামে একসাথে একাধিক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়ার বিধান কি? যদি জায়েয হয়ে থাকে, তাহলে জানাযার নামাযের সময় ইমামের সামনে লাশগুলো কীভাবে রাখা হবে?

ঈদের খুতবার সময় ইমাম সাহেবের সাথে মুসল্লিরাও কি তাকবীরে তাশরীক বলবে?

প্রশ্ন (১১৫৫৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের এলাকায় ঈদের খুতবার মধ্যে ইমাম সাহেব কিছুক্ষণ পর পর যখন তাকবীরে তাশরীক বলেন তখন মুসল্লিরাও ইমাম সাহেবের সাথে উচু আওয়াজে তাকবীরে তাশরীক বলে থাকে। তো ঈদের খুতবা চলাকালে এভাবে ইমামের সঙ্গে তাকবীরে তাশরীক বলার বিধান আছে কি? জানালে উপকৃত হব।