অনুসন্ধান

দুআ করার জন্য ইমাম সাহেবকে টাকা দেওয়া যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৭৫) : আমাদের দেশে অনেক মসজিদে ইমাম সাহেবকে দুআর জন্য টাকা দেওয়া হয়। যেমন বলে হুযুর আমার ছেলে বিদেশ যাবে তার জন্য একটু দুআ করবেন। এই বলে কিছু টাকা দেয়। আমি জানতে চাচ্ছি, এই টাকা নেওয়া জায়েজ হবে?

নামাযে রাকাত সংখ্যা ভুলে গেলে পাশের মাসবুক ব্যাক্তিকে দেখে নামায আদায় করলে কি নামায হবে?

প্রশ্ন (১২৬৭৪) : একদিন আমি আসরের নামাযে মাসবুক হই। ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর বাকি নামায আদায় করতে গিয়ে কত রাকাত পাইনি তা নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে পাশের মাসবুক ব্যক্তি, যে আমার সাথেই নামাযে শরীক হয়েছিল- তাকে দেখে দেখে নামায আদায় করে নিয়েছি। এভাবে দেখে দেখে নামায আদায় করাতে কি কোনো সমস্যা হয়েছে?

অর্ডার করে বানানো পণ্য মালিক ব্যতিত অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দেওয়া জায়েয আছে কি?

প্রশ্ন (১২৬৭৩) : আমি এক দোকানির কাছে একটি স্টিলের আলমারির অর্ডার করি। সে ১৫ তারিখে ডেলিভারি দিতে চায়। পরে ৭ তারিখে সে ফোনে আমাকে বলে যে, আলমারী প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে চাইলে নিয়ে যেতে পারবেন। আমি ব্যস্ততার কারণে ঐ দিন যেতে পারিনি। ১০ তারিখ তা আনতে গেলে জানতে পারি যে, সে অতিরিক্ত দাম পেয়ে অন্যত্র তা বিক্রি করে দিয়েছে। এতে আমার খুব রাগ হয়। তখর সে ১৫ তারিখের ভিতর আরেকটি বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু আমি এতে রাজি হইনি এবং তার কাছ থেকে আর আলমারি নিব না বলে জানিয়ে দেই। এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমার জিজ্ঞাসা হল, দোকানির জন্য এভাবে অর্ডারী বস্তু বিক্রি করা বৈধ হয়েছে কি না? এক্ষেত্রে পূর্ব নির্ধারিত টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা কি তার জন্য হালাল হবে? আর শুধু এ কারণে তার সাথে আমার চুক্তি বাতিল করা কি ঠিক হয়েছে?

আমানতের টাকা অনুমতি নিয়ে ব্যবসায় খরচ করে যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে কি উক্ত টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৭২) : আমার মামা বিদেশ থাকেন। তিনি টাকা-পয়সা আমার ব্যাংক একাউন্টে পাঠান। তিনি এ টাকা আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রাখেন। ঐ টাকা আমার একাউন্টে দীর্ঘদিন থেকে যায়। ফলে আমি মামার অনুমতি নিয়ে ঐ টাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা আমার ব্যবসায় খরচ করি। এতে আমার কিছু লাভ হয়। কিন্তু প্রায় দুই মাস আগে আমার ব্যবসায় বিপুল পরিমাণে লস হলে মূলধনেরও অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে অনেকদিন ব্যবসা বন্ধ থাকে। এখন হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, আমার মামা যেহেতু ঐ টাকা আমার একাউন্টে আমানত হিসাবে রেখেছেন এবং আমি তার অনুমতি নিয়েই তা ব্যবসায় খরচ করেছি। আমাকে কি ঐ টাকা মামাকে ফিরিয়ে দিতে হবে? জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

ঋণের বিনিময়ে কোনো সুবিধা গ্রহণ করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৭১) : আমি এক ব্যক্তিকে ৩ বছরের জন্য ৫ লাখ টাকা দিয়েছি এই চুক্তি স্বাপেক্ষে যে, আমি তার বাড়িতে বিনা ভাড়ায় ৩ বছর থাকব। ৩ বছর শেষ হয়ে গেলে বাড়িওয়ালা উক্ত ৫ লাখ টাকা আমাকে ফেরত দিয়ে দিবে। অবশ্য আমার মনে এই নিয়ত ছিল যে, বাড়িওয়ালা যেহেতু আমাকে একটা সুবিধা দিচ্ছে তাই আমি তার থেকে কিছু টাকা কম নিব। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, আমাদের এই লেনদেন বৈধ হবে কি না?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও হাতে টাকা না থাকলে কি ঋণ করে কুরবানী দিতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৭০) : আমি ভার্সিটিতে পড়াশোনা করি। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করি। টিউশনি থেকে প্রাপ্ত টাকার একটা অংশ আমি ব্যাংকে জমা করি। এভাবে ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা হয়েছে। গত তিন মাস আগে আমার এক বন্ধুর একটি বিপদে সে টাকাগুলো তাকে ঋণ দিয়েছি। বর্তমানে আমার কাছে অতিরিক্ত কোনো সম্পদ নেই। আমি একজন হুজুরের কাছে শুনেছিলাম যে, কেউ যদি ৪০ হাজার টাকা বা সে পরিমাণ সম্পদের মালিক হয় তাহলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব। তার কাছে যদি নগদ টাকা না থাকে তাহলে কিছু সম্পদ বিক্রি করে বা ঋণ নিয়ে হলেও কুরবানী দিতে হবে। এখন আমার প্রশ্ন হল, এ অবস্থায় আমার উপর কি কুরবানী ওয়াজিব হয়েছে? দ্রুত মাসআলাটির সমাধান জানালে কৃতজ্ঞ হব।

সমাজে প্রচলিত ভিত্তিহীন কথা।

প্রশ্ন (১২৬৬৯) : আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে যে, মৃত ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার বার কালিমা তায়্যেবা পড়লে সে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পায়। আবার কেউ কেউ নিজ জীবদ্দশায় এ উদ্দেশ্যে ৭০ হাজার বার কালিমা পড়ে। তবে কেউ মারা গেলে তার কবরের আযাব মাফ হওয়ার জন্য পড়ার রেওয়াজটা বেশি। এখন হযরতের কাছে আমি জানতে চাচ্ছি যে, এটি কি কোনো হাদিসে আছে? আর এ আমল করলে কি আসলেই জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে?

ব্যাংকে জমা টাকার উপর যে সুদ আসে তার বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৬৬৮) : আমার বাবার ব্যাংক একাউন্টে দশ লাখ টাকা ছিল। কিছুদিন আগে তিনি মারা যান। আমার জানার বিষয় হলো, বাবার একাউন্টে থাকা এই টাকার উপর যে সুদ জমা হয়েছে তা কি আমরা মিরাছ হিসেবে নিতে পারব?

বিয়েতে কুমারী মেয়ের নিকট অনুমতি চাওয়ার পর সে চুপ থাকলে কি তার বিয়ে সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৬৬৭) : আমাদের এলাকার একটি মেয়ে তার পছন্দের একটি ছেলেকে বিবাহ করতে চাচ্ছিল। কিন্তু তার মা-বাবা অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেন। বিবাহের দিন তার মতামত জানতে চাইলে মেয়ে হাঁ-না কিছুই না বলে চুপ থাকে। তবে মনে মনে সে নারাজ ছিল। এ অবস্থায় তার আকদ হয়ে যায়। এবং মেয়েটি নারাজ থাকলেও মা-বাবার কথায় স্বামীর বাড়িতে চলে যায়। এবং দু‘মাস তার সাথে সংসার করে। এরপর একদিন হঠাৎ সে পালিয়ে গিয়ে পূর্বোক্ত ছেলেটির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তার সাথে ঘর-সংসার শুরু করে। এটা নিয়ে এলাকায় অনেক তোলপাড় চলছে। মেয়েটির দাবি, সে প্রথম বিবাহে রাজি ছিল না। তাই তা সহিহ হয়নি। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মেয়েটির কথা কি ঠিক? তার প্রথম বিবাহ সহিহ হয়েছে কি না? এবং সে যে দ্বিতীয় বিবাহ করল এর হুকুম কী?

ইমাম সাহেব মেহরাব ছেড়ে প্রথম কাতারে দাঁড়ালে কোনো অসুবিধা আছে কি?

প্রশ্ন (১২৬৬৬) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব কিছুদিন যাবৎ মেহরাব ছেড়ে এক কাতার পিছনে দাঁড়ান। আর মুসল্লিরা মসজিদের দ্বিতীয় কাতারে দাঁড়ান। বেশ কয়েকদিন যাবৎ এভাবে নামায পড়া হচ্ছে। কিন্তু গত দুদিন আগে এক আগন্তুক বললেন, এভাবে নামায পড়ে তো আপনারা হাদিসে বর্ণিত প্রথম কাতারের ফযীলত থেকে মাহরূম হচ্ছেন। কেননা এটা তো দ্বিতীয় কাতার; প্রথম কাতার নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে বেশ দ্বিধায় আছি। তাছাড়া এ কথা শোনার পর অনেক মুসল্লি ইমাম সাহেবকে দোষারোপ করছে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, হাদিস শরিফে যে প্রথম কাতারের ফযীলত বর্ণিত হয়েছে, এর দ্বারা কোন প্রথম কাতার উদ্দেশ্য? এবং প্রশ্নোক্ত অবস্থায় আমরা যে নামাযগুলো পড়েছি, তাতে প্রথম কাতারের ছাওয়াব পাব কি না? দয়া করে দলীলসহ বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

থুথুর সাথে কী পরিমাণ রক্ত বের হলে অযু ভেঙে যাবে?

প্রশ্ন (১২৬৬৫) : কিছু দিন আগে ডাক্তারের নিকট গিয়ে কয়েকটি দাঁত ওয়াশ করাই। দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত পড়ছিল। ডাক্তারের কথা অনুযায়ী বাসায় এসে গরম পানি দিয়ে কুলি করলে বেশ সময় পর রক্ত পড়া বন্ধ হয়। নামাযের সময় হওয়ায় বাসা থেকে অযু করে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা হই। মসজিদের কাছে গিয়ে থুথু ফেলে দেখি তা লালবর্ণ ধারণ করে ছিল। সন্দেহ হওয়ায় সতর্কতাবশত নতুন অযু করে নামায পড়ি। এখন আমার জানার বিষয় হল, আসলেই কি তখন আমার অযু ভেঙ্গে গিয়েছিল? এক্ষেত্রে শরীয়তের মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।

সিজদায় হাতের আঙ্গুল কি মিলিয়ে রাখতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৬৪) : একদিন মসজিদে নামায পড়ছিলাম। নামাযের পর এক ব্যক্তি বললেন, নামাযে সিজদা অবস্থায় উভয় হাতের আঙ্গুলসমূহ স্বাভাবিকভাবে রাখার নিয়ম। সিজদা অবস্থায় আপনার হাতের আঙ্গুলগুলো মিলানো ছিল। এটা নিয়মপরিপন্থী। হুযুরের কাছে জানার বিষয় হল, তার কথা কি ঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

কবরে মৃত ব্যক্তির নাম, কুরআনের আয়াত ইত্যাদি লিখে রাখা যাবে কি?

প্রশ্ন (১২৬৬৩) : কোনো কোনো কবরের পাশে কুরআনের আয়াত, কালিমা, দুআ বা কোনো নসীহত লিখে রাখতে দেখা যায়। আবার কোনো কবরে মৃতের নাম ঠিকানা মৃত্যু তারিখ লেখা থাকে। এ ধরনের কোনো কিছু লেখার বিধান কী?

বছরের মাঝে নতুন সম্পদ যুক্ত হলে তার জন্য নতুন করে বছর গণনা করতে হবে নাকি পূর্বের নেসাবের সাথে যুক্ত…

প্রশ্ন (১২৬৬২) : আমার পিতা একজন ব্যবসায়ী। প্রতি বছর তার যাকাতবর্ষ পূর্ণ হয় শাওয়ালের ৫ তারিখ। আর সে মাসেই তিনি যাকাত আদায় করে দেন। এ বছর রমযানে তার ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য টাকা লাভ হয়েছে । তিনি বলেছেন, এ বছর রমযানে যে টাকা লাভ হয়েছে তার যাকাত আগামী রমযানে আদায় করব। আমি আব্বুকে বললাম, নিয়ম তো এ বছরই সব টাকার যাকাত আদায় করে দেওয়া। তিনি বলেন, রমযানের টাকার উপর তো বছর অতিবাহিত হয়নি, তাহলে তার উপর কেন যাকাত আসবে? এখন হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আমার আব্বুর রমযানে যে টাকা অর্জিত হয়েছে, সেগুলোর যাকাত কি এ বছরই শাওয়ালে অন্যান্য সম্পদের সাথে আদায় করতে হবে? নাকি আগামী রমযানে যখন তার উপর বছর অতিবাহিত হবে? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার জন্য কতটুকু পরিমাণ চুল কাটতে হবে?

প্রশ্ন (১২৬৬১) : হজ্ব বা উমরাহ করার পর হালাল হওয়ার জন্য কতটুকু পরিমাণ চুল কাটা আবশ্যক? মাথার চারপাশের কয়েক জায়গা থেকে অল্প অল্প করে চুল কেটে নিলে তার দ্বারা কি হালাল হওয়া যাবে?

আযান দেওয়ার সময় ডানে বামে মুখ ফেরানোর বিধান কী?

প্রশ্ন (১২৬৬০) : আমাদের মসজিদের মুয়াযযিন সাহেব আযানে حي على الصلاة ও حي على الفلاح বলার সময় প্রায়ই ডানে বামে মুখ ফেরান না। তাই আমি জানতে চাচ্ছি, আযানে حي على الصلاة ও حي على الفلاح বলার সময় ডানে বামে মুখ ফেরানোর বিধান কী? আর নবজাতকের কানে আযান দেওয়ার সময়ও কি ডানে বামে মুখ ফেরাতে হবে?

কখন থেকে যাকাত আবশ্যক হয়?

প্রশ্ন (১২৬৫৯) : আমার স্বর্ণের দোকান আছে। প্রতি বছর রমযানের ১০ তারিখে আমার যাকাতবর্ষ পূর্ণ হয়। এ বছর মুহাররম মাসে আমার দোকানের সব স্বর্ণ চুরি হয়ে যায়। ফলে আমি অনেক অসহায় ও মানুষের কাছে ঋণী হয়ে যাই। আমার বড় মামা আমেরিকায় থাকেন। তিনি এ সংবাদ শুনে আমাকে কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন। আমি সেই টাকা দিয়ে পুনরায় ব্যবসা শুরু করি। আল্লাহর রহমতে বছর শেষে আমি আবার নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে যাই। উক্ত সম্পদ ছাড়া আমার কাছে যাকাতযোগ্য অন্য কোনো সম্পদ নাই এখন হযরতের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় কি আমার উপর যাকাত ফরয? নাকি পরবর্তী বছরে ফরয হবে?

হায়েযগ্রস্ত মহিলা কুরআন তিলাওয়াত শুনলে কি তার উপর সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১২৬৫৮) : আমার ছেলে হিফয বিভাগে পড়ে। বাড়িতে আসলে সে অনেক সময় কুরআন তিলাওয়াত করে। তখন তার পাশে বসে আমি তার তিলাওয়াত শুনি। একদিন সে তিলাওয়াত করছিল। আর আমি পাশে বসে শুনছিলাম। তিলাওয়াতের মাঝে সে একবার বলে উঠল, আম্মু! সিজদার আয়াত পড়েছি। আপনাকেও সিজদা করতে হবে। হুজুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, আমি ঐ সময় হায়েয অবস্থায় ছিলাম। এ অবস্থায় সিজদার আয়াত শোনার কারণে কি আমার উপর সিজদা ওয়াজিব হয়েছে? পবিত্র হওয়ার পর তা আদায় করতে হবে? এ ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী? জানিয়ে বাধিত করবেন।

সফরে নামায পড়ার বিধান।

প্রশ্ন (১২৬৫৭) : আমি বেনাপোলে থাকি। একদিন একটা প্রয়োজনে যশোর শহরে যাওয়ার দরকার হয়। শহরে পৌঁছার পর আব্বু ফোন করে বললেন, তোমার আপুর বাসা খুলনা থেকে ঘুরে আসো। তাই আমি যশোর থেকে খুলনায় যাই এবং সেখানে এক দিন অবস্থান করি। বেনাপোল থেকে যশোরের দূরত্ব সফর পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। অনুরূপভাবে যশোর থেকে খুলনার দূরত্বও সফর পরিমাণ তথা ৭৮ কি. মি. নয়। কিন্তু বেনাপোল থেকে খুলনার দূরত্ব সফর পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ৮০/৮১ কি. মি. বা তার চেয়ে বেশি। এখন হুজুরের কাছে আমার জানার বিষয় হল, এক্ষেত্রে আমি খুলনায় গিয়ে কি কসর পড়ব না পূর্ণ নামায পড়ব? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নফল নামাযের প্রথম বৈঠকে কি দরূদ শরীফ ও দুআ মাছুরা পড়তে হয়?

প্রশ্ন (১২৬৫৬) : মাঝে মাঝে আমি আসর ও এশার আগের চার রাকাত সুন্নত পড়ি। অন্যান্য নামাযের মত এ নামাযেও প্রথম বৈঠকে দরূদ শরীফ পড়ি না। কিছু দিন আগে আমার প্রতিবেশী বললেন, এসকল নামাযের প্রথম বৈঠকে দরূদ শরীফ পড়তে হয়। অনুরূপভাবে তৃতীয় রাকাতে দাঁড়ানোর পর পুনরায় সানা, আউযুবিল্লাহও পড়তে হয়। এখন হযরতের কাছে জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি ঠিক? এ ব্যাপারে শরীয়তের সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।