ইতেকাফকারী মসজিদে মোবাইল চার্জ দিতে পারবে কি
প্রশ্ন (৫৭৯৮) : ইতেকাফকারী মসজিদের কারেন্ট দিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫৭৯৮) : ইতেকাফকারী মসজিদের কারেন্ট দিয়ে মোবাইল চার্জ দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫৭৭৯) : কেউ যদি মহররমের ৯ তারিখ রোজা না রাখতে পারে তাহলে সে ১০ ও ১১ তারিখ রাখতে পারবে কি? ১১ তারিখ রোজা রাখার কোনো প্রমাণ আছে কি?
প্রশ্ন (৫৬৩৭) : কোনো নারী যদি রমজানে দিনের বেলা পবিত্র হয় তাহলে কি সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে?
প্রশ্ন (৫৪৯৭) : মসজিদের ছাদে উঠার সিঁড়ি যদি মসজিদের বাহির দিয়ে হয় তাহলে ইতিকাফকারী মসজিদের ছাদে উঠতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫৪৭৬) : ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদের বারান্দায় যাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫৩৭০) : কিছুদিন আগে আমি এভাবে মান্নত করি, আমার উক্ত কাজটি সম্পন্ন হলে আমি কয়েকটি রোজা রাখব। এখন আমার উক্ত কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, আমাকে কয়টি রোজা রাখতে হবে?
প্রশ্ন (৫২৯৮) : পেশাবের সাথে বীর্য বের হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে কি?
প্রশ্ন (৫১৯১) : আমি বালেগ হওয়ার পর থেকেই আশুরার রোজা রাখতে অভ্যস্থ। কখনো উক্ত রোজা ছুটেনি। কিন্তু এ বছর হায়েজ চলে আসার কারণে উক্ত রোজা রাখতে পারিনি। যদিও সুস্থ থাকলে অবশ্যই তা রাখা হত। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ওযরের কারণে কি আমি সওয়াব পাব?
প্রশ্ন (৫১৮৫) : আশুরার রোজা রাখলে কী ফজিলত লাভ হবে? দলিলের আলোকে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৫১৮৪) : আমি শুনেছিম আশুরার দিন রোজা রাখা অনেক সওয়াবের কাজ। জানতে চাচ্ছি, রোজা কি একটিই রাখব? নাকি কয়েকটি রাখতে হবে?
প্রশ্ন (৫১৮৩) : আমি শুনেছি, আশুরার রোজার অনেক ফজিলত। এ বছর আমি আশুরার রোজা রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার হায়েজ চলে আসে। যার কারণে রোজা রাখতে পারছি না। জানতে চাচ্ছি, পরবর্তীতে এই রোজা কাযা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫০৭৮) : আমি শুনেছি যে, আইয়ামে তাশরীকে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। অপরদিকে প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখা অনেক ফজিলতের। জানতে চাচ্ছি, জ্বিলহজ্ব মাসে উক্ত তিনদিন কিভাবে রোজা রাখা যাবে? কারণ, ১৩ তারিখ আইয়ামে তাশরীকের অন্তর্ভুক্ত!
প্রশ্ন (৫০৬৯) : আইয়ামে তাশরীকে কি রোজা রাখা নিষিদ্ধ?
প্রশ্ন (৪৮৭৯) : এ বছর রমজানে রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে আদর করতে থাকি। এক পর্যায়ে উভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ি। আমার স্ত্রী হাত দিয়ে আমাকে মৈথুন করে দেয়। ফলে আমার বীর্যপাত হয়ে যায়। জানতে চাচ্ছি, উক্ত কারণে কি আমার উপর কাফফারাও আবশ্যক হবে?
প্রশ্ন (৪৮৬০) : আমার দাদি অসুস্থার কারণে দু’টি রোজা রাখতে পারেননি। সেই অসুস্থতায় তার ইন্তেকাল হয়। জানতে চাচ্ছি, তার সেই দুই রোজার ফিদয়া দেওয়া কি তার ওয়ারিশদের উপর জরুরি?
প্রশ্ন (৪৭৭০) : আমি একদিন মসজিদে গিয়ে দেখি এশা শেষ করে ইমাম সাহেব তারাবী শুরু করে দিয়েছেন। আমি তারাবীতে কুরআনের খতম ধরার জন্য এশা না পড়েই ইমামের সাথে তারাবীতে যুক্ত হই। তারাবী শেষ করে এশা পড়ে নেই। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৪৫৭৪) : রমজান মাসে ঋতুমতী মহিলা রোজাদারের মত পানাহার থেকে বিরত থাকলে কোন সাওয়াব পাবে কি?
প্রশ্ন (৪৫৭২) : এই রমজানে আমি কিছু দিনের জন্য মুসাফির ছিলাম। একদিন আমি রোজা রেখে আবার জোহরের পর ভেঙ্গে ফেলি। এখন কি আমার কাযা-কাফফারা দুটোই রাখতে হবে না শুধু কাযা রাখলেই চলবে?
প্রশ্ন (৪৫৬৪) : জনৈক ব্যক্তি বললেন যে, মেহরাব মূল মসজিদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই ইতেকাফকারী সেখানে যেতে পারবে না। তার কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪৫৬০) : আমার বাবা মানত করেছিলেন যে, যদি তিনি সুস্থ হন তাহলে দুই দিন ইতেকাফ করবেন। আমার প্রশ্ন হল, এই ইতেকাফের জন্য কি তার রোজা রাখতে হবে?