সেজদায়ে সাহু বা নামাযে ভুল হলে করনীয়

ইমাম সাহেব নামাযে কোনো ভুল করলে কী বলে লোকমা দিতে হবে?

প্রশ্ন (১৩২৩৭) : কয়েকদিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব ভুলবশত যোহরের নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যান। তখন আমরা যথারীতি আল্লাহু আকবার বলে লোকমা দেই। নামায শেষে একজন আলেম বললেন, হাদিস ও ফিকহের কিতাবাদিতে সুবহানাল্লাহ বলে লোকমা দেওয়ার কথা আছে। আল্লাহু আকবার বলে নয়। সুতরাং সুবহানাল্লাহ বলাই উচিত। জানতে চাচ্ছি, ঐ আলেমের কথা কি সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

ইমাম সাহেব ভুলে সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে পড়লে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১৩১৭৩) : একদিন এশার নামাযে ইমাম সাহেব ভুলবশত দ্বিতীয় রাকাতের শুরুতে সূরা ফাতিহার কয়েকটি আয়াত নিম্ন আওয়াজে পড়ে ফেলেন। স্মরণ হওয়ার পর পুনরায় সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে পড়া শুরু করে। নামায শেষে সাহু সিজদা না করেই সালাম ফিরিয়ে দিয়েছে। আমার জানার বিষয় হল, আমাদের সেই নামাযটি কি সহিহ হয়েছিল? না হলে করণীয় কি?

নামাযে ভুলে সিজদা ছুটে গেলে কি নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১৩১৭২) : একদিন যোহরের নামাযের প্রথম রাকাতে ভুলে একটি সিজদা ছুটে যায়। এবং নামাযেই ভুল স্মরণ হওয়ায় ছুটে যাওয়া সিজদা আদায় না করেই সাহু সিজদা দিয়ে নামায শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে নাকি আবার পড়ে নিতে হবে?

নামাযের মধ্যে ভুলে সূরা ফাতিহার আয়াত ছুটে গেলে উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?

প্রশ্ন (১৩১৪৩) : কিছুদিন পূর্বে এক মাহফিলে ইমাম সাহেব নামায পড়াচ্ছিলেন। সূরা ফাতেহার اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِیْمَ পর্যন্ত পড়ার পর তার কাশি আসে। এরপর ভুলে বাকী দুই আয়াত না পড়েই অন্য সূরা পড়েন। নামায শেষে এটা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হলে অন্য একজন বলে দেন, নামায হয়ে গছে, কোনো সমস্যা হয়নি। এর পরও বিষয়টি নিয়ে অনেকে সন্দেহে আছে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, উক্ত নামাযের হুকুম কী হবে?

সাহু সিজদা দেওয়ার সময় কখন?

প্রশ্ন (১৩১২৫) : কখনো নামাযে ওয়াজিব ছুটে গেলে সিজদায়ে সাহুর কথা ভুলে গিয়ে দুরূদের কিছু অংশ পড়ে ফেলি। এ ছাড়া কখনো এমন হয় যে, এক নামাযে দুটি ওয়াজিব ছুটে যায়। এমতাবস্থায় সিজদায়ে সাহুর হুকুম কী হবে?

সালাম ফিরানোর পর সাহু সিজদা দেওয়ার কথা মনে হলে উক্ত অবস্থায় সাহু সিজদা দিলে কি তা আদায় হবে?

প্রশ্ন (১৩০৮৬) : আমি একদিন এক লোককে দেখলাম, নামায শেষ করে বের হওয়ার জন্য সে দরজার দিকে যাচ্ছে। কিছুদূর গিয়ে পুনরায় বসে পড়েছে। অতপর সিজদা ও বৈঠকের পর সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করেছে। ব্যাপারটি তার কাছে জানতে চাইলে সে বলল, আমার উপর সাহু সিজদা ওয়াজিব ছিল। আমি তা আদায় করতে ভুলে গিয়েছি। আর মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগ পর্যন্ত যেহেতু ভুলে যাওয়া সাহু সিজদা আদায়ের সুযোগ থাকে তাই স্মরণ হওয়ার সাথে সাথে আমি তা আদায় করে নিলাম। জানতে চাই, প্রশ্নোক্ত পদ্ধতিতে সাহু সিজদা আদায় করার দ্বারা কি তার নামায ত্রুটিমুক্ত হবে? উল্লেখ্য, লোকটি নামায নষ্ট হওয়ার মত কোনো কাজ না করেই সিজদা করেছে।

আসরের নামাযে ভুলে তিন রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১৩০২৪) : গতকাল আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব আসরের নামাযে তিন রাকাত পড়ে ভুলে সালাম ফিরিয়ে ফেলেন। সাথে সাথে পিছন থেকে কিছু মুসল্লী বলে উঠল, নামায তিন রাকাত হয়েছে। তা শুনে ইমাম সাহেব সোজা দাঁড়িয়ে যান। অবশিষ্ট রাকাতটি পূর্ণ করে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরিয়ে দেন। জানার বিষয় হল, ইমাম সাহেবের উক্ত নামাযটি সহিহ হয়েছে কি?

নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে ভুলে তাশাহ্হুদ পড়ে ফেললে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৯১৯) : আমি কখনো কখনো দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহার পূর্বে ভুলবশত তাশাহহুদ পড়ে ফেলি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

নামাযের কোনো রাকাতে তিন সিজদা দিয়ে সাহু সিজদা দিলে কি নামায শুদ্ধ হবে?

প্রশ্ন (১২৯০৫) : একদিন আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব এশার নামাযের তৃতীয় রাকাতে তিন সিজদা দেন। নামায শেষে তিনি সাহু সিজদা আদায় করেন। সালাম ফিরানোর পর মুসল্লীরা এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন যে, কেউ যদি নামাযের কোনো রাকাতে তিন সিজদাহ দেয়, তারপর সাহু সিজদা দেয় তবে নামায হয়ে যাবে। উক্ত কথাটি কতটুকু সঠিক? উত্তর দিয়ে উপকৃত করবেন।

সিজদায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ার কারণে নামাযের শেষ বৈঠক ছুটে গেলে কি নামায সহিহ হবে?

প্রশ্ন (১২৮৭৫) : একদিন আমি ফজরের নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে সিজদায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ইমাম সাহেবের সালামের শব্দ শুনে ঘুম ভাঙে। তখন সাথে সাথে সিজদা থেকে উঠে বসে সালাম ফিরাই। আমি জানতে চাই, আমার উক্ত নামায কি সহিহ হয়েছে?

ইমাম সাহেব নামাযে ভুল করলে কী বলে লোকমা দেওয়া উচিত?

প্রশ্ন (১২৮১৭) : আমি একটি মসজিদে ইমামতি করি। কয়েকদিন আগে আমি ভুল করে যোহরের নামাযের দ্বিতীয় রাকাতে না বসে দাঁড়িয়ে যাই। তখন পেছন থেকে একজন আল্লাহু আকবার বলে লোকমা দেয়। সেখানে উপস্থিত একজন আলেম নামায শেষে বললেন, হাদিস ও ফিকহের কিতাবাদিতে সুবহানাল্লাহ বলে লোকমা দেওয়ার কথা আছে। আল্লাহু আকবার বলে নয়। সুতরাং সুবহানাল্লাহ বলাই উচিত। এখন আমি জানতে চাচ্ছি যে, ঐ আলেমের কথা কি সঠিক? জানিয়ে বাধিত করবেন।

সালাম ফিরানোর সময় সাহু সিজদা দেওয়ার কথা মনে পড়লে করণীয় কী?

প্রশ্ন (১২৭৪৪) : আমি যোহরের নামাযে প্রথম বৈঠকে ভুলে দরূদ শরীফ পড়ে ফেলি। কিন্তু সিজদায়ে সাহু করতে ভুলে যাই। দ্বিতীয় সালামের পরই সিজদায়ে সাহুর কথা মনে পড়ে। এরপর আমি নামায পুনরায় পড়ে নেই। এখন জানার বিষয় হচ্ছে, দ্বিতীয় সালামের পরপরই বা এক সালামের পর যদি সিজদায়ে সাহুর কথা স্মরণ হয় তাহলে এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী?

নামাযের বৈঠকে ভুলে তাশাহ্হুদের পরিবর্তে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হয়?

প্রশ্ন (১২৬৮৯) : আমি ইশার নামাযে ইমামতি করছিলাম। প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের বদলে ভুলে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি। পরে তাশাহহুদ পড়ে যথানিয়মে নামায শেষ করার পূর্বে সাহু সিজদা দিয়ে নিই। এখন আমি জানতে চাচ্ছি, আমার উক্ত নামায কি হয়েছে?

কোনো কারণে নামায ফাসেদ হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় শুরু করলে কি ইকামত দেওয়ার প্রয়োজন আছে?

প্রশ্ন (১২৫৯৬) : আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব ভুলে একদিন অযু ছাড়া নামায পড়ান। সালাম ফেরানোর সঙ্গে সঙ্গে স্মরণ হয়। তখনই তিনি মুআজ্জিন সাহেবকে বলেন, তুমি আবার নামায পড়িয়ে দাও। তখন মুআজ্জিন সাহেব নামায পড়ালেন। কিন্তু পুনরায় ইকামত দেওয়া হয়নি। এটা কি ঠিক হয়েছে?

লাহেক ব্যক্তি নামাযের শেষ বৈঠকে ভুলে তাশাহ্হুদ না পড়ে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেললে কি তার উপর সাহু সিজদা আ…

প্রশ্ন (১২৪৫৭) : কিছুদিন আগে আমাদের মসজিদে একটি বিদেশি জামাত আসে। ঘটনাক্রমে ইমাম সাহেব অনুপস্থিত থাকায় বিদেশি মেহমানদের একজন ইমামতি করেন। ইমাম সাহেব মুসাফির থাকার কারণে তিনি দুই রাকাত পড়ে সালাম ফেরানোর পর আমি বাকি দুই রাকাত পড়ার জন্য দাঁড়িয়ে যাই। আমি এই দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ি এবং যথারীতি নামায শেষ করি। কিন্তু শেষ বৈঠকে ভুলে তাশাহহুদ না পড়ে সূরা ফাতিহা পড়ে ফেলি এবং সিজদায়ে সাহু না করেই নামায শেষ করি। জানার বিষয় হল, আমার নামায কি সহিহ হয়েছে? জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

শেষ বৈঠকে দুইবার তাশাহ্হুদ পড়লে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১২৪১৫) : আমি একবার ফজরের সুন্নত পড়ার সময় তাশাহহুদ পড়ে সামান্য ঘুমিয়ে যাই। ঘুম ভাঙার পর পুনরায় তাশাহহুদ পড়েছি এবং দরূদ শরীফ ও দুআ মাছূরা পড়ে নামায শেষ করেছি। জানার বিষয় হল, তাশাহহুদ দুইবার পড়ার কারণে কি আমার উপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছিল? এবং সাহু সিজদা না দেওয়াতে কি নামায সহিহ হয়নি?

নামাযে অনিচ্ছাকৃত বা ভুলে কথা বললে কি নামায নষ্ট হয়ে যায়?

প্রশ্ন (১২৩৯৫) : কিছুদিন আগে যোহরের সুন্নত আদায়কালে দ্বিতীয় রাকাতে অসতর্কতাবশত ভুলে আমার মুখ থেকে উচ্চস্বরে কিছু কথা বের হয়ে যায়। ভুলে বলে ফেলার কারণে কি আমার নামায নষ্ট হয়ে গিয়েছে?

জোহরের নামাযে সূরা ফাতিহার এক-দুই আয়াত উচ্চস্বরে পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা আবশ্যক হবে?

প্রশ্ন (১২৩৯১) : আমি একদিন যোহরের নামাযের ইমামতি করছিলাম। প্রথম রাকাতে ভুলে সূরা ফাতিহার ১ম আয়াত উচ্চস্বরে পড়ে ফেলি। খেয়াল হতেই পরক্ষণে ২য় আয়াত থেকে আস্তে পড়া শুরু করি। এক্ষেত্রে কি আমাকে সাহু সিজদা করতে হবে?