সালাত আদায়ের পদ্ধতি

ইমামকে সেজদায় পেলে তাতে শরীক হবে না অপেক্ষা করবে

প্রশ্ন (৬৬৩৮) : ইমাম যদি সেজদায় থাকে তাহলে তো সে রাকাতে সেজদা দিলেও তা রাকাত হিসেবে গণ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে কি সেজদা দিবে না পরের রাকাতের জন্য অপেক্ষা করবে?

নামাজে মন স্থির রাখার উপায় কী

প্রশ্ন (৬৫৫১) : আমি নামাজে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না। আপনাদের কাছে এর একটা পদ্ধতি জানতে চাচ্ছি। দয়া করে আমাকে মনোযোগ ধরে রাখার পন্থা বাতলে দিবেন।

নামাজের শুরুতে উচ্চস্বরে আউযুবিল্লাহ পড়লে কোনো সমস্যা হবে কি

প্রশ্ন (৬৩০৮) : কিছুদিন আগে আমি এশার নামাজ পড়ানোর সময় প্রথম রাকাতের শুরতে আউযুবিল্লাহ আস্তে পাঠ না করে উচ্চস্বরে পাঠ করে ফেলি। কিন্তু উক্ত কারণে সাহু সেজদা আবশ্যক হবে কি হবে না, তা আমার জানা ছিল না। তাই সাহু সেজদা না দিয়েই নামাজ শেষ করি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজ হয়েছিল কি?

নামাজে উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ পাঠ করলে সাহু সেজদা আবশ্যক হবে কি

প্রশ্ন (৬৩০৬) : কেউ যদি উচ্চস্বরে কেরাত পাঠ করা হয়, এমন নামাজে সূরা ফাতেহা পাঠের আগে বিসমিল্লাহ উচ্চস্বরে পাঠ করে ফেলে তাহলে তার উপর সাহু সেজদা আবশ্যক হবে কি?

তাহরীমার সময় হাত না তুললে কি নামাজ হবে না

প্রশ্ন (৬২৯৮) : কিছুদিন আগে আসরের নামাজে মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে রুকুতে পাই। রাকাত ধরার জন্য দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমা বলে তারপর রুকুতে যাই। কিন্তু তাড়াহুড়ার কারণে তাকবীরে তাহরীমে বলার সময় হাত উঠাতে ভুলে যাই। জানতে চাচ্ছি, হাত না উঠানোর কারণে কি আমার নামাজ অশুদ্ধ হয়েছিল?

‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ বলার সময় দাঁড়ানো কি আবশ্যক

প্রশ্ন (৬২৪৩) : কিছুদিন আগে এক মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। সেখানের মুসল্লীরা ‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ বলার সময় নামাজের জন্য দাঁড়ায়। এর আগ পর্যন্ত বসে থাকে। কিন্তু আমি একামত শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দাঁড়িয়ে গিয়েছিলাম। জানতে চাচ্ছি, আমার কাজটি কি ঠিক হয়েছে?

মুসাফির ইমাম তৃতীয় রাকাতে দাঁড়ালে মুক্তাদীর আলাদা হওয়ার নিয়ত শুদ্ধ হবে কি

প্রশ্ন (৬২২৫) : মুসাফির ইমাম যদি ভুলবশত চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজে দুই রাকাতে সালাম না ফিরিয়ে তৃতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে যায় এবং মুক্তাদী ইমামের নামাজ ছেড়ে দিয়ে পৃথকভাবে বাকি নামাজ আদায়ের নিয়ত করে তাহলে তা শুদ্ধ হবে কি?

মাসবুক বৈঠকে বসার সাথে সাথে ইমাম সালাম ফিরালে করণীয় কী

প্রশ্ন (৬২১৩) : কোনো মাসবুক যদি ইমামকে বৈঠকে পায় এবং তাকবীর বলে বৈঠকে বসার সাথে সাথে ইমাম সালাম ফিরিয়ে ফেলে তাহলে মাসবুক দাঁড়িয়ে যাবে, নাকি তাশাহুদ পড়ে তারপর দাঁড়াবে?

তাসবীহ না পড়তে পারলে কি রুকু হবে

প্রশ্ন (৬১৭৯) : আমি একবার মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে রুকুতে পাই। আমি রুকুতে যাওয়ার সাথে সাথেই ইমাম সাহেব রুকু থেকে উঠে যান। যার ফলে রুকুর তাসবীহ পড়তে পরিনি। জানতে চাচ্ছি, এতে নামাজের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি?

রুকুতে গিয়ে তাহরীমা শেষ হলে নামাজ হবে কি

প্রশ্ন (৬১০০) : একদিন মসজিদে গিয়ে ইমামকে রুকু অবস্থায় পাই। ইমাম সাহেব রুকু থেকে উঠে যাওয়ার আশংকায় তাকবীরে তাহরীমা বলতে বলতে রুকুতে যাই। রুকুতে গিয়ে তাহরীমা শেষ হয়। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের নামাজটি কি হয়েছিল?

বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে গেলে কি আবার বসতে হবে

প্রশ্ন (৬০৯২) : ইমাম সাহেব যদি নামাজে প্রথম বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে যায়। এরপর মুক্তাদীরা লোকমা দেয় তাহলে ইমাম সাহেব পুনরায় ফিরে আসবেন, নাকি দাঁড়িয়েই থাকবেন?

কাযার কথা স্মরণ না থাকলে কি ওয়াক্তিয়া নামাজ শুদ্ধ হবে

প্রশ্ন (৬০৩৩) : আমি সাহেবে তারতীব। কিছুদিন আগে আমার আসরের নামাজ কাযা হয়। কিন্তু উক্ত কাযার কথা বিলকুল ভুলে যাই। তাই মাগরিবের নামাজ পড়ে ফেলি। নামাজ শেষে আসরের কথা স্মরণ হলে সেটার কাযা পড়ি। জানতে চাচ্ছি, আমার সেদিনের মাগরিব শুদ্ধ হয়েছিল কি?

ইমামকে সেজদায় পেয়ে একাকি রুকু করলে উক্ত রাকাত গণ্য হবে কি

প্রশ্ন (৬০৩০) : কেউ যদি জামাতে এসে ইমাম সাহেবকে সেজদায় পায় তাহলে একাকি রুকু করে সেজদায় শরিক হলে সে উক্ত রাকাত পেয়েছে বলে ধর্তব্য হবে কি?