সালাত বা নামাজ

হায়েজ অবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে কি সিজদা করা আবশ্যক?

প্রশ্ন (১১৬১৮) : আমার ছেলে যখন ঘরে বসে কুরআন তিলাওয়াত করে আমি তার পাশে বসে তার তিলাওয়াত শুনি । একদিন সে একটি সিজদার আয়াত পড়ে। আমি সেদিন হায়েয অবস্থায় ছিলাম। আমার উপর কি এ কারণে সিজদায়ে তিলাওয়াত আদায় করা আবশ্যক?

তিন বা চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজে প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয়

প্রশ্ন (১১৬১৫) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের মসজিদের ইমামা সাহেব গতকাল মাগরিবের নামাযে প্রথম বৈঠকে না বসে ভুলে দাঁড়িয়ে যান। পরে মুসল্লিদের লোকমা শুনে বৈঠকে ফিরে আসেন। তারপর সাহু সিজদা দিয়ে নামায শেষ করেন। নামায শেষে একজন বলল দাঁড়ানো থেকে ফিরে এসে বৈঠকে বসার কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই ইমাম সাহেব দ্বিতীয়বার নামাজ পড়ান। তো প্রথমবার নামাজ কি হয়নি? না হলে কেন? আর দ্বিতীয়বার নামাজ পড়া কি ঠিক হয়েছে?

অসুস্থতার কারণে ঘরে নামায আদায় করা যাবে কি?

প্রশ্ন (১১৬০৮) : আমি বালেগ হওয়ার পর থেকে সর্বদা মসজিদে জামাতের সাথে নামায পড়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে আমি শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ থাকায় জামাতের সাথে নামায আদায় করা আমার জন্য কষ্ট হয়ে যায়। তবুও নামায জামাতেই পড়ছি। প্রথম রাকাত দাঁড়িয়ে পড়ি। পরবর্তী রাকাতগুলো বসে এবং ইশারায় পড়ি। এমতাবস্থায় আমার জন্য নিজ ঘরে নামায পড়ার অনুমতি আছে কি ? এক্ষেত্রে কি আমি জামাতের সওয়াব পাব?

নামাযের কিরাতে ভুল হলে কি নামায নষ্ট হয়ে যাবে?

প্রশ্ন (১১৬০৫) : আমি একজন ইমাম। আমি মাঝেমধ্যে নামাযে সূরা বায়্যিনাহ তিলাওয়াত করার সময় أُولَئِكَ هُمْ خَيْرُ الْبَرِيَّةِ -এর জায়গায় أُولَئِكَ هُمْ شَرُّ الْبَرِيَّةِ পড়ে ফেলি। এমন ভুলের কারণে কি নামায নষ্ট হয়ে যাবে?

জুমার জামাত না পেলে একাকী আদায় করলে কি জুমার নামায আাদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৬০৩) : আমি শুক্রবার দিন সকালে ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিল। তাই বাড়িতে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। তো গ্রামে পৌঁছে দেখি, জুমার নামায প্রায় শেষের দিকে। ওযু করে আসতে আসতে ইমাম সাহেব সালাম ফিরিয়ে ফেলেন। পরে আমি একাকী দুই রাকাত জুমার নামায আদায় করে নিই। হুজুরের কাছে জানার বিষয় হল, একাকী আদায় করার দ্বারা আমার জুমার নামায কি আদায় হয়েছে?

উচ্চস্বরে কেরাত পাঠ।

প্রশ্ন (১১৬০১) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, একাকী নামায পড়ার সময় কি সব নামাযে উচ্চস্বরে কেরাত পড়া যাবে? সুন্নত ও নফল নামাযের ক্ষেত্রে নিয়ম কেমন হবে?

বিতিরের নামাজের অতিরিক্ত তাকবির দেওয়া কি ওয়াজিব?

প্রশ্ন (১১৫৮৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বিতিরের নামাজের তৃতীয় রাকাতে অতিরিক্ত যে তাকবীর দেওয়া হয় তা কি ওয়াজিব? যদি কেউ সেই তাকবীর দিতে ভুলে যায় তাহলে কি তার উপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে ?

ধুমপান করলে কি নামায হবে?

প্রশ্ন (১১৫৮৬) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আবার আমার ধুমপান করার অভ্যাস আছে। আমার নামাজ কি কবুল হবে?

একাকী নামায আদায়ের ক্ষেত্রে প্রথম রাকাতে সূরা নাস পড়ে ফেললে দ্বিতীয় রাকাতে কোন সূরা পড়বে?

প্রশ্ন (১১৫৭৪) : একাকী ফরয নামায আদায় করার ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে প্রথমে রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পরে ভুলে ‘সূরা নাস’ পড়ে ফেলি। শুনেছি, এক্ষেত্রে নাকি দ্বিতীয় রাকাতেও ‘সূরা নাস’ পড়তে হবে। তাই এমন ভুল হয়ে গেলে এর ওপর আমল করে থাকি। জানার বিষয় হল, উক্ত পদ্ধতি কি ঠিক?

নারী-পুরুষ একসাথে জামাতে নামায পড়লে কিভাবে দাঁড়াবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৯) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মাঝে মধ্যে আমরা কয়েকজম মিলে বাসায় জামাত করি। কখনো কখনো মাহরাম নারী জামাতে শরীক হয়। এক্ষেত্রে দাঁড়ানোর সঠিক পদ্ধতি কী?

বেহুঁশ অবস্থায় নামায ছুটে গেলে কি কাযা করতে হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৮) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ আমার দাদা দুপুর তিনটার দিকে ব্রেইন স্ট্রোক করে বেহুঁশ হয়ে পড়েন। পরদিন দ্বিপ্রহর পর্যন্ত বেহুঁশ ছিলেন। দ্বিপ্রহরের পর তার হুঁশ ফিরে আসে। বেহুঁশ অবস্থায় তার যে চার ওয়াক্ত নামায ছুটে গিয়েছিল তা কি এখন তার উপর কাযা করা আবশ্যক?

নামাযে কাতার ফাঁকা রেখে ইমামের ইক্তিদা করলে কি নামায আদায় হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৭) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের মসজিদের বারান্দাটি খুব বড়। এটি একটি খোলা চত্বরের ন্যায়; তবে তা মসজিদেরই অংশ। গরমের মৌসুমে আসর-মাগরিবের সময় মসজিদের ভেতর তীব্র গরম হয়ে থাকায় কিছু লোক সেই বারান্দায় দাঁড়িয়েই ইমামের ইক্তেদা করে নামায আদায় করে। অথচ তখনও মসজিদের ভেতর কয়েক কাতার ফাঁকা রয়ে যায়। এখন জানার বিষয় হলো,এভাবে কয়েক কাতার ফাঁকা রেখে তাদের ইক্তদা সহিহ হবে কি?

জামাত চলাকালীন সময়ে মসজিদে গিয়ে ইমাম সাহেবকে সিজদায় পেলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫৬৬) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মসজিদে জামাত চলাকালীন সময়ে যদি গিয়ে ‍দেখি ইমাম সাহেব সিজদায় আছে তাহলে এক্ষেত্রে কি করব? তাকবীরে তাহরীমা বলে তখনই ইমামের সাথে সিজদায় শরীক হবো নাকি ইমাম সাহেবের দাঁড়ানোর পর তাকবীর বাধবো?

চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাযের তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহার পরে অন্য সূরা পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা ওয়াজি…

প্রশ্ন (১১৫৬৫) : আসসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি যোহরের নামাযের তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর ভুলে অন্য একটি সূরা পড়ে ফেলি। যেহেতু চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাযের তৃতীয় এবং চতৃর্থ রাকাতে সূরা ফাতেহার পর অন্য কোনো সূরা পড়ার নিয়ম নেই তো এখন কি আমার উপর সিজদা সাহু ওয়াজিব হবে? আমি সিজদা সাহু করিনি, তো আমার নামাযের কী হুকুম?

সুন্নত নামাযের কোনো রাকাতে ভুলে সূরা ফাতিহা দুইবার পড়ে ফেললে কি সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে?

প্রশ্ন (১১৫৬৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একদিন যোহরের চার রাকাত সুন্নত পড়ার সময় দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতেহা পাঠ করে অন্য সূরা পড়ার পর ভুলবশত দ্বিতীয়বার সূরা ফাতেহা পড়ে ফেলি। কিন্তু সাহু সিজদা করিনি। তো পুনরায় সূরা ফাতেহা পড়ার কারণে আমার ওপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছিল কি?

সিজদা থেকে উঠার পদ্ধতি

প্রশ্ন (১১৫৬০) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, নামাযের মধ্যে অনেককে দেখা যায়, সিজদা থেকে ওঠার সময় হাত দিয়ে জমিনের ওপর ভরে দিয়ে ওঠেন। আবার অনেকে এমনটি না করে সরাসরি দাঁড়িয়ে যান। জানার বিষয় হল, এই দুই পদ্ধতির মাঝে কোনটি উত্তম?

ঈদের খুতবার সময় ইমাম সাহেবের সাথে মুসল্লিরাও কি তাকবীরে তাশরীক বলবে?

প্রশ্ন (১১৫৫৪) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের এলাকায় ঈদের খুতবার মধ্যে ইমাম সাহেব কিছুক্ষণ পর পর যখন তাকবীরে তাশরীক বলেন তখন মুসল্লিরাও ইমাম সাহেবের সাথে উচু আওয়াজে তাকবীরে তাশরীক বলে থাকে। তো ঈদের খুতবা চলাকালে এভাবে ইমামের সঙ্গে তাকবীরে তাশরীক বলার বিধান আছে কি? জানালে উপকৃত হব।

কোনো কারণে ঈদের নামায ছুটে গেলে করণীয় কি?

প্রশ্ন (১১৫৫৩) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমাদের বাড়ি থেকে ঈদগাহ অনেক দূরে। এবার ঈদের নামাযে যাওয়ার পথে পাশ দিয়ে দ্রুত গতিতে অতিক্রমকারী সিএনজির কারণে রাস্তার কাদা আমার জামায় ছিটকে আসে। পরে আমি বাড়িতে যাই জামা পরিবর্তন করতে। বাড়ি থেকে জামা পরিবর্তন করে আসতে আসতে ঈদের নামায শেষ হয়ে যায়। পরে শুধু খুতবা শুনতে পারি। যেহেতু আমি ঈদের নামায পড়তে পারিনি এক্ষেত্রে আমার কি করণীয়?

একই রাকাতে কি কুরআনের বিভিন্ন সূরা থেকে তিলাওয়াত করা যাবে?

প্রশ্ন (১১৫৫২) : আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি একজন হাফেয। সুন্নত ও নফল নামাযে কুরআন কারীম খতম করার নিয়ত করেছি। মাঝে মাঝে এমন হয় যে, সূরা ফাতেহা পড়ার পর কোনো একটা সূরা পড়া শুরু করি। এক দুই আয়াত তিলাওয়াত করার পর খতমের কথা মনে হলে ঐ সূরা ছেড়ে খতমের জায়গা থেকে পড়ি। এটা করা কি ঠিক আছে?