মুহাম্মাদ নামের কাউকে কি প্রহার করা যাবে না
প্রশ্ন (৩৯৮৪) : কিছুদিন আগে এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, মুহাম্মাদ নামের কাউকে প্রহার করতে হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৯৮৪) : কিছুদিন আগে এক ব্যক্তিকে বলতে শুনলাম, মুহাম্মাদ নামের কাউকে প্রহার করতে হাদিসে নিষেধ করা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, উক্ত ব্যক্তির কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৯৮২) : কোনো সন্তান যদি তার পিতা মাতার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকায় তাহলে তার হজ্বের সওয়াব লাভ হয়। একটি বইয়ে এই হাদিসটি পেলাম। জানতে চাচ্ছি, এমনকি কোনো হাদিস আছে? আসলেই কি পিতা মাতার দিকে তাকালে হজ্বের সওয়াব লাভ হয়?
প্রশ্ন (৩৯৮১) : কিছুদিন আগে আলেমদের মর্যাদা সম্পর্কিত একটি বই পড়তে গিয়ে একটি হাদিস পেলাম। তাতে লেখা আছে, কোনো আলেমের চেহারার দিকে একবার তাকানো আল্লাহ তাআলার কাছে ষাট বছরের নামাজ ও রোজার চেয়ে উত্তম। জানতে চাচ্ছি, উক্ত হাদিসটি কি সহিহ?
প্রশ্ন (৩৯৭০) : لَوْلَاكَ لَمَا خَلَقْتُ الْأَفْلَاكَ হাদিসটি কি সহিহ?
প্রশ্ন (৩৯৬৯) : একটি বইয়ে দেখতে পেলাম, সেখানে كنتُ نبياً وآدم بين الماء والطين বর্ণনাটিকে হাদিস বলা হয়েছে। আমার এক বন্ধু বললেন, উক্ত বর্ণনাটি জাল। জানতে চাচ্ছি, তার কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৬৮৯) : পাগড়ি পরে নামাজ পড়লে সত্তর গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়-এই মর্মে বর্ণিত হাদিসটি কি সঠিক
প্রশ্ন (৩৬৮৮) : পাগড়ি পরে নামাজ পড়লে কি সত্তর গুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়?
প্রশ্ন (৩৫৪২) : কিছুদিন আগে আমি একটি বইয়ে পেলাম, সকল বস্তু সৃষ্টি করার পূর্বে আল্লাহ তাআলা রাসূল (সা.)-এর নূরকে সৃষ্টি করেছেন। উক্ত বইয়ে এই বিষয়টিকে হাদিস বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। জানতে চাচ্ছি, আসলেই কি রাসূল (সা.)-এর নূরকে সর্বপ্রথম সৃষ্টি করা হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৫৪০) : কিছুদিন আগে আমাদের এলাকায় একজন বক্তা বেলাল (রা.)-এর ফজিলত বর্ণনা করতে গিয়ে বলে, বেলাল (রা.) শীন উচ্চারণ করতে পারতেন না। বরং শীনকে সীন উচ্চারণ করতেন। আজানে আশহাদু এর বদলে আসহাদু বলতেন। রাসূল (সা.) তখন বলেন, বেলালের সীন আল্লাহর কাছে শীন হিসেবে গণ্য হবে। প্রশ্ন হল, এই ঘটনাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৩৩২) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, রাসূল (সা.) তাবুক যুদ্ধ থেকে ফেরার সময় বলেছিলেন, আমরা ছোট জিহাদ থেকে বড় জিহাদের দিকে ফিরেছি। জানতে চাচ্ছি, এমন কি কোনো হাদিস আছে? থাকলে এখানে ছোট ও বড় জিহাদ দ্বারা কী উদ্দেশ্য?
প্রশ্ন (৩১৮৯) : আমাদের এলাকার এক বক্তা সেদিন তাদের বক্তব্যে বললেন যে, রাসূল (সা.) নূরের তৈরি। তার কথার দলিল দেওয়ার জন্য তিনি বলেন, বুখারিতে এসেছে যে, আয়েশা (রা.) রাসূল (সা.)-এর নূরের মাধ্যমে তাঁর হারানো সুঁই খুঁজে পেয়েছিলেন। জানতে চাচ্ছি, বুখারিতে কি এমন কোনো ঘটনা রয়েছে?
প্রশ্ন (২৯৯৮) : কিছুদিন আগে আমি একটি বইয়ে পেলাম যে, সালাতুল মালাইকা নামে একটি দোয়া রয়েছে, যা পাঠ করলে দুনিয়া ব্যক্তির অধীন হয়ে যাবে। তার প্রতিটি শব্দের পরিবর্তে আল্লাহ তাআলা একজন করে ফেরেশতা নিযুক্ত করে দিবেন, যে কেয়ামত পর্যন্ত তাসবীহ পাঠ করতে থাকবে। এর সওয়াব উক্ত ব্যক্তি লাভ করবে। উক্ত দোয়াটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি। সেই দোয়ার উপর আমল করতে কোনো সমস্যা আছে কি?
প্রশ্ন (২৮৯১) : কারও কারও মুখে ‘আসসালামু কাবলাল কালাম’ বাক্যটি শোনা যায়। অর্থাৎ কথার পূর্বে সালাম দিতে হবে। আমি জানতে চাচ্ছি, এটি কি কোন হাদিস?
প্রশ্ন (২৮৬১) : কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধুর সাথে একটি দাওয়াতে গিয়েছিলাম। তাকে দেখলাম, সে খাবারের আগে লবণ খুঁজছে। তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে বলল, লবণ দিয়ে খাবার শুরু করা সুন্নত। উপস্থিত সবাইকে লবণ দিয়ে খাবার শুরু করতে সে উৎসাহও দেয়। প্রশ্ন হল, এ মর্মে কোনো হাদিস বর্ণিত আছে কি?
প্রশ্ন (২৮৩৪) : আমাদের এলাকায় একজন বক্তাকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। তিনি তার বয়ানে বললেন যে, হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি মসজিদে কথা বলবে, তার ৪০ বছরের আমল বাতিল হয়ে যাবে। প্রশ্ন হল, এ মর্মে কোনো হাদিস আছে কি?
প্রশ্ন (২৮৩২) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, হাদিস শরিফে এসেছে যে, মেসওয়াক করে নামাজ পড়লে সেই নামাজে সত্তরগুণ বেশি সওয়াব হয়। আমি জানতে চাচ্ছি, এ মর্মে কোনো হাদিস বর্ণিত আছে কি? আমার এক ভাই বলল, এ মর্মে দলিলযোগ্য কোনো হাদিস বর্ণিত নেই।
প্রশ্ন (২৫৫২) : আমাদের এলাকায় একজন বক্তা তার ওয়াজে বলেছেন, হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, যদি কোনো এলাকা দিয়ে কোনো আলেম বা তালিবে ইলম হেঁটে যায়, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাদের বরকতে সেখানকার কবরবাসীদের কবরের আযাব চল্লিশ দিনের জন্য মাফ করে দেন। আমার প্রশ্ন হল, এমন কোনো হাদিস কি আছে?
প্রশ্ন (২৫৪০) : একটি বইয়ে রাসূল (সা.)-এর মেরাজ সম্পর্কে পেয়েছি যে, রাসূল (সা.) মেরাজ থেকে ফিরে এসে তাঁর বিছানার চাদর উষ্ণ পেয়েছিলেন। কিন্তু কোনো রেফারেন্স সে বইয়ে পাইনি। আমি জানতে চাচ্ছি, হাদিসে কি এ জাতীয় কোনো ঘটনা বর্ণিত আছে?
প্রশ্ন (২৫৩২) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, সাত আসমানকে সাত ধরনের বস্তু দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। চির ও ফাটলহীন সুবিস্তৃত জমাট বস্তু, পাথর, লোহা, তামা, রূপা, স্বর্ণ, ইয়াকুত পাথর। আমার প্রশ্ন হল, কোন আসমান কোন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে? এ সম্পর্কে কোনো সহিহ হাদিস বর্ণিত আছে কি?
প্রশ্ন (২৫২৭) : জনৈক বক্তা মেরাজ যে মুজেযা তা প্রমাণ করার জন্য বলেছেন, রাসূল (সা.) যখন মেরাজ থেকে ফিরে আসেন, তখন তাঁর ঘরের দরজার শিকল যেভাবে কাঁপা কাঁপা অবস্থায় রেখে গিয়েছিলেন সেভাবে কাঁপা অবস্থায় পান। আমার জানার বিষয় হল, এই বর্ণনাটি কি সঠিক? এই বিষয়টি কি হাদিসের কোনো কিতাবে বর্ণিত আছে?