মুসলামানদের জন্য ঈসা (আ.) এর উপর বা পূর্ববর্তী নবীদের উপর ঈমান আনয়ন করা কি জরূরি
প্রশ্ন (১৩) : মুসলামানদের জন্য ঈসা (আ.) এর উপর বা পূর্ববর্তী নবীদের উপর ঈমান আনয়ন করা কি জরূরি?
প্রশ্ন (১৩) : মুসলামানদের জন্য ঈসা (আ.) এর উপর বা পূর্ববর্তী নবীদের উপর ঈমান আনয়ন করা কি জরূরি?
প্রশ্ন (১২) : কোনো ব্যক্তি রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করলে কি তার বিশেষ কোনো মর্যাদা রয়েছে? সমাজে প্রচলিত আছে, যে ব্যক্তি রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করবে সে কোনো হিসাব-নিকাশ ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। কোরআন এবং হাদিসের আলোকে বিষয়টি কতটুকু সঠিক ?
প্রশ্ন (১১) : ওসিলা কত প্রকার ? কোন ধরনের ওসিলা হারাম?
প্রশ্ন (১০) : কেয়ামতের বড় আলামতগুলো কী কী?
প্রশ্ন (৯) : বিপদে-আপদে বিভিন্ন সময় আমরা পার্থিব উপায়-উপকরণ গ্রহণ করে থাকি। আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ ভরসার বিপরীতে এ ধরনের উপায় উপকরণ গ্রহণ করা কি ঈমানের সাথে সাংঘর্ষিক? বিষয়টি বিস্তারিত বুঝিয়ে বললে উপকৃত হতাম।
প্রশ্ন (৮) : আমার একজন খৃস্টান বন্ধু আছে। বিভিন্ন সময় সে আমাকে অনেক উপকার করে থাকে। তার সাথে এ বন্ধুত্ব আমি সবসময় বজায় রাখতে চাই। এতে কি ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো অসুবিধা আছে? দলিল সহকারে জানালে উপকৃত হতাম।
প্রশ্ন (৭) : কোনো অমুসলিম আত্মীয় বা প্রতিবেশী অসুস্থ হলে মুসলিমরা তাদের দেখতে যেতে পারবে কি ?
প্রশ্ন (৬) : মুসলিমরা কোনো অমুসলিম ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৫) : ঈমানে মুফাসসলের মধ্যে তাকদিরের উপর ঈমান আনার কথা বলা হয়েছে। তাকদিরের উপর ঈমান আনার অর্থ কী?
প্রশ্ন (৪) : মুমিন বান্দার মৃত্যুর পর কী কী বিষয় ঘটে? এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩) : কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার কাছে বসে কুরআন তিলাওয়াত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২) : কোনো বুজুর্গ ব্যক্তির ওসিলা দিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১) : আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি বলে, ভালো আলেম বা পীরের হাতে বাইআত হওয়া জরুরি। অন্যথায় গুনাহগার হতে হবে। তার এই বক্তব্য কি সঠিক? এভাবে কোনো ভালো আলেম বা পীরের হাতে বাইআত হওয়া কি সুন্নত সম্মত?