ইহরামের কাপড় কি পরিবর্তন করা যাবে না
প্রশ্ন (৪৯৩) : কোনো কোনো হাজী সাহেব মনে করেন, ইহরামের কাপড় একবার পরলে আর পরিবর্তন করা যায় না। তাদের এ ধারণা কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৪৯৩) : কোনো কোনো হাজী সাহেব মনে করেন, ইহরামের কাপড় একবার পরলে আর পরিবর্তন করা যায় না। তাদের এ ধারণা কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৪৯২) : কোনো কোনো হাজী সাহেব ইহরামের কাপড় না পরে বিমানে উঠে যায়। পরবর্তীতে বিমানের মধ্যে ইহরামের কাপড় পরতে না পারার কারণে ইহরাম বাঁধতে দেরি করে। এখন যদি কেউ সেলাইযুক্ত কাপড় পরেই ইহরাম বেঁধে ফেলে তাহলে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (৪৯১) : শুনেছি, অনেক হাজী সাহেবই বিমান থেকে নেমে জিদ্দা থেকে ইহরাম বাঁধেন। আমাকে এক ভাই বলেন, জিদ্দা থেকে ইহরাম বাঁধলে সমস্যা হবে। জানতে চাই, এ ক্ষেত্রে সঠিক স্থান কোনটি?
প্রশ্ন (৪৯০) : ইহরামের কাপড় পরে নামাজ পড়ার নিয়ত করলেই কি ইহরাম সম্পন্ন হয়ে যায়?
প্রশ্ন (৪৮৯) : আমাকে এক ব্যক্তি বললেন, ইহরামের পূর্বে দুই রাকাত নামাজ পড়তে হয়। তাই নামাজ পড়ার আগ পর্যন্ত ইহরাম বাঁধা যাবে না। তার এই কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪৮৮) : যিলহজ্ব মাসের ৯ তারিখ রোযা রাখার গুরুত্ব ও ফযিলত কী?
প্রশ্ন (৪৮৭) : যিলহজ্ব মাসে নখ-চুল না কাটার বিধানটি কি শুধু হাজীদের জন্য না অন্য সবার জন্য?
প্রশ্ন (৪৮৬) : যিলহজ্ব মাসের প্রথম দশকে কি নখ, চুল কাটা যাবে না?
প্রশ্ন (৪৮৫) : যিলহজ্বের প্রথম নয় দিন রোযা রাখার হুকুম কী এবং ফযিলত কী?
প্রশ্ন (৪৮৪) : এক কিরানকারী মহিলার ওমরার তাওয়াফ করার মাঝখানে স্রাব শুরু হয়ে যায়। এখন তিনি কী করবেন?
প্রশ্ন (৪৮৩) : এক মহিলা তামাত্তুর ইহরাম গ্রহণ করে হজ্বে যায়। তবে মক্কা শরিফে পৌছার পূর্বেই তার স্রাব শুরু হয়ে যায়। এমতাবস্থায় তার করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৮২) : আমার উপর এ বছর হজ্ব ফরজ। কিন্তু আমি চাচ্ছি, আরও দুই তিন বছর পর হজ্বে যেতে। প্রশ্ন হলো, আমার জন্য কি দেরি করার সুযোগ আছে?
প্রশ্ন (৪৮১) : আমার এক আত্মীয় বলেছেন, হজ্বে মহিলাদের জন্য পর্দা করা লাগে না। জানতে চাই, তার এ কথাটি কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪৮০) : ইহরাম অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর বিশেষ সম্পর্ক হয়ে গেলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৭৯) : কেউ কেউ বলেন, ইহরাম বাঁধার পর মীকাতে একবার প্রবেশ করলে তা থেকে আর বের হওয়া ঠিক নয়। তাদের এই কথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৪৭৮) : গত বছর আমি যখন হজ্বে ছিলাম তখন এক বৃদ্ধার সাথে রাস্তায় সাক্ষাত হয়। তিনি আমাকে বলেন, তিনি কাফেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে তাওয়াফে যেয়ারত সময়মতো করতে পারেননি। তিনি জানতে চেয়েছেন, এ কারণে কি তার উপর দম ওয়াজিব হবে?
প্রশ্ন (৪৭৭) : গত বছর আমি এবং আমার স্ত্রী হজ্ব করেছি। হজ্বের মাঝে তাওয়াফে যেয়ারত করার পূর্বেই তার স্রাব শুরু হয়ে যায়। পরবর্তীতে পবিত্র হওয়ার পর তিনি একবার তাওয়াফ করেন। দেশে আসার পর এক আলেম আমাকে বলেনে, তার উপর দম ওয়াজিব হবে। প্রশ্ন হলো, আসলেই কি তার উপর দম ওয়াজিব হবে? ওয়াজিব হয়ে থাকলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (৪৭৬) : কোনো ব্যক্তির যদি হজ্বের মধ্যে ভুলে কোনো ওয়াজিব ছুটে যায় তাহলে তিনি কী করবেন?
প্রশ্ন (৪৭৫) : কোনো ব্যক্তি যদি হজ্বের মৌসুম ছাড়া অন্য সময় উমরা পালনের উদ্দেশ্যে হারাম শরিফে যায় তাহলে পরবর্তীতে তার উপর হজ্ব আদায় করা ফরজ হবে কি?
প্রশ্ন (৪৭৪) : কোনো মহিলা যদি কোনো কারণে উকুফে আরাফা করতে না পারে তাহলে তার করণীয় কী? দয়া করে জানাবেন।