আমাদের নবী (সা.) এর সবচেয়ে বড় মুজিযা কী
প্রশ্ন (৬৭৪) : রাসূল (সা.) এর তো অনেক মুজিযা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মুজিযা কোনটি?
প্রশ্ন (৬৭৪) : রাসূল (সা.) এর তো অনেক মুজিযা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মুজিযা কোনটি?
প্রশ্ন (৬৭৩) : কেয়ামতের দিন কারা কারা সুপারিশ করতে পারবে?
প্রশ্ন (৬৭২) : কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম কোন নবী সুপারিশ করবেন?
প্রশ্ন (৬৭১) : নবীগণ কি মাসুম বা নিষ্পাপ? যদি নিষ্পাপ হয়ে থাকেন তাহলে তাদের কারও কারও দ্বারা যে কিছু কিছু ভুল হয়ে গেছে সেগুলোর ব্যাখ্যা কী?
প্রশ্ন (৬৭০) : আল্লাহ তাআলা মহিলাদের মধ্যে কি কাউকে নবী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন?
প্রশ্ন (৬৬৯) : আমার এক বন্ধু তার হিন্দু প্রেমিকাকে খুশী করার জন্য তার সাথে গিয়ে মন্দিরে প্রণাম করে এসেছে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আমি তো আর অন্তর থেকে বিশ্বাস করে প্রণাম করিনি। জানতে চাই, তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে কি?
প্রশ্ন (৬৬৮) : যে সকল লোক কাদিয়ানীদের পক্ষে কথা বলে, তাদেরকে আর্থিক ও আইনী সহযোগিতা করে এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করে তাদের হুকুম কী?
প্রশ্ন (৬৬৭) : কোনো ব্যক্তি যদি এই আকীদা রাখে যে, পীর দুনিয়াতে সকল বিপদাপদ থেকে রক্ষা করতে পারে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে এই ব্যক্তির বিধান কী?
প্রশ্ন (৬৬৬) : প্রসঙ্গক্রমে কেউ যদি বলে ফেলে money is the second god তাহলে তার ঈমান বাকি থাকবে কী?
প্রশ্ন (৬৬৫) : আমি একজন নওমুসলিম। আমি তো এখনো পুরাপুরি নামাজ পড়তে পারি না। তাই আমি কী করব?
প্রশ্ন (৬৬৪) : আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন নওমুসলিম। কিছু দিন পূর্বে আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমি তো ইতিপূর্বে অনেক মারাত্মক ধরনের গুনাহ করেছি। আল্লাহ যদি আখেরাতে আমাকে এর জন্য পাকড়াও করেন তাহলে তো আমার বাঁচার কোনো উপায় থাকবে না। এ থেকে বাঁচার জন্য আমি কী করতে পারি?
প্রশ্ন (৬৬৩) : আমাদের এলাকার এক পীর সাহেব তার মুরীদদেরকে এই কথা বলে যে, তিনি পরকালে তাদের জান্নাতের ব্যবস্থা করে দিবেন। এমন পীরের হাতে বায়আত হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬৬২) : আমার এক অমুসলিম বন্ধু আল্লাহকে বিশ্বাস করে। কিন্তু নির্দিষ্ট করে ইসলাম ধর্ম মানতে চায় না। তার কথা হলো, সে সকল ধর্মের ভালো দিকগুলোর সাথে থাকবে। আমার প্রশ্ন হলো, এমনভাবে যদি কেউ তার জীবন কাটায় সে কি কেয়ামতের দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে?
প্রশ্ন (৬৬১) : আমি একজন অমুসলিম। আমাকে আমার কিছু মুসলিম বন্ধু ইসলাম গ্রহণের কথা বলে। কিন্তু আমি জানতে চাই, কেন আমি অন্য ধর্ম গ্রহণ না করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করব?
প্রশ্ন (৬৬০) : কোনো ব্যক্তির স্ত্রী ঠিকমত নামাজ-রোজা, পর্দা পুশিদা করে না এবং বিভিন্ন সময়ে সে আল্লাহ সম্পর্কে অশোভন ও অশালীন মন্তব্য করে। স্বামী তার স্ত্রীকে বহুবার সতর্ক করেছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। এক পর্যায়ে সে নিম্নোক্ত জঘন্য মন্তব্য ও উক্তি করে বসেছে ‘আমি দীর্ঘদিন রোগে ভুগছি আল্লাহ আমাকে ভালো করেন না। আল্লাহ কি অন্ধ বধির? আল্লাহ জালিম, তিনি সুবিচার করেন না। আমি আর আল্লাহর ইবাদত করব না। আল্লাহর ইবাদত করার চেয়ে শয়তানের ইবাদত করাই উত্তম। আমি আর নামাজ পড়বো না। আল্লাহর কপালে ঝাড়ু মারি। আল্লাহর কোনো ক্ষমতা নাই। ক্ষমতা থাকলে আমার রোগ ভালো করে দেন না কেন?’ এখন প্রশ্ন হলো, উপরোক্ত অশালীন ও শরীয়ত বিরোধী বক্তব্যের পর উক্ত মহিলার ঈমান থাকবে কি? উল্লিখিত অবস্থার প্রেক্ষিতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ব্যাপারে শরীয়তের ফায়সালা কী? উক্ত মহিলাকে তার স্বামীর জন্য তালাক প্রদান করা কি জরুরি?
প্রশ্ন (৬৫৯) : আমি একটি বইয়ে পড়েছি, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান। এ কথার মানে কি এই যে, আল্লাহ তাআলা সব জায়গায় আছেন? তাহলে কি আল্লাহ ভালো-খারাপ সব জায়গায় আছেন? যদি তা না হয় তাহলে এ কথার ব্যাখ্যা কী?
প্রশ্ন (৬৫৮) : কেউ কেউ বলেন আল্লাহ তাআলার আকার আছে। আবার কেউ কেউ বলেন, আল্লাহ তাআলার কোনো আকার নেই। এ ব্যাপারে সঠিক কথা কী?
প্রশ্ন (৬৫৭) : আমি একটি হাদিসে পড়েছি, জামাতের সাথে নামাজ না পড়ার কারণে রাসূল (সা. ) বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। প্রশ্ন হলো, ইসলামে জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে এত বেশি গুরুত্ব কেন?
প্রশ্ন (৬৫৬) : আমি একজন খ্রিস্টান। আমি বিভিন্ন বইপত্র পড়ে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছি। আমি ইসলাম গ্রহণ করতে চাই। আমার কী করা লাগবে?
প্রশ্ন (৬৫৫) : আমি একজন্ হিন্দু। আমি দীর্ঘদিন ধরে আমি আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদীর ওয়াজ শুনে থাকি। আমার মন এখন দোটানায় রয়েছে। একবার ইসলামের দিকে ধাবিত হই। আবার পিছু টান দেই। আমার এক মুসলিম বন্ধু বলেছে, তুমি যদি মুসলমান হতে চাও তাহলে আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবের নিকট আস। তিনি তোমাকে মুসলমান বানিয়ে দিবেন। কিন্তু আমি আপনাদের ওয়েবের একটি প্রশ্নে পড়লাম, ইসলাম গ্রহণের জন্য কারও কাছে যাওয়া লাগে না। এখন আমি কী করব?